সংসদে নেমপ্লেট সরল আদবানির
এই সময়, নয়াদিল্লি: নরেন্দ্র মোদী-জমানায় রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছেন, এমন ইঙ্গিত দীর্ঘদিনই ছিল৷ এ বার সংসদ ভবনে নিজস্ব ঘরটাও হারালেন বিজেপির প্রবীণ নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি৷
বৃহস্পতিবার সকালে সংসদ ভবনের চার নম্বর ঘরটির সামনে দীর্ঘ দিন ধরে শোভা পাওয়া লালকৃষ্ণ আদবানি লেখা নামফলকটি দেখা যায়নি৷ এনডিএর চেয়ারম্যান হিসাবেও তাঁর জন্য একটা আলাদা ঘর বরাদ্দ ছিল৷ ২০০৪ সালে হারের পর সংসদ ভবনের এই ৪ নম্বর ঘরটিই অটলবিহারী বাজপেয়ীর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল৷ পরে বাজপেয়ী অসুস্থ হয়ে পড়ার পর আদবানি এনডিএর চেয়ারম্যান হন৷ তখন বাজপেয়ীর নেমপ্লেটের সঙ্গে আডবাণীর নামফলকও সেখানে যুক্ত হয়৷ সংসদ ভবনে এলে আদবানি সেই ঘরে বসতেন৷ সেই ঘরের সামনে এ দিন বাজপেয়ীর নামফলক দেখা গিয়েছে আগের মতোই৷ কিন্ত্ত আদবানির নামফলকটি সরে গেল, তা-ও আবার সবার চোখের আড়ালে৷ সংসদ ভবনে এখন বিজেপির অফিসের মধ্যে আদবানির অস্থায়ী বসার জায়গা করা হচ্ছে৷ বোঝাই যাচ্ছে, বিজেপির একসময়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতার অবস্থা মোদীর আমলে খুবই শোচনীয়৷
সেই অভিমানেই কি না জানা নেই, আদবানি এ দিন লোকসভায় প্রথম সারিতে বসতে চাননি৷ তিনি দ্বিতীয় সারিতে বসার জন্য অনুরোধ করতে থাকেন৷ কিন্ত্ত সংসদীয়মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নাইডু তাঁকে সামনের আসনেই নিয়ে আসেন৷ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর পাশের আসনে বসেছিলেন আদবানি৷ কিন্ত্ত এ দিন সেখানে তিনি বসেননি৷ তিনি বেঙ্কাইয়া, সুষমা স্বরাজদের সঙ্গে গিয়ে বসেন৷ মোদীর পাশের আসনটি খালিই ছিল৷
অবশ্য আদবানিকে একটা সম্মান এ দিন দেখিয়েছে বিজেপি৷ প্রধানমন্ত্রীর পরেই দ্বিতীয় সাংসদ হিসাবে তিনি শপথ নেন৷ তারপর শপথ নেন সনিয়া গান্ধী৷ বিজেপি সংসদীয় দলের চেয়ারম্যান পদেও এখন আছেন তিনি৷ তবে বিজেপি অফিসে গিয়েও মূল আসনে বসেননি তিনি৷ পাশের একটি সোফায় গিয়ে বসেন৷ স্পিকারের পদে উত্সাহী ছিলেন, সেখানেও বঞ্চিত করা হয়েছে তাঁকে৷ সেই গোয়ার বৈঠকে মোদীর বিরোধিতার পর থেকেই ধীরে ধীরে দলে কোণঠাসা হচ্ছেন আদবানি৷
একটা সময় দেখা গেল, সেন্ট্রাল হল থেকে লোকসভার দিকে যাচ্ছেন আদবানি৷ একেবারে একা হেঁটে গেলেন তিনি৷ এই দৃশ্য গত লোকসভা পর্যন্ত কখনও দেখা যায়নি৷ দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এ যাবত্ কখনও একা হাঁটেননি বিজেপির লৌহপুরুষ৷ সঙ্গে সবসময়ই বিজেপির বেশ কিছু সাংসদ থাকতেন৷ তাঁরা কেউ আর নেই এখন৷
বৃহস্পতিবার সকালে সংসদ ভবনের চার নম্বর ঘরটির সামনে দীর্ঘ দিন ধরে শোভা পাওয়া লালকৃষ্ণ আদবানি লেখা নামফলকটি দেখা যায়নি৷ এনডিএর চেয়ারম্যান হিসাবেও তাঁর জন্য একটা আলাদা ঘর বরাদ্দ ছিল৷ ২০০৪ সালে হারের পর সংসদ ভবনের এই ৪ নম্বর ঘরটিই অটলবিহারী বাজপেয়ীর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল৷ পরে বাজপেয়ী অসুস্থ হয়ে পড়ার পর আদবানি এনডিএর চেয়ারম্যান হন৷ তখন বাজপেয়ীর নেমপ্লেটের সঙ্গে আডবাণীর নামফলকও সেখানে যুক্ত হয়৷ সংসদ ভবনে এলে আদবানি সেই ঘরে বসতেন৷ সেই ঘরের সামনে এ দিন বাজপেয়ীর নামফলক দেখা গিয়েছে আগের মতোই৷ কিন্ত্ত আদবানির নামফলকটি সরে গেল, তা-ও আবার সবার চোখের আড়ালে৷ সংসদ ভবনে এখন বিজেপির অফিসের মধ্যে আদবানির অস্থায়ী বসার জায়গা করা হচ্ছে৷ বোঝাই যাচ্ছে, বিজেপির একসময়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতার অবস্থা মোদীর আমলে খুবই শোচনীয়৷
সেই অভিমানেই কি না জানা নেই, আদবানি এ দিন লোকসভায় প্রথম সারিতে বসতে চাননি৷ তিনি দ্বিতীয় সারিতে বসার জন্য অনুরোধ করতে থাকেন৷ কিন্ত্ত সংসদীয়মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নাইডু তাঁকে সামনের আসনেই নিয়ে আসেন৷ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর পাশের আসনে বসেছিলেন আদবানি৷ কিন্ত্ত এ দিন সেখানে তিনি বসেননি৷ তিনি বেঙ্কাইয়া, সুষমা স্বরাজদের সঙ্গে গিয়ে বসেন৷ মোদীর পাশের আসনটি খালিই ছিল৷
অবশ্য আদবানিকে একটা সম্মান এ দিন দেখিয়েছে বিজেপি৷ প্রধানমন্ত্রীর পরেই দ্বিতীয় সাংসদ হিসাবে তিনি শপথ নেন৷ তারপর শপথ নেন সনিয়া গান্ধী৷ বিজেপি সংসদীয় দলের চেয়ারম্যান পদেও এখন আছেন তিনি৷ তবে বিজেপি অফিসে গিয়েও মূল আসনে বসেননি তিনি৷ পাশের একটি সোফায় গিয়ে বসেন৷ স্পিকারের পদে উত্সাহী ছিলেন, সেখানেও বঞ্চিত করা হয়েছে তাঁকে৷ সেই গোয়ার বৈঠকে মোদীর বিরোধিতার পর থেকেই ধীরে ধীরে দলে কোণঠাসা হচ্ছেন আদবানি৷
একটা সময় দেখা গেল, সেন্ট্রাল হল থেকে লোকসভার দিকে যাচ্ছেন আদবানি৷ একেবারে একা হেঁটে গেলেন তিনি৷ এই দৃশ্য গত লোকসভা পর্যন্ত কখনও দেখা যায়নি৷ দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এ যাবত্ কখনও একা হাঁটেননি বিজেপির লৌহপুরুষ৷ সঙ্গে সবসময়ই বিজেপির বেশ কিছু সাংসদ থাকতেন৷ তাঁরা কেউ আর নেই এখন৷
No comments:
Post a Comment