নাগরিকত্ব দেখে তবেই আধার
কৌশিক প্রধান
নাগরিকত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরে তবেই দেওয়া হবে আধার নম্বর৷ দেশের 'নিরাপত্তা' এবং 'আর্থিক সুরক্ষা'র দোহাই দিয়ে নরেন্দ্র মোদীর নতুন সরকার আপাতত এ রকমই ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে৷ প্রাথমিক ভাবে যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, তাতে আধারের জন্য নাগরিকদের বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়ার কাজ শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকরাই করবেন৷ কোনও বেসরকারি সংস্থা আর এই কাজে যুক্ত থাকবে না৷ বায়োমেট্রিক তথ্য পাওয়ার পর ১২ সংখ্যার আধার নম্বর তৈরির দায়িত্ব অবশ্য এখনকার মতোই থাকবে ইউআইডিএআই বা আধার কর্তৃপক্ষের হাতেই৷ এখনও পর্যন্ত দেশের প্রায় ৬৩ কোটি মানুষের আধার কার্ড তৈরি করেছে ইউআইডিএআই৷
মোদী সরকারের নতুন ভাবনার সূত্রে নাগরিকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রান্নার গ্যাসের ভর্তুকি বা অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেঁৗছে দেওয়া নিয়েও নতুন করে ধন্দ তৈরি হয়েছে৷ সুপ্রিম কোর্ট যদিও ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, ভর্তুকি বা অন্য কোনও সরকারি সুবিধা নাগরিকদের দেওয়ার ক্ষেত্রে আধার বাধ্যতামূলক নয়৷ জানুয়ারি মাসে সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পরেই পূর্বতন ইউপিএ সরকার আধারের মাধ্যমে 'ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার' প্রকল্প বন্ধ করে৷ পরিবর্তিত রাজ্যপাটে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের এক কর্তা অবশ্য জানাচ্ছেন, 'রান্নার গ্যাস-গ্রাহকদের ভর্তুকির টাকা ইসিএস-এর মাধ্যমে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পৌঁছে দেওয়া যায় কি না, সে নিয়ে ফের আলোচনা চলছে৷ এ ব্যাপারে গঠিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি কেন্দ্রীয় সরকারকে এ নিয়ে তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে৷'
গত মাসের শেষ বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং মন্ত্রকের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে যে বৈঠক করেন, সেখানেও অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল 'আধার'৷ এ ব্যাপারে ইউআইডিএআই বা আধার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থা ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্ট্রার (এনপিআর)-কে কী ভাবে মিলিয়ে দেওয়া যায়, সে নিয়েও আধিকারিকদের কাছ থেকে লিখিত প্রস্তাব চান মন্ত্রী৷ এনপিআর-এর এক কর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিক পরিকল্পনায় ঠিক হয়েছে, নাগরিকত্ব যাচাই করে প্রত্যেক নাগরিকের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করার দায়িত্ব একমাত্র এনপিআর-এর হাতেই থাকবে৷ তিনি বলেন, 'তবে আধার নম্বর এখনকার মতো ইউআইডিএআই-ই দেবে৷' প্রসঙ্গত, নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসাবে প্রত্যেক নাগরিককে কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা প্রথম করেছিল অটলবিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার৷ এ জন্য ২০০৩ সালে দেশের নাগরিকত্ব আইনের সংশোধনও করা হয়েছিল৷ কিন্ত্ত, ২০০৪-এর নির্বাচনে এনডিএ জোট পরাজিত হওয়ায় সে ভাবনা আর বাস্তবায়িত হয়নি৷
এখন ফের 'নাগরিকত্ব' নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু হয়েছে৷ যদিও নাগরিকত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরেই আধার প্রদানের পরিকল্পনা পুরোটা নতুন সরকারের নয়৷ ইউপিএ-২ জমানায় এই নিয়ে তীব্র বিরোধ তৈরি হয়েছিল তত্কালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম এবং ইউআইডিএআই-এর চেয়ারম্যান নন্দন নিলেকানির মধ্যে৷ ২০১০-এর অগস্টে দেশে আধার নম্বর দেওয়ার কাজ শুরু হয়৷ সে সময় আধার কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এমনকি কিছু বেসরকারি সংস্থাকেও নাগরিকদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করার কাজে নিয়োজিত করেন৷ সে সময়ে দিল্লিতে একাধিক বৈঠকে বিভিন্ন রাজ্যের জনগণনা দপ্তরের কর্তারাও এ কাজে সরকার ব্যতীত অন্য সংস্থাকে নিয়োজিত করার প্রেক্ষিতে দেশের সুরক্ষা বিপন্ন হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন৷ পশ্চিমবঙ্গের জনগণনা দপ্তরের এক কর্তার কথায়, 'দেশের নির্বাচন কমিশনের উদাহরণ দিয়ে আমরা বলেছিলাম, ভোটার তালিকা তৈরি করা থেকে এপিক তৈরি--সমস্ত কাজ আগে এজেন্সিকে দিয়ে করানো হলেও এখন শুধুমাত্র সরকারি কর্মীরাই এই কাজ করেন৷' সে সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করেছিলেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির নেতা বিজেপি-র যশবন্ত সিনহাও৷ প্রায় তাঁর সুরে সুর মিলিয়েই নাগরিকদের বায়োমেট্রিক তথ্য দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে কোনও বেসরকারি সংস্থার হাতে যাওয়া উচিত নয়, এই যুক্তি দেখিয়ে আধারের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের কাজ শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আওতাধীন রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (আরজিআই)-র হাতেই থাকা উচিত বলে সওয়াল শুরু করেন চিদম্বরমও৷ সরকার ব্যতীত অন্য কোনও সংস্থা বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করলে দেশের নাগরিক নন, এমন কেউও আধার কার্ড পেয়ে যেতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক৷ শেষ পর্যন্ত সদ্যপ্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর হস্তক্ষেপে ২০১২-র জানুয়ারি মাসে ১৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের বরাত পায় যোজনা কমিশনের অধীনস্থ সংস্থা ইউআইডিএআই৷ পশ্চিমবঙ্গ-সহ বাকি সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বসবাসকারী নাগরিকদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করার কাজ ন্যস্ত হয় আরজিআই-এর অধীনস্থ সংস্থা এনপিআর-এর হাতে৷
এনপিআর-এর ওই কর্তার কথায়, 'জনগণনার সময় সরকারি প্রতিনিধিরা সমস্ত বাড়ি বাড়ি ঘুরে ঘুরে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন৷ এই তথ্যের উপরে ভিত্তি করেই আমরা পরবর্তীকালে বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করেছি৷ ফলে আমরা যে সমস্ত রাজ্যে এই কাজ করেছি সেখানে নাগরিক নন, এমন কারও আধার কার্ড পাওয়ার সম্ভাবনাই নেই৷'
নাগরিকত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরে তবেই দেওয়া হবে আধার নম্বর৷ দেশের 'নিরাপত্তা' এবং 'আর্থিক সুরক্ষা'র দোহাই দিয়ে নরেন্দ্র মোদীর নতুন সরকার আপাতত এ রকমই ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে৷ প্রাথমিক ভাবে যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, তাতে আধারের জন্য নাগরিকদের বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়ার কাজ শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকরাই করবেন৷ কোনও বেসরকারি সংস্থা আর এই কাজে যুক্ত থাকবে না৷ বায়োমেট্রিক তথ্য পাওয়ার পর ১২ সংখ্যার আধার নম্বর তৈরির দায়িত্ব অবশ্য এখনকার মতোই থাকবে ইউআইডিএআই বা আধার কর্তৃপক্ষের হাতেই৷ এখনও পর্যন্ত দেশের প্রায় ৬৩ কোটি মানুষের আধার কার্ড তৈরি করেছে ইউআইডিএআই৷
মোদী সরকারের নতুন ভাবনার সূত্রে নাগরিকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রান্নার গ্যাসের ভর্তুকি বা অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেঁৗছে দেওয়া নিয়েও নতুন করে ধন্দ তৈরি হয়েছে৷ সুপ্রিম কোর্ট যদিও ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, ভর্তুকি বা অন্য কোনও সরকারি সুবিধা নাগরিকদের দেওয়ার ক্ষেত্রে আধার বাধ্যতামূলক নয়৷ জানুয়ারি মাসে সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পরেই পূর্বতন ইউপিএ সরকার আধারের মাধ্যমে 'ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার' প্রকল্প বন্ধ করে৷ পরিবর্তিত রাজ্যপাটে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের এক কর্তা অবশ্য জানাচ্ছেন, 'রান্নার গ্যাস-গ্রাহকদের ভর্তুকির টাকা ইসিএস-এর মাধ্যমে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পৌঁছে দেওয়া যায় কি না, সে নিয়ে ফের আলোচনা চলছে৷ এ ব্যাপারে গঠিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি কেন্দ্রীয় সরকারকে এ নিয়ে তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে৷'
গত মাসের শেষ বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং মন্ত্রকের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে যে বৈঠক করেন, সেখানেও অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল 'আধার'৷ এ ব্যাপারে ইউআইডিএআই বা আধার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থা ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্ট্রার (এনপিআর)-কে কী ভাবে মিলিয়ে দেওয়া যায়, সে নিয়েও আধিকারিকদের কাছ থেকে লিখিত প্রস্তাব চান মন্ত্রী৷ এনপিআর-এর এক কর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিক পরিকল্পনায় ঠিক হয়েছে, নাগরিকত্ব যাচাই করে প্রত্যেক নাগরিকের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করার দায়িত্ব একমাত্র এনপিআর-এর হাতেই থাকবে৷ তিনি বলেন, 'তবে আধার নম্বর এখনকার মতো ইউআইডিএআই-ই দেবে৷' প্রসঙ্গত, নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসাবে প্রত্যেক নাগরিককে কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা প্রথম করেছিল অটলবিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার৷ এ জন্য ২০০৩ সালে দেশের নাগরিকত্ব আইনের সংশোধনও করা হয়েছিল৷ কিন্ত্ত, ২০০৪-এর নির্বাচনে এনডিএ জোট পরাজিত হওয়ায় সে ভাবনা আর বাস্তবায়িত হয়নি৷
এখন ফের 'নাগরিকত্ব' নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু হয়েছে৷ যদিও নাগরিকত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরেই আধার প্রদানের পরিকল্পনা পুরোটা নতুন সরকারের নয়৷ ইউপিএ-২ জমানায় এই নিয়ে তীব্র বিরোধ তৈরি হয়েছিল তত্কালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম এবং ইউআইডিএআই-এর চেয়ারম্যান নন্দন নিলেকানির মধ্যে৷ ২০১০-এর অগস্টে দেশে আধার নম্বর দেওয়ার কাজ শুরু হয়৷ সে সময় আধার কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এমনকি কিছু বেসরকারি সংস্থাকেও নাগরিকদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করার কাজে নিয়োজিত করেন৷ সে সময়ে দিল্লিতে একাধিক বৈঠকে বিভিন্ন রাজ্যের জনগণনা দপ্তরের কর্তারাও এ কাজে সরকার ব্যতীত অন্য সংস্থাকে নিয়োজিত করার প্রেক্ষিতে দেশের সুরক্ষা বিপন্ন হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন৷ পশ্চিমবঙ্গের জনগণনা দপ্তরের এক কর্তার কথায়, 'দেশের নির্বাচন কমিশনের উদাহরণ দিয়ে আমরা বলেছিলাম, ভোটার তালিকা তৈরি করা থেকে এপিক তৈরি--সমস্ত কাজ আগে এজেন্সিকে দিয়ে করানো হলেও এখন শুধুমাত্র সরকারি কর্মীরাই এই কাজ করেন৷' সে সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করেছিলেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির নেতা বিজেপি-র যশবন্ত সিনহাও৷ প্রায় তাঁর সুরে সুর মিলিয়েই নাগরিকদের বায়োমেট্রিক তথ্য দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে কোনও বেসরকারি সংস্থার হাতে যাওয়া উচিত নয়, এই যুক্তি দেখিয়ে আধারের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের কাজ শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আওতাধীন রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (আরজিআই)-র হাতেই থাকা উচিত বলে সওয়াল শুরু করেন চিদম্বরমও৷ সরকার ব্যতীত অন্য কোনও সংস্থা বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করলে দেশের নাগরিক নন, এমন কেউও আধার কার্ড পেয়ে যেতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক৷ শেষ পর্যন্ত সদ্যপ্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর হস্তক্ষেপে ২০১২-র জানুয়ারি মাসে ১৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের বরাত পায় যোজনা কমিশনের অধীনস্থ সংস্থা ইউআইডিএআই৷ পশ্চিমবঙ্গ-সহ বাকি সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বসবাসকারী নাগরিকদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করার কাজ ন্যস্ত হয় আরজিআই-এর অধীনস্থ সংস্থা এনপিআর-এর হাতে৷
এনপিআর-এর ওই কর্তার কথায়, 'জনগণনার সময় সরকারি প্রতিনিধিরা সমস্ত বাড়ি বাড়ি ঘুরে ঘুরে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন৷ এই তথ্যের উপরে ভিত্তি করেই আমরা পরবর্তীকালে বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করেছি৷ ফলে আমরা যে সমস্ত রাজ্যে এই কাজ করেছি সেখানে নাগরিক নন, এমন কারও আধার কার্ড পাওয়ার সম্ভাবনাই নেই৷'
http://eisamay.indiatimes.com/nation/modi-govt-will-issue-adhar-card-numbers-after-being-ensured-of-citizenship/articleshow/36261724.cms?
No comments:
Post a Comment