কুণালের দেওয়া চিঠিকে অস্ত্র করতে চান সিবিআই কর্তারা
এই সময়: জেলে বসে কুণাল ঘোষ যে চিঠি লিখেছেন, সিবিআই চাইছে সেই চিঠির বিষয়বস্ত্ত তিনি বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দিতেও যেন বলেন৷ তাতে এই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা অপেক্ষাকৃত সহজ হবে৷
কোনও মামলাতে অভিযুক্তের লেখা চিঠিকে আইনি ভাবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে তদন্তকারি সংস্থার যে পদ্ধতি, সারদা মামলার তদন্তে কুণাল ঘোষের চিঠিকেও সেই দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখছে সিবিআই৷ অর্থাত্ এই চিঠিতে যা লেখা হয়েছে তা তদন্তের কাজে প্রাথমিক 'ইনফরমেশন' হিসেবে ব্যবহার করা৷ সিবিআইয়ের এক কর্তার মতে, 'আমরা ইতিমধ্যেই যে এফআইআর করেছি তাতে তৃণমূলের সাসপেণ্ড হওয়া সাংসদের নাম রয়েছে৷ সুতরাং তিনি আমাদের কাছে এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত৷ তবে চিঠির বিষয়বস্ত্ত বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি হিসেবে দিতে চাইলে দিতেই পারেন৷ সেটা আদালতের বিচার্য বিষয়৷ সেক্ষেত্রে কুণালবাবুর যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের জেরা করার সুযোগ পাওয়া যাবে৷' উল্লেখ্য, সিবিআইকে লেখা চিঠিতে কুণাল ঘোষ এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে শাসক দলের অনেক নেতা-মন্ত্রীর নাম সরাসরি উল্লেখ করেছেন৷
সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ঠিক এই একই ভাবে সুদীপ্ত সেনের সিবিআইকে লেখা চিঠিও ইনফরমেশন হিসেবেই ব্যবহার করছে তারা৷ আইনজ্ঞদের মতে, কোনও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হওয়া অবস্থায় চিঠি দিলে আদালতের কাছে সাক্ষ্য আইনে তা প্রমাণ হিসেবে কোনও গুরুত্ব পায় না৷ কিন্ত্ত সেই চিঠির বিষয়বস্ত্ত বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি দিলে অর্থাত্ ১৬৪ সিআরপিসি অনুযায়ী তা আইনি গ্রহণযোগ্যতা পাবে৷ সেক্ষেত্রে চিঠির বিষয়বস্ত্ত 'এভিডেন্স' বা প্রামাণ্য নথি হিসেবে তদন্তকারীরা কাজে লাগাতে পারবেন৷ যদিও এর আগে কুণাল ঘোষ বিধাননগর আদালতে গোপন জবানবন্দি দিতে চাইলেও আদালতে সরকার পক্ষ তার বিরোধিতা করে৷
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রের ব্যাখ্যা, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তারা যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তদন্ত করছেন তাতে প্রভাবশালী অনেকেই জড়িত যারা সরাসরি সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন৷ কাজেই বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য একত্রিত করে ধৃতদের জেরা করা হবে৷ ঠিক যেমন ভাবে কুণাল ঘোষকে এই চিঠিতে লেখা বিষয়বস্ত্ত সম্পর্কেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে৷ তার আগে সুদীপ্ত সেন এবং কুণাল ঘোষকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চাইবে সিবিআই৷ আইনজীবী নবকুমার ঘোষের বক্তব্য, এসব চিঠির ক্ষেত্রে একটি আলাদা ব্যাখ্যাও রয়েছে৷ যদি দেখা যায় এধরণের চিঠি থেকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ নথির হদিশ পাওয়া গিয়েছে তাহলে চার্জশিটে তার উল্লেখ থাকতে পারে৷ যা ২৭ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী গ্রহণ করা হবে৷ আবার সব সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়ে যাওয়ার পর যখন ৩১৩ সিআরপিসি অনুযায়ী অভিযুক্তকে বিচারক কথা বলার সুযোগ দেবেন তখনও তিনি চিঠির প্রসঙ্গ তুলতে পারেন৷ সিবিআই সূত্রের খবর, এই মামলার ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জড়িত থাকলেও উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া তাদের সরাসরি ডাকা কঠিন৷ সেক্ষেত্রে অভিযুক্তদের গোপন জবানবন্দি এই তদন্তে অনেকটা সাহায্য করতে পারে৷
এই সময়: জেলে বসে কুণাল ঘোষ যে চিঠি লিখেছেন, সিবিআই চাইছে সেই চিঠির বিষয়বস্ত্ত তিনি বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দিতেও যেন বলেন৷ তাতে এই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা অপেক্ষাকৃত সহজ হবে৷
কোনও মামলাতে অভিযুক্তের লেখা চিঠিকে আইনি ভাবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে তদন্তকারি সংস্থার যে পদ্ধতি, সারদা মামলার তদন্তে কুণাল ঘোষের চিঠিকেও সেই দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখছে সিবিআই৷ অর্থাত্ এই চিঠিতে যা লেখা হয়েছে তা তদন্তের কাজে প্রাথমিক 'ইনফরমেশন' হিসেবে ব্যবহার করা৷ সিবিআইয়ের এক কর্তার মতে, 'আমরা ইতিমধ্যেই যে এফআইআর করেছি তাতে তৃণমূলের সাসপেণ্ড হওয়া সাংসদের নাম রয়েছে৷ সুতরাং তিনি আমাদের কাছে এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত৷ তবে চিঠির বিষয়বস্ত্ত বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি হিসেবে দিতে চাইলে দিতেই পারেন৷ সেটা আদালতের বিচার্য বিষয়৷ সেক্ষেত্রে কুণালবাবুর যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের জেরা করার সুযোগ পাওয়া যাবে৷' উল্লেখ্য, সিবিআইকে লেখা চিঠিতে কুণাল ঘোষ এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে শাসক দলের অনেক নেতা-মন্ত্রীর নাম সরাসরি উল্লেখ করেছেন৷
সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ঠিক এই একই ভাবে সুদীপ্ত সেনের সিবিআইকে লেখা চিঠিও ইনফরমেশন হিসেবেই ব্যবহার করছে তারা৷ আইনজ্ঞদের মতে, কোনও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হওয়া অবস্থায় চিঠি দিলে আদালতের কাছে সাক্ষ্য আইনে তা প্রমাণ হিসেবে কোনও গুরুত্ব পায় না৷ কিন্ত্ত সেই চিঠির বিষয়বস্ত্ত বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি দিলে অর্থাত্ ১৬৪ সিআরপিসি অনুযায়ী তা আইনি গ্রহণযোগ্যতা পাবে৷ সেক্ষেত্রে চিঠির বিষয়বস্ত্ত 'এভিডেন্স' বা প্রামাণ্য নথি হিসেবে তদন্তকারীরা কাজে লাগাতে পারবেন৷ যদিও এর আগে কুণাল ঘোষ বিধাননগর আদালতে গোপন জবানবন্দি দিতে চাইলেও আদালতে সরকার পক্ষ তার বিরোধিতা করে৷
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রের ব্যাখ্যা, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তারা যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তদন্ত করছেন তাতে প্রভাবশালী অনেকেই জড়িত যারা সরাসরি সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন৷ কাজেই বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য একত্রিত করে ধৃতদের জেরা করা হবে৷ ঠিক যেমন ভাবে কুণাল ঘোষকে এই চিঠিতে লেখা বিষয়বস্ত্ত সম্পর্কেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে৷ তার আগে সুদীপ্ত সেন এবং কুণাল ঘোষকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চাইবে সিবিআই৷ আইনজীবী নবকুমার ঘোষের বক্তব্য, এসব চিঠির ক্ষেত্রে একটি আলাদা ব্যাখ্যাও রয়েছে৷ যদি দেখা যায় এধরণের চিঠি থেকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ নথির হদিশ পাওয়া গিয়েছে তাহলে চার্জশিটে তার উল্লেখ থাকতে পারে৷ যা ২৭ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী গ্রহণ করা হবে৷ আবার সব সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়ে যাওয়ার পর যখন ৩১৩ সিআরপিসি অনুযায়ী অভিযুক্তকে বিচারক কথা বলার সুযোগ দেবেন তখনও তিনি চিঠির প্রসঙ্গ তুলতে পারেন৷ সিবিআই সূত্রের খবর, এই মামলার ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জড়িত থাকলেও উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া তাদের সরাসরি ডাকা কঠিন৷ সেক্ষেত্রে অভিযুক্তদের গোপন জবানবন্দি এই তদন্তে অনেকটা সাহায্য করতে পারে৷
No comments:
Post a Comment