বাজেটের অপেক্ষায় সুদের হার অপরিবর্তিত রাখলেন রাজন
মুম্বই: সুদের হার কমালেন না, কিন্ত্ত মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে মঙ্গলবার সুর নরম করলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক গভর্নর রঘুরাম রাজন৷ ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন অগস্ট মাসে পরবর্তী ঋণনীতি ঘোষণার সময় পরিস্থিতি বিচার করে সুদের হার কমাতেও পারে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক৷
সুদের হার অপরিবর্তীত রাখলেও দেশের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় অতিরিক্ত ৪০,০০০ কোটি টাকা নগদ জোগান বাড়াতে রাজন এ দিন বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির জন্য 'স্ট্যাটুটরি লিকুইডিটি রেশিও' বা এসএলআর ২৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২২.৫ শতাংশ করেন৷ ১৪ জুন থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে৷ প্রতিটি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ককে তাদের নিট আমানতের একটি নির্দ্দিষ্ট অংশ সরকারি ঋণপত্রে বাধ্যতামূলকভাবে বিনিয়োগ করতে হয়৷ ব্যাঙ্কগুলির আমানতের এই অনুপাতকেই বলে এসএলআর৷ মঙ্গলবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এই অনুপাত কমানোয় বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির হাতে শিল্প ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ধার দেওয়ার জন্য এখন অতিরিক্ত প্রায় ৪০,০০০ কোটি টাকা আসবে৷
বিশেষজ্ঞদের কাছে এ দিন এসএলআর কমানোর সিদ্ধান্ত ছিল রাজনের একটা নতুন চমক৷ তাঁদের ধারণা, মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সুর নরম করার পাশাপাশি ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় নগদের জোগান বাড়িয়ে অদূর ভবিষ্যতে সুদের হার কমানোর জমি এখন থেকেই তৈরি করে রাখলেন আরবিআই গভর্নর৷ রাজন বলেন, 'অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ালে শিল্প সংস্থাগুলির ঋণের চাহিদা বাড়বে৷ তাই, ব্যাঙ্কগুলির হাতে ঋণ দেওয়ার মতো টাকা থাকা দরকার৷ এসএলআর কমালে শিল্প সংস্থাগুলিকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলি আরও বেশি স্বচ্ছন্দ থাকবে৷'
জুলাই মাসে নতুন সরকার বাজেট পেশ করবে৷ এ বছর বৃষ্টিপাত কতটা কম হতে পারে এবং কৃষি উত্পাদনের তার কতটা প্রভাব পড়বে তা নিয়েও একটা স্পষ্ট ছবি পাওয়া যাবে তখন৷ তাই, অগস্টে ঋণনীতি ঘোষণার সময় সুদের হার কমানোর ব্যাপারে অনেক বেশি নিশ্চিত হতে পারবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক৷ সেই কারণে, মঙ্গলবার সুদের হার অপরিবর্তীত রাখার সিদ্ধান্তই সবচেয়ে যুক্তিগ্রাহ্য বলে মনে করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক৷
এ দিন অর্থনীতির পর্যালোচনায় রাজন বলেন, 'কেন্দ্রে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার তৈরি হওয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং নীতি প্রণয়ন অনেক সহজ হবে যেটা আখেরে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক হবে৷' 'এ বছর স্বল্প বৃষ্টির পূর্বাভাসে কৃষি উত্পাদন নিয়ে একটা ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে৷ কিন্ত্ত, কেন্দ্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার হওয়ায় ও বিনিয়োগকারীদের মনে আস্থা ফিরে আসায় সুসংহত নীতি নির্ধারণ এবং তার প্রণয়নের সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে৷ এর ফলে আগামী দিনে দেশে চাহিদা বাড়বে এবং অর্থনীতি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াবে,' রাজন বলেন৷
অর্থাত্, জুলাই মাসে নতুন সরকার তার প্রথম বাজেটে কী আর্থিক নীতি নেয় সেটাই দেখতে চান রাজন৷ পরবর্তী (অগস্ট মাসে) ঋণনীতি সেই আর্থিক নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই তৈরি হবে৷ মঙ্গলবার সুুদের হার অপরিবর্তিত রাখা নিয়ে রাজন বলেন, 'বর্তমান পরিস্থিতিতে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখাই সমীচিন৷ এর ফলে জানুয়ারি ২০১৩ থেকে জানুয়ারি ২০১৪-র মধ্যে সুদের হার বাড়ানোর যে প্রভাব অর্থনীতির উপর পড়েছিল তাও কিছুটা কমানো সম্ভব হবে৷' তিনি বলেন, '২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে পণ্যের খুচরো দরে মূল্যবৃদ্ধি কিছুটা প্রশমিত হলেও তা এখনও অনেকটাই চড়া রয়েছে৷' মূল্যবৃদ্ধি দ্রুত প্রশমিত হলে ঋণনীতি শিথিলের পাশাপাশি সুদের হার কমানোর ইঙ্গিতও দিয়েছেন রাজন৷
সুদের হার অপরিবর্তীত রাখলেও দেশের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় অতিরিক্ত ৪০,০০০ কোটি টাকা নগদ জোগান বাড়াতে রাজন এ দিন বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির জন্য 'স্ট্যাটুটরি লিকুইডিটি রেশিও' বা এসএলআর ২৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২২.৫ শতাংশ করেন৷ ১৪ জুন থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে৷ প্রতিটি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ককে তাদের নিট আমানতের একটি নির্দ্দিষ্ট অংশ সরকারি ঋণপত্রে বাধ্যতামূলকভাবে বিনিয়োগ করতে হয়৷ ব্যাঙ্কগুলির আমানতের এই অনুপাতকেই বলে এসএলআর৷ মঙ্গলবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এই অনুপাত কমানোয় বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির হাতে শিল্প ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ধার দেওয়ার জন্য এখন অতিরিক্ত প্রায় ৪০,০০০ কোটি টাকা আসবে৷
বিশেষজ্ঞদের কাছে এ দিন এসএলআর কমানোর সিদ্ধান্ত ছিল রাজনের একটা নতুন চমক৷ তাঁদের ধারণা, মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সুর নরম করার পাশাপাশি ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় নগদের জোগান বাড়িয়ে অদূর ভবিষ্যতে সুদের হার কমানোর জমি এখন থেকেই তৈরি করে রাখলেন আরবিআই গভর্নর৷ রাজন বলেন, 'অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ালে শিল্প সংস্থাগুলির ঋণের চাহিদা বাড়বে৷ তাই, ব্যাঙ্কগুলির হাতে ঋণ দেওয়ার মতো টাকা থাকা দরকার৷ এসএলআর কমালে শিল্প সংস্থাগুলিকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলি আরও বেশি স্বচ্ছন্দ থাকবে৷'
জুলাই মাসে নতুন সরকার বাজেট পেশ করবে৷ এ বছর বৃষ্টিপাত কতটা কম হতে পারে এবং কৃষি উত্পাদনের তার কতটা প্রভাব পড়বে তা নিয়েও একটা স্পষ্ট ছবি পাওয়া যাবে তখন৷ তাই, অগস্টে ঋণনীতি ঘোষণার সময় সুদের হার কমানোর ব্যাপারে অনেক বেশি নিশ্চিত হতে পারবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক৷ সেই কারণে, মঙ্গলবার সুদের হার অপরিবর্তীত রাখার সিদ্ধান্তই সবচেয়ে যুক্তিগ্রাহ্য বলে মনে করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক৷
এ দিন অর্থনীতির পর্যালোচনায় রাজন বলেন, 'কেন্দ্রে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার তৈরি হওয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং নীতি প্রণয়ন অনেক সহজ হবে যেটা আখেরে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক হবে৷' 'এ বছর স্বল্প বৃষ্টির পূর্বাভাসে কৃষি উত্পাদন নিয়ে একটা ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে৷ কিন্ত্ত, কেন্দ্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার হওয়ায় ও বিনিয়োগকারীদের মনে আস্থা ফিরে আসায় সুসংহত নীতি নির্ধারণ এবং তার প্রণয়নের সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে৷ এর ফলে আগামী দিনে দেশে চাহিদা বাড়বে এবং অর্থনীতি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াবে,' রাজন বলেন৷
অর্থাত্, জুলাই মাসে নতুন সরকার তার প্রথম বাজেটে কী আর্থিক নীতি নেয় সেটাই দেখতে চান রাজন৷ পরবর্তী (অগস্ট মাসে) ঋণনীতি সেই আর্থিক নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই তৈরি হবে৷ মঙ্গলবার সুুদের হার অপরিবর্তিত রাখা নিয়ে রাজন বলেন, 'বর্তমান পরিস্থিতিতে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখাই সমীচিন৷ এর ফলে জানুয়ারি ২০১৩ থেকে জানুয়ারি ২০১৪-র মধ্যে সুদের হার বাড়ানোর যে প্রভাব অর্থনীতির উপর পড়েছিল তাও কিছুটা কমানো সম্ভব হবে৷' তিনি বলেন, '২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে পণ্যের খুচরো দরে মূল্যবৃদ্ধি কিছুটা প্রশমিত হলেও তা এখনও অনেকটাই চড়া রয়েছে৷' মূল্যবৃদ্ধি দ্রুত প্রশমিত হলে ঋণনীতি শিথিলের পাশাপাশি সুদের হার কমানোর ইঙ্গিতও দিয়েছেন রাজন৷
No comments:
Post a Comment