এসআই সাসপেন্ড ॥ যৌতুকের জন্য হ্যান্ডকাফ পরিয়ে স্ত্রীর ওপর অমানুষিক নির্যাতন
স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ যৌতুকের জন্য পুলিশের এক এসআই হ্যান্ডকাফ পরালেন স্ত্রীর হাতে। পরে অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয় স্ত্রীর ওপর। ঘটনাটি ঘটিয়েছেন চট্টগ্রামের সদরঘাট থানার এসআই মুছা মিয়া। স্ত্রী ইসরাত সুলতানা প্রমির পিতৃপক্ষের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বন্দিদশা থেকে। এ ঘটনায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে খোদ পুলিশ বিভাগ। অভিযুক্ত এই পুলিশ সদস্যকে সাসপেন্ড করে ঘটনার তদন্ত চলছে।
সিএমপির সদরঘাট থানা সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি বেশ আলোচিত হলেও রবিবার পর্যন্ত এ বিষয়ে কোন মামলা হয়নি। তবে সাময়িকভাবে বরখাস্ত এসআই মুছা মিয়ার চাকরি পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে এ ব্যাপারে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সদরঘাট থানার ওসি প্রণব চৌধুরী রবিবার জনকন্ঠকে এ প্রসঙ্গে বলেন, এসআই মুছার স্ত্রী প্রমিকে বাসা থেকে উদ্ধার করেছেন তার পিতাসহ ঐ পক্ষের লোকজন। পুলিশ নিয়ে উদ্ধার করা হয়নি। তিনি জানান, যে হ্যান্ডকাফ ইসরাত সুলতানা প্রমির হাতে পরানো ছিল তা সরকারী হ্যান্ডকাফ নয়। এ ধরনের হ্যান্ডকাফ বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। তারপরও যেহেতু নির্যাতনের অভিযোগ এসেছে সেহেতু অভিযুক্ত এসআইকে সাসপেন্ড করে তদন্ত চলছে।
সদরঘাট থানার এসআই মুছার বাড়ি মীরসরাই উপজেলার বাড়িয়াখালী এলাকায়। তিনি স্থানীয় মৃত খোরশেদ আলমের পুত্র। স্ত্রী ইসরাত সুলতানা প্রমির বাড়িও মীরসরাই উপজেলায়। তিনি সোনা পাহাড় এলাকার বাসিন্দা মোঃ আবদুল্লাহর কন্যা। ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তাদের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকেই তার ওপর নানা অজুহাতে নির্যাতন চলে আসছিল। যৌতুকের দাবিতেই বেশি নির্যাতন চলে তার ওপর।
সদরঘাট থানার ওসি জানান, রবিবার পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোন মামলা দায়ের হয়নি। এ সংক্রান্ত লিখিত কোন অভিযোগও পাওয়া যায়নি। পরিবারটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সিএমপির সদরঘাট থানা সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি বেশ আলোচিত হলেও রবিবার পর্যন্ত এ বিষয়ে কোন মামলা হয়নি। তবে সাময়িকভাবে বরখাস্ত এসআই মুছা মিয়ার চাকরি পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে এ ব্যাপারে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সদরঘাট থানার ওসি প্রণব চৌধুরী রবিবার জনকন্ঠকে এ প্রসঙ্গে বলেন, এসআই মুছার স্ত্রী প্রমিকে বাসা থেকে উদ্ধার করেছেন তার পিতাসহ ঐ পক্ষের লোকজন। পুলিশ নিয়ে উদ্ধার করা হয়নি। তিনি জানান, যে হ্যান্ডকাফ ইসরাত সুলতানা প্রমির হাতে পরানো ছিল তা সরকারী হ্যান্ডকাফ নয়। এ ধরনের হ্যান্ডকাফ বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। তারপরও যেহেতু নির্যাতনের অভিযোগ এসেছে সেহেতু অভিযুক্ত এসআইকে সাসপেন্ড করে তদন্ত চলছে।
সদরঘাট থানার এসআই মুছার বাড়ি মীরসরাই উপজেলার বাড়িয়াখালী এলাকায়। তিনি স্থানীয় মৃত খোরশেদ আলমের পুত্র। স্ত্রী ইসরাত সুলতানা প্রমির বাড়িও মীরসরাই উপজেলায়। তিনি সোনা পাহাড় এলাকার বাসিন্দা মোঃ আবদুল্লাহর কন্যা। ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তাদের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকেই তার ওপর নানা অজুহাতে নির্যাতন চলে আসছিল। যৌতুকের দাবিতেই বেশি নির্যাতন চলে তার ওপর।
সদরঘাট থানার ওসি জানান, রবিবার পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোন মামলা দায়ের হয়নি। এ সংক্রান্ত লিখিত কোন অভিযোগও পাওয়া যায়নি। পরিবারটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment