উত্তর ইরাকে বিদ্রোহীদের নিয়ে শঙ্কিত নয় সুন্নিরা!
পালিয়ে যাওয়া বাসিন্দাদের অনেকে ফিরে এসেছে
সুন্নি বিদ্রোহীরা ইরাকের উত্তরাঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর স্থানীয় সুন্নিরা তাদের নিয়ে খুব উদ্বিগ্ন নয় বলে জানা গেছে। সাদ আল হোসেন নামে মসুল শহরের একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেছেন, জঙ্গীরা শহরের দখল নিয়েছে, এ খবর জানার পর তিনি স্ত্রী ও ছয় সন্তানসহ নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে পালিয়ে যান। কিন্তু পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে একথা জানার একদিন পরই ফিরে আসেন। ইরাকের অনেক সুন্নি প্রধানমন্ত্রী নুরি আল মালিকির নিয়ন্ত্রণাধীন বাহিনীর চেয়ে জঙ্গীদের বেশি নিরাপদ বোধ করে।
আহমেদ আলী নামে ৩১ বছর বয়সী মসুলের আরেকজন অধিবাসী জানাচ্ছেন, তিনি তার খুবই অল্পবয়সী শিশু দুটো কোমড়ের বেল্টের সঙ্গে বেঁধে নিয়ে ৮০ কিলোমিটার পূর্বে পার্শ্ববর্র্তী ইরবিল শহরে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনিও সেখান থেকে ফিরে এসেছেন।
তিনি বলছেন, কেউ জানে না কি হবে এখানে। কারণ এ অঞ্চলটিতে এখন কোন সরকার নাই। সুন্নি চরমপন্থী গ্রুপ ইসলামিক স্টেট অব ইরাক এ্যান্ড সিরিয়া (আইএসআইএস) উত্তরাঞ্চলীয় মসুল শহর দখলের পর সেখান থেকে প্রাথমিকভাবে পাঁচ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যায়। সুন্নিরা আইএসআইএসকে মালিকি সরকারের সেনাবাহিনীর চেয়ে কম বিপজ্জনক মনে করে। যদিও আইএসআইএস সম্পর্কে ধারণা প্রচলিত রয়েছে তারা সংক্ষিপ্ত বিচারের পর দণ্ডিতদের শিরোশ্চেদ করে। শহর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া লোকজনের আশঙ্কা, সুন্নি চরমপন্থীদের অধিকৃত শহরগুলোতে মালিকি সরকারের অধীন সশস্ত্র বিমান আক্রমণ শুরু করতে পারে। ইরাকী সেনাবাহিনীকে এখন নিরাপত্তা রক্ষাকারীর বদলে আগ্রাসনকারীর ভূমিকায় দেখা যেতে পারে। এখানকার সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ আনবার প্রদেশটির ওপর গত ছয়মাস ধরে মালিকি সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণ ছিল না। ফালুজা এবং রামাদি শহরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আনবারেও একই অবস্থার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় একজন মিউনিসিপ্যল স্টাফ। তিনি বলছেন, ফাল্লুজা এবং রামাদি শহর ইতোমধ্যই সরকারী বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছে এবং তাতে শত শত বেসামরিক লোক মারা গেছে। ইরাকী সেনা ও পুলিশ বাহিনীতে যে হারে শিয়াদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে তা স্থানীয়দের ভেতর ক্ষোভ তৈরি করেছে। আবু মোহাম্মদ নামের ৪৯ বছর বয়সী আনবারের ওই মিউনিসিপ্যাল স্টাফের কথায় এটা ইরাকী সেনাবাহিনী নয় বরং মালিকির মিলিশিয়া বাহিনী। তিনি বলছেন, আরেকটি সমস্যা হলো দুর্নীতি। সরকারের নিয়মিত বাহিনীগুলোতে দুর্নীতি এখন মহামারীর মতো ছেয়ে গেছে। তিনি বলছেন, পুলিশ যাকে তাকে আটক করে জেলে ঢোকাচ্ছে আবার অর্থের বিনিময়ে মুক্তি দিচ্ছে। এ কারণে আইএসআইএস বিদ্রোহীরা যখন মসুলে ঢুকছিল শহরের বাসিন্দারা অনেকটা মুক্তিদাতা বিবেচনায় তাদের বরণ করে নিয়েছিল। বিদ্রোহীরা স্থানীয় মানুষের জন্য সঙ্গে কঠোর আচরণ করছে না বলে জানা গেছে।
শহরে আসার পথে বিদ্রোহীরা যে চেকপোস্ট বসিয়েছে সেখানে লোকজনকে প্রথমে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে তাদের সঙ্গে অস্ত্র আছে কী না, অস্ত্র না থাকলে তাদের সেখান দিয়ে নির্বিঘ্নে পার হতে দেয়া হচ্ছে। -ইন্টারন্যাশনাল নিউইয়র্ক টাইমস।
আহমেদ আলী নামে ৩১ বছর বয়সী মসুলের আরেকজন অধিবাসী জানাচ্ছেন, তিনি তার খুবই অল্পবয়সী শিশু দুটো কোমড়ের বেল্টের সঙ্গে বেঁধে নিয়ে ৮০ কিলোমিটার পূর্বে পার্শ্ববর্র্তী ইরবিল শহরে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনিও সেখান থেকে ফিরে এসেছেন।
তিনি বলছেন, কেউ জানে না কি হবে এখানে। কারণ এ অঞ্চলটিতে এখন কোন সরকার নাই। সুন্নি চরমপন্থী গ্রুপ ইসলামিক স্টেট অব ইরাক এ্যান্ড সিরিয়া (আইএসআইএস) উত্তরাঞ্চলীয় মসুল শহর দখলের পর সেখান থেকে প্রাথমিকভাবে পাঁচ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যায়। সুন্নিরা আইএসআইএসকে মালিকি সরকারের সেনাবাহিনীর চেয়ে কম বিপজ্জনক মনে করে। যদিও আইএসআইএস সম্পর্কে ধারণা প্রচলিত রয়েছে তারা সংক্ষিপ্ত বিচারের পর দণ্ডিতদের শিরোশ্চেদ করে। শহর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া লোকজনের আশঙ্কা, সুন্নি চরমপন্থীদের অধিকৃত শহরগুলোতে মালিকি সরকারের অধীন সশস্ত্র বিমান আক্রমণ শুরু করতে পারে। ইরাকী সেনাবাহিনীকে এখন নিরাপত্তা রক্ষাকারীর বদলে আগ্রাসনকারীর ভূমিকায় দেখা যেতে পারে। এখানকার সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ আনবার প্রদেশটির ওপর গত ছয়মাস ধরে মালিকি সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণ ছিল না। ফালুজা এবং রামাদি শহরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আনবারেও একই অবস্থার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় একজন মিউনিসিপ্যল স্টাফ। তিনি বলছেন, ফাল্লুজা এবং রামাদি শহর ইতোমধ্যই সরকারী বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছে এবং তাতে শত শত বেসামরিক লোক মারা গেছে। ইরাকী সেনা ও পুলিশ বাহিনীতে যে হারে শিয়াদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে তা স্থানীয়দের ভেতর ক্ষোভ তৈরি করেছে। আবু মোহাম্মদ নামের ৪৯ বছর বয়সী আনবারের ওই মিউনিসিপ্যাল স্টাফের কথায় এটা ইরাকী সেনাবাহিনী নয় বরং মালিকির মিলিশিয়া বাহিনী। তিনি বলছেন, আরেকটি সমস্যা হলো দুর্নীতি। সরকারের নিয়মিত বাহিনীগুলোতে দুর্নীতি এখন মহামারীর মতো ছেয়ে গেছে। তিনি বলছেন, পুলিশ যাকে তাকে আটক করে জেলে ঢোকাচ্ছে আবার অর্থের বিনিময়ে মুক্তি দিচ্ছে। এ কারণে আইএসআইএস বিদ্রোহীরা যখন মসুলে ঢুকছিল শহরের বাসিন্দারা অনেকটা মুক্তিদাতা বিবেচনায় তাদের বরণ করে নিয়েছিল। বিদ্রোহীরা স্থানীয় মানুষের জন্য সঙ্গে কঠোর আচরণ করছে না বলে জানা গেছে।
শহরে আসার পথে বিদ্রোহীরা যে চেকপোস্ট বসিয়েছে সেখানে লোকজনকে প্রথমে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে তাদের সঙ্গে অস্ত্র আছে কী না, অস্ত্র না থাকলে তাদের সেখান দিয়ে নির্বিঘ্নে পার হতে দেয়া হচ্ছে। -ইন্টারন্যাশনাল নিউইয়র্ক টাইমস।
No comments:
Post a Comment