শিল্পকলায় কথা ও গানে শচীন দেব বর্মণ স্মরণ
সংস্কৃতি সংবাদ
স্টাফ রিপোর্টার ॥ উপমহাদেশের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী শচীন দেব বর্মণ। বৈচিত্র্যময় আনুনাসিক কণ্ঠে গান গাওয়ার পাশাপাশি রচনা করেছেন অসংখ্য কালজয়ী বাংলা গান। সঙ্গীত পরিচালনায়ও ছিলেন সিদ্ধহস্ত। মঙ্গলবার গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় স্মরণ করা হলো এই সঙ্গীতগুণীকে। তাঁকে নিবেদিত আলোচনা এবং তাঁর রচিত গানের সুরে সুরে সাজানো হয় এ স্মরণানুষ্ঠান। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে বসে এ স্মরণের আয়োজন।
শিল্পীকে নিবেদিত আলোচনা দিয়ে স্মরণানুষ্ঠানের সূচনা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. করুণাময় গোস্বামী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন লোকগানের কণ্ঠশিল্পী ও লোকজ সংগ্রাহক কিরণচন্দ্র রায়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমীর সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক সোহরাব উদ্দীন। সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।
আলোচনা শেষে একক কণ্ঠে সঙ্গীত পরিবেশন করেন কিরণচন্দ্র রায়, অনুপমা মুক্তি, স্বঞ্জয় রায়, ইয়াসমিন আলী, সন্দীপন ও আবিদা রহমান সেতু। সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করে ঢাকার সাংস্কৃতিক দল। দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে শিল্পকলা একাডেমি রেপার্টরি দল।
নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী শুরু আজ ॥ শিল্পের নান্দনিক প্রকাশে নবীন চারুশিল্পীরা সব সময়ই দারুণ উন্মুখ। তারুণ্যের সৃজনবৈভবে উদ্দীপ্ত তাঁদের শিল্পের আঙিনা। আর তরুণ শিল্পীদের সেই সুপ্ত প্রতিভা মেলে ধরতে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগ আয়োজিত ১৯তম নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী ২০১৪। বেলা ১২টায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ী শিল্পীদের পুরস্কার প্রদান এবং প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস ও শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। মঙ্গলবার দুুপুরে শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিল্পকলা একাডেমির সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী, চারুকলা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ও চারুকলা বিভাগের ইন্সট্রাক্টর প্রদ্যুৎ কুমার।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, নবীনরাই আমাদের প্রাণশক্তি ও সাহসের উৎস। তাঁদের কর্মস্পৃহা ও অফুরান উদ্যম আমাদের আশার আলোকবর্তিকা। এ কারণেই মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠায় তরুণদের আত্মদান থেকে দেশমাতৃকার গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ, গণতান্ত্রিক আন্দোলনসহ সর্বত্রই উজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে তরুণরা । আর এই তারুণ্যের উচ্ছলতায় প্রস্ফুটিত হয় শিল্পের ফুল।
প্রদর্শনী সম্পর্কে জানানো হয়, পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সারাদেশের নবীন শিল্পীদের কাছ থেকে তাঁদের সৃজিত শিল্পকর্মের আলোকচিত্র জমা দেয়ার আহ্বান করা হয়। আর এই প্রক্রিয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৫২৮ নবীন শিল্পীর ১২০৭টি শিল্পকর্ম জমা পড়ে। এর মধ্যে ১৬৬ শিল্পীর ১৯৭টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর জন্য চূড়ান্ত করেন নির্বাচকম-লী। যাচাই-বাছাইয়ে নির্বাচকম-লীর দায়িত্বে ছিলেন চিত্রশিল্পী হাসান মাহমুদ, শ্যামল চৌধুরী, ফারেহা জেবা ও মোঃ আলপ্তগীন তুষার। বাছাইকৃত শিল্পকর্মগুলোর মধ্য থেকে ৮টি শিল্পকর্ম পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করা হয়। এর মধ্যে ১টি নবীন চারুশিল্পী পুরস্কার, ৩টি মাধ্যম শ্রেষ্ঠ পুরস্কার ও ৪টি সম্মানসূচক পুরস্কার। এই প্রক্রিয়ায় বিচারক হিসেবে ছিলেন চারুশিল্পী খালিদ মাহমুদ মিঠু, শেখ আফজাল হোসেন, শামসুদ্দোহা ও আনিসুজ্জমান।
জাতীয় চিত্রশালা গ্যালারিতে অনুষ্ঠিতব্য প্রদর্শনী চলবে ২৫ জুন পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত আটটা এবং শুক্রবার বেলা তিনটা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ তথ্যচিত্রের মোড়ক উন্মোচন
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন, বেড়ে ওঠা ও হত্যাকা-ের ওপর দেশী-বিদেশী চিত্রগ্রাহকদের তোলা দূর্লভ ভিডিওচিত্র নিয়ে নির্মিত হয়েছে তথ্যচিত্র ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ।’ ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়ার ভিডিও সম্পাদনায় ১১০ মিনিট ব্যপ্তির এ তথ্যচিত্রটির পরিকল্পনা ও পরিচালনা করেছেন বিটিভির উপমহাপরিচালক (অনুষ্ঠান) বাহার উদ্দিন খেলন। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তথ্যচিত্রটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। ফয়জুল্লাহ সাঈদের উপস্থাপনায় মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, বিটিভির মহাপরিচালক আব্দুল মান্নান, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।
জিহাদুর রহমান জিহাদ নিবেদিত উড হাউজ গ্রুপ প্রযোজিত তথ্যচিত্রটি আগামী ২০ জুন বিশ্বব্যাপী প্রকাশ করা হবে।
চট্টগ্রামে ‘বইয়ের আড়ং’
চট্টগ্রাম অফিস জানায়, চট্টগ্রাম নগরীর মুসলিম ইনস্টিটিউট হলে মঙ্গলবার সকালে শুরু হয়েছে বাংলা একাডেমির ৬ দিনব্যাপী ‘বইয়ের আড়ং।’ বেলুন উড়িয়ে আড়ং উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বিশিষ্ট লোকো বিজ্ঞানী শামসুজ্জামান খান বলেন, বন্দরনগরী চট্টগ্রাম শুধু বাণিজ্যিক রাজধানীই নয়,্ এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানীও। এখানেই জন্মেছেন আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ, ড. এনামুল হক, ড. আহমেদ শরীফ, আবুল ফজল, আবদুল হক চৌধুরী, সুচরিত চৌধুরীর মতো অসংখ্য জ্ঞানী গুণী। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক, রাজনীতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক অগ্রযাত্রায় চট্টগ্রাম উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর দৃষ্টান্ত রেখেছে। ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহ বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম সোপান। মেলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর উদ্দেশ্য শুধু বিক্রি নয়, আঞ্চলিক পর্যায়ে সাংস্কৃতিক লেনদেন এবং সাংস্কৃতিক সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকাশনা সম্পর্কে জানা ও প্রান্তিক পর্যায়ে বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনার স্তর সম্পর্কে ধারণা দেয়া।
উদ্বোধক ড. অনুপম সেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, বই ও সভ্যতা সমার্থক। আধুনিক বিশ্ব সভ্যতা বইয়ের সৃষ্টি। হুমারের ইলিয়াড পড়েই প্রত্নতাত্ত্বিকরা ট্রয় নগরীর অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন। আধুনিক জাপানের অগ্রগতির নেপথ্যেও অনুবাদ সাহিত্যের বড় অবদান রয়েছে।
আবৃত্তি শিল্পী আয়েশা হকের সঞ্চালনায় বাংলা একাডেমির বইয়ের আড়ং অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য প্রফেসর ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি ছড়াকার রাশেদ রউফ ও বাংলা একাডেমির উপপরিচালক আফজাল হোসেন। এ উপলক্ষে ৩ দিনের আলোচনাসভারও আয়োজন করা হয়েছে। আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখবেন শিল্প সাহিত্য ও সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট আলোচকগণ।
শিল্পীকে নিবেদিত আলোচনা দিয়ে স্মরণানুষ্ঠানের সূচনা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. করুণাময় গোস্বামী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন লোকগানের কণ্ঠশিল্পী ও লোকজ সংগ্রাহক কিরণচন্দ্র রায়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমীর সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক সোহরাব উদ্দীন। সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।
আলোচনা শেষে একক কণ্ঠে সঙ্গীত পরিবেশন করেন কিরণচন্দ্র রায়, অনুপমা মুক্তি, স্বঞ্জয় রায়, ইয়াসমিন আলী, সন্দীপন ও আবিদা রহমান সেতু। সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করে ঢাকার সাংস্কৃতিক দল। দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে শিল্পকলা একাডেমি রেপার্টরি দল।
নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী শুরু আজ ॥ শিল্পের নান্দনিক প্রকাশে নবীন চারুশিল্পীরা সব সময়ই দারুণ উন্মুখ। তারুণ্যের সৃজনবৈভবে উদ্দীপ্ত তাঁদের শিল্পের আঙিনা। আর তরুণ শিল্পীদের সেই সুপ্ত প্রতিভা মেলে ধরতে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগ আয়োজিত ১৯তম নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী ২০১৪। বেলা ১২টায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ী শিল্পীদের পুরস্কার প্রদান এবং প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস ও শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। মঙ্গলবার দুুপুরে শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিল্পকলা একাডেমির সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী, চারুকলা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ও চারুকলা বিভাগের ইন্সট্রাক্টর প্রদ্যুৎ কুমার।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, নবীনরাই আমাদের প্রাণশক্তি ও সাহসের উৎস। তাঁদের কর্মস্পৃহা ও অফুরান উদ্যম আমাদের আশার আলোকবর্তিকা। এ কারণেই মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠায় তরুণদের আত্মদান থেকে দেশমাতৃকার গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ, গণতান্ত্রিক আন্দোলনসহ সর্বত্রই উজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে তরুণরা । আর এই তারুণ্যের উচ্ছলতায় প্রস্ফুটিত হয় শিল্পের ফুল।
প্রদর্শনী সম্পর্কে জানানো হয়, পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সারাদেশের নবীন শিল্পীদের কাছ থেকে তাঁদের সৃজিত শিল্পকর্মের আলোকচিত্র জমা দেয়ার আহ্বান করা হয়। আর এই প্রক্রিয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৫২৮ নবীন শিল্পীর ১২০৭টি শিল্পকর্ম জমা পড়ে। এর মধ্যে ১৬৬ শিল্পীর ১৯৭টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর জন্য চূড়ান্ত করেন নির্বাচকম-লী। যাচাই-বাছাইয়ে নির্বাচকম-লীর দায়িত্বে ছিলেন চিত্রশিল্পী হাসান মাহমুদ, শ্যামল চৌধুরী, ফারেহা জেবা ও মোঃ আলপ্তগীন তুষার। বাছাইকৃত শিল্পকর্মগুলোর মধ্য থেকে ৮টি শিল্পকর্ম পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করা হয়। এর মধ্যে ১টি নবীন চারুশিল্পী পুরস্কার, ৩টি মাধ্যম শ্রেষ্ঠ পুরস্কার ও ৪টি সম্মানসূচক পুরস্কার। এই প্রক্রিয়ায় বিচারক হিসেবে ছিলেন চারুশিল্পী খালিদ মাহমুদ মিঠু, শেখ আফজাল হোসেন, শামসুদ্দোহা ও আনিসুজ্জমান।
জাতীয় চিত্রশালা গ্যালারিতে অনুষ্ঠিতব্য প্রদর্শনী চলবে ২৫ জুন পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত আটটা এবং শুক্রবার বেলা তিনটা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ তথ্যচিত্রের মোড়ক উন্মোচন
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন, বেড়ে ওঠা ও হত্যাকা-ের ওপর দেশী-বিদেশী চিত্রগ্রাহকদের তোলা দূর্লভ ভিডিওচিত্র নিয়ে নির্মিত হয়েছে তথ্যচিত্র ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ।’ ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়ার ভিডিও সম্পাদনায় ১১০ মিনিট ব্যপ্তির এ তথ্যচিত্রটির পরিকল্পনা ও পরিচালনা করেছেন বিটিভির উপমহাপরিচালক (অনুষ্ঠান) বাহার উদ্দিন খেলন। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তথ্যচিত্রটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। ফয়জুল্লাহ সাঈদের উপস্থাপনায় মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, বিটিভির মহাপরিচালক আব্দুল মান্নান, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।
জিহাদুর রহমান জিহাদ নিবেদিত উড হাউজ গ্রুপ প্রযোজিত তথ্যচিত্রটি আগামী ২০ জুন বিশ্বব্যাপী প্রকাশ করা হবে।
চট্টগ্রামে ‘বইয়ের আড়ং’
চট্টগ্রাম অফিস জানায়, চট্টগ্রাম নগরীর মুসলিম ইনস্টিটিউট হলে মঙ্গলবার সকালে শুরু হয়েছে বাংলা একাডেমির ৬ দিনব্যাপী ‘বইয়ের আড়ং।’ বেলুন উড়িয়ে আড়ং উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বিশিষ্ট লোকো বিজ্ঞানী শামসুজ্জামান খান বলেন, বন্দরনগরী চট্টগ্রাম শুধু বাণিজ্যিক রাজধানীই নয়,্ এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানীও। এখানেই জন্মেছেন আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ, ড. এনামুল হক, ড. আহমেদ শরীফ, আবুল ফজল, আবদুল হক চৌধুরী, সুচরিত চৌধুরীর মতো অসংখ্য জ্ঞানী গুণী। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক, রাজনীতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক অগ্রযাত্রায় চট্টগ্রাম উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর দৃষ্টান্ত রেখেছে। ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহ বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম সোপান। মেলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর উদ্দেশ্য শুধু বিক্রি নয়, আঞ্চলিক পর্যায়ে সাংস্কৃতিক লেনদেন এবং সাংস্কৃতিক সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকাশনা সম্পর্কে জানা ও প্রান্তিক পর্যায়ে বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনার স্তর সম্পর্কে ধারণা দেয়া।
উদ্বোধক ড. অনুপম সেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, বই ও সভ্যতা সমার্থক। আধুনিক বিশ্ব সভ্যতা বইয়ের সৃষ্টি। হুমারের ইলিয়াড পড়েই প্রত্নতাত্ত্বিকরা ট্রয় নগরীর অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন। আধুনিক জাপানের অগ্রগতির নেপথ্যেও অনুবাদ সাহিত্যের বড় অবদান রয়েছে।
আবৃত্তি শিল্পী আয়েশা হকের সঞ্চালনায় বাংলা একাডেমির বইয়ের আড়ং অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য প্রফেসর ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি ছড়াকার রাশেদ রউফ ও বাংলা একাডেমির উপপরিচালক আফজাল হোসেন। এ উপলক্ষে ৩ দিনের আলোচনাসভারও আয়োজন করা হয়েছে। আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখবেন শিল্প সাহিত্য ও সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট আলোচকগণ।
No comments:
Post a Comment