এ বছর ৯ % হারে সুদ দিতে পারে ইপিএফও
নয়াদিল্লি : ২০১৪ -১৫ অর্থবর্ষে ৯ শতাংশ হারে সুদ দিতে পারে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও )৷ ২০১৩ -১৪ সালে এই হার ছিল ৮ .৭৫ শতাংশ৷ ইপিএফের এক সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে , 'প্রাথমিক হিসাবে দেখা যাচ্ছে , পিএফ জমার উপরে খুব সহজেই ৯ শতাংশ হারে সুদ দিতে পারে ইপিএফও৷ 'ইপিএফের ওই আধিকারিক বলেছেন , গত মাসে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরে যে ভাবে বাজারের পরিস্থিতি ভালো হয়েছে তাতে বিভিন্ন বিনিয়োগ থেকে ভালোই রিটার্ন পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ পাঁচ লক্ষ কোটি টাকার আসল জমা রয়েছে ইপিএফও -তে৷ তিনি বলেন , 'স্পেশ্যাল ডিপোজিট স্কিমে (এসডিএস ) বিনিয়োগ থেকে ৫৫ ,০০০ কোটি টাকা মতো তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ইপিএফও৷ এসডিএসের জন্য সরকার ইপিএফও -কে ৮ শতাংশ হারে সুদ দেয়৷ অন্যত্র বিনিয়োগ করলে ইপিএফও এর থেকে বেশি রিটার্ন পেতে পারে৷ গত বছর শ্রমমন্ত্রক যে বিজ্ঞন্তি প্রকাশ করেছে , সেই নিয়মের মধ্যে বিনিয়োগ করেই বেশি রিটার্ন ইপিএফও পেতে চাইছে৷ 'নতুন নিয়মে , এখন ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ ব্যাঙ্ক বা অন্য কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ইস্যু করা ঋণপত্রে বিনিয়োগ করতে পারে ইপিএফও৷ সেবি নিয়ন্ত্রিত মিউচুয়াল ফান্ড , ইকুইটি লিঙ্কড স্কিম সহ বিভিন্ন জায়গায় সর্বাধিক বিনিয়োগ করা যাবে ফান্ডের ৫ শতাংশ অর্থ৷
৫৫ শতাংশ বিনিয়োগ করা যাবে সরকারি ঋণপত্রেও৷ সদস্যদের পাওনা মেটানোর ক্ষেত্রেও যথেষ্ট তত্পরতা দেখিয়েছে ইপিএফও৷ মে মাসে সদস্যদের মোট ১০ .২৬ কোটি টাকা পাওনা মেটাল ইপিএফও৷ এর মধ্যে ৮৬ শতাংশই মেটানো হয়েছে আবেদন করার ২০ দিনের মধ্যে৷ আবেদনের ২০ দিনের মধ্যে পাওনা মিটিয়ে দেওয়ার জন্য গত মাসেই ফিল্ড অফিসারদের নির্দেশ দিয়েছিল ইপিএফও৷ সেন্ট্রাল প্রভিডেন্ট ফান্ড কমিশনার কে কে জালান একটি প্রেস বিজ্ঞন্তিতে জানিয়েছেন , '২০১৪ সালের মে মাসে ১০ .২৮ লক্ষ টাকা মিটিয়েছে ইপিএফও৷ এর মধ্যে ৩২ শতাংশ মেটানো হয়েছে ৩ দিনের মধ্যে ও ৮৬ শতাংশ মেটানো হয়েছে ২০ দিনের মধ্যে৷ ' চলতি অর্থবর্ষের মে মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত (অর্থাত্ দেড় মাসে ) মোট ১২ শতাংশ আবেদনপত্র হয় ফেরত পাঠানো হয়েছে , না হয় বাতিল করা হয়েছে৷ মে মাসে মোট ৬,৫০০ কোটি টাকা জমা পড়েছে ইপিএফও -তে , যা এ বছর এপ্রিলের তুলনায় ২০০ কোটি টাকা বেশি৷ ২০১৩ -১৪ অর্থবর্ষে ৭১ ,১৯৫ কোটি টাকা বেশি জমা পড়েছে ইপিএফও -তে , যা আগের বছরের ৬১,১৪৩ কোটি টাকার তুলনায় ১৬ শতাংশ বেশি৷
নয়াদিল্লি : ২০১৪ -১৫ অর্থবর্ষে ৯ শতাংশ হারে সুদ দিতে পারে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও )৷ ২০১৩ -১৪ সালে এই হার ছিল ৮ .৭৫ শতাংশ৷ ইপিএফের এক সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে , 'প্রাথমিক হিসাবে দেখা যাচ্ছে , পিএফ জমার উপরে খুব সহজেই ৯ শতাংশ হারে সুদ দিতে পারে ইপিএফও৷ 'ইপিএফের ওই আধিকারিক বলেছেন , গত মাসে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরে যে ভাবে বাজারের পরিস্থিতি ভালো হয়েছে তাতে বিভিন্ন বিনিয়োগ থেকে ভালোই রিটার্ন পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ পাঁচ লক্ষ কোটি টাকার আসল জমা রয়েছে ইপিএফও -তে৷ তিনি বলেন , 'স্পেশ্যাল ডিপোজিট স্কিমে (এসডিএস ) বিনিয়োগ থেকে ৫৫ ,০০০ কোটি টাকা মতো তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ইপিএফও৷ এসডিএসের জন্য সরকার ইপিএফও -কে ৮ শতাংশ হারে সুদ দেয়৷ অন্যত্র বিনিয়োগ করলে ইপিএফও এর থেকে বেশি রিটার্ন পেতে পারে৷ গত বছর শ্রমমন্ত্রক যে বিজ্ঞন্তি প্রকাশ করেছে , সেই নিয়মের মধ্যে বিনিয়োগ করেই বেশি রিটার্ন ইপিএফও পেতে চাইছে৷ 'নতুন নিয়মে , এখন ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ ব্যাঙ্ক বা অন্য কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ইস্যু করা ঋণপত্রে বিনিয়োগ করতে পারে ইপিএফও৷ সেবি নিয়ন্ত্রিত মিউচুয়াল ফান্ড , ইকুইটি লিঙ্কড স্কিম সহ বিভিন্ন জায়গায় সর্বাধিক বিনিয়োগ করা যাবে ফান্ডের ৫ শতাংশ অর্থ৷
৫৫ শতাংশ বিনিয়োগ করা যাবে সরকারি ঋণপত্রেও৷ সদস্যদের পাওনা মেটানোর ক্ষেত্রেও যথেষ্ট তত্পরতা দেখিয়েছে ইপিএফও৷ মে মাসে সদস্যদের মোট ১০ .২৬ কোটি টাকা পাওনা মেটাল ইপিএফও৷ এর মধ্যে ৮৬ শতাংশই মেটানো হয়েছে আবেদন করার ২০ দিনের মধ্যে৷ আবেদনের ২০ দিনের মধ্যে পাওনা মিটিয়ে দেওয়ার জন্য গত মাসেই ফিল্ড অফিসারদের নির্দেশ দিয়েছিল ইপিএফও৷ সেন্ট্রাল প্রভিডেন্ট ফান্ড কমিশনার কে কে জালান একটি প্রেস বিজ্ঞন্তিতে জানিয়েছেন , '২০১৪ সালের মে মাসে ১০ .২৮ লক্ষ টাকা মিটিয়েছে ইপিএফও৷ এর মধ্যে ৩২ শতাংশ মেটানো হয়েছে ৩ দিনের মধ্যে ও ৮৬ শতাংশ মেটানো হয়েছে ২০ দিনের মধ্যে৷ ' চলতি অর্থবর্ষের মে মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত (অর্থাত্ দেড় মাসে ) মোট ১২ শতাংশ আবেদনপত্র হয় ফেরত পাঠানো হয়েছে , না হয় বাতিল করা হয়েছে৷ মে মাসে মোট ৬,৫০০ কোটি টাকা জমা পড়েছে ইপিএফও -তে , যা এ বছর এপ্রিলের তুলনায় ২০০ কোটি টাকা বেশি৷ ২০১৩ -১৪ অর্থবর্ষে ৭১ ,১৯৫ কোটি টাকা বেশি জমা পড়েছে ইপিএফও -তে , যা আগের বছরের ৬১,১৪৩ কোটি টাকার তুলনায় ১৬ শতাংশ বেশি৷
No comments:
Post a Comment