বান্দরবানে শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর পাহাড় থেকে ফেলে হত্যা ॥ গণপিটুনিতে নিহত ১
নিজস্ব সংবাদদাতা, বান্দরবান, ৭ জুন ॥ বান্দরবান পার্বত্য জেলার রোয়াংছড়িতে ব্র্যাক আনন্দ স্কুলের এক শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর পাহাড় থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার সকালে ব্যাঙছড়ির নারেসাতংপাড়ার পাহাড়ের ১০০ ফিট নিচ থেকে শিক্ষিকা উ পু্রুু মার্মার (২৩) লাশ উদ্ধার করা হয়। এদিকে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয়রা।
পুুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে রোয়াংছড়ি বাজার থেকে শনি পূজার জন্য বাজার করা শেষে বাড়ির উদ্দেশ রওনা হয় উ প্রু মার্মা। কিন্তু সন্ধ্যা নাগাদ বাড়ি না ফেরায় তার বাবা-মা স্থানীয়দের নিয়ে খোঁজাখুজি শুরু করে। পরে রাত ১১টার দিকে রোয়াংছড়ির ব্যাঙছড়ির নারেসাতং পাহাড়ের পাদদেশে তাঁর লাশ দেখতে পায় স্থানীয় আদিবাসীরা। খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। শিক্ষিকার মাথা থেঁতলানো, চোখ উপড়ানো এবং শরীরের বিভিন্নস্থানে জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
রোয়াংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যা বা মং মার্মা বলেন, মেয়েটিকে প্রথমে ধর্ষণ করা হয়, পরে পাহাড় থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়দেরও ধারণা, এই শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর পাহাড় থেকে ফেলে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় আদিবাসীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
এদিকে শনিবার দুপুরে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মুছা আলম (৩৫) নামে এক কাঠকাটা শ্রমিককে পিটুনি দিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয়রা। তার বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়নে। বিকেলে নিহতের লাশ বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসা হয়। এই ব্যাপারে এখনও কোন মামলা হয়নি। অন্যদিকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তারাচাঁন তংচঙ্গ্যা ওরফে বিজয় (২৬) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এদিকে ঘটনার পর জেলা পুলিশ সুপার দেবদাস ভট্টাচার্য রোয়াংছড়ি সফর করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান।
পুুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে রোয়াংছড়ি বাজার থেকে শনি পূজার জন্য বাজার করা শেষে বাড়ির উদ্দেশ রওনা হয় উ প্রু মার্মা। কিন্তু সন্ধ্যা নাগাদ বাড়ি না ফেরায় তার বাবা-মা স্থানীয়দের নিয়ে খোঁজাখুজি শুরু করে। পরে রাত ১১টার দিকে রোয়াংছড়ির ব্যাঙছড়ির নারেসাতং পাহাড়ের পাদদেশে তাঁর লাশ দেখতে পায় স্থানীয় আদিবাসীরা। খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। শিক্ষিকার মাথা থেঁতলানো, চোখ উপড়ানো এবং শরীরের বিভিন্নস্থানে জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
রোয়াংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যা বা মং মার্মা বলেন, মেয়েটিকে প্রথমে ধর্ষণ করা হয়, পরে পাহাড় থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়দেরও ধারণা, এই শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর পাহাড় থেকে ফেলে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় আদিবাসীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
এদিকে শনিবার দুপুরে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মুছা আলম (৩৫) নামে এক কাঠকাটা শ্রমিককে পিটুনি দিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয়রা। তার বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়নে। বিকেলে নিহতের লাশ বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসা হয়। এই ব্যাপারে এখনও কোন মামলা হয়নি। অন্যদিকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তারাচাঁন তংচঙ্গ্যা ওরফে বিজয় (২৬) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এদিকে ঘটনার পর জেলা পুলিশ সুপার দেবদাস ভট্টাচার্য রোয়াংছড়ি সফর করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান।

http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment