অনলাইনে ভর্তি নিয়ে রাজনৈতিক সংঘর্ষে জখম বহু
অন লাইনে ছাত্রভর্তির দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাজ্যের একাধিক জেলায় শুক্রবার বিজেপির যুব সংগঠনের সঙ্গে ঝামেলায় জড়াল টিএমসিপি৷
এ দিন দুই সংগঠনের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বারাসত কলেজ৷ একই ঘটনা ঘটে গোবরডাঙার হিন্দু কলেজেও৷ ১০ জনেরও বেশি বিজেপি কর্মী-সমর্থক জখম হন৷ টিএমসিপি ছাত্রনেতারা অবশ্য এই ঘটনায় তাদের কর্মীদের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন৷
স্মারকলিপি দিতে বারাসত কলেজে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বিজেপির যুব সংগঠনকে৷ এ নিয়ে বচসা শুরু হয়৷ জোর করে কলেজে ঢুকতে গিয়ে প্রহূত হন বিজেপির যুব মোর্চার কর্মীরা৷ অভিযোগ, কলেজের সামনে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর ফেলে তাঁদের মারধর করে বহিরাগতরা৷ বিজেপির অভিযোগ, কলেজের ভেতর থেকে লাঠি, হকি স্টিক নিয়ে এসে হামলা চালায় ওই দুষ্কৃতীরা৷ বিজেপির জেলা যুব সভাপতি মানব বিশ্বাস-সহ মোট পাঁচ বিজেপি কর্মী জখম হন৷ জেলা বিজেপির অন্যতম সম্পাদক তাপস মিত্রর অভিযোগ, টিএমসিপি বহিরাগত গুন্ডাদের নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে এই হামলা চালিয়েছে৷
একই ভাবে গোবরডাঙা হিন্দু কলেজেও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ বহিরাগতদের নিয়ে বিজেপির উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ৷ সেখানেও পাঁচ জন বিজেপি কর্মী জখম হন৷ বিজেপি নেতা বিপ্লব হালদারের অভিযোগ, আন্দোলন বন্ধ করার জন্য টিএমসিপি বহিরাগত দুষ্কৃতীদের জড়ো করেছিল৷ টিএমসিপির জেলা সভাপতি আবদুল কালাম বিজেপির এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন৷ তাঁর পাল্টা অভিযোগ, কোনও অনুমতি না নিয়ে বিভিন্ন কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালীন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে চেয়েছিল বিজেপি৷ কলেজের ছাত্ররাই ওদের কলেজে ঢুকতে বাধা দেয়৷
পূর্বস্থলীতেও বিজেপি কর্মীদের লাঠিপেটা করার অভিযোগ উঠেছে টিএমসিপির বিরুদ্ধে৷ পূর্বস্থলী-২ ব্লক যুব সভাপতি প্রবীর ঘোষ বলেন, 'পূর্বস্থলী কলেজে ডেপুটেশন দিতে গিয়ে দেখি, টিচার ইনচার্জ নেই৷ ফোন করলে অপেক্ষা করতে বলেন তিনি৷ সেইমতো আমরা অপেক্ষা করছিলাম৷ বুঝতে পারছিলাম টিএমসিপি লোক জড়ো করছে৷' হঠাত্ই জনা পঁচিশ যুবক তাঁদের পেটাতে শুরু করে বলে অভিযোগ৷ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সম্পাদক পলাশ মণ্ডল বলেন, 'বিজেপির ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের কোনও অস্তিত্ব নেই৷ যাঁরা স্মারকলিপি দিতে গিয়েছিলেন তাঁরা ছাত্রছাত্রীদের বাবা-দাদুর বয়সী৷ মারধরের ঘটনায় টিএমসিপির কেউ জড়িত নয়৷ পূর্বস্থলীতে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে৷ এটা সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেরই ফল৷'
আরামবাগের কালীপুর নেতাজি মহাবিদ্যালয়েও আক্রান্ত হন বিজেপির যুব কর্মীরা৷ অভিযুক্ত টিএমসিপি৷ বিজেপি নেতা মধুসূদন বাগ বলেন, 'আবারও গণতন্ত্র আক্রান্ত হল৷ পুলিশের সামনেই আমাদের সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে৷' তৃণমূলের যুবনেতা রাজেশ চৌধুরী বলেন, 'এ রকম কোনও ঘটনাই ঘটেনি৷'
এ দিন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি অমিতাভ রায়ের নেতৃত্বে বিজেপির যুব মোর্চা বিধাননগরে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যায়৷ কিন্ত্ত করুণাময়ী থেকে মিছিল শুরু হতেই পুলিশের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, পার্থবাবু বিধানসভায় আছেন৷ ফলে শিক্ষামন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিতে না পেরে ক্ষুব্ধ বিজেপি সমর্থকরা রাস্তায় বসে পড়েন৷ কেন্দ্রীয় ভাবে অনলাইন ভর্তির নির্দেশিকা বাতিলের বিজ্ঞপ্তি পোড়ানো হয়৷
পরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'শিক্ষা দপ্তর সব ছাত্র সংগঠনকে ডেকে বলে দেবে, ভর্তি নিয়ে পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে, তবে কাউকে চাপ দেওয়া চলবে না৷'
http://eisamay.indiatimes.com/state/online-addimission-brawl-between-tmc-and-bjp/articleshow/36162571.cms
অন লাইনে ছাত্রভর্তির দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাজ্যের একাধিক জেলায় শুক্রবার বিজেপির যুব সংগঠনের সঙ্গে ঝামেলায় জড়াল টিএমসিপি৷
এ দিন দুই সংগঠনের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বারাসত কলেজ৷ একই ঘটনা ঘটে গোবরডাঙার হিন্দু কলেজেও৷ ১০ জনেরও বেশি বিজেপি কর্মী-সমর্থক জখম হন৷ টিএমসিপি ছাত্রনেতারা অবশ্য এই ঘটনায় তাদের কর্মীদের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন৷
স্মারকলিপি দিতে বারাসত কলেজে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বিজেপির যুব সংগঠনকে৷ এ নিয়ে বচসা শুরু হয়৷ জোর করে কলেজে ঢুকতে গিয়ে প্রহূত হন বিজেপির যুব মোর্চার কর্মীরা৷ অভিযোগ, কলেজের সামনে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর ফেলে তাঁদের মারধর করে বহিরাগতরা৷ বিজেপির অভিযোগ, কলেজের ভেতর থেকে লাঠি, হকি স্টিক নিয়ে এসে হামলা চালায় ওই দুষ্কৃতীরা৷ বিজেপির জেলা যুব সভাপতি মানব বিশ্বাস-সহ মোট পাঁচ বিজেপি কর্মী জখম হন৷ জেলা বিজেপির অন্যতম সম্পাদক তাপস মিত্রর অভিযোগ, টিএমসিপি বহিরাগত গুন্ডাদের নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে এই হামলা চালিয়েছে৷
একই ভাবে গোবরডাঙা হিন্দু কলেজেও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ বহিরাগতদের নিয়ে বিজেপির উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ৷ সেখানেও পাঁচ জন বিজেপি কর্মী জখম হন৷ বিজেপি নেতা বিপ্লব হালদারের অভিযোগ, আন্দোলন বন্ধ করার জন্য টিএমসিপি বহিরাগত দুষ্কৃতীদের জড়ো করেছিল৷ টিএমসিপির জেলা সভাপতি আবদুল কালাম বিজেপির এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন৷ তাঁর পাল্টা অভিযোগ, কোনও অনুমতি না নিয়ে বিভিন্ন কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালীন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে চেয়েছিল বিজেপি৷ কলেজের ছাত্ররাই ওদের কলেজে ঢুকতে বাধা দেয়৷
পূর্বস্থলীতেও বিজেপি কর্মীদের লাঠিপেটা করার অভিযোগ উঠেছে টিএমসিপির বিরুদ্ধে৷ পূর্বস্থলী-২ ব্লক যুব সভাপতি প্রবীর ঘোষ বলেন, 'পূর্বস্থলী কলেজে ডেপুটেশন দিতে গিয়ে দেখি, টিচার ইনচার্জ নেই৷ ফোন করলে অপেক্ষা করতে বলেন তিনি৷ সেইমতো আমরা অপেক্ষা করছিলাম৷ বুঝতে পারছিলাম টিএমসিপি লোক জড়ো করছে৷' হঠাত্ই জনা পঁচিশ যুবক তাঁদের পেটাতে শুরু করে বলে অভিযোগ৷ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সম্পাদক পলাশ মণ্ডল বলেন, 'বিজেপির ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের কোনও অস্তিত্ব নেই৷ যাঁরা স্মারকলিপি দিতে গিয়েছিলেন তাঁরা ছাত্রছাত্রীদের বাবা-দাদুর বয়সী৷ মারধরের ঘটনায় টিএমসিপির কেউ জড়িত নয়৷ পূর্বস্থলীতে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে৷ এটা সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেরই ফল৷'
আরামবাগের কালীপুর নেতাজি মহাবিদ্যালয়েও আক্রান্ত হন বিজেপির যুব কর্মীরা৷ অভিযুক্ত টিএমসিপি৷ বিজেপি নেতা মধুসূদন বাগ বলেন, 'আবারও গণতন্ত্র আক্রান্ত হল৷ পুলিশের সামনেই আমাদের সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে৷' তৃণমূলের যুবনেতা রাজেশ চৌধুরী বলেন, 'এ রকম কোনও ঘটনাই ঘটেনি৷'
এ দিন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি অমিতাভ রায়ের নেতৃত্বে বিজেপির যুব মোর্চা বিধাননগরে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যায়৷ কিন্ত্ত করুণাময়ী থেকে মিছিল শুরু হতেই পুলিশের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, পার্থবাবু বিধানসভায় আছেন৷ ফলে শিক্ষামন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিতে না পেরে ক্ষুব্ধ বিজেপি সমর্থকরা রাস্তায় বসে পড়েন৷ কেন্দ্রীয় ভাবে অনলাইন ভর্তির নির্দেশিকা বাতিলের বিজ্ঞপ্তি পোড়ানো হয়৷
পরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'শিক্ষা দপ্তর সব ছাত্র সংগঠনকে ডেকে বলে দেবে, ভর্তি নিয়ে পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে, তবে কাউকে চাপ দেওয়া চলবে না৷'
http://eisamay.indiatimes.com/state/online-addimission-brawl-between-tmc-and-bjp/articleshow/36162571.cms
No comments:
Post a Comment