মধ্যবিত্তকে আয়করে বড় ছাড় দেবে কেন্দ্র!
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির কাছে বিনিয়োগের সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব পেশ করল ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেট রেগুলেটর্স (এফএমআর)। আয়করের ধারা ৮০সি (ডিডাকশান) অনুযায়ী বিনিয়োগ সীমা এক লক্ষ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব পেশ করেছে এফএমআর। অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় সেভিংসে বৃদ্ধির জন্য শিগগির পদক্ষেপ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয় তারা। বিনিয়োগের সীমা বাড়ালে স্বাভাবিক ভাবেই করদাতারা আরও স্বস্তি পাবেন। পাশাপাশি অর্থমন্ত্রক সূত্রে খবর, আয়করের জন্য ধার্য আয়ের ঊর্ধ্বসীমারও বড়সড় পরিবর্তন করা হতে পারে। বর্তমানে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক আয়ে কর দিতে হয় না। জল্পনা চলছে, নতুন সরকার এই সীমা ৫ লক্ষ টাকা করে দিতে পারে।
আরবিআই এবং অন্যান্য রেগুলেটর্সদের মতে, ৮০সি অনুযায়ী বিনিয়োগ সীমা বাড়ানোয়ে সেভিংসের পতন আটকানো যাবে।
শনিবার ফাইন্যান্সিয়াল স্টেবিলিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল (এফএসডিসি)-এর বৈঠকে এ প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। সমস্ত ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস এবং মার্কেট রেগুলেটর্সদের প্রমুখদের সঙ্গে আলোচনা করেন জেটলি।
মূল্যবৃদ্ধি, কোম্পানিগুলির লাভের হার কমে যাওয়া এবং হাউসহোল্ড সেভার্সদের সোনার প্রতি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত আকর্ষণের জেরে দেশের সেভিংস লেভেল গত ৯ বছরের সবচেয়ে নিচুস্তরে এসে ঠেকেছে। অর্থনীতিতে সেভিংস রেট ২০১২-১৩-এ জিডিপি-র ৩০.১ শতাংশে নেমে আসে যা ২০০৮ সালে ৩৮ শতাংশ ছিল।
সেভিংসের ক্ষেত্রে হাউসহোল্ড সেভার্স বৃহত্ উত্স, তাই ৮০সি অনুযায়ী ডিডাকশান লিমিট বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। মূল্যবৃদ্ধি এবং নিম্নমুখী সেভিংসের যুগে ১ লক্ষ টাকার সিলিং ইতোমধ্যেই বর্তমান। ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট, এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড, পাব্লিক প্রভিডেন্ট ফান্ড, হোম লোনের মূলধনের রি-পেমেন্ট, লাইফ ইনসিওরেন্স প্রিমিয়াম, ইকুইটি লিঙ্কড সেভিং স্কিমের মতো বেশ কয়েকটি ইনস্ট্রুমেন্ট ট্যাক্স সেভিং প্রোডাক্ট হিসেবে বিনিয়োগকারীদের নিজের দিকে আকর্ষণ করতে সচেষ্ট থাকে।
মনে করা হচ্ছে, ইকুইটি লিঙ্কড প্রোডাক্টের মাধ্যমে সরকার শেয়ারে রিটেল ইনভেস্টমেন্ট বাড়ানোর জন্যও পদক্ষেপ করতে পারে। তবে হাউসহোল্ডের ফাইন্যান্সিয়াল সেভিংসের ফ্লো আরও ভালো করাতেই জোর দিতে চাইছে কেন্দ্র।
আরবিআই এবং অন্যান্য রেগুলেটর্সদের মতে, ৮০সি অনুযায়ী বিনিয়োগ সীমা বাড়ানোয়ে সেভিংসের পতন আটকানো যাবে।
শনিবার ফাইন্যান্সিয়াল স্টেবিলিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল (এফএসডিসি)-এর বৈঠকে এ প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। সমস্ত ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস এবং মার্কেট রেগুলেটর্সদের প্রমুখদের সঙ্গে আলোচনা করেন জেটলি।
মূল্যবৃদ্ধি, কোম্পানিগুলির লাভের হার কমে যাওয়া এবং হাউসহোল্ড সেভার্সদের সোনার প্রতি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত আকর্ষণের জেরে দেশের সেভিংস লেভেল গত ৯ বছরের সবচেয়ে নিচুস্তরে এসে ঠেকেছে। অর্থনীতিতে সেভিংস রেট ২০১২-১৩-এ জিডিপি-র ৩০.১ শতাংশে নেমে আসে যা ২০০৮ সালে ৩৮ শতাংশ ছিল।
সেভিংসের ক্ষেত্রে হাউসহোল্ড সেভার্স বৃহত্ উত্স, তাই ৮০সি অনুযায়ী ডিডাকশান লিমিট বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। মূল্যবৃদ্ধি এবং নিম্নমুখী সেভিংসের যুগে ১ লক্ষ টাকার সিলিং ইতোমধ্যেই বর্তমান। ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট, এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড, পাব্লিক প্রভিডেন্ট ফান্ড, হোম লোনের মূলধনের রি-পেমেন্ট, লাইফ ইনসিওরেন্স প্রিমিয়াম, ইকুইটি লিঙ্কড সেভিং স্কিমের মতো বেশ কয়েকটি ইনস্ট্রুমেন্ট ট্যাক্স সেভিং প্রোডাক্ট হিসেবে বিনিয়োগকারীদের নিজের দিকে আকর্ষণ করতে সচেষ্ট থাকে।
মনে করা হচ্ছে, ইকুইটি লিঙ্কড প্রোডাক্টের মাধ্যমে সরকার শেয়ারে রিটেল ইনভেস্টমেন্ট বাড়ানোর জন্যও পদক্ষেপ করতে পারে। তবে হাউসহোল্ডের ফাইন্যান্সিয়াল সেভিংসের ফ্লো আরও ভালো করাতেই জোর দিতে চাইছে কেন্দ্র।
No comments:
Post a Comment