অপ্রস্তুত ব্রাজিলে কাল পর্দা উঠছে বিশ্বকাপ ফুটবলের
মজিবর রহমান, ব্রাজিল থেকে
চার বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষা। বিশ্বকাপের লড়াই। তা-ও আবার ব্রাজিলের মাটিতে। ব্রাজিল মানেই চেতনায় অন্য এক শিহরণ। ব্রাজিল মানে পেলে, সাম্বা। ব্রাজিল মানে সি-বিচে বিকিনিখ্যাত সুন্দরীদের ঢল। আর দেশটিতে জন্ম নেয়া তারকা ফুটবলারের মেলা। তবে খেলা শুরু হতে মাত্র এক দিন। বিশ্বকাপকে ঘিরে কোথায় সেই আনন্দ-উত্তেজনা? উদ্বোধনী ম্যাচের শহর সাও পাওলো তো বটেই- অন্য এগারোটি শহরের চিত্রও প্রমাণ করছে বিশ্বকাপকে অনেক পেছনে ঠেলে দিয়েছে এবারের আয়োজক ব্রাজিল। আসলে ধর্মঘট সব ওলট-পালট করে দিয়েছে। এখনও বেশিরভাগ সাবওয়ে অচল। রেলের চাকা বেলাইনে ঠেলে দিয়েছে রেলকর্মীরা। বাস ধর্মঘট থামলেও সাবওয়ে অচল থাকায় বিশ্বকাপ উপলক্ষে আগত বিদেশীদের অন্তহীন ভোগান্তি পেলের দেশের জন্য বড় একটা ধাক্কা। সমলোচনার তীরে বিদ্ধ দেশটির প্রেসিডেন্ট দিলমা রোওসেফও। বিদেশীদের একটাই কথা- এমন বিশ্বকাপ অতীতে কোথাও দেখিনি। বনজঙ্গলের দক্ষিণ আফ্রিকাও খেলা শুরুর অনেক আগে সবকিছু ঠিকঠাক করে বিশ্বকাপের বাদ্য বাজিয়ে গোটাবিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছিল, আমরা প্রস্তুত। স্থানীয় ভাষায় তাঁদের স্লোগানটাও ছিল চমৎকার- ‘কিনাকো...যার অর্থ দাঁড়ায় জেগে ওঠো আফ্রিকা। ছিনতাই-সন্ত্রাস নিত্য ঘটনা হলেও বিশ্বকাপ আয়োজনে অসংবাদিত নেতা, প্রয়াত নেলসন ম্যান্ডেলার দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা ছিল সফল। রাতভর ভুভুজেলার আওয়াজে প্রকম্পিত হয়ে উঠত রাতের দক্ষিণ আফ্রিকা। ঘুম হারাম করে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের সর্বশ্রেষ্ঠ আয়োজন বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনায় মেতে উঠেছিল আফ্রিকানরা। অথচ ব্রাজিলকে বলা হয় ফুটবলের দেশ। পেলে-রোনাল্ডো, নেইমারের দেশে আরও নতুন চমক দেখতে পৃথিবীর নানা দেশ থেকে জড়ো হয়েছে হাজার হাজার দর্শক, পর্যটক, মিডিয়াকর্মী। কিন্তু গোটা ব্রাজিলের সার্বিক চিত্র হতাশা ছাড়া এখনও পর্যন্ত চিত্তবিনোদনের খোরাক যোগাতে পারেনি। ফলে একদিকে হতাশা-অন্যদিকে ধর্মঘটের ভোগান্তি। আর ভাষাগত সমস্যাও কম ভোগাচ্ছে না বিশ্বকাপ উপলক্ষে ব্রাজিলে আসা মানুষকে।
আজ বাদে কাল মাঠে গড়াচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবলের বর্ণিল আসর। অথচ এখনও প্রস্তুত নয় উদ্বোধনী ম্যাচের ভেন্যু এ্যারেনা কোরিন্থিয়ান্স। সকালে মিডিয়া সেন্টারে প্রবেশের সময় চোখে পড়ল পাশে এ্যাম্বুলেন্সের সারি। মনে হওয়া স্বাভাবিক এগুলো হয়ত বিশ্বকাপের ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া মানুষকে দ্রুত চিকিৎসা দিতে হাসপাতালে নেয়ার জন্য রাখা হয়েছে। কিন্তু না, খুব কাছাকাছি যাওয়ার দেখতে পেলাম স্টেডিয়ামের প্রবেশদ্বারসংলগ্ন গ্যালারি রং করতে গিয়ে মইসমেত সুউচ্চ মাচা ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে আহত প্রায় ডজন শ্রমিক। পিলে চমকে উঠতে বাধ্য যে কারও, মনে মনে ভাবলাম খেলা শুরু হতে এক দিন সময় হাতে আছে। ওই এক দিন আগে না আবার মিডিয়া সেন্টারের ছাদ ভেঙ্গে মাথায় পড়ে।
রং বাহারি নয়Ñ সাধারণ সাদা কাপড় দিয়ে ঢাকা মিডিয়া সেন্টারের ছাদ রং করার সময় পায়নি আয়োজকরা। পরিষ্কার বোঝা যায় জোড়াতালি দিয়ে কোনরকমে ইজ্জত ঢাকার চেষ্টা করা হয়েছে সংবাদকর্মীদের সামনে। বেহাল অবস্থার মধ্যে দুর্ভোগের আরেক নাম ভাষা। ট্যাক্সিচালক, শপিং মল, সাধারণ গ্রোসারি, হোটেল-রেস্তরাঁয় মালিক, কর্মচারী এক বর্ণ ইংরেজী বলতে, বুঝতে পারে না। আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে পানি চাইলেও নিয়ে আসে মদের বোতল। আসলে বিশ্বকাপের সময় আমাদের মতো মানুষরা ওদের কাছে উড়ে এসে জুড়ে বসার মতো। কাজেই বলতে দ্বিধা নেই ব্রাজিলকে নিয়ে গোটাবিশ্বের মানুষের মনের মধ্যে যে দুর্বলতা কাজ করে তা ফুটবলের জন্যই। কিন্তু সেটা যে এবার রঙ্গিন স্বপ্নভঙ্গের বেদনা হয়ে দাঁড়াতে পারে খেলা শুরু হলে। এতে বিশ্বকাপ জিতলে অনেক কিছুই ঢাকা পড়বে। নইলে বড়সড় বিস্ফোরণ, যার আঁচ লাগতে পারে আমাদের মতো বিদেশীদের গায়েও। অথচ বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে তীব্র লড়াই সত্ত্বেও সবকিছুকে পেছনে ঠেলে দিয়েছিল বিশ্বকাপ ফুটবল।
বিশ্বের অগণিত ফুটবলপ্রেমী মানুষের হৃদয়ের দল ব্রাজিল এবার শেষ পয়ন্ত মানসম্মান রক্ষা করতে পারবে তো? প্রশ্ন অনেকের। কারণ, বিশ্বকাপকে ঘিরে ব্রাজিলের বিভিন্ন শহরে চলছে বিশ্বকাপবিরোধী আন্দোলন। আন্দোলনকারীদের দাবিÑ বিশ্বকাপ আয়োজনে যে বিশাল অঙ্কের অর্থ খরচ হচ্ছে, তা দিয়ে দেশের অনেক উন্নয়ন হতো। স্টেডিয়াম নির্মাণে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হওয়া উচিত ছিল, তার চেয়েও বেশি হয়েছে। তবে এ মুহূর্তে আন্দোলনের ফলে ভাংচুর ও আগুন লাগানোর ঘটনায়ও ব্রাজিলের অর্থনীতির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রস্তুতি নিয়ে এর আগে আয়োজকদের ওপর খোদ ফিফা সভাপতি সেপ ব্লাটারও সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছিলেন, ‘এতদিন সময় পাওয়া সত্ত্বেও এ ধরনের অগ্রগতি মোটেই সন্তোষজনক নয়। প্রস্তুতিকাজ ব্রাজিলের আরও আগে থেকেই শুরু করা উচিত ছিল।’ বিশ্বকাপে মোট ১২টি ভেন্যুর নির্মাণকাজ গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার ডেডলাইন দিয়েছিল ফিফা। কিন্তু আয়োজক ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ এর অর্ধেকেরও বেশি ভেন্যু সময়মতো কাজ শেষ করতে পারেনি। তাই বাধ্য হয়ে তারিখ পিছিয়ে দেয় বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা)। তবে সাময়িক যুদ্ধবিরতি চান সেলেসাও ডিফেন্ডার দানি আলভেস। নিজ দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ আয়োজনের বিরুদ্ধে যেসব আন্দোলনকারী প্রতিদিনই দাঙ্গা-হাঙ্গামা করছেন তাঁদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ও বার্সার এই তারকা ডিফেন্ডার। ‘আমরা জানি আমরা এখন ভাল অবস্থায় নেই। ভেন্যুগুলোর নির্মাণ ও সংস্কারকাজ নিয়ে আমরা খুবই বিব্রতকর অবস্থায় আছি। এখন যদি বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে এর বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়, তাহলে এটা আমাদের দেশের ভাবমূর্তির ক্ষেত্রে খুবই নেতিবাচক হবে। যা হবে অনভিপ্রেত। কাজেই আমি আশা করি আপনারা বিক্ষোভ বন্ধ করুন এবং আমাদের সমর্থন দিন, আমাদের পাশে দাঁড়ান। আগে বিশ্বকাপ আসরটা হয়ে যাক, আপনাদের কোন দাবি-দাওয়া থাকলে সেটা বিশ্বকাপের পরে করুন। কেন খামোখা বিশ্বকাপ আসরকে জিম্মি করবেন?’
ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের বিশতম আসর শুরুতে হতে আর বাকি এক দিন। ৬৪ বছর পর স্বাগতিক হিসেবে আসরটি আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে ব্রাজিল। অথচ অনেক স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ এখনও শেষ হয়নি। তার ওপর রয়েছে ‘গোদের ওপর বিষফোঁড়া।’ সেটা হলো বিশ্বকাপ আয়োজনের বিরোধিতা করে অনেক ব্রাজিলিয়ানই বহুদিন ধরে যে তীব্র আন্দোলন চালিয়ে আসছিল, সেটা প্রশমিত হওয়ার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না এখনও। তাই এ নিয়ে মহা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আলভেস। তবে যাই ঘটুক দলগুলো এসে পড়েছে আর এমন অপ্রস্তুত অবস্থায়ই বিশ্বকাপ উদ্বোধনীর জন্য শেষ মুহূর্তের অপেক্ষায় পুরোবিশ্ব।
আজ বাদে কাল মাঠে গড়াচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবলের বর্ণিল আসর। অথচ এখনও প্রস্তুত নয় উদ্বোধনী ম্যাচের ভেন্যু এ্যারেনা কোরিন্থিয়ান্স। সকালে মিডিয়া সেন্টারে প্রবেশের সময় চোখে পড়ল পাশে এ্যাম্বুলেন্সের সারি। মনে হওয়া স্বাভাবিক এগুলো হয়ত বিশ্বকাপের ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া মানুষকে দ্রুত চিকিৎসা দিতে হাসপাতালে নেয়ার জন্য রাখা হয়েছে। কিন্তু না, খুব কাছাকাছি যাওয়ার দেখতে পেলাম স্টেডিয়ামের প্রবেশদ্বারসংলগ্ন গ্যালারি রং করতে গিয়ে মইসমেত সুউচ্চ মাচা ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে আহত প্রায় ডজন শ্রমিক। পিলে চমকে উঠতে বাধ্য যে কারও, মনে মনে ভাবলাম খেলা শুরু হতে এক দিন সময় হাতে আছে। ওই এক দিন আগে না আবার মিডিয়া সেন্টারের ছাদ ভেঙ্গে মাথায় পড়ে।
রং বাহারি নয়Ñ সাধারণ সাদা কাপড় দিয়ে ঢাকা মিডিয়া সেন্টারের ছাদ রং করার সময় পায়নি আয়োজকরা। পরিষ্কার বোঝা যায় জোড়াতালি দিয়ে কোনরকমে ইজ্জত ঢাকার চেষ্টা করা হয়েছে সংবাদকর্মীদের সামনে। বেহাল অবস্থার মধ্যে দুর্ভোগের আরেক নাম ভাষা। ট্যাক্সিচালক, শপিং মল, সাধারণ গ্রোসারি, হোটেল-রেস্তরাঁয় মালিক, কর্মচারী এক বর্ণ ইংরেজী বলতে, বুঝতে পারে না। আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে পানি চাইলেও নিয়ে আসে মদের বোতল। আসলে বিশ্বকাপের সময় আমাদের মতো মানুষরা ওদের কাছে উড়ে এসে জুড়ে বসার মতো। কাজেই বলতে দ্বিধা নেই ব্রাজিলকে নিয়ে গোটাবিশ্বের মানুষের মনের মধ্যে যে দুর্বলতা কাজ করে তা ফুটবলের জন্যই। কিন্তু সেটা যে এবার রঙ্গিন স্বপ্নভঙ্গের বেদনা হয়ে দাঁড়াতে পারে খেলা শুরু হলে। এতে বিশ্বকাপ জিতলে অনেক কিছুই ঢাকা পড়বে। নইলে বড়সড় বিস্ফোরণ, যার আঁচ লাগতে পারে আমাদের মতো বিদেশীদের গায়েও। অথচ বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে তীব্র লড়াই সত্ত্বেও সবকিছুকে পেছনে ঠেলে দিয়েছিল বিশ্বকাপ ফুটবল।
বিশ্বের অগণিত ফুটবলপ্রেমী মানুষের হৃদয়ের দল ব্রাজিল এবার শেষ পয়ন্ত মানসম্মান রক্ষা করতে পারবে তো? প্রশ্ন অনেকের। কারণ, বিশ্বকাপকে ঘিরে ব্রাজিলের বিভিন্ন শহরে চলছে বিশ্বকাপবিরোধী আন্দোলন। আন্দোলনকারীদের দাবিÑ বিশ্বকাপ আয়োজনে যে বিশাল অঙ্কের অর্থ খরচ হচ্ছে, তা দিয়ে দেশের অনেক উন্নয়ন হতো। স্টেডিয়াম নির্মাণে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হওয়া উচিত ছিল, তার চেয়েও বেশি হয়েছে। তবে এ মুহূর্তে আন্দোলনের ফলে ভাংচুর ও আগুন লাগানোর ঘটনায়ও ব্রাজিলের অর্থনীতির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রস্তুতি নিয়ে এর আগে আয়োজকদের ওপর খোদ ফিফা সভাপতি সেপ ব্লাটারও সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছিলেন, ‘এতদিন সময় পাওয়া সত্ত্বেও এ ধরনের অগ্রগতি মোটেই সন্তোষজনক নয়। প্রস্তুতিকাজ ব্রাজিলের আরও আগে থেকেই শুরু করা উচিত ছিল।’ বিশ্বকাপে মোট ১২টি ভেন্যুর নির্মাণকাজ গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার ডেডলাইন দিয়েছিল ফিফা। কিন্তু আয়োজক ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ এর অর্ধেকেরও বেশি ভেন্যু সময়মতো কাজ শেষ করতে পারেনি। তাই বাধ্য হয়ে তারিখ পিছিয়ে দেয় বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা)। তবে সাময়িক যুদ্ধবিরতি চান সেলেসাও ডিফেন্ডার দানি আলভেস। নিজ দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ আয়োজনের বিরুদ্ধে যেসব আন্দোলনকারী প্রতিদিনই দাঙ্গা-হাঙ্গামা করছেন তাঁদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ও বার্সার এই তারকা ডিফেন্ডার। ‘আমরা জানি আমরা এখন ভাল অবস্থায় নেই। ভেন্যুগুলোর নির্মাণ ও সংস্কারকাজ নিয়ে আমরা খুবই বিব্রতকর অবস্থায় আছি। এখন যদি বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে এর বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়, তাহলে এটা আমাদের দেশের ভাবমূর্তির ক্ষেত্রে খুবই নেতিবাচক হবে। যা হবে অনভিপ্রেত। কাজেই আমি আশা করি আপনারা বিক্ষোভ বন্ধ করুন এবং আমাদের সমর্থন দিন, আমাদের পাশে দাঁড়ান। আগে বিশ্বকাপ আসরটা হয়ে যাক, আপনাদের কোন দাবি-দাওয়া থাকলে সেটা বিশ্বকাপের পরে করুন। কেন খামোখা বিশ্বকাপ আসরকে জিম্মি করবেন?’
ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের বিশতম আসর শুরুতে হতে আর বাকি এক দিন। ৬৪ বছর পর স্বাগতিক হিসেবে আসরটি আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে ব্রাজিল। অথচ অনেক স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ এখনও শেষ হয়নি। তার ওপর রয়েছে ‘গোদের ওপর বিষফোঁড়া।’ সেটা হলো বিশ্বকাপ আয়োজনের বিরোধিতা করে অনেক ব্রাজিলিয়ানই বহুদিন ধরে যে তীব্র আন্দোলন চালিয়ে আসছিল, সেটা প্রশমিত হওয়ার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না এখনও। তাই এ নিয়ে মহা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আলভেস। তবে যাই ঘটুক দলগুলো এসে পড়েছে আর এমন অপ্রস্তুত অবস্থায়ই বিশ্বকাপ উদ্বোধনীর জন্য শেষ মুহূর্তের অপেক্ষায় পুরোবিশ্ব।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment