খালেদা জিয়ার মতে বিহারী ক্যাম্পে হতাহতের জন্য আওয়ামী লীগ দায়ী
জড়িতদের শাস্তি, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন দাবি
স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া অভিযোগ করেছেন রাজধানীর মিরপুর এলাকার বিহারী ক্যাম্পে আতশবাজি ফোটানোকে কেন্দ্র করে শিশুসহ যে ১০ জন নিহতের ঘটনা ঘটেছে তার জন্য ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দায়ী। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা বিহারী ক্যাম্পে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। শনিবার বিকেলে বিএনপির যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে খালেদা জিয়া এ কথা বলেন।
বিহারী ক্যাম্পের ঘটনাকে কাপুরুষোচিত ও বর্বর হামলা অভিহিত করে খালেদা জিয়া বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘœকারী দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের দাবি জানান। তিনি বলেন, যে কোন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকা- মানবতার পরিপন্থী কাজ। তাই বিহারী ক্যাম্পের সন্ত্রাসীরাও মানবজাতির শত্রু।
সকল সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দেশবাসীর সঙ্গে একাত্ম হয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে খালেদা জিয়া নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের আশু সুস্থতা কামনা করেন। তিনি বলেন, সরকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে দলীয় ক্যাডার হিসেবে ব্যবহার করার জন্যই তারা এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সরকারী দলের সন্ত্রাসীদের সহযোগী হিসেবে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো শুধু বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপরই পৈশাচিক হামলা চালাচ্ছে না, এদের কারণেই সাধারণ নাগরিকরাও ভয়ে ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
জিয়ার মাজার জিয়ারত করলেন খালেদা জিয়া ॥ পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জিয়ার মাজার জিয়ারত শেষে ওলামা দল আয়োজিত খতমে কোরান, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাতে অংশ নেন।
ওলামা দলের সভাপতি আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে খতমে কোরান ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব) মাহবুবুর রহমান, মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্মমহাসচিব বরকতউল্লাহ বুলু, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ তালুকদার, সহদফতর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক শরাফত আলী সপু, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।
লক্ষ্মীপুরের গুম নেতাকর্মীদের পরিবারকে সমবেদনা ॥ আজ রবিবার রাতে গুলশান কার্যালয়ে ডেকে এনে লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির গুম হওয়া নেতাকর্মীদের পরিবারের স্বজনদের সমবেদনা জানাবেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। এর আগেও তিনি গুম হওয়া ২৪ জন দলীয় নেতাকর্মীর পরিবারকে তাঁর কার্যালয়ে ডেকে সমবেদনা জানান।
জামায়াত-শিবির আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করলে আমরা খুশি : গয়েশ্বর ॥ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, জামায়াত-শিবির যদি আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করে তবে আমরা খুশি। কারণ জামায়াত-শিবির হলো জামালগোটা। এটা খেলে মানুষ মরে না। তবে ধ্বংস হয়ে যায়। জামায়াত-শিবির যে দিন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করবে তার পরের দিন আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখব আওয়ামী লীগ ধ্বংস হয়ে গেছে। শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে দেশপ্রেমিক যুবশক্তি নামক একটি সংগঠন আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
গয়েশ্বর বলেন, আদালতের বিরুদ্ধে কথা বলে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে আদালত অবমাননা করেছেন। এ জন্য তাঁর বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু তাঁর কোন বিচার হয়নি। তাই আগামীতে যদি কেউ আদালত অবমাননা করে তবে তারও বিচার করা যাবে না। তাই নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের বিষয়ে আদালতের আদেশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা আদালত অবমাননার শামিল বিধায় আদালতকে তাঁকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে হবে।
বিহারী ক্যাম্পের ঘটনাকে কাপুরুষোচিত ও বর্বর হামলা অভিহিত করে খালেদা জিয়া বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘœকারী দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের দাবি জানান। তিনি বলেন, যে কোন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকা- মানবতার পরিপন্থী কাজ। তাই বিহারী ক্যাম্পের সন্ত্রাসীরাও মানবজাতির শত্রু।
সকল সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দেশবাসীর সঙ্গে একাত্ম হয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে খালেদা জিয়া নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের আশু সুস্থতা কামনা করেন। তিনি বলেন, সরকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে দলীয় ক্যাডার হিসেবে ব্যবহার করার জন্যই তারা এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সরকারী দলের সন্ত্রাসীদের সহযোগী হিসেবে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো শুধু বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপরই পৈশাচিক হামলা চালাচ্ছে না, এদের কারণেই সাধারণ নাগরিকরাও ভয়ে ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
জিয়ার মাজার জিয়ারত করলেন খালেদা জিয়া ॥ পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জিয়ার মাজার জিয়ারত শেষে ওলামা দল আয়োজিত খতমে কোরান, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাতে অংশ নেন।
ওলামা দলের সভাপতি আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে খতমে কোরান ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব) মাহবুবুর রহমান, মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্মমহাসচিব বরকতউল্লাহ বুলু, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ তালুকদার, সহদফতর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক শরাফত আলী সপু, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।
লক্ষ্মীপুরের গুম নেতাকর্মীদের পরিবারকে সমবেদনা ॥ আজ রবিবার রাতে গুলশান কার্যালয়ে ডেকে এনে লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির গুম হওয়া নেতাকর্মীদের পরিবারের স্বজনদের সমবেদনা জানাবেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। এর আগেও তিনি গুম হওয়া ২৪ জন দলীয় নেতাকর্মীর পরিবারকে তাঁর কার্যালয়ে ডেকে সমবেদনা জানান।
জামায়াত-শিবির আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করলে আমরা খুশি : গয়েশ্বর ॥ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, জামায়াত-শিবির যদি আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করে তবে আমরা খুশি। কারণ জামায়াত-শিবির হলো জামালগোটা। এটা খেলে মানুষ মরে না। তবে ধ্বংস হয়ে যায়। জামায়াত-শিবির যে দিন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করবে তার পরের দিন আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখব আওয়ামী লীগ ধ্বংস হয়ে গেছে। শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে দেশপ্রেমিক যুবশক্তি নামক একটি সংগঠন আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
গয়েশ্বর বলেন, আদালতের বিরুদ্ধে কথা বলে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে আদালত অবমাননা করেছেন। এ জন্য তাঁর বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু তাঁর কোন বিচার হয়নি। তাই আগামীতে যদি কেউ আদালত অবমাননা করে তবে তারও বিচার করা যাবে না। তাই নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের বিষয়ে আদালতের আদেশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা আদালত অবমাননার শামিল বিধায় আদালতকে তাঁকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে হবে।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment