যুক্তরাষ্ট্র চায় ॥ ইরাকে ঐক্য সরকার
বিদেশী হস্তক্ষেপ সঙ্কটকে আরও জটিল করবে ॥ ইরান
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরাকের বিরুদ্ধে সামরিক হস্তক্ষেপের পরিকল্পনা করলেও তিনি দেশটিতে বিরাজমান গোষ্ঠী সংঘাত বন্ধের দিকে জোর দিতে চান বলে তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার র্যাঞ্চো মিরেজে সাপ্তাহান্তিক অবকাশ যাপন শেষে সোমবার ওয়াশিংটনে ফিরেছেন। ইরান সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ইরাকে যে কোন বিদেশী হস্তক্ষেপ সঙ্কটকে আরও জটিল করে তুলবে। খবর নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, অনলাইন ও এএফপির।
জিহাদি গ্রুপ ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক এ্যান্ড সিরিয়ার (আইসিস) হাতে অতিসম্প্রতি ইরাকের কয়েকটি শহরের পতন ঘটার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে সামরিক হামলার পরিকল্পনার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যেই চালকবিহীন ড্রোন দিয়ে ইরাকে সম্ভাব্য জঙ্গী ঘাঁটিগুলোর অবস্থান শনাক্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও ওবামা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, ইরাকে একটি জাতীয় ঐক্য সরকার গঠনের ওপরই তারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই ইরাকের প্রধানমন্ত্রী নুরি আল মালিকির কাছে জাতীয় ঐক্য সরকার গঠনের লক্ষে কুর্দি ও সুন্নীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে। একদিকে সামরিক আক্রমণ অন্যদিকে ঐক্য সরকার গঠনের জন্য চাপ এই দুটো উপায়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরাক পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করছে। সুন্নি জিহাদি গ্রুপ আইসিস গত এক সপ্তাহে যেভাবে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ইরাকের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে তার ফলে রাজধানী বাগদাদের নিরাপত্তা নিয়ে এখন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের ইরাক আগ্রাসনে প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে দেশটিতে শিয়া-সুন্নি-কুর্দি বিভেদ তীব্র আকারে বিরাজ করছে। ২০১০ সালে জাতীয় ঐক্য সরকার গঠনের জন্য ওবামা মালিকির প্রতি ব্যক্তিগতভাবে আহ্বান জানিয়েছিলেন। ওবামা চেয়েছিলেন মালিকি এমন একটি সরকার গঠন করুক যাতে সুন্নিদের যথেষ্ট সংখ্যক প্রতিনিধিত্ব থাকবে। কিন্তু তার সে আহ্বান কাজে আসেনি।
রবিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ব্যাপক নিরাপত্তা প্রহরী বেষ্টিত বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে কর্মরত স্টাফদের প্রতিবেশী জর্ডান ও অন্যান্য কনস্যুলেটে সরিয়ে নেয়ার কথা জানিয়েছে। শিয়া নেতৃত্বাধীন মালিকি সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে দেশটির আরেক প্রতিবেশী ইরান। সঙ্কট সমাধানে ওবামা যে রাজনৈতিক উপায়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করছেন তাকে সমর্থন করেছে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের বৈরি তেহরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা হামিদ আবু তালেবি টুইটারে লিখেছেন, ‘দেশে ঐক্য বজায় রাখার স্বার্থে ইরাকী রাজনীতিকদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রই পারে ইরাক সঙ্কট সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে।’
জিহাদি গ্রুপ ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক এ্যান্ড সিরিয়ার (আইসিস) হাতে অতিসম্প্রতি ইরাকের কয়েকটি শহরের পতন ঘটার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে সামরিক হামলার পরিকল্পনার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যেই চালকবিহীন ড্রোন দিয়ে ইরাকে সম্ভাব্য জঙ্গী ঘাঁটিগুলোর অবস্থান শনাক্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও ওবামা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, ইরাকে একটি জাতীয় ঐক্য সরকার গঠনের ওপরই তারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই ইরাকের প্রধানমন্ত্রী নুরি আল মালিকির কাছে জাতীয় ঐক্য সরকার গঠনের লক্ষে কুর্দি ও সুন্নীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে। একদিকে সামরিক আক্রমণ অন্যদিকে ঐক্য সরকার গঠনের জন্য চাপ এই দুটো উপায়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরাক পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করছে। সুন্নি জিহাদি গ্রুপ আইসিস গত এক সপ্তাহে যেভাবে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ইরাকের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে তার ফলে রাজধানী বাগদাদের নিরাপত্তা নিয়ে এখন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের ইরাক আগ্রাসনে প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে দেশটিতে শিয়া-সুন্নি-কুর্দি বিভেদ তীব্র আকারে বিরাজ করছে। ২০১০ সালে জাতীয় ঐক্য সরকার গঠনের জন্য ওবামা মালিকির প্রতি ব্যক্তিগতভাবে আহ্বান জানিয়েছিলেন। ওবামা চেয়েছিলেন মালিকি এমন একটি সরকার গঠন করুক যাতে সুন্নিদের যথেষ্ট সংখ্যক প্রতিনিধিত্ব থাকবে। কিন্তু তার সে আহ্বান কাজে আসেনি।
রবিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ব্যাপক নিরাপত্তা প্রহরী বেষ্টিত বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে কর্মরত স্টাফদের প্রতিবেশী জর্ডান ও অন্যান্য কনস্যুলেটে সরিয়ে নেয়ার কথা জানিয়েছে। শিয়া নেতৃত্বাধীন মালিকি সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে দেশটির আরেক প্রতিবেশী ইরান। সঙ্কট সমাধানে ওবামা যে রাজনৈতিক উপায়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করছেন তাকে সমর্থন করেছে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের বৈরি তেহরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা হামিদ আবু তালেবি টুইটারে লিখেছেন, ‘দেশে ঐক্য বজায় রাখার স্বার্থে ইরাকী রাজনীতিকদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রই পারে ইরাক সঙ্কট সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে।’
No comments:
Post a Comment