Wednesday, June 11, 2014

অবশেষে বন্ধ আনফেয়ার ফেয়ারনেস ক্রিম

অবশেষে বন্ধ আনফেয়ার ফেয়ারনেস ক্রিম

dark is fair
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: চাকরি থেকে পাত্র-পাত্রী সর্বত্রই সাদা চামড়ার জয়জয়কার। এমনকি কলেজ ক্যাম্পাসেও কৃষ্ণকলিদের নাকি কোনও ডিমান্ডই নেই। এটাই পরিচিত চিত্র আমাদের সাধের দেশে। ব্যতিক্রম যে একেবারেই নেই, তা সত্যিই বলা যায় না। তবে ব্যতিক্রমের সংখ্যাটিও বড়ই ব্যতিক্রমী। অতএব প্রায় ৮০ শতাংশ ভারতবাসীর সাদা-চামড়ার প্রতি ফেটিশকে কাজে লাগিয়ে দিনের পর দিন, বছরের পর বছর কালো চামড়া নিমেষে সাদা করার জাদুমলম বেচে যাচ্ছে কয়েকটি সংস্থা। আর বাজারে আসতে না আসতেই হু হু করে বিক্রি হয়ে যায় এই সব ফেয়ারনেস ক্রিম। তবে একটা কথা কেউ ভেবে দেখে না, যদি এই সব ফেয়ারনেস ক্রিম দাবি অনুযায়ী কাজ করে তবে এতদিনে এই দেশে তো আর 'ডার্ক কমপ্লেকশন'-র অস্তিত্বই থাকত না! কিন্তু না, এত ভাবার সময় কোথায়... আর যেখানে দেশের প্রথম সারির স্টাররা একের পর এক ফর্সা হওয়ার ক্রিম বেচতে এগিয়ে আসছেন, সেখানে অবিশ্বাসের তো কিছুই নেই!

কিন্তু এখানেই ঘটেছে আরও একটি ব্যতিক্রম। এভাবে অবাধ বর্ণবৈষম্য রুখতে এবার তত্‍‌পর হয়েছে আসকি (অ্যাডভার্টাইজিং স্ট্যান্ডার্ডস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া)। এটি একটি স্বয়ং শাসিত সংস্থা যা মূলত ক্রেতা স্বার্থের দিকটা দেখে। সম্প্রতি তারা একটি নির্দেশিকা জারি করেছে যা মেনে চলতে হবে সব সংস্থা এবং বিজ্ঞাপন প্রস্তুতকারী এজেন্সিকে। সেই নির্দেশিকা অনুযায়ী----

১. ফেয়ারনেস প্রস্তুতকারী কোনও সংস্থা এমন কোনও বিজ্ঞাপন তৈরি করতে পারবে না যেখানে গায়ের রঙের জন্যে বিভেদ করা হচ্ছে দেখানো হবে।

২. যাঁদের গায়ের রং কালো, তাঁরা জীবনে ব্যর্থ, অবসাদে ভুগছে, খারাপ দেখতে, অসহায় এমনটাও দেখানো যাবে না।

৩. পোস্ট প্রোডাকশন এফেক্টের সাহায্যে দেখানো যাবে না যে ফেয়ারনেস প্রোডাক্ট ব্যবহার করার পর নিমেষেই কেউ ধবধবে ফর্সা হয়ে গিয়েছে। 

No comments:

Post a Comment