ব্রাজিল ফের অগ্নিগর্ভ- ম্যাচের দিনেও উত্তাল
মজিবর রহমান, ব্রাজিল থেকে ॥ খেলা শুরু হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে- আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল। এমন আশারবাণী শুনিয়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান গ্রেট রোনাল্ডো। ফিফা বিশ্বকাপে ব্রাজিলের স্থানীয় আয়োজক কমিটির প্রধান তিনি। বিক্ষোভ-ধর্মঘট, আন্দোলন কিছুই থাকবে না। ব্রাজিলের মানুষের মনে রং ধরবে, বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনার। গত শনিবার ব্রাজিল পৌঁছার পর বিচ্ছিন্ন ছোটখাটো কোন ঘটনা ছাড়া পরিস্থিতি বেশ ভালই মনে হচ্ছিল। যদিও উদ্বোধনী ম্যাচের শহর সাও পাওলো ছিল নিরুত্তাপ। এখানে যে বিশ্বকাপ ফুটবলের মতো পৃথিবীর সেরা আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বোঝার উপায় ছিল না। বাড়ি-ঘরের জানালা, ছাদে ব্রাজিলের জাতীয় পতাকা চোখে পড়লেও সাধারণ মানুষের মধ্যে ছিল না কোন মাতামাতি। এমনকি বিশ্বকাপের ময়দানী লড়াই শুরুর আগেরদিন পর্যন্ত। হ্যাঁ, তবে মানুষ রাস্তায় নেমেছে। অলি-গলিসহ হাইওয়ে, সর্বত্র মানুষের ঢল। হোটেল থেকে বেরিয়ে মনে পড়ে গেল রোনাল্ডোর কথা, ঠিকই তো বলেছিলেন ব্রাজিল ফুটবলের এই সবে মহাতারকা। কিন্তু না, মুহূর্তের মধ্যে শোনা গেল চিৎকার-বিশ্বকাপ বিরোধী মিছিলে ফের অগ্নিগর্ভ ব্রাজিল। অথচ এদিনই অনুষ্ঠিত হয়ে গেল স্বাগতিক ব্রাজিলের ম্যাচ। মানুষ খেলা দেখেছে ঠিকই। কিন্তু তার আগে জ্বালিয়ে দেয় অশান্তির আগুন।
নিরাপত্তার কারণে গাড়ি চলাচল বন্ধ। রাস্তায় রাস্তায় জলকামান, বিশেষ পোশাকে পুলিশের বহর। কি আর করা দুই ঘণ্টারও বেশি সময় হেটে পৌঁছা গেল এ্যারেনা কোরিন্থিয়ান্সে-শরীরের শীতবস্ত্র ঘামে ভিজে জবুথবু। সোজা পথ বলে কথা। পাহাড়ী, উঁচু-নিচু রাস্তা দিয়ে মাথায় সংবাদ পাঠানোর চাপ নিয়ে হাঁটা কত কঠিন জীবনে প্রথম বুঝলাম। অর্জন করলাম নির্মম এক অভিজ্ঞতা, যা নিয়ে কাব্য লেখা যায়। ম্যাচের আগেরদিন আরেকবার দেখা হয়েছিল হালের বিশ্বনন্দিত ব্রাজিলিয়ান তারকা ফুটবলার নেইমারের সঙ্গে। উদ্বোধনী ম্যাচের ভেন্যু সাও পাওলোতে। এবার অবশ্য অন্যরূপে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ আগেভাগেই সামনের সারিতে বসতে পারায়। অফিসিয়াল প্রেস কনফারেন্সে। পাশে কোচ লুইস ফিলিপে সোলারি। এতদিন ছবি, টিভির পর্দায় দেখে সোলারিকে অনেকটা কাঠখোট্টা মনে হয়েছিল। কিন্তু চোখের সামনে যে সোলারিকে দেখলাম, কথা শুনলাম, ভাবভঙ্গি দেখে পাল্টে গেল পুরো চিত্র। বেশ রসিক, তবে কথা বলেন বেশ মেপে। দাদার বয়সী সোলারি শতাধিক বিদেশী সাংবাদিকের সামনে যেভাবে আচরণ করলেন নেইমারের সঙ্গে তাতে যে কারও মনে হতে বাধ্য, নানা-নাতি-দাদা-নাতির মধ্যে এমন মধুর সম্পর্ক ঘরেই মানায়। আসলে এখানেই কোচের ক্যারিশমা-তুরুপের তাসকে একেবারে বন্ধু বানিয়ে সোলারি দেখিয়ে দিলেন তাঁর দল বিশ্বকাপ জিততে মানসিকভাবে কতটা চাঙ্গা। প্রশ্নের উত্তরে (পর্তুগীজ) প্রাণবন্ত, হাসিখুশি টগবগে তরুণ নেইমার কথা বলার সময় কান ধরে টান, পেটের মধ্যে খোঁচা দিয়ে মজা করছিলেন এই বর্ষীয়ান কোচ। আবার সোলারির কথা বলার সময়ও দেখা গেল একই চিত্র। নেইমার তাকে নানাভাবে খোঁচাখুঁচি, পেটে কাতুকুতু দিচ্ছিলেন। যা উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে সরস হাসির খোরাক যোগায় ক্ষণিক সময়ের জন্য।
নিরাপত্তার কারণে গাড়ি চলাচল বন্ধ। রাস্তায় রাস্তায় জলকামান, বিশেষ পোশাকে পুলিশের বহর। কি আর করা দুই ঘণ্টারও বেশি সময় হেটে পৌঁছা গেল এ্যারেনা কোরিন্থিয়ান্সে-শরীরের শীতবস্ত্র ঘামে ভিজে জবুথবু। সোজা পথ বলে কথা। পাহাড়ী, উঁচু-নিচু রাস্তা দিয়ে মাথায় সংবাদ পাঠানোর চাপ নিয়ে হাঁটা কত কঠিন জীবনে প্রথম বুঝলাম। অর্জন করলাম নির্মম এক অভিজ্ঞতা, যা নিয়ে কাব্য লেখা যায়। ম্যাচের আগেরদিন আরেকবার দেখা হয়েছিল হালের বিশ্বনন্দিত ব্রাজিলিয়ান তারকা ফুটবলার নেইমারের সঙ্গে। উদ্বোধনী ম্যাচের ভেন্যু সাও পাওলোতে। এবার অবশ্য অন্যরূপে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ আগেভাগেই সামনের সারিতে বসতে পারায়। অফিসিয়াল প্রেস কনফারেন্সে। পাশে কোচ লুইস ফিলিপে সোলারি। এতদিন ছবি, টিভির পর্দায় দেখে সোলারিকে অনেকটা কাঠখোট্টা মনে হয়েছিল। কিন্তু চোখের সামনে যে সোলারিকে দেখলাম, কথা শুনলাম, ভাবভঙ্গি দেখে পাল্টে গেল পুরো চিত্র। বেশ রসিক, তবে কথা বলেন বেশ মেপে। দাদার বয়সী সোলারি শতাধিক বিদেশী সাংবাদিকের সামনে যেভাবে আচরণ করলেন নেইমারের সঙ্গে তাতে যে কারও মনে হতে বাধ্য, নানা-নাতি-দাদা-নাতির মধ্যে এমন মধুর সম্পর্ক ঘরেই মানায়। আসলে এখানেই কোচের ক্যারিশমা-তুরুপের তাসকে একেবারে বন্ধু বানিয়ে সোলারি দেখিয়ে দিলেন তাঁর দল বিশ্বকাপ জিততে মানসিকভাবে কতটা চাঙ্গা। প্রশ্নের উত্তরে (পর্তুগীজ) প্রাণবন্ত, হাসিখুশি টগবগে তরুণ নেইমার কথা বলার সময় কান ধরে টান, পেটের মধ্যে খোঁচা দিয়ে মজা করছিলেন এই বর্ষীয়ান কোচ। আবার সোলারির কথা বলার সময়ও দেখা গেল একই চিত্র। নেইমার তাকে নানাভাবে খোঁচাখুঁচি, পেটে কাতুকুতু দিচ্ছিলেন। যা উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে সরস হাসির খোরাক যোগায় ক্ষণিক সময়ের জন্য।

http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment