বিএনপি আমলে উলফার দাপট এতই ছিল যে রাজধানীতেই থাকত তারা
১০ বছরে ১১ হাজার অস্ত্র উদ্ধার
শংকর কুমার দে ॥ ভারতের ১৩টি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন অবৈধভাবে বাংলাদেশের সীমান্তে আনার পর গত ১০ বছরে ১১ হাজারের বেশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও র্যাব। বাংলাদেশের জামায়াত-শিবির, জঙ্গী সংগঠন ও ধর্মভিত্তিক উগ্র মৌলবাদী সংগঠনগুলোর কাছেও বিভিন্ন সময়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ হস্তান্তর করেছে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো। এখনও প্রায় প্রতি মাসেই বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো অবৈধভাবে আনা শতাধিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হচ্ছে। সীমান্তবর্তী হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ির সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুটি টিলার বাংকার ও গর্তভর্তি ১৮৪টি ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী রকেট, ১৫৩টি রকেট লঞ্চার উদ্ধারের পর ব্যাপক অনুসন্ধান শুরু করেছে র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থা। র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে এ খবর জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার প্রায় ১০ বছর আগে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ঘাঁটি গেড়ে বসে। এর মধ্যে ইউনাইটেড লিবারেশন অব আসামের (উলফা) দাপট এতই বেশি ছিল যে সীমান্ত এলাকা ছেড়ে খোদ রাজধানী ঢাকাতেও এ সংগঠনের নেতারা বাসা ভাড়া নিয়ে আস্তানা গড়ে তুলে। ভারতের ১৩টি জঙ্গী সংগঠনের মধ্যে ত্রিপুরা পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (টিপিডিএফ), ট্রাইবাল ফোর্স (টিএফ), ন্যাশনাল লিবারেল ফ্রন্ট অব ত্রিপুরা (এনএলএফটি), ত্রিপুরা কিংডেম (টিকি), পিপলস লিবারেল আর্মি (পিএলএ), প্রিপাক, অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স (এটিটিএফ), রয়েল বরাক আর্মি (আরবিএ), পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)। বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময়ে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার জন্য আনা চট্টগ্রামের ১০ ট্রাক অস্ত্র ও গোলাবারুদ, বগুড়ার কাহালুতে ধরা পড়া গোলাবারুদের চালান অন্যতম।
গোয়েন্দা সংস্থা ও র্যাবের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য ও পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, ভারতের ১৩টি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের বাংলাদেশের সীমান্তে আনার পর গত ১০ বছরে ১১ হাজারের বেশি তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ বাংলাদেশের ভেতরে আনার পর জামায়াত-শিবির, জঙ্গী সংগঠন ও উগ্র মৌলবাদী দলগুলোর ক্যাডারদের হাতে হস্তান্তর হতো। এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ দিয়ে বাংলাদেশের ভেতরে উগ্রমৌলবাদী ধর্মান্ধতার প্রচার, প্রসার ছাড়াও তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠন এবং স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতো। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোর আনা গ্রেনেড দিয়েই জামায়াত-শিবিরের মদদপুষ্ট জঙ্গীরা একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদেশ্যে যে হামলা চালিয়েছে বলে তদন্তে পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের অস্ত্র ভাণ্ডার অনেক পুরনো ঘটনা। ১০ থেকে ১২ বছর আগে উপযোগী বাংকার স্থাপন করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদ করা হচ্ছিল। এখান থেকেই ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এখানকার জঙ্গী ও সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে অস্ত্র সরবরাহ করে থাকে। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জামায়াত-শিবিরের সম্পৃক্ততার ব্যাপারে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যায়।
র্যাবের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ির সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুটি টিলার বাংকার ও গর্তে বিরাট অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারাভিযান শুরুর মাত্র দুদিন আগে তারা এ বাংকারের সন্ধান পেলেই অনুসন্ধান শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় স্থানীয় ১০ থেকে ১২ ব্যক্তির জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যায়। তাদের সঙ্গে ধর্মভিত্তিক দলটি এবং জঙ্গীদের যোগসূত্র থাকার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এসব লোকজনকে নজরদারিতে নেয়া হয়েছে। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর স্থানীয় এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। আর তাদের সঙ্গেই বাংলাদেশের জঙ্গীদের কানেকশন এবং ধর্মভিত্তিক একটি রাজনৈতিক দলের কতিপয় নেতার যোগসূত্র খতিয়ে দেখছে র্যাব। তবে এ অস্ত্র ভাণ্ডার বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা পরেশ বড়ুয়া বা তার সহযোগীদের হতে পারে। সে বিষয়ে প্রাথমিক কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অস্ত্র যেসব দেশ থেকে আনা হতে পারে তার মধ্যে সন্দেহের তালিকায় চীন ও মায়ানমারের নাম আছে বলে জানা গেছে। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা জঙ্গীদের কাছে এবং কিছুটা মায়ানমারের কাছে বিক্রি করে থাকে। এক্ষেত্রে মায়ানমারের রোহিঙ্গা জঙ্গী এবং বাংলাদেশী জঙ্গীদের যোগসূত্র আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের আরও অস্ত্র ভাণ্ডার থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশের মাঝে আলোচনাসাপেক্ষে এসব ঘাঁটি শনাক্ত করা প্রয়োজন।
গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলোর সম্ভাব্য রুট হিসেবে ত্রিপুরাকেই প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। এখান থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা অস্ত্রগুলো তাদের গোপন ভাণ্ডারে এনে রাখে। ত্রিপুরা রুটটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করছে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। সেদেশে কোন ধরনের অভিযানিক তৎপরতা শুরু হলে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা তারা বেছে নেয়। বিশেষ করে ত্রিপুরা হয়েই অস্ত্র এনে রাখার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে মনে করা করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। বাংলাদেশে বড় ধরনের নাশকতার জন্য এসব অস্ত্র মজুদ করা হয়েছিল কিনা সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তের খুব কাছাকাছি গহীন জঙ্গল হওয়ার কারণে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরাই এসব অস্ত্র মজুদ করে থাকতে পারে। গহীন জঙ্গল অনেক আগে থেকে ব্যবহার শুরু করে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। উলফার নেতা পরেশ বড়ুয়া থেকে শুরু করে অনেকেই এ ধরনের জঙ্গল ব্যবহার করেছিল। ভারতে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা দুর্বল হয়ে পড়ায় এবং বাংলাদেশে বর্তমান সরকার ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘাঁটি ভেঙ্গে দিয়ে ভূখণ্ডে ব্যবহার করতে না দেয়ার ব্যাপারে কঠোর ভূমিকা নেয়ার কারণে মজুদ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হচ্ছে বলে জানান গোয়েন্দা কর্মকর্তা।
সূত্র জানায়, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার প্রায় ১০ বছর আগে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ঘাঁটি গেড়ে বসে। এর মধ্যে ইউনাইটেড লিবারেশন অব আসামের (উলফা) দাপট এতই বেশি ছিল যে সীমান্ত এলাকা ছেড়ে খোদ রাজধানী ঢাকাতেও এ সংগঠনের নেতারা বাসা ভাড়া নিয়ে আস্তানা গড়ে তুলে। ভারতের ১৩টি জঙ্গী সংগঠনের মধ্যে ত্রিপুরা পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (টিপিডিএফ), ট্রাইবাল ফোর্স (টিএফ), ন্যাশনাল লিবারেল ফ্রন্ট অব ত্রিপুরা (এনএলএফটি), ত্রিপুরা কিংডেম (টিকি), পিপলস লিবারেল আর্মি (পিএলএ), প্রিপাক, অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স (এটিটিএফ), রয়েল বরাক আর্মি (আরবিএ), পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)। বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময়ে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার জন্য আনা চট্টগ্রামের ১০ ট্রাক অস্ত্র ও গোলাবারুদ, বগুড়ার কাহালুতে ধরা পড়া গোলাবারুদের চালান অন্যতম।
গোয়েন্দা সংস্থা ও র্যাবের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য ও পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, ভারতের ১৩টি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের বাংলাদেশের সীমান্তে আনার পর গত ১০ বছরে ১১ হাজারের বেশি তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ বাংলাদেশের ভেতরে আনার পর জামায়াত-শিবির, জঙ্গী সংগঠন ও উগ্র মৌলবাদী দলগুলোর ক্যাডারদের হাতে হস্তান্তর হতো। এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ দিয়ে বাংলাদেশের ভেতরে উগ্রমৌলবাদী ধর্মান্ধতার প্রচার, প্রসার ছাড়াও তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠন এবং স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতো। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোর আনা গ্রেনেড দিয়েই জামায়াত-শিবিরের মদদপুষ্ট জঙ্গীরা একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদেশ্যে যে হামলা চালিয়েছে বলে তদন্তে পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের অস্ত্র ভাণ্ডার অনেক পুরনো ঘটনা। ১০ থেকে ১২ বছর আগে উপযোগী বাংকার স্থাপন করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদ করা হচ্ছিল। এখান থেকেই ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এখানকার জঙ্গী ও সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে অস্ত্র সরবরাহ করে থাকে। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জামায়াত-শিবিরের সম্পৃক্ততার ব্যাপারে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যায়।
র্যাবের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ির সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুটি টিলার বাংকার ও গর্তে বিরাট অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারাভিযান শুরুর মাত্র দুদিন আগে তারা এ বাংকারের সন্ধান পেলেই অনুসন্ধান শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় স্থানীয় ১০ থেকে ১২ ব্যক্তির জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যায়। তাদের সঙ্গে ধর্মভিত্তিক দলটি এবং জঙ্গীদের যোগসূত্র থাকার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এসব লোকজনকে নজরদারিতে নেয়া হয়েছে। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর স্থানীয় এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। আর তাদের সঙ্গেই বাংলাদেশের জঙ্গীদের কানেকশন এবং ধর্মভিত্তিক একটি রাজনৈতিক দলের কতিপয় নেতার যোগসূত্র খতিয়ে দেখছে র্যাব। তবে এ অস্ত্র ভাণ্ডার বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা পরেশ বড়ুয়া বা তার সহযোগীদের হতে পারে। সে বিষয়ে প্রাথমিক কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অস্ত্র যেসব দেশ থেকে আনা হতে পারে তার মধ্যে সন্দেহের তালিকায় চীন ও মায়ানমারের নাম আছে বলে জানা গেছে। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা জঙ্গীদের কাছে এবং কিছুটা মায়ানমারের কাছে বিক্রি করে থাকে। এক্ষেত্রে মায়ানমারের রোহিঙ্গা জঙ্গী এবং বাংলাদেশী জঙ্গীদের যোগসূত্র আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের আরও অস্ত্র ভাণ্ডার থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশের মাঝে আলোচনাসাপেক্ষে এসব ঘাঁটি শনাক্ত করা প্রয়োজন।
গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলোর সম্ভাব্য রুট হিসেবে ত্রিপুরাকেই প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। এখান থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা অস্ত্রগুলো তাদের গোপন ভাণ্ডারে এনে রাখে। ত্রিপুরা রুটটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করছে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। সেদেশে কোন ধরনের অভিযানিক তৎপরতা শুরু হলে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা তারা বেছে নেয়। বিশেষ করে ত্রিপুরা হয়েই অস্ত্র এনে রাখার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে মনে করা করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। বাংলাদেশে বড় ধরনের নাশকতার জন্য এসব অস্ত্র মজুদ করা হয়েছিল কিনা সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তের খুব কাছাকাছি গহীন জঙ্গল হওয়ার কারণে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরাই এসব অস্ত্র মজুদ করে থাকতে পারে। গহীন জঙ্গল অনেক আগে থেকে ব্যবহার শুরু করে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। উলফার নেতা পরেশ বড়ুয়া থেকে শুরু করে অনেকেই এ ধরনের জঙ্গল ব্যবহার করেছিল। ভারতে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা দুর্বল হয়ে পড়ায় এবং বাংলাদেশে বর্তমান সরকার ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘাঁটি ভেঙ্গে দিয়ে ভূখণ্ডে ব্যবহার করতে না দেয়ার ব্যাপারে কঠোর ভূমিকা নেয়ার কারণে মজুদ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হচ্ছে বলে জানান গোয়েন্দা কর্মকর্তা।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment