বিষয় বিজেপি, সৌগতর পাঠশালায় ছাত্র রাহুল
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: নীতিগত কারণে দুই বন্ধুর মধ্যে আড়ি হলেও, পুরনো বন্ধুত্ব কী সহজে ভোলা যায়? তাই তো মমতা-সনিয়া মুখ দেখাদেখি বন্ধ থাকলেও, 'দুঃখের দিনে' তৃণমূল সাংসদদের সঙ্গে ভাব করতে বিন্দুমাত্র ইতস্তত বোধ করেননি সনিয়া-তনয়। তবে এবার বন্ধুর পরিবর্তে ছাত্র হিসেবে সৌগত রায়ের পাঠশালায় উপস্থিত হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী।
বুধবার লোকসভায় নমো-র প্রথম ভাষণের আগে বিরোধী আসনে বসে থাকা তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদারের কাছে যান রাহুল গান্ধী। প্রায় ৪৫ মিনিট কথা হয় তাঁদের মধ্যে।
কী কথা? আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অবশ্যই ছিল বিজেপি-র ক্ষমতা দখল। ১৬তম লোকসভা নির্বাচনে কী ভাবে বিজেপি বিপুল জনমত অর্জন করেছে, তা-ই জানতে চেয়েছিলেন 'সৌগত স্যার'-এর কাছ থেকে। সে সময় পাশে ছিলেন তৃণমূলের আর এক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও। উভয়ের সঙ্গেই কথা হয় রাহুল গান্ধীর।
পুরনো বন্ধুর কাছ থেকে জ্ঞানআহরণের ইচ্ছার শেষ ছিল না রাহুলের। তাঁদের কাছ থেকে উত্তর প্রদেশের সাম্প্রদায়িক ইস্যু সম্পর্কেও ধারণা করার চেষ্টা করেছিলেন সনিয়া-তনয়। বৃহত্তম রাজ্য হওয়া সত্ত্বেও, সেখান থেকে লোকসভায় একটিও মুসলিম সাংসদ নেই। তাই জানতে চেয়েছিলেন, সেই কারণেই কী উত্তর প্রদেশে সাম্প্রদায়িক মামলা বেড়ে উঠছে?
আবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র প্রভাব সম্পর্কেও জেনে নিতে চেয়েছেন রাহুল। লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে দলের ভোট শেয়ার অনেকটাই বাড়িয়েছে বিজেপি। সে ক্ষেত্রে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কতটা পাল্টে দিতে পারবে, তা-ও বুঝে নিতে চেয়েছেন রাহুল গান্ধী। লোকসভা নির্বাচনের পর বাংলায় তৃণমূল-বিজেপি যুদ্ধ উত্তোরত্তর বেড়ে চলেছে। বিজেপি-র তরফে শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
যে সময় তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে কথা বলতে ব্যস্ত রাহুল গান্ধী, ঠিক তখনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে 'বোন' সম্বোধন করে তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন নমো। তিনি বলেন, '৩৫ বছরের বাম অপশাসনের কুপ্রভাব থেকে বাংলাকে মুক্ত করতে আমার বোন মমতা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন...।'
বুধবার লোকসভায় নমো-র প্রথম ভাষণের আগে বিরোধী আসনে বসে থাকা তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদারের কাছে যান রাহুল গান্ধী। প্রায় ৪৫ মিনিট কথা হয় তাঁদের মধ্যে।
কী কথা? আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অবশ্যই ছিল বিজেপি-র ক্ষমতা দখল। ১৬তম লোকসভা নির্বাচনে কী ভাবে বিজেপি বিপুল জনমত অর্জন করেছে, তা-ই জানতে চেয়েছিলেন 'সৌগত স্যার'-এর কাছ থেকে। সে সময় পাশে ছিলেন তৃণমূলের আর এক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও। উভয়ের সঙ্গেই কথা হয় রাহুল গান্ধীর।
পুরনো বন্ধুর কাছ থেকে জ্ঞানআহরণের ইচ্ছার শেষ ছিল না রাহুলের। তাঁদের কাছ থেকে উত্তর প্রদেশের সাম্প্রদায়িক ইস্যু সম্পর্কেও ধারণা করার চেষ্টা করেছিলেন সনিয়া-তনয়। বৃহত্তম রাজ্য হওয়া সত্ত্বেও, সেখান থেকে লোকসভায় একটিও মুসলিম সাংসদ নেই। তাই জানতে চেয়েছিলেন, সেই কারণেই কী উত্তর প্রদেশে সাম্প্রদায়িক মামলা বেড়ে উঠছে?
আবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র প্রভাব সম্পর্কেও জেনে নিতে চেয়েছেন রাহুল। লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে দলের ভোট শেয়ার অনেকটাই বাড়িয়েছে বিজেপি। সে ক্ষেত্রে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কতটা পাল্টে দিতে পারবে, তা-ও বুঝে নিতে চেয়েছেন রাহুল গান্ধী। লোকসভা নির্বাচনের পর বাংলায় তৃণমূল-বিজেপি যুদ্ধ উত্তোরত্তর বেড়ে চলেছে। বিজেপি-র তরফে শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
যে সময় তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে কথা বলতে ব্যস্ত রাহুল গান্ধী, ঠিক তখনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে 'বোন' সম্বোধন করে তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন নমো। তিনি বলেন, '৩৫ বছরের বাম অপশাসনের কুপ্রভাব থেকে বাংলাকে মুক্ত করতে আমার বোন মমতা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন...।'
No comments:
Post a Comment