বাদলদিনের প্রথম কদমফুল
আজ পয়লা আষাঢ়
মনোয়ার হোসেন ॥ আকাশ এত মেঘলা/যেও নাকো একলা/এখনই নামবে অন্ধকার- গানের সুরে এমন উদ্বেলিত হয়েই ধরা দেয় রূপের ঋতু বর্ষা। আর কবি গুরুর ভাষায়- নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহিরে...। আকাশভাঙ্গা বৃষ্টি ঝরার মৌসুম বর্ষা নিয়ে রচিত হয়েছে এমন অজস্র গান, কবিতা। পঞ্জিকার হিসেবে আজ বর্ষা ঋতুর প্রথমদিন পয়লা আষাঢ়। অথচ মেঘের দেখা নেই। হয়ত ঝরতেও পারে বারিধারা। সেই জলের ধারায় সিক্ত হবে মানুষের মন। আবার বর্ষার প্রথমদিনে বৃষ্টি নাও হতে পারে। তাই বলে থেমে থাকবে না বাঙালীর ঋতুভিত্তিক আবেগময় উৎসবধ্বনি। বদলে যাওয়া প্রকৃতির কারণেই মন আকুল করা আবেগ ঠিকই কড়া নাড়বে পথচলা পথিকের হৃদয়ের গহীনে। সে ক্ষেত্রে বৃষ্টি না ঝরলেও গান বা কবিতার আশ্রয়ে আলিঙ্গন করা হবে স্নিগ্ধ ও সজীবতার এ ঋতুকে।
বঙ্গাব্দের হিসেবে আষাঢ়-শ্রাবণ দুই মাস বর্ষাকাল। আবহাওয়া বার্তায় এ সময় ধরা দেবে জলীয় বাষ্পবাহী দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর ব্যাপক দাপট। সেই সূত্রে বৃষ্টিও হবে প্রচুর। এ কারণেই বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টির রেকর্ড করা হয় বর্ষায়। আর নিয়মিত বর্ষণে চারপাশের পরিবেশ হয়ে ওঠে অনিন্দ্য সুন্দর। জলের ধারায় সহজাতভাবেই স্নানটা সেরে নেয় প্রকৃতি। বেড়ে যায় গাছের পাতা থেকে শুরু করে দিগন্ত বিস্তৃত মাঠভরা ঘাসের সজীবতা। বর্ষার জলের ধারায় যেন আরও বেশি তীব্রতা ছড়ায় নিসর্গের সবুজ রংটি। এমন রঙের উৎসবের পাশাপাশি বেলী, বকুল, জুঁই, দোলনচাঁপা, গন্ধরাজ, হাসনাহেনার মন মাতানো সুবাসে প্লাবিত হয় চারপাশ। সে সঙ্গে আছে কবির ভাষায় বর্ষার প্রতীক হয়ে ওঠা ‘বাদল-দিনের প্রথম কদম ফুল’। শহর বা গ্রাম সবখানেই সবুজ-হলুদ ও সাদা-এ তিনস্তরে বিন্যস্ত দৃষ্টিনন্দন ফুলটির দেখা মিলবে বর্ষাকালে। আবার কোন এক বৃষ্টিভেজা দিনে অপরূপ সুন্দর পেখম মেলে বর্ষার জয়ধ্বনি দেবে ময়ূর। বর্ষায় প্রকৃতি ও প্রাণীকুলে উদ্দীপনা সঞ্চারী এমন পরিবর্তনে মুগ্ধতার প্রকাশ করে নজরুল লিখেছেন- রিম্ঝিম্ রিম্ঝিম্ ঘন দেয়া বরষে/কাজরি নাচিয়া চল, পুর-নারী হরষে/ কদম তমাল ডালে দোলনা দোলে/কুহু পাপিয়া ময়ূর বোলে/মনের বনের মুকুল খোলে/নট-শ্যাম সুন্দর মেঘ পরশে...।
নীলাকাশ ঢেকে দিয়ে কালো মেঘের আনাগোনায় পুলকিত হওয়া বিশ্বকবির সৃষ্টিতে উচ্চারিত হয়- মন মোর মেঘের সঙ্গী/ উড়ে চলে দিগ্দিগন্তের পানে/ নিঃসীম শূন্যে শ্রাবণবর্ষণসঙ্গীতে/রিমিঝিম রিমিঝিম রিমিঝিম...। এমন শব্দ চঞ্চল বৃষ্টিতে কার না মন চায়! তাই তো সুযোগ পেলে পথ চলতি কিশোর-কিশোরী বা যুবা জলের ধারায় দাঁড়িয়ে ভিজিয়ে নেবে নিজেকে। আর শহুরে জীবনে তুমুল বৃষ্টিতে আশপাশে খোলা জায়গা খুঁজে না পেলে ঘরে ছাদে উঠেই ঘটবে বর্ষা আলিঙ্গন। এমনই রূপময়তায় ধরা দুই মাসব্যাপী বর্ষাঋতু। আর কৃষিজীবী জীবনে বাদল দিনের তাৎপর্য উঠে আসে ভূপেন হাজারিকার গানের সুরে- আষাঢ়-শ্রাবণ চাষের কাজে ব্যস্ত আমি রই। সেই হিসেবে কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে বর্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। ওস্তাদ মোমতাজ আলী খানের সুরে উচ্চারিত হয়- আইলো আষাঢ় লইয়া আশা/ চাষীর মনে বান্ধে বাসা...।
নানামুখী সৌন্দর্য ও তাৎপর্যের পাশাপাশি বর্ষায় কিছুটা বিপদের ঝুঁকিও রয়েছে। ভারি বর্ষণ বা পাহাড়ি ঢলে ভেসে যেতে পারে গ্রামের পর গ্রাম। সে কারণে বন্যাপ্রবণ সমতল এলাকার মানুষ আতঙ্কে পার করে বর্ষাকাল। শুধু তাই নয়, অথৈ জলের তোড়ে তলিয়ে যেতে পাবে কৃষকের আবাদি ফসলের জমিটি। আবার অতিবৃষ্টির কারণে শহুরে নাগরিকের রয়েছে জলাবদ্ধতার শিকার হওয়ার ঝামেলা। কিছু বিপদের কথা বাদ দিলে সব মিলিয়েই ষড়ঋতুর বাংলাদেশে বর্ষা নিয়ে আসে স্বস্তি ও শান্তির অনুভূতি। ফুলে ফলে কিংবা বৃক্ষজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে অপরূপ প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য।
আজ রবিবার তাই রাজধানীজুড়ে রয়েছে ঐশ্বর্য ও প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর বর্ষা বন্দনার নানা আয়োজন। ইট-সুড়কি আর কংক্রিটের শহর ঢাকায় আয়োজনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে বর্ষাকাল। বর্ষা উৎসবের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ও সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী। এসব আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে নাগরিকের তৃষিত হৃদয় থেকে শুরু করে পুষ্পে-বৃক্ষে, পত্রপল্লবে চড়িয়ে দেয়া হবে নতুন প্রাণের নতুন গানের সুর। সকাল ৭টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ঢাকা মহানগর সংসদ আয়োজিত বর্ষা উৎসব। নৃত্য-গীত, আবৃত্তি ও বর্ষা কথনে সাজানো আয়োজনের শুরুতেই থাকবে বিজন চন্দ্র মিস্ত্রির যন্ত্রসঙ্গীত পরিবেশনা। এর পর হবে দলীয় নৃত্য ও দলীয় সঙ্গীত পরিবেশনা। বিজন চন্দ্র মিস্ত্রি ও নীহারিকার পরিবেশনায় থাকবে উচ্চাঙ্গসঙ্গীত। মেঘদূত কবিতা আবৃত্তি করবেন খ্যাতিমান আবৃত্তিশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়পর্বে থাকবে সঙ্গীত ও আবৃত্তি আড্ডা। বর্ষা কথনে অংশ নেবেন বরেণ্য শিল্পী হাশেম খান। অনুষ্ঠানের তৃতীয়পর্বে থাকবে দলীয় নৃত্য। এর পর গান, নাচ ও আবৃত্তি পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে আসবে উদীচী ঢাকা মহানগর সংসদের শিল্পীরা। উদীচীর বর্ষা উৎসব সরাসরি সম্প্রচার করবে দেশের বেসরকারী টিভি চ্যানেল এটিএন বাংলা। সকাল সোয়া ৭টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বরে শুরু হবে সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর দিনব্যাপী বর্ষা উৎসব। শুরুতেই মিয়াকী মল্লার রাগ পরিবেশন করবেন সেমন্তী মঞ্জুরী। এ ছাড়াও এ উৎসবে থাকবে নানা শিল্পীর একক ও দলীয় কণ্ঠের গান, একক কণ্ঠের কবিতা আবৃত্তি ও দলীয় নৃত্য। এসবের সঙ্গে থাকবে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। আর বর্ষা কথনে অংশ নেবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আহ্্কাম উল্লাহ্, সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সহসভাপতি ড. নিগার চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মানজার চৌধুরী সুইট। সভাপতিত্ব করবেন ড. হায়াৎ মামুদ। সকালের পর্ব শেষে বিকেল ৫টা থেকে থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় বসবে সংগঠনটির দ্বিতীয়পর্বের উৎসব। একক ও দলীয় সঙ্গীত, দলীয় নৃত্য, একক কণ্ঠের আবৃত্তি ও শিশুদের সমবেত আবৃত্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে বৈকালিক পর্বের অনুষ্ঠানসূচী।
বঙ্গাব্দের হিসেবে আষাঢ়-শ্রাবণ দুই মাস বর্ষাকাল। আবহাওয়া বার্তায় এ সময় ধরা দেবে জলীয় বাষ্পবাহী দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর ব্যাপক দাপট। সেই সূত্রে বৃষ্টিও হবে প্রচুর। এ কারণেই বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টির রেকর্ড করা হয় বর্ষায়। আর নিয়মিত বর্ষণে চারপাশের পরিবেশ হয়ে ওঠে অনিন্দ্য সুন্দর। জলের ধারায় সহজাতভাবেই স্নানটা সেরে নেয় প্রকৃতি। বেড়ে যায় গাছের পাতা থেকে শুরু করে দিগন্ত বিস্তৃত মাঠভরা ঘাসের সজীবতা। বর্ষার জলের ধারায় যেন আরও বেশি তীব্রতা ছড়ায় নিসর্গের সবুজ রংটি। এমন রঙের উৎসবের পাশাপাশি বেলী, বকুল, জুঁই, দোলনচাঁপা, গন্ধরাজ, হাসনাহেনার মন মাতানো সুবাসে প্লাবিত হয় চারপাশ। সে সঙ্গে আছে কবির ভাষায় বর্ষার প্রতীক হয়ে ওঠা ‘বাদল-দিনের প্রথম কদম ফুল’। শহর বা গ্রাম সবখানেই সবুজ-হলুদ ও সাদা-এ তিনস্তরে বিন্যস্ত দৃষ্টিনন্দন ফুলটির দেখা মিলবে বর্ষাকালে। আবার কোন এক বৃষ্টিভেজা দিনে অপরূপ সুন্দর পেখম মেলে বর্ষার জয়ধ্বনি দেবে ময়ূর। বর্ষায় প্রকৃতি ও প্রাণীকুলে উদ্দীপনা সঞ্চারী এমন পরিবর্তনে মুগ্ধতার প্রকাশ করে নজরুল লিখেছেন- রিম্ঝিম্ রিম্ঝিম্ ঘন দেয়া বরষে/কাজরি নাচিয়া চল, পুর-নারী হরষে/ কদম তমাল ডালে দোলনা দোলে/কুহু পাপিয়া ময়ূর বোলে/মনের বনের মুকুল খোলে/নট-শ্যাম সুন্দর মেঘ পরশে...।
নীলাকাশ ঢেকে দিয়ে কালো মেঘের আনাগোনায় পুলকিত হওয়া বিশ্বকবির সৃষ্টিতে উচ্চারিত হয়- মন মোর মেঘের সঙ্গী/ উড়ে চলে দিগ্দিগন্তের পানে/ নিঃসীম শূন্যে শ্রাবণবর্ষণসঙ্গীতে/রিমিঝিম রিমিঝিম রিমিঝিম...। এমন শব্দ চঞ্চল বৃষ্টিতে কার না মন চায়! তাই তো সুযোগ পেলে পথ চলতি কিশোর-কিশোরী বা যুবা জলের ধারায় দাঁড়িয়ে ভিজিয়ে নেবে নিজেকে। আর শহুরে জীবনে তুমুল বৃষ্টিতে আশপাশে খোলা জায়গা খুঁজে না পেলে ঘরে ছাদে উঠেই ঘটবে বর্ষা আলিঙ্গন। এমনই রূপময়তায় ধরা দুই মাসব্যাপী বর্ষাঋতু। আর কৃষিজীবী জীবনে বাদল দিনের তাৎপর্য উঠে আসে ভূপেন হাজারিকার গানের সুরে- আষাঢ়-শ্রাবণ চাষের কাজে ব্যস্ত আমি রই। সেই হিসেবে কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে বর্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। ওস্তাদ মোমতাজ আলী খানের সুরে উচ্চারিত হয়- আইলো আষাঢ় লইয়া আশা/ চাষীর মনে বান্ধে বাসা...।
নানামুখী সৌন্দর্য ও তাৎপর্যের পাশাপাশি বর্ষায় কিছুটা বিপদের ঝুঁকিও রয়েছে। ভারি বর্ষণ বা পাহাড়ি ঢলে ভেসে যেতে পারে গ্রামের পর গ্রাম। সে কারণে বন্যাপ্রবণ সমতল এলাকার মানুষ আতঙ্কে পার করে বর্ষাকাল। শুধু তাই নয়, অথৈ জলের তোড়ে তলিয়ে যেতে পাবে কৃষকের আবাদি ফসলের জমিটি। আবার অতিবৃষ্টির কারণে শহুরে নাগরিকের রয়েছে জলাবদ্ধতার শিকার হওয়ার ঝামেলা। কিছু বিপদের কথা বাদ দিলে সব মিলিয়েই ষড়ঋতুর বাংলাদেশে বর্ষা নিয়ে আসে স্বস্তি ও শান্তির অনুভূতি। ফুলে ফলে কিংবা বৃক্ষজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে অপরূপ প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য।
আজ রবিবার তাই রাজধানীজুড়ে রয়েছে ঐশ্বর্য ও প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর বর্ষা বন্দনার নানা আয়োজন। ইট-সুড়কি আর কংক্রিটের শহর ঢাকায় আয়োজনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে বর্ষাকাল। বর্ষা উৎসবের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ও সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী। এসব আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে নাগরিকের তৃষিত হৃদয় থেকে শুরু করে পুষ্পে-বৃক্ষে, পত্রপল্লবে চড়িয়ে দেয়া হবে নতুন প্রাণের নতুন গানের সুর। সকাল ৭টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ঢাকা মহানগর সংসদ আয়োজিত বর্ষা উৎসব। নৃত্য-গীত, আবৃত্তি ও বর্ষা কথনে সাজানো আয়োজনের শুরুতেই থাকবে বিজন চন্দ্র মিস্ত্রির যন্ত্রসঙ্গীত পরিবেশনা। এর পর হবে দলীয় নৃত্য ও দলীয় সঙ্গীত পরিবেশনা। বিজন চন্দ্র মিস্ত্রি ও নীহারিকার পরিবেশনায় থাকবে উচ্চাঙ্গসঙ্গীত। মেঘদূত কবিতা আবৃত্তি করবেন খ্যাতিমান আবৃত্তিশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়পর্বে থাকবে সঙ্গীত ও আবৃত্তি আড্ডা। বর্ষা কথনে অংশ নেবেন বরেণ্য শিল্পী হাশেম খান। অনুষ্ঠানের তৃতীয়পর্বে থাকবে দলীয় নৃত্য। এর পর গান, নাচ ও আবৃত্তি পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে আসবে উদীচী ঢাকা মহানগর সংসদের শিল্পীরা। উদীচীর বর্ষা উৎসব সরাসরি সম্প্রচার করবে দেশের বেসরকারী টিভি চ্যানেল এটিএন বাংলা। সকাল সোয়া ৭টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বরে শুরু হবে সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর দিনব্যাপী বর্ষা উৎসব। শুরুতেই মিয়াকী মল্লার রাগ পরিবেশন করবেন সেমন্তী মঞ্জুরী। এ ছাড়াও এ উৎসবে থাকবে নানা শিল্পীর একক ও দলীয় কণ্ঠের গান, একক কণ্ঠের কবিতা আবৃত্তি ও দলীয় নৃত্য। এসবের সঙ্গে থাকবে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। আর বর্ষা কথনে অংশ নেবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আহ্্কাম উল্লাহ্, সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সহসভাপতি ড. নিগার চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মানজার চৌধুরী সুইট। সভাপতিত্ব করবেন ড. হায়াৎ মামুদ। সকালের পর্ব শেষে বিকেল ৫টা থেকে থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় বসবে সংগঠনটির দ্বিতীয়পর্বের উৎসব। একক ও দলীয় সঙ্গীত, দলীয় নৃত্য, একক কণ্ঠের আবৃত্তি ও শিশুদের সমবেত আবৃত্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে বৈকালিক পর্বের অনুষ্ঠানসূচী।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment