সিইপিজেডে পানি খেয়ে অর্ধশত নারী গামেন্টস কর্মী অসুস্থ
স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রামে এবার পানি খেয়ে প্রায় অর্ধশত গার্মেন্টস শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। চট্টগ্রাম এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনের (সিইপিজেড) পেনিনসুলা নামক একটি পোশাক কারখানায় এ ঘটনা ঘটেছে শনিবার সকালে। অসুস্থ শ্রমিকদের মধ্যে ২০ জনকে বেপজা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বেপজার চিকিৎসকরা বলেছেন, এটি সাইক্লোজিক্যাল ডায়রিয়া। তবে শ্রমিকদের অভিযোগ, পানীয় জলের ট্যাংক দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় জীবাণু থেকে এ ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
জানা গেছে, শনিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী কর্মকর্তা মেজর আবদুল মান্নানের মালিকানাধীন পেনিনসুলা কারখানায় এ ঘটনা ঘটে। কয়েক নারী শ্রমিক সকালে পরিশোধনবিহীন পানীয় জল হিসেবে থাকা ট্যাংকের পানি পান করলে অসুস্থবোধ করে এবং বমি করতে থাকে। দ্রুত তাদের বেপজা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর আরও কয়েক নারী শ্রমিক একই অবস্থার সম্মুখীন হয়। এভাবে প্রায় অর্ধশত শ্রমিক আক্রান্ত হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য তারা ছুটে যান বেপজা হাসপাতালে। হাসপাতালের ডাক্তার বিষয়টিকে সাইক্লোজিক্যাল ডায়রিয়া বলে শনাক্ত করলেও শ্রমিকরা তা মানতে নারাজ।
শ্রমিকদের অভিযোগ, সকালে শ্রমিকরা কারখানায় প্রবেশের পর পানির তৃষ্ণা পেলে প্রতিদিনের মতো ছাদে থাকা ট্যাংকের পানি পান করে। একপর্যায়ে কয়েক শ্রমিক বমি করা শুরু করলে সহকর্মীরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। পর্যায়ক্রমে প্রায় অর্ধশত শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের মধ্যে প্রায় ২০ জনের বমি বন্ধ ও দুর্বলতা না কমায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সিইপিজেডে কারখানাগুলোতে পানীয় জলের সুব্যবস্থা নেই। ছাদের ওপর থাকা অপরিষ্কার ট্যাংকের পানি পান করতে হয় শ্রমিকদের। অনেক সময় এসব পানিতে দুর্গন্ধ থাকলেও কর্তৃপক্ষ তা পরিষ্কারের ব্যবস্থা করে না। ফলে শ্রমিকদেরও নিরুপায় হয়ে এসব পানি পান করতে হয়। এছাড়াও বাইর থেকে পানি ও খাবার নেয়ার ওপরও রয়েছে কর্তৃপক্ষের বিধিনিষেধ। ফলে শ্রমিকদের কারখানার পানির ওপর নির্ভরশীল হতে হয়। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে শনিবারের এ ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী শ্রমিকরা।
এ ব্যাপারে ইপিজেড থানার ওসি আবুল মনসুর জনকণ্ঠকে জানিয়েছেন, বেপজার ডাক্তারদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধরে নেয়া গেছে সাইক্লোজিক্যাল ডায়রিয়া। শ্রমিকদের অভিযোগ তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।
জানা গেছে, শনিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী কর্মকর্তা মেজর আবদুল মান্নানের মালিকানাধীন পেনিনসুলা কারখানায় এ ঘটনা ঘটে। কয়েক নারী শ্রমিক সকালে পরিশোধনবিহীন পানীয় জল হিসেবে থাকা ট্যাংকের পানি পান করলে অসুস্থবোধ করে এবং বমি করতে থাকে। দ্রুত তাদের বেপজা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর আরও কয়েক নারী শ্রমিক একই অবস্থার সম্মুখীন হয়। এভাবে প্রায় অর্ধশত শ্রমিক আক্রান্ত হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য তারা ছুটে যান বেপজা হাসপাতালে। হাসপাতালের ডাক্তার বিষয়টিকে সাইক্লোজিক্যাল ডায়রিয়া বলে শনাক্ত করলেও শ্রমিকরা তা মানতে নারাজ।
শ্রমিকদের অভিযোগ, সকালে শ্রমিকরা কারখানায় প্রবেশের পর পানির তৃষ্ণা পেলে প্রতিদিনের মতো ছাদে থাকা ট্যাংকের পানি পান করে। একপর্যায়ে কয়েক শ্রমিক বমি করা শুরু করলে সহকর্মীরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। পর্যায়ক্রমে প্রায় অর্ধশত শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের মধ্যে প্রায় ২০ জনের বমি বন্ধ ও দুর্বলতা না কমায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সিইপিজেডে কারখানাগুলোতে পানীয় জলের সুব্যবস্থা নেই। ছাদের ওপর থাকা অপরিষ্কার ট্যাংকের পানি পান করতে হয় শ্রমিকদের। অনেক সময় এসব পানিতে দুর্গন্ধ থাকলেও কর্তৃপক্ষ তা পরিষ্কারের ব্যবস্থা করে না। ফলে শ্রমিকদেরও নিরুপায় হয়ে এসব পানি পান করতে হয়। এছাড়াও বাইর থেকে পানি ও খাবার নেয়ার ওপরও রয়েছে কর্তৃপক্ষের বিধিনিষেধ। ফলে শ্রমিকদের কারখানার পানির ওপর নির্ভরশীল হতে হয়। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে শনিবারের এ ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী শ্রমিকরা।
এ ব্যাপারে ইপিজেড থানার ওসি আবুল মনসুর জনকণ্ঠকে জানিয়েছেন, বেপজার ডাক্তারদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধরে নেয়া গেছে সাইক্লোজিক্যাল ডায়রিয়া। শ্রমিকদের অভিযোগ তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment