মুদ্রাপাচার মামলায় পেলের ছেলের ৩৩ বছরের কারাদণ্ড
প্রকাশ : ০২ জুন, ২০১৪
মুদ্রাপাচার মামলায় ব্রাজিলের ফুটবল কিংবদন্তি পেলের ছেলে এডিনিয়োকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। রোববার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মাদক চোরাচালান থেকে পাওয়া অর্থ পাচারের দায়ে সাও পাওলোর একটি আদালত তাকে এই দণ্ড দিয়েছেন। ৪৩ বছর বয়সী এডিনিয়োর প্রকৃত নাম এডসন চোলবি দো নাসিমেন্তো। তিনি নিজেও একজন ফুটবলার। নব্বইয়ের দশকে বাবার সাবেক ক্লাব সান্তোসের গোলরক্ষক ছিলেন তিনি। বর্তমানে এই ক্লাবেরই গোলরক্ষকদের কোচের দায়িত্বে রয়েছেন পেলের ছেলে। এর আগে ২০০৫ সালে প্রথমবার কারাবরণ করেন তিনি। মাদক চোরাচালান এবং সান্তোস শহরের একজন কুখ্যাত মাদক পাচারকারীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার দায়ে সে সময় তাকে কারাদণ্ড দেয়া হয়। নিজে মাদকাসক্ত বলে স্বীকার করলেও মাদক চোরাচালানের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। ব্রাজিলের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম বলেছে, আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করবেন এডিনিয়ো। পেশাগত জীবনের পুরোটা সময় ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোসের হয়েই খেলেছেন পেলে। ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলে ছিলেন তিনি। নিজের সময়ের সেরা ফুটবলারের স্বীকৃতিও ছিল তার।
১৯৭৪ সালে ফুটবল থেকে অবসর নেয়ার এক বছর পর আবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব নিউইয়র্ক কসমসের হয়ে মাঠে নামেন পেলে। ৭৩ বছর বয়সী পেলের প্রথম স্ত্রীর তৃতীয় সন্তান এডিনিয়োর বয়স তখন পাঁচ বছর। সে সময় পুরো পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসেন পেলে। এরপর দেশে ফিরে গোলরক্ষক হিসেবে পেশাজীবন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন এডিনিয়ো। ১৯৯৫ সালে সান্তোসের গোলরক্ষক ছিলেন তিনি। সেবার ব্রাজিলিয়ান লীগের ফাইনালে খেলে ক্লাবটি। মাদক চোরাচালান চক্রের সঙ্গে এডিনিয়োর সম্পৃক্ততার অভিযোগ এবং তার কারাবরণ বেশিরভাগ ব্রাজিলিয়ানের কাছেই ছিল অবাক করার মতো। বেশ কয়েকবার কারাগারে ছেলেকে দেখতে যান পেলে। ঈশ্বরের আশীর্বাদে ন্যায়বিচার হবে। আমার ছেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই, ২০০৬ সালে বলেছিলেন তিনি। এবার মুদ্রাপাচারের দায়ে এডিনিয়োর সঙ্গে অন্য চারজনও দণ্ডিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে নালদিনয়ো নামের একজন ওই অঞ্চলে মাদক চোরাচালান চক্রের হোতা বলে অভিযোগ রয়েছে। ওয়েবসাইট।
- See more at: http://www.jugantor.com/sports/2014/06/02/106569#sthash.HEgycflF.dpuf১৯৭৪ সালে ফুটবল থেকে অবসর নেয়ার এক বছর পর আবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব নিউইয়র্ক কসমসের হয়ে মাঠে নামেন পেলে। ৭৩ বছর বয়সী পেলের প্রথম স্ত্রীর তৃতীয় সন্তান এডিনিয়োর বয়স তখন পাঁচ বছর। সে সময় পুরো পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসেন পেলে। এরপর দেশে ফিরে গোলরক্ষক হিসেবে পেশাজীবন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন এডিনিয়ো। ১৯৯৫ সালে সান্তোসের গোলরক্ষক ছিলেন তিনি। সেবার ব্রাজিলিয়ান লীগের ফাইনালে খেলে ক্লাবটি। মাদক চোরাচালান চক্রের সঙ্গে এডিনিয়োর সম্পৃক্ততার অভিযোগ এবং তার কারাবরণ বেশিরভাগ ব্রাজিলিয়ানের কাছেই ছিল অবাক করার মতো। বেশ কয়েকবার কারাগারে ছেলেকে দেখতে যান পেলে। ঈশ্বরের আশীর্বাদে ন্যায়বিচার হবে। আমার ছেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই, ২০০৬ সালে বলেছিলেন তিনি। এবার মুদ্রাপাচারের দায়ে এডিনিয়োর সঙ্গে অন্য চারজনও দণ্ডিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে নালদিনয়ো নামের একজন ওই অঞ্চলে মাদক চোরাচালান চক্রের হোতা বলে অভিযোগ রয়েছে। ওয়েবসাইট।
No comments:
Post a Comment