লিচু বাগানের ভাইরাস হামলায় মালদায় মৃত ১০
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: লিচু বাগান থেকে অজানা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ গেল ১০ শিশুর। অসুস্থ আরও বেশ কয়েকজন। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা মেডিক্যাল কলেজে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক।
মৃত শিশুদের পরিবার জানিয়েছেন, শুক্রবার সকাল থেকেই বেশ কয়েকজন শিশুর জ্বর শুরু হয়। সেই জ্বর ঘন্টায় ঘন্টায় বাড়তে থাকে। তারপর শুরু হয় বমি। মৃত শিশুদের বয়স দুমাস থেকে ২-৩ বছরের মধ্যে। এদিন হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই মৃত শিশুদের পরিবার। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, প্রবল জ্বর থাকা অবস্থাতেই শিশুদের হাসপাতালে আনা হয়।
রোগের নাম অজানা হলেও, মেডিক্যাল কলেজের চিকিত্সকরা মনে করছেন, 'লিচি সিনড্রোম' নামে এক ভাইরাসের সংক্রমণের ফলেই একাধিক শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তাঁদের মতে, যে সব এলাকায় লিচু গাছের সংখ্যা বেশি, সেইসব এলাকায় এই ভাইরাসের প্রকোপ বেশি। এই রোগের লক্ষণগুলি হল, প্রথমে প্রবল জ্বর, তারপরই খিচুনির উপসর্গ দেখা যায়। সময়মতো চিকিত্সা শুরু না হলে এই ভাইরাস সরাসরি মস্তিষ্কে চলে যায়। ফলে আক্রান্ত শিশুদের বাঁচানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছেন মালদা জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। শনিবার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে পৌঁচেছেন স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিক ও প্রশাসনিক কর্তারা।
মৃত শিশুদের পরিবার জানিয়েছেন, শুক্রবার সকাল থেকেই বেশ কয়েকজন শিশুর জ্বর শুরু হয়। সেই জ্বর ঘন্টায় ঘন্টায় বাড়তে থাকে। তারপর শুরু হয় বমি। মৃত শিশুদের বয়স দুমাস থেকে ২-৩ বছরের মধ্যে। এদিন হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই মৃত শিশুদের পরিবার। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, প্রবল জ্বর থাকা অবস্থাতেই শিশুদের হাসপাতালে আনা হয়।
রোগের নাম অজানা হলেও, মেডিক্যাল কলেজের চিকিত্সকরা মনে করছেন, 'লিচি সিনড্রোম' নামে এক ভাইরাসের সংক্রমণের ফলেই একাধিক শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তাঁদের মতে, যে সব এলাকায় লিচু গাছের সংখ্যা বেশি, সেইসব এলাকায় এই ভাইরাসের প্রকোপ বেশি। এই রোগের লক্ষণগুলি হল, প্রথমে প্রবল জ্বর, তারপরই খিচুনির উপসর্গ দেখা যায়। সময়মতো চিকিত্সা শুরু না হলে এই ভাইরাস সরাসরি মস্তিষ্কে চলে যায়। ফলে আক্রান্ত শিশুদের বাঁচানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছেন মালদা জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। শনিবার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে পৌঁচেছেন স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিক ও প্রশাসনিক কর্তারা।
No comments:
Post a Comment