চিন সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে দিল্লি
নয়াদিল্লি: প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার ক্ষেত্রে মোদী প্রশাসন যতই সৌজন্য দেখাক, চিন সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে আপাতত তত্পর তারা৷ অরুণাচলপ্রদেশে ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি)-এর ৫৪টি নতুন সীমান্ত চৌকি তৈরির পরিকল্পনা করছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার৷ প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে, আইটিবিপি-র ৫৪টি অত্যাধুনিক সীমান্ত চৌকি বানানোর প্রস্তাব বিবেচনার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছিল৷ সম্প্রতি সে ব্যাপারে সম্মতি মিলেছে৷
অন্য দিকে, এ দিনই চিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য সৌজন্যের নজির হিসেবেই অরুণাচলের বাসিন্দাদের স্টেপলড ভিসা দেবে চিন সরকার৷ অরুণাচলপ্রদেশে চিন লাগোয়া সীমান্ত প্রায় ১,১২৬ কিলোমিটার৷ সেখানে এখন ৩০টি মতো সীমান্ত চৌকি রয়েছে৷ কিন্ত্ত আন্তর্জাতিক এই সীমান্তে ক্রমাগত অনুপ্রবেশ চলতে থাকায় সেখানে নজরদারি বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে৷ সূত্রের খবর, বেশি উচ্চতায় বরফঢাকা অঞ্চলে সেনাদের প্রয়োজনীয় সব গ্যাজেটেই থাকবে অত্যাধুনিক এই চৌকিতে৷ সৌরশক্তিতে চলা এই চৌকিগুলিতে আইটিবিপি-র নজরদাররা ছাড়াও প্রয়োজনে বিশাল সেনাবাহিনীও থাকতে পারবে৷
নজরদারিতে অসুবিধার কথা জানিয়েই সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে এই প্রস্তাব দিয়েছিল সীমান্ত রক্ষী বাহিনী৷ তাদের দাবি ছিল, সীমান্ত চৌকির সংখ্যা বাড়ালে নজরদারি ভালো হবে৷ তাছাড়া বিভিন্ন চৌকির মধ্যে যোগাযোগও বাড়বে৷ ফলে সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে অনুপ্রবেশ বন্ধ করা সম্ভব হবে৷ চৌকির সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে নতুন বাহিনী নিয়োগের প্রক্রিয়াও শুরু করতে চলেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷
অন্য দিকে, এ দিনই চিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য সৌজন্যের নজির হিসেবেই অরুণাচলের বাসিন্দাদের স্টেপলড ভিসা দেবে চিন সরকার৷ অরুণাচলপ্রদেশে চিন লাগোয়া সীমান্ত প্রায় ১,১২৬ কিলোমিটার৷ সেখানে এখন ৩০টি মতো সীমান্ত চৌকি রয়েছে৷ কিন্ত্ত আন্তর্জাতিক এই সীমান্তে ক্রমাগত অনুপ্রবেশ চলতে থাকায় সেখানে নজরদারি বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে৷ সূত্রের খবর, বেশি উচ্চতায় বরফঢাকা অঞ্চলে সেনাদের প্রয়োজনীয় সব গ্যাজেটেই থাকবে অত্যাধুনিক এই চৌকিতে৷ সৌরশক্তিতে চলা এই চৌকিগুলিতে আইটিবিপি-র নজরদাররা ছাড়াও প্রয়োজনে বিশাল সেনাবাহিনীও থাকতে পারবে৷
নজরদারিতে অসুবিধার কথা জানিয়েই সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে এই প্রস্তাব দিয়েছিল সীমান্ত রক্ষী বাহিনী৷ তাদের দাবি ছিল, সীমান্ত চৌকির সংখ্যা বাড়ালে নজরদারি ভালো হবে৷ তাছাড়া বিভিন্ন চৌকির মধ্যে যোগাযোগও বাড়বে৷ ফলে সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে অনুপ্রবেশ বন্ধ করা সম্ভব হবে৷ চৌকির সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে নতুন বাহিনী নিয়োগের প্রক্রিয়াও শুরু করতে চলেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷
No comments:
Post a Comment