নদী ভাঙ্গনের শিকারদের ঠিকানা পরিবর্তন করতে হয় ২২ বার
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ
স্টাফ রিপোর্টার ॥ দেশে ভূমিহীনদের ৫০ ভাগই নদী ভাঙ্গনের শিকার। নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়ে নদী পাড়ের মানুষদের বার বার বসবাসের ঠিকানা পরিবর্তন করতে হয়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন নদী ভাঙ্গনের কারণে সারাজীবনে একজনের গড়ে ২২ বার ঠিকানা পরিবর্তন করতে হয়। ভাঙ্গনের শিকার মানুষগুলোর একদিনে যেমন নদীর চর এলাকায় মানবতের জীবন যাপন করতে হচ্ছে। অপরদিকে এদের বেশিরভাগের আবার ঠিকানা শহরের বস্তি এলাকায়।
পরিবেশের এ প্রতিকূল অবস্থার কথা স্মরণ করেই সারাবিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও আজ পালিত হবে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস জাতিসংঘের প্রতিটি সদস্য দেশ পালন করে থাকে। এবারের পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য ধরা হয়েছে ‘হতে হবে সোচ্চার, সাগরের উচ্চতা বাড়াব না আর। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এ্যাডভোকেট আবদুুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ ও বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া পৃথক বাণী দিয়েছেন। এছাড়া পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালসহ বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী সংগঠন দিবসািট উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। এসব কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে র্যালি, আলোচনাসভা, পুরস্কার বিতরণসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আব্দুল বাকী বুধবার পরিবেশ সংগঠন বাপা আয়োজিত সেমিনারে বলেন, সবচেয়ে বেশি মানবেতর জীবন যাপনের শিকার হতে হচ্ছে যমুনা পাড়ের মানুষদের। কারণ এ নদীর ভাঙ্গনের কারণে এক ব্যক্তির সারাজীবনে ২০ থেকে ৩০ বার ঠিকানা পরিবর্তন করতে হয়। এছাড়া পদ্মা নদীর ভাঙ্গনের কারণে ১০ থেকে ১৫ বার এবং মেঘনা নদীর ভাঙ্গনের কারণে ৫ থেকে ১২ বার মানুষের জায়ড়া বদল করতে হচ্ছে। নদীর ভাঙ্গনের কারণে এ নি:স্ব ভূমিহীন হয়ে মানবেতর জীবন যাপন বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে। এদের বেশিরভাগ অংশ আবার শহরের বস্তিতে বসবাস করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছে বাংলাদেশের প্রতিবছর নদী ভাঙ্গন একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা। নদীর ভাঙ্গনের কারণে প্রতিবছর মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে পড়ছে। তাদের মতে প্রবাহমান নদী তার চলার পথে গতি পথ পরিবর্তূন করে। আর পরিবর্তনের কারণে মানুষের জীবনের গতিও বার বার পরির্বতন হচ্ছে। নদীর ভাঙ্গনের শিকার হয়ে তারা ক্ষণস্থায়ীভাবে নদীর জেগে ওঠা চরে আশ্রয় গ্রহণ করছে। প্রতিনিয়ত তাদের প্রকৃতির সঙ্গে সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হয়। নদীর ভাঙ্গনের শিকার হয়ে তাদের বার বারই বাসস্থান পরিবর্তন করতে হয়।
গবেষকদের মতে চরাঞ্চলের মানুষের জন্য সরকারের কোন উন্নয়ন পরিকল্পনা নেই। বন্যার সময়ও তারা সরকারী সাহায্য সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়া প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত। শিক্ষার উন্নয়নেও কোন পরিকল্পনা সরকারের নেই। আবার জেগে ওঠা চর দখলের কারণে এসব ভূমিহীনদের আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে। এ কারণেই আবার চরে অস্থায়ীভাবে বসবাসকারীর একটি বিরাট অংশ ঢাকার শহরের বস্তিতে আশ্রয় গ্রহণ করছে। চর ও বস্তিতে বাস করা নদীর ভাঙ্গনের শিকার এসব মানুষ সব ধরনের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়ে যারা অস্থায়ীভাবে চরে বসবাস করে প্রতিবছর বন্যার পানিতে তাদের বাসস্থান তলিয়ে গেলে নতুন আশ্রয়ের সন্ধানে বের হতে হয়। আবার পানি নেমে গেলে পুনরায় চরে বাসা বাঁধে। যমুনা নদীর ভাঙ্গনের কারণে বেশি মানুষ উদ্বাস্তের শিকার হচ্ছে। আবার সবচেয়ে বেশি মানুষের আশ্রয় রয়েছে যমুনা নদীতে জেগে ওঠা চরে। দেশে যে পরিমাণ নদীর চর রয়েছে তার বেশিরভাগই যমুন নদী তীরবর্তী এলাকায়। যমুনা তীরবর্তী এলাকায় চরের পরিমাণ ১ লাখ হেক্টর। এছাড়া পদ্মা ও মেঘনা অববাহিকায় চরের পরিমাণ ৭৫ হাজার হেক্টর। তাদের মতে চরে জীবন ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা গেলে এসব মানুষের জীবনে পরিবর্তন আসবে। তেমনি শহরের বস্তিতে আশ্রয় নেয়া মানুষের পরিমাণ কমে আসবে। বিশেষ করে চরে বসবাসকারী অস্থানীয এই লোকদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে যথার্থ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ তাঁর বাণীতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানসহ দেশের সব নাগরিককে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর তাঁর বাণীতে বলেন, সরকার জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি আমি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশ্ব সম্প্রদায়সহ দেশের সকল নাগরিককে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি সকাল ৮টায় জাতীয় জাদুঘর থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের টিএসসি ও দোয়েল চত্বর হয়ে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় সাগরের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধ ও পরিবেশ রক্ষার আহ্বান জানিয়ে সেøøাগান দেয়া হয়। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব শফিউল আলম পাটোয়ারী এবং পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক রইসুল আলম শোভাযাত্রায় শেষে সমাপনী বক্তব্য দেন। শফিউল আলম বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা দিন দিন বাড়ছে। অপরিকল্পিত নগরায়ন, শিল্পায়ন এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে আমরা প্রাকৃতিক পরিবেশকে ধ্বংস করে চলেছি। নদী দখল ও অপরিকল্পিত নদী শাসনের ফলে দেশের নদীগুলোও মরে যাচ্ছে। বনাঞ্চল উজাড় করে যেখানে সেখানে জনবসতি ও শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠার ফলে দেশে ঋতু ও বৈচিত্র্য হারিয়ে যাচ্ছে। অপরিকল্পিত নগরায়ন, শিল্পায়ন এবং পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকা- বন্ধে দেশের মানুষকে সচেতন ভূমিকা পালন করে সাগরের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধেরও আহ্বান জানান তিনি।
শোভাযাত্রায় পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, জ্যেষ্ঠ সচিব, পরিবেশ অধিদফতরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রোভার স্কাউট সদস্য, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আজ থেকে শুরু হচ্ছে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান। আগামী তিন মাস ধরে মন্ত্রণালয়ে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
পরিবেশের এ প্রতিকূল অবস্থার কথা স্মরণ করেই সারাবিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও আজ পালিত হবে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস জাতিসংঘের প্রতিটি সদস্য দেশ পালন করে থাকে। এবারের পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য ধরা হয়েছে ‘হতে হবে সোচ্চার, সাগরের উচ্চতা বাড়াব না আর। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এ্যাডভোকেট আবদুুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ ও বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া পৃথক বাণী দিয়েছেন। এছাড়া পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালসহ বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী সংগঠন দিবসািট উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। এসব কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে র্যালি, আলোচনাসভা, পুরস্কার বিতরণসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আব্দুল বাকী বুধবার পরিবেশ সংগঠন বাপা আয়োজিত সেমিনারে বলেন, সবচেয়ে বেশি মানবেতর জীবন যাপনের শিকার হতে হচ্ছে যমুনা পাড়ের মানুষদের। কারণ এ নদীর ভাঙ্গনের কারণে এক ব্যক্তির সারাজীবনে ২০ থেকে ৩০ বার ঠিকানা পরিবর্তন করতে হয়। এছাড়া পদ্মা নদীর ভাঙ্গনের কারণে ১০ থেকে ১৫ বার এবং মেঘনা নদীর ভাঙ্গনের কারণে ৫ থেকে ১২ বার মানুষের জায়ড়া বদল করতে হচ্ছে। নদীর ভাঙ্গনের কারণে এ নি:স্ব ভূমিহীন হয়ে মানবেতর জীবন যাপন বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে। এদের বেশিরভাগ অংশ আবার শহরের বস্তিতে বসবাস করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছে বাংলাদেশের প্রতিবছর নদী ভাঙ্গন একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা। নদীর ভাঙ্গনের কারণে প্রতিবছর মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে পড়ছে। তাদের মতে প্রবাহমান নদী তার চলার পথে গতি পথ পরিবর্তূন করে। আর পরিবর্তনের কারণে মানুষের জীবনের গতিও বার বার পরির্বতন হচ্ছে। নদীর ভাঙ্গনের শিকার হয়ে তারা ক্ষণস্থায়ীভাবে নদীর জেগে ওঠা চরে আশ্রয় গ্রহণ করছে। প্রতিনিয়ত তাদের প্রকৃতির সঙ্গে সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হয়। নদীর ভাঙ্গনের শিকার হয়ে তাদের বার বারই বাসস্থান পরিবর্তন করতে হয়।
গবেষকদের মতে চরাঞ্চলের মানুষের জন্য সরকারের কোন উন্নয়ন পরিকল্পনা নেই। বন্যার সময়ও তারা সরকারী সাহায্য সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়া প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত। শিক্ষার উন্নয়নেও কোন পরিকল্পনা সরকারের নেই। আবার জেগে ওঠা চর দখলের কারণে এসব ভূমিহীনদের আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে। এ কারণেই আবার চরে অস্থায়ীভাবে বসবাসকারীর একটি বিরাট অংশ ঢাকার শহরের বস্তিতে আশ্রয় গ্রহণ করছে। চর ও বস্তিতে বাস করা নদীর ভাঙ্গনের শিকার এসব মানুষ সব ধরনের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়ে যারা অস্থায়ীভাবে চরে বসবাস করে প্রতিবছর বন্যার পানিতে তাদের বাসস্থান তলিয়ে গেলে নতুন আশ্রয়ের সন্ধানে বের হতে হয়। আবার পানি নেমে গেলে পুনরায় চরে বাসা বাঁধে। যমুনা নদীর ভাঙ্গনের কারণে বেশি মানুষ উদ্বাস্তের শিকার হচ্ছে। আবার সবচেয়ে বেশি মানুষের আশ্রয় রয়েছে যমুনা নদীতে জেগে ওঠা চরে। দেশে যে পরিমাণ নদীর চর রয়েছে তার বেশিরভাগই যমুন নদী তীরবর্তী এলাকায়। যমুনা তীরবর্তী এলাকায় চরের পরিমাণ ১ লাখ হেক্টর। এছাড়া পদ্মা ও মেঘনা অববাহিকায় চরের পরিমাণ ৭৫ হাজার হেক্টর। তাদের মতে চরে জীবন ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা গেলে এসব মানুষের জীবনে পরিবর্তন আসবে। তেমনি শহরের বস্তিতে আশ্রয় নেয়া মানুষের পরিমাণ কমে আসবে। বিশেষ করে চরে বসবাসকারী অস্থানীয এই লোকদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে যথার্থ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ তাঁর বাণীতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানসহ দেশের সব নাগরিককে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর তাঁর বাণীতে বলেন, সরকার জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি আমি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশ্ব সম্প্রদায়সহ দেশের সকল নাগরিককে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি সকাল ৮টায় জাতীয় জাদুঘর থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের টিএসসি ও দোয়েল চত্বর হয়ে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় সাগরের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধ ও পরিবেশ রক্ষার আহ্বান জানিয়ে সেøøাগান দেয়া হয়। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব শফিউল আলম পাটোয়ারী এবং পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক রইসুল আলম শোভাযাত্রায় শেষে সমাপনী বক্তব্য দেন। শফিউল আলম বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা দিন দিন বাড়ছে। অপরিকল্পিত নগরায়ন, শিল্পায়ন এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে আমরা প্রাকৃতিক পরিবেশকে ধ্বংস করে চলেছি। নদী দখল ও অপরিকল্পিত নদী শাসনের ফলে দেশের নদীগুলোও মরে যাচ্ছে। বনাঞ্চল উজাড় করে যেখানে সেখানে জনবসতি ও শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠার ফলে দেশে ঋতু ও বৈচিত্র্য হারিয়ে যাচ্ছে। অপরিকল্পিত নগরায়ন, শিল্পায়ন এবং পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকা- বন্ধে দেশের মানুষকে সচেতন ভূমিকা পালন করে সাগরের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধেরও আহ্বান জানান তিনি।
শোভাযাত্রায় পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, জ্যেষ্ঠ সচিব, পরিবেশ অধিদফতরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রোভার স্কাউট সদস্য, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আজ থেকে শুরু হচ্ছে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান। আগামী তিন মাস ধরে মন্ত্রণালয়ে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=27&dd=2014-06-05&ni=175046
No comments:
Post a Comment