ভারত পূর্বমুখী নীতি গ্রহণ করেছে ॥ ড. সি রাজা মোহন
স্টাফ রিপোর্টার ॥ ভারত এখন পূর্বমুখী নীতি গ্রহণ করেছে। পূর্বমুখী নীতির মাধ্যমে ভারত অর্থনৈতিক উন্নয়ন জোরদার করতে চায়। তবে বাংলাদেশের সহযোগিতা ছাড়া ভারতের পূর্বমুখী নীতির সাফল্য সম্ভব নয়। বৃহস্পতিবার ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের সাংস্কৃতিক সেকশন ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের (আইজিসিসি) লেকচার সিরিজের প্রধান অতিথি ড. সি রাজা মোহন এসব কথা বলেন। অপরদিকে তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ-ভারত ও মিয়ানমারের সমুদ্র অঞ্চলে এক যোগে কাজ করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।
‘ভারত-বাংলাদেশ : বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে সহযোগিতার উন্নয়ন’ শীর্ষক এক লেকচারে বক্তব্য রাখেন ড. সি রাজা মোহন। এতে আলোচক হিসেবে ছিলেন ইংরেজী দৈনিক ডেইলি স্টারের ডিফেন্স ও স্ট্র্যাটেজিক এ্যাফেয়ার্সের এডিটর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) শাহেদুল আনাম খান। আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির।
অনুষ্ঠানে ড. রাজা মোহন বলেন, বাংলাদেশ-ভারত ও মিয়ানমারের বঙ্গোপসাগর রয়েছে। এই সমুদ্র সম্পদের ব্যবহার করতে পারলে তিন দেশেরই উন্নয়ন হবে। এ জন্য তিন দেশের সমুদ্র অঞ্চলের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকেই এই অঞ্চলের সমুদ্রকে ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়েছে। এখনও সেটা সম্ভব। বাংলাদেশ-ভারত ও মিয়ানমার ঐক্যবদ্ধভাবে এই সমুদ্র অঞ্চলের উন্নয়ন করতে পারে। এই লক্ষ্যে তিন দেশ একটি ফ্রেমওয়ার্কও গঠন করতে পারে বলেও তিনি জানান। আর এই ফ্রেমওয়ার্ক হলে তিন দেশেরই উন্নয়ন হবে।
ড. সি রাজা মোহন বলেন, সমুদ্র অঞ্চলে অসীম সম্পদ রয়েছে। এখানে তেল, গ্যাস রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য সম্পদও আছে। এই অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সেই সম্পদের সদ্ব্যবহার করা প্রয়োজন। আর সেটা করতে হলে তিন দেশেরই এক যোগে কাজ করতে হবে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষক ড. সি রাজা মোহন বলেন, বাংলাদেশ সমুদ্র এলাকায় দুর্যোগ প্রতিরোধে সফলতা লাভ করেছে। এছাড়া সমুদ্র সম্পদকে বাংলাদেশও কাজে লাগাতে চায়। একই সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমারও নিজ নিজ দেশের সমুদ্র সম্পদকে কাজে লাগাতে চায়। সে কারণে তিন দেশের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, তিন দেশের নৌবাহিনীও পরস্পরের প্রয়োজনে বিভিন্ন তথ্যবিনিময় করতে পারে।
ভারতের প্রখ্যাত এই কলামিস্ট বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার ও চীন এখন একসঙ্গে বিসিআইএমের মাধ্যমে অর্থনৈতিক করিডর গঠনে কাজ করে চলেছে। এছাড়া এসব দেশ বিমসটেক ফোরামেও রয়েছে। এসবই ইতিবাচক দিক। পারস্পরিক সহযোগিতা ছাড়া এখন কোন দেশই উন্নয়ন করতে পারে না। তাই সব দেশকেই একযোগে উন্নয়নের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে।
এক প্রশ্নের উত্তরে ড. রাজা মোহন বলেন, এই অঞ্চলের যে কোন দেশ চীন, জাপান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিশালী দেশের সহযোগিতা নিতে পারে। এটা কোন সমস্যা নয়।
উল্লেখ্য, ড. রাজা মোহন কৌশলগত বিষয়ে ভারতের একজন অগ্রগামী চিন্তাবিদ ও বিশ্লেষক। তিনি দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার বিদেশবিষয়ক কলামিস্ট ও স্ট্র্যাটেজিক এ্যাফেয়ার্সের এডিটর। দিল্লী দ্য অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ বিভাগের প্রধান এবং দ্য হিন্দু পত্রিকার কূটনৈতিক সম্পাদক ও ওয়াশিংটন প্রতিনিধি।
‘ভারত-বাংলাদেশ : বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে সহযোগিতার উন্নয়ন’ শীর্ষক এক লেকচারে বক্তব্য রাখেন ড. সি রাজা মোহন। এতে আলোচক হিসেবে ছিলেন ইংরেজী দৈনিক ডেইলি স্টারের ডিফেন্স ও স্ট্র্যাটেজিক এ্যাফেয়ার্সের এডিটর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) শাহেদুল আনাম খান। আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির।
অনুষ্ঠানে ড. রাজা মোহন বলেন, বাংলাদেশ-ভারত ও মিয়ানমারের বঙ্গোপসাগর রয়েছে। এই সমুদ্র সম্পদের ব্যবহার করতে পারলে তিন দেশেরই উন্নয়ন হবে। এ জন্য তিন দেশের সমুদ্র অঞ্চলের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকেই এই অঞ্চলের সমুদ্রকে ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়েছে। এখনও সেটা সম্ভব। বাংলাদেশ-ভারত ও মিয়ানমার ঐক্যবদ্ধভাবে এই সমুদ্র অঞ্চলের উন্নয়ন করতে পারে। এই লক্ষ্যে তিন দেশ একটি ফ্রেমওয়ার্কও গঠন করতে পারে বলেও তিনি জানান। আর এই ফ্রেমওয়ার্ক হলে তিন দেশেরই উন্নয়ন হবে।
ড. সি রাজা মোহন বলেন, সমুদ্র অঞ্চলে অসীম সম্পদ রয়েছে। এখানে তেল, গ্যাস রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য সম্পদও আছে। এই অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সেই সম্পদের সদ্ব্যবহার করা প্রয়োজন। আর সেটা করতে হলে তিন দেশেরই এক যোগে কাজ করতে হবে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষক ড. সি রাজা মোহন বলেন, বাংলাদেশ সমুদ্র এলাকায় দুর্যোগ প্রতিরোধে সফলতা লাভ করেছে। এছাড়া সমুদ্র সম্পদকে বাংলাদেশও কাজে লাগাতে চায়। একই সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমারও নিজ নিজ দেশের সমুদ্র সম্পদকে কাজে লাগাতে চায়। সে কারণে তিন দেশের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, তিন দেশের নৌবাহিনীও পরস্পরের প্রয়োজনে বিভিন্ন তথ্যবিনিময় করতে পারে।
ভারতের প্রখ্যাত এই কলামিস্ট বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার ও চীন এখন একসঙ্গে বিসিআইএমের মাধ্যমে অর্থনৈতিক করিডর গঠনে কাজ করে চলেছে। এছাড়া এসব দেশ বিমসটেক ফোরামেও রয়েছে। এসবই ইতিবাচক দিক। পারস্পরিক সহযোগিতা ছাড়া এখন কোন দেশই উন্নয়ন করতে পারে না। তাই সব দেশকেই একযোগে উন্নয়নের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে।
এক প্রশ্নের উত্তরে ড. রাজা মোহন বলেন, এই অঞ্চলের যে কোন দেশ চীন, জাপান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিশালী দেশের সহযোগিতা নিতে পারে। এটা কোন সমস্যা নয়।
উল্লেখ্য, ড. রাজা মোহন কৌশলগত বিষয়ে ভারতের একজন অগ্রগামী চিন্তাবিদ ও বিশ্লেষক। তিনি দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার বিদেশবিষয়ক কলামিস্ট ও স্ট্র্যাটেজিক এ্যাফেয়ার্সের এডিটর। দিল্লী দ্য অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ বিভাগের প্রধান এবং দ্য হিন্দু পত্রিকার কূটনৈতিক সম্পাদক ও ওয়াশিংটন প্রতিনিধি।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment