বছরভর ঠাসা বিদেশ সফর নমোর
এই সময়, নয়াদিল্লি: বিদেশ সফরের ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে বছরভরের পরিকল্পনা বানিয়ে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ জুন মাসে ভুটান থেকে সফর শুরুর পর জুলাইতে মোদীর গন্তব্যস্থল জাপান৷ সেই মাসেই ব্রিকসের বৈঠকে ব্রাজিল যাবেন তিনি৷ এর পর প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমন্ত্রণে সেপ্টেম্বরে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সফর৷ তখনই রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভাতেও যাবেন তিনি৷ অক্টোবরে এশিয়ান বৈঠকের পর নভেম্বরে জি ২০-র বৈঠক৷ একই মাসে কাঠমান্ডুতে সার্ক গোষ্ঠীভুক্ত দেশের শীর্ষ সম্মেলন৷
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র আকবরউদ্দিনের কথায়, 'মোদীর ইনবক্স উপচে পড়ছে৷' ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া, জার্মানির মতো কুড়িটি দেশে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি৷ আকবরউদ্দিনের মতে, প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী দেশগুলিকে গুরুত্ব দিতে চান৷ সেই নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২৬ জুন বাংলাদেশ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের৷ চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গেও শনিবার বৈঠক হবে তাঁর৷
জাপান যে ভাবে আর্থিক শক্তির জোরে উন্নত দেশের তালিকায় স্থান পেয়েছে, তা এককথায় চমকপ্রদ৷ তাই জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবের আমন্ত্রণ গ্রহণ করতে দেরি করেননি মোদী৷ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই অ্যাবে ফোন করেছিলেন মোদীকে৷ তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, ভারত ও জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষ্যে মোদী যেন অবশ্যই জাপান আসেন৷ ২০০৬ সাল থেকে ভারত-জাপান কৌশলগত সম্পর্ক ও সহযোগিতা নিয়ে প্রতিবছর বৈঠক হয়৷
এর পর মোদী টুইট করেছিলেন, 'ব্যক্তিগতভাবে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে জাপানের সঙ্গে কাজ করার অসাধারণ অভিজ্ঞতা রয়েছে৷ আমার ধারণা, এ বার ভারত-জাপান সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে৷' টুইটারে অ্যাবেও অত্যন্ত জনপ্রিয়৷ তাঁর লাখের ওপর ফলোয়ার থাকলেও তিনি মোদী-সহ মাত্র তিনজনকে ফলো করেন৷ অ্যাবের চিন্তাভাবনার সঙ্গে মোদীর ধ্যানধারণার যথেষ্ট মিল রয়েছে৷ দু'জনেই নরম জাতীয়তাবাদ, বাজার ভিত্তিক অর্থনীতি এবং এশিয়ার গণতান্ত্রিক দেশগুলিকে গুরুত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বাসী৷ অ্যাবের আমলে জাপানের অর্থনীতি চাঙ্গা হয়েছে৷ তিনি চান, এশিয়ার গণতান্ত্রিক দেশগুলিকে সঙ্গে নিয়ে একটা জোট গড়ে তুলতে৷ সে জন্যই তিনি মোদীকে এতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন৷ আর সেজন্যই মোদীর জাপান সফর যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ৷
মোদীর আমেরিকা সফরের তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি৷ আমেরিকা কিছু তারিখ জানিয়েছে৷ প্রধানমন্ত্রীর সুবিধামতো দিনক্ষণ দেখে তা চূড়ান্ত হবে৷ ওবামা প্রশাসনে দক্ষিণ ও কেন্দ্রীয় এশিয়ার ভারপ্রাপ্ত নিশা দেশাই বিসওয়াল শনিবার দিল্লিতে আসছেন৷ তিনি বিদেশ মন্ত্রকের আমেরিকার ভারপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিবের সঙ্গে বৈঠক করবেন৷ তবে আকবরউদ্দিনের দাবি, এটা নিয়মিত বৈঠকের অঙ্গ৷
এই সময়, নয়াদিল্লি: বিদেশ সফরের ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে বছরভরের পরিকল্পনা বানিয়ে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ জুন মাসে ভুটান থেকে সফর শুরুর পর জুলাইতে মোদীর গন্তব্যস্থল জাপান৷ সেই মাসেই ব্রিকসের বৈঠকে ব্রাজিল যাবেন তিনি৷ এর পর প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমন্ত্রণে সেপ্টেম্বরে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সফর৷ তখনই রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভাতেও যাবেন তিনি৷ অক্টোবরে এশিয়ান বৈঠকের পর নভেম্বরে জি ২০-র বৈঠক৷ একই মাসে কাঠমান্ডুতে সার্ক গোষ্ঠীভুক্ত দেশের শীর্ষ সম্মেলন৷
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র আকবরউদ্দিনের কথায়, 'মোদীর ইনবক্স উপচে পড়ছে৷' ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া, জার্মানির মতো কুড়িটি দেশে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি৷ আকবরউদ্দিনের মতে, প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী দেশগুলিকে গুরুত্ব দিতে চান৷ সেই নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২৬ জুন বাংলাদেশ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের৷ চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গেও শনিবার বৈঠক হবে তাঁর৷
জাপান যে ভাবে আর্থিক শক্তির জোরে উন্নত দেশের তালিকায় স্থান পেয়েছে, তা এককথায় চমকপ্রদ৷ তাই জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবের আমন্ত্রণ গ্রহণ করতে দেরি করেননি মোদী৷ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই অ্যাবে ফোন করেছিলেন মোদীকে৷ তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, ভারত ও জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষ্যে মোদী যেন অবশ্যই জাপান আসেন৷ ২০০৬ সাল থেকে ভারত-জাপান কৌশলগত সম্পর্ক ও সহযোগিতা নিয়ে প্রতিবছর বৈঠক হয়৷
এর পর মোদী টুইট করেছিলেন, 'ব্যক্তিগতভাবে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে জাপানের সঙ্গে কাজ করার অসাধারণ অভিজ্ঞতা রয়েছে৷ আমার ধারণা, এ বার ভারত-জাপান সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে৷' টুইটারে অ্যাবেও অত্যন্ত জনপ্রিয়৷ তাঁর লাখের ওপর ফলোয়ার থাকলেও তিনি মোদী-সহ মাত্র তিনজনকে ফলো করেন৷ অ্যাবের চিন্তাভাবনার সঙ্গে মোদীর ধ্যানধারণার যথেষ্ট মিল রয়েছে৷ দু'জনেই নরম জাতীয়তাবাদ, বাজার ভিত্তিক অর্থনীতি এবং এশিয়ার গণতান্ত্রিক দেশগুলিকে গুরুত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বাসী৷ অ্যাবের আমলে জাপানের অর্থনীতি চাঙ্গা হয়েছে৷ তিনি চান, এশিয়ার গণতান্ত্রিক দেশগুলিকে সঙ্গে নিয়ে একটা জোট গড়ে তুলতে৷ সে জন্যই তিনি মোদীকে এতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন৷ আর সেজন্যই মোদীর জাপান সফর যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ৷
মোদীর আমেরিকা সফরের তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি৷ আমেরিকা কিছু তারিখ জানিয়েছে৷ প্রধানমন্ত্রীর সুবিধামতো দিনক্ষণ দেখে তা চূড়ান্ত হবে৷ ওবামা প্রশাসনে দক্ষিণ ও কেন্দ্রীয় এশিয়ার ভারপ্রাপ্ত নিশা দেশাই বিসওয়াল শনিবার দিল্লিতে আসছেন৷ তিনি বিদেশ মন্ত্রকের আমেরিকার ভারপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিবের সঙ্গে বৈঠক করবেন৷ তবে আকবরউদ্দিনের দাবি, এটা নিয়মিত বৈঠকের অঙ্গ৷
No comments:
Post a Comment