Saturday, June 7, 2014

বর্ষা এলো দেশে

বর্ষা এলো দেশে

P-4-KERALA
এই সময়: নির্ধারিত সময়ের পাঁচ দিন পর বর্ষা ঢুকল দেশের মুূল ভূখণ্ডে৷ শুক্রবার মৌসম ভবন জানায়, সমস্ত শর্ত পূরণ করে কেরালায় ঢুকে পড়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু৷ এত দেরি গত ১০ বছরে কখনও করেনি বর্ষা৷ এর আগে সর্বাধিক দেরি হয়েছিল ২০০৫ ও ২০১২ সালে৷ কিন্ত্ত সেই দু'বারও ৫ জুন কেরালায় বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছিল৷ দেরির জন্য প্রশান্ত মহাসাগরের 'এল নিনো' কতটা দায়ী? আবহবিদ গণেশকুমার দাসের কথায়, 'এ ভাবে সরাসরি সম্পর্ক তো বলা যায় না৷ এল নিনোর প্রভাবে এ বার দেশে কম বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে৷ সেটা যদি অসুখ হয়, বর্ষার এই দেরি করে আসাটা লক্ষণ তো বটেই৷'

এ দিন বর্ষা ঢুকেছে তামিলনাড়ুর কিছুটা অংশেও৷ কাল, রবিবারের মধ্যে দেশের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে বর্ষার বৃষ্টি শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন৷ এখন সেখানে প্রাক্বর্ষার বৃষ্টি চলছে৷ আবহবিদরা বলছেন, উত্তর-পূর্বে বর্ষা ঢোকার পরই বোঝা যাবে, উত্তরবঙ্গের কপালে কবে শিকে ছিঁড়বে৷ কেউ কেউ আবার বলছেন, আসাম-মেঘালয়ের সঙ্গে সঙ্গে দার্জিলিং, কোচবিহারের কিছু অংশেও বর্ষা ঢুকে পড়তে পারে৷ এই মুহূর্তে আসাম ও পূর্ব উত্তরপ্রদেশের উপর দু'টি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে৷ দু'টিকে জুড়ে রয়েছে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা৷ ত্রয়ীর প্রভাবে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে প্রবল বর্ষণ হয়ে চলেছে৷ দক্ষিণবঙ্গের বরাত অবশ্য ভালো নয়৷ অক্ষরেখাটির প্রভাবে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে সোঁদা হাওয়া বইলেও, বৃষ্টি নামার পরিস্থিতি নেই৷ ফলে বাতাসের অত্যধিক জলীয় বাষ্পই ঘাম ঝরিয়ে নাকাল করছে৷ দক্ষিণবঙ্গের কোনও কোনও জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চারিত হয়ে ঝড়-বৃষ্টি হলেও হতে পারে, কলকাতায় তেমন সম্ভাবনা খুবই কম৷ বুধবার এরকমই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছিল বীরভূমে৷ বৃহস্পতিবার কপাল খোলে বর্ধমান ও বাঁকুড়ার কিছু অংশের৷ কলকাতা অবশ্য শুকনোই ছিল৷

No comments:

Post a Comment