অর্জুনের তোপ সত্ত্বেও পাশেই দল, অধ্যক্ষের শরণে বিধায়ক
এই সময় : পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে দল এবং রাজ্য সরকারকে প্রকাশ্যে কাঠগড়ায় তুললেও বিধায়ক অর্জুন সিং -এর বিরুদ্ধে এখনই কোনও পদক্ষেপ না করারই ইঙ্গিত দিচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব৷ প্রকাশ্যে অন্তত ভাটপাড়ার দোর্দণ্ডপ্রতাপ বিধায়কের পাশেই দাঁড়াচ্ছে দল৷ অর্জুনের ক্ষোভে প্রলেপ দিতে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁর অভিযোগকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েই বিবেচনা করছেন৷ শুক্রবার এর প্রমাণ মিলেছে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায়ের কথায়৷ বিধানসভায় বসেই মুকুলবাবু অর্জুনের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন , 'আমি বা শুভেন্দু অধিকারী কোনও না কোনও সময় ভোটে হেরেছি৷ কিন্ত্ত অর্জুন হারেনি৷ ও সত্যিই অসাধারণ৷ ' মুকুলবাবুর বক্তব্য , 'অর্জুন দলকে সব জানিয়েছে৷ দল সরকারের সঙ্গে কথা বলবে৷ '
এ দিকে , ব্যারাকপুর কমিশনারেটের এসিপি কল্যাণ সরকারের সাসপেনশন দাবি করে বিধানসভার অধ্যক্ষকেও চিঠি দিচ্ছেন অর্জুন৷ তাঁর কথায় , 'ওই পুলিশ অফিসারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই৷ সেটা যতক্ষণ না হচ্ছে , ততক্ষণ আমি থামছি না৷ মুকুলদার সঙ্গেও কথা হয়েছে৷ ঘটনার রাতে মুখ্যমন্ত্রীকেও এসএমএস করেছিলাম৷ ' ৪ জুন রাত ৮টা নাগাদ কলকাতা থেকে ভাটপাড়া ফেরার পথে বরাহনগর থানার অদূরে ব্যারাকপুর পুলিশের একটি দল তাঁর উপর চড়াও হয় বলে অর্জুনের অভিযোগ৷ অ্যাসিসট্যান্ট কমিশনার কল্যাণ সরকার মত্ত অবস্থায় তাঁর ঘাড়ে পিস্তল ঠেকিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলে দাবি বিধায়কের৷ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ দিয়ে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে কল্যাণ সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেন তিনি৷ সোমবার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধায়ের হাতে সেই অভিযোগপত্রের প্রতিলিপি তুলে দিতে চলেছেন তিনি৷ তাঁর কথায় , 'ওই পুলিশ অফিসার আমার ঘাড়ে বন্দুক ঠেকিয়ে বলে , আজ তোকে মেরেই ফেলব৷ তখন ওর মুখ থেকে মদের গন্ধ বেরোচ্ছিল৷ আমার শিরদাঁড়া দিয়ে আতঙ্কের হিমস্রোত বয়ে যায়৷ পিস্তলের ককও টেনে ফেলেছিল ওই অফিসার৷ পুলিশের হাতে যে সব বন্দুক থাকে সেগুলো বেশিরভাগই নিম্নমানের৷ গুলি ছুটে গেলে তার দায় কে নিত ?' এ ব্যাপারে অনেক চেষ্টা করেও কল্যাণবাবুর বক্তব্য অবশ্য জানা যায়নি৷
তবে অর্জুনের অভিযোগ একাধারে রাজ্য সরকার এবং শাসকদলকে বিড়ম্বনায় ফেলেছে৷ কারণ তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রশ্ন তুলেছেন , 'এক জন বিধায়কের যদি পুলিশের হাতে এই হাল হয় তা হলে রাজ্যের আম জনতার নিরাপত্তা কোথায় ?' ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে , অর্জুন পুলিশ -প্রশাসনের দিকেই আঙুল তুলতে চেয়েছেন৷ ' হেনস্থার পিছনে তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ , পুলিশের একাংশ , এমনকী মাদক পাচারকারীদের যৌথ চক্রান্ত থাকতে পারে বলেও মনে করছেন ভাটপাড়ার বিধায়ক৷
এ দিকে , ব্যারাকপুর কমিশনারেটের এসিপি কল্যাণ সরকারের সাসপেনশন দাবি করে বিধানসভার অধ্যক্ষকেও চিঠি দিচ্ছেন অর্জুন৷ তাঁর কথায় , 'ওই পুলিশ অফিসারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই৷ সেটা যতক্ষণ না হচ্ছে , ততক্ষণ আমি থামছি না৷ মুকুলদার সঙ্গেও কথা হয়েছে৷ ঘটনার রাতে মুখ্যমন্ত্রীকেও এসএমএস করেছিলাম৷ ' ৪ জুন রাত ৮টা নাগাদ কলকাতা থেকে ভাটপাড়া ফেরার পথে বরাহনগর থানার অদূরে ব্যারাকপুর পুলিশের একটি দল তাঁর উপর চড়াও হয় বলে অর্জুনের অভিযোগ৷ অ্যাসিসট্যান্ট কমিশনার কল্যাণ সরকার মত্ত অবস্থায় তাঁর ঘাড়ে পিস্তল ঠেকিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলে দাবি বিধায়কের৷ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ দিয়ে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে কল্যাণ সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেন তিনি৷ সোমবার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধায়ের হাতে সেই অভিযোগপত্রের প্রতিলিপি তুলে দিতে চলেছেন তিনি৷ তাঁর কথায় , 'ওই পুলিশ অফিসার আমার ঘাড়ে বন্দুক ঠেকিয়ে বলে , আজ তোকে মেরেই ফেলব৷ তখন ওর মুখ থেকে মদের গন্ধ বেরোচ্ছিল৷ আমার শিরদাঁড়া দিয়ে আতঙ্কের হিমস্রোত বয়ে যায়৷ পিস্তলের ককও টেনে ফেলেছিল ওই অফিসার৷ পুলিশের হাতে যে সব বন্দুক থাকে সেগুলো বেশিরভাগই নিম্নমানের৷ গুলি ছুটে গেলে তার দায় কে নিত ?' এ ব্যাপারে অনেক চেষ্টা করেও কল্যাণবাবুর বক্তব্য অবশ্য জানা যায়নি৷
তবে অর্জুনের অভিযোগ একাধারে রাজ্য সরকার এবং শাসকদলকে বিড়ম্বনায় ফেলেছে৷ কারণ তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রশ্ন তুলেছেন , 'এক জন বিধায়কের যদি পুলিশের হাতে এই হাল হয় তা হলে রাজ্যের আম জনতার নিরাপত্তা কোথায় ?' ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে , অর্জুন পুলিশ -প্রশাসনের দিকেই আঙুল তুলতে চেয়েছেন৷ ' হেনস্থার পিছনে তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ , পুলিশের একাংশ , এমনকী মাদক পাচারকারীদের যৌথ চক্রান্ত থাকতে পারে বলেও মনে করছেন ভাটপাড়ার বিধায়ক৷
No comments:
Post a Comment