ফেরা
শওকত চৌধুরী
প্রকাশ : ৩০ মে, ২০১৪
ঘুমের ভেতরই পিলুর মনে হল কেউ একজন দরোজার কড়া নাড়ছে।
কে? কে?
ওপাশ থেকে কোনো সাড়া শব্দ এলো না।
পিলু পাশ ফিরে আবারও শুয়ে পড়ল। আজকাল প্রায় তার এমন হয়। হঠাৎ হঠাৎ রাতে ঘুম ভেঙে যায়। মনে হয় কেউ একজন দরোজার কড়া নাড়ছে। বাচ্চা হওয়ার সময় নাকি প্রায় এমন হয়। হয় নাকি? পিলু জানে না। তারপরও পিলু গভীর মমতায় একবার পেটের ওপর হাত রাখে। পেটের ভেতর যে প্রাণটি একটু একটু বড় হচ্ছে, হাতের তালুতে তাকে স্পর্শ করে। পিলু শুধু তাকে স্পর্শই করে না, দুএকটা কথাও বলে।
গুটু সোনার ঘুম আসছে না আজ?
গুটু কোনো উত্তর করে না।
বাবাকে দেখতে ইচ্ছে করছে? আমারও করছে। বাবা আসবে। এ মাসেই তার ছুটি মিলবে। টানা দুই সপ্তাহ। এটা কিসের ছুটি জানেন? প্যাটারনিটি লিভ। আপনি প্যাটারনিটি লিভ কি জানেন?
গুটু যেন মাথা ঝাঁকায়।
না।
আপনি দুনিয়াতে আসবেন তো এই জন্য কোম্পানি ছুটি মঞ্জুর করবে। বুঝেছেন?
২.
পিলুর চোখে আবার ঘুম গাঢ় হয়ে আসতে শুরু করে। গাঢ় ঘুমের ভেতর সে আবারও শুনতে পায় কেউ একজন দরোজার কড়া নাড়ছে।
কে আপনি? কথা বলেন না কেন?
দরোজার ওপাশটা যথারীতি নিঃশব্দ।
আশ্চর্য কথা বলছেন না কেন?
আবারও কোনো উত্তর আসে না।
ঝিঁঝিঁ পোকার ঝিম ধরানো এক ধরনের শব্দ শোনা যাচ্ছে। শরীরে খানিকটা শীত অনুভূত হচ্ছে। আচ্ছা, বাইরে কি বাতাস হচ্ছে? ঘরের বাম পাশে আকতার একটা বাগান করেছে। বাগানের নাম স্নেকলাভ। অদ্ভুত! কেউ কি বাগানের নাম, সর্পপ্রেম রাখতে পারে? সর্পপ্রেম থেকে মিষ্টি একটা গন্ধ ভেসে আসছে। আচ্ছা, এটা কোন ফুলের গন্ধ?
আজ কতদিন আকতার আসে না। লোকটা কী এমন কাজ করে দু’মাস ধরে বাড়ি আসতে পারে না? দু’মাস কত দীর্ঘ সময়! ষাট দিন। চোদ্দশ চল্লিশ ঘণ্টা। আচ্ছা, চোদ্দশ চল্লিশ ঘণ্টায় কত সেকেন্ড হয়?
এবার বাড়ি এলে শক্তভাবে আকতারকে একটা কথা বলতে হবে, কাজটা বদলাও। অবশ্য লোকটা তার কথা শুনবে বলে মনে হয় না। লোকটা কখনও তার কথা শোনে না। একটু কিছু হলেই মেজাজ দেখায়। লোকটা একটা মেজাজ মানব!
মেজাজ মানব নিশ্চয় তার কাজ বদলানোর কথা শুনে উত্তেজিত হয়ে পড়বে।
কাজ বদলাও কথার মানে কী?
আর একটা চাকরি ধরবে। সপ্তায় দু’দিন ছুটি। একদিন হাফ একদিন ফুল। প্রতি ছুটির দিন বাড়ি আসবে। শাহেদা ভাবির বর মিন্টু ভাইতো তাই করেন।
কথায় কথায় মিন্টু ভাইয়ের উদাহরণ দেবে না।
কথায় কথায় মিন্টু ভাইয়ের উদাহরণ দিলাম কোথায়? একবারই তো দিলাম।
একবারও দেবে না। কাজ কি তোমার বাবার যে যখন যেভাবে চাইলাম মিলে গেল?
পিলুর চোখ বিস্ময়ে গম্ভীর হয়ে ওঠে। লোকটা এসব কী, জাতীয় কথা বলছে? কাজ কি তোমার বাবার, এটা আবার কোন ধরনের কথা?
এখন চুপ করে আছ কেন, কাজ কি তোমার বাবার?
পিলু তারপরও চুপ করে থাকে।
ভাত গরম দিয়েছ?
বিস্ময়ভাব পিলুর মনকে সম্পূর্ণ আচ্ছন্ন করে রাখে। সে কোনো রকম শুধু ঘাড় কাত করে।
হুম।
হুম আবার কী? দিয়েছ কি দাওনি?
দিয়েছি।
আকতার ভাতের প্লেটটা টেনে খেতে বসবে। বড় বড় নলা ধরে মুখে ভাত দেবে। আকতারের বড় বড় নলা মুখে ভাত খাওয়ার দৃশ্যটি যেন পিলু এখন পরিষ্কার চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছে। আহা লোকটা কতদিন বাড়ির খাবার খায়না! দিনরাত এত খাটা-খাটনি করে দুটো পা এক করতে পারে না! মেসে খেয়ে কি আর ক্ষিদে মরে?
পিলুর চোখে পানি জমছে। লোকটা না হয় তাকে একটু মেজাজ দেখিয়েছে, তাতে কীইবা যায় আসে? কত বিচিত্র মানুষের সঙ্গে তার কারবার করতে হয়, মেজাজ তো তিরিক্ষি হয়ই, হয় না?
৩.
আবারও দরোজার কড়া নড়ছে।
খটখট! খটখট!
ভাই কে আপনি? কথা বলেন না কেন?
পিলু খেয়াল করল কোনো এক বিচিত্র কারণে তার গলা শুকিয়ে আসছে। ঠোঁটগুলো হারিয়ে ফেলেছে। আচ্ছা সে কি ভয় পাচ্ছে? ভয় পাচ্ছে কেন?
বিছানার পাশে পিরিচে ঢাকা এক গ্লাস পানি রাখা থাকে। পিলু অস্থির হাতে পানির গ্লাস খুঁজতে থাকে। না পিলু পানি খেতে পারে না। হাতে লেগে পানির গ্লাস পড়ে গেল মেঝেতে। বিশ্রী করে গ্লাস ভাঙার একটা শব্দ ছড়িয়ে পড়ল চারপাশে। আর সঙ্গে সঙ্গে পিলুর শাশুড়ি বলে উঠলেন, বউ কী হয়েছে?
কিছু না মা!
কিছু তো একটা অবশ্যই হয়েছে।
হাতে লেগে পানির গ্লাস ভেঙে গেছে মা।
পিলুর শাশুড়ি আর কিছু বললেন না। তিনি বিছানা থেকে নেমে এগিয়ে আসেন পিলুর ঘরের দিকে।
তুমি ঘুমাওনি?
পিলু অপরাধীর মতো চুপ করে থাকে।
ঘুমাওনি কেন?
পিলুর শাশুড়ি বড় করে নিঃশ্বাস ফেললেন।
চল বাইরে যাই। যাবে?
পিলু আবারও চুপ করে থাকে।
চল তোমাকে দু’কদম হাঁটিয়ে আনি।
পিলু উঠে দাঁড়ায়।
৪.
চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। ভারী একটা বাতাস। বাতাসে এক প্রকার গন্ধ ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাতাসে কি সত্যি কোনো গন্ধ আছে, নাকি আবারও তার মনের ভুল?
পিলু শংকিত মনে বলল, আপনি কি কোনো গন্ধ পাচ্ছেন মা?
শুধু শুধু গন্ধ পাব কেন?
গন্ধরাজ ফুলের একটা গন্ধ পাচ্ছেন না?
আমি কোনো গন্ধ পাচ্ছি না। বউ শোন, তোমাকে কয়েকটা কথা বলি। আমি খেয়াল করলাম তুমি অনেক্ষণ ধরে কে কে করে চেঁচাচ্ছিলে। এখন আবার বলছ গন্ধ পাচ্ছ। তোমাকে বাইরে হাঁটতে নিয়ে এসেছি এটা দেখানোর জন্য যে ঘরের বাইরে আসলে কেউ নেই। কেউ কড়াও নাড়ছে না। এখন যদি তুমি বাগানে যাও দেখতে পাবে সেখানে কোনো গন্ধরাজও নেই। তুমি কি আমার কথা বুঝতে পারছ বউ?
পিলু তার শাশুড়ির কথা বুঝতে পারল না। সে সত্যি সত্যি একটা গন্ধ পাচ্ছে। গন্ধটা ‘সর্পপ্রেম’ বাগানের। যদিও প্রথমদিকে মনে হয়েছিল গন্ধটা গন্ধরাজের। এখন মনে হচ্ছে বেলী ফুলের। অ্যারাবিয়ান জেসমিন। লোকটা যদি এবার আসে তাকে সর্পপ্রেম নিয়েও দু-একটা কথা বলতে হবে। বলতে হবে, দয়া করে নামটি বদলান। নাম শুনলেই মনে হয় একটা চিকন ধরনের কালো সাপ শরীর পেঁচিয়ে পাতার আড়ালে লুকিয়ে আছে। কী ভয়ংকর!
ওরা হাঁটতে হাঁটতে পুকুর ঘাট পর্যন্ত এলো। পুকুর ঘাঁট পর্যন্ত এসে হঠাৎ পিলুর শাশুড়ি থমকে দাঁড়ালেন। আচ্ছা থমকে দাঁড়ানোর মতো কোনো ঘটনা কি ঘটেছে? পিলুর শাশুড়ি শুধু থমকেই দাঁড়ালেন না। পিলুর একটা হাতও শক্ত করে আঁকড়ে ধরলেন।
বউ!
কী হয়েছে মা?
তুমি কি কিছু দেখতে পাচ্ছ বউ?
পিলুর শাশুড়ি কথা বলছেন ফিসফিস করে।
দুটো মানুষ এদিকে আসছে, দেখতে পাচ্ছ?
পিলুও থমকে দাঁড়াল।
হ্যাঁ!
পিলুর শাশুড়ি ডেকে উঠলেন, কে? ওখানে কে?
আমরা?
আমরা মানে?
পিলু পিনপিন করে বলল, মা আপনার ছেলে! আপনার ছেলের কণ্ঠ চিনতে পারছেন না? আপনার ছেলে এসেছে মা!
কে আকতার?
হ্যাঁ মা।
পিলু পাশ থেকে আবারও বলল, আপনার ছেলে মা!
পিলুর শাশুড়ি বললেন, সঙ্গে কে?
আকতার এ কথার কোনো উত্তর করল না। সে হনহন করে ঘরের দিকে এগিয়ে যেতে থাকল।
৫.
পিলুর শ্বশুরের মুখ নিচু করে বসে আছেন। তার কপাল সটান। তিনি একটু পরপর চেঁচিয়ে উঠছেন, এটা কোনো রঙ্গশালা না! প্রোডাকশন হাউস না! তুমি ওকে বল এখনই ঘর থেকে বের হয়ে যেতে।
এত রাতে ছেলেটা কোথায় যাবে?
কোথায় যাবে তার আমি কি জানি? যেতে বলছি চলে যাবে!
পিলুর শাশুড়ি আঁচল দিয়ে চোখ মুছলেন।
মেয়েটার একটা বাচ্চা হবে, আকতার এটা কী করল! এ সময় এমন একটা কাজ ও করতে পারল?
তুমি ওই মেয়ের স্পর্ধা দেখেছ? আমার পা ছুঁয়ে সালাম করে! স্টুপিড!
পিলুর শাশুড়ি আঁচল দিয়ে আবারও চোখ মুছলেন।
৬.
পিলু আলনার কাপড় ভাঁজ করছে। আচ্ছা সে কি মেয়েটার জন্য একটা নতুন শাড়ি বের করবে?
কী নাম তোমার?
শর্মি।
বেশ সুন্দর নাম। দেখে মনে হচ্ছে সারাদিন কিছুই খাওনি। খাবার দেব?
শর্মি কিছু বলল না।
আকতার বলল, খাবার দেব এটা আবার কোন ধরনের প্রশ্ন? একজন মানুষ রাতে খাবে, এই সাধারণ সেন্সটাও কি তোমার নেই?
পিলু অবাক হয়ে আকতারের দিকে তাকায়। লোকটা তাকে এই মেয়েটির সামনেও ছোট করছে!
মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে আছ কেন? কিচেনে কী রান্না আছে দেখ!
পিলু রান্না ঘরের দিকে এগিয়ে গেল।
ঘটনাটা ওখানেই শেষ হতে পারত। হল না। আকতার পেছন থেকে হাঁক দিল জলদি। হাত পা-টা একটু চালানো শেখ।
৭.
রান্না ঘরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে পিলু খেয়াল করল তার বুক ধড়ফড় করছে। কোনো এক বিচিত্র কারণে মনে হচ্ছে কয়েকটা লোক তার বাড়ির চারপাশটা ঘিরে ফেলেছে। এখনই তারা আকতারকে উদ্দেশ্য করে ইংরেজি এবং বাংলার সংমিস্রণে চিৎকার করতে করতে বলবে, লেটস গো! চল শুয়োরের বাচ্চা!
আকতার এসে সন্তর্পণে পিলুর পেছনে দাঁড়িয়েছে। তার কণ্ঠ নামানো, এদিকের কী অবস্থা পিলু? বশির কাকাকে নাকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না?
পিলুর বুকের ধড়ফড়ানিটা বেড়ে যেতে থাকল। তার কপালে ইতোমধ্যে ঘাম জমেছে।
সাতদিন হয়ে গেছে কাকা নিখোঁজ!
আকতার এই প্রথমবার পিলুর দিকে তাকাল।
অনেক চেষ্টা করেছি আসতে পিলু। হঠাৎ শহরে মিলিটারি নামল। জোয়ান ছেলে দেখলেই গাড়িতে উঠিয়ে নেয়। শহরের গলিতে গলিতে মিলিটারি। আমার কথা কিছু বুঝতে পারছ পিলু?
পারছি।
তাহলে কি তুমি এখনও আমার ওপর রাগ করে আছ?
হুম!
কেন রাগ করে আছ?
কারণ আমার রাগ করার আর কোনো মানুষ নেই।
পিলুর চোখ গড়িয়ে পানি নামছে।
তোমরা কি সারাটা পথই একা একা যাবে?
আকতার চমকে গেল। পিলু কীভাবে বুঝতে পারল যে তারা কোথাও যাচ্ছে?
হ্যাঁ।
তারপর দুজনার মাঝে অনেক্ষণ কথা হল না। আকতার বলল, সময়টা বড় কঠিন পিলু। তুমি কি আমার ওপর সত্যি রাগ করে আছ?
পিলুর মাথা নিচু।
আমারা মা সন্তান দুজনই তোমার ওপর প্রতিদিন একবার করে রাগ করি। আমার গুটুটা হওয়ার সময় তুমি পাশে থাকবে না?
আকতার কিছু বলল না।
পরক্ষণে পিলু নিজেকে সামলে নিল। এটা তো সময় নষ্ট করার সময় নয়।
শোন তোমরা এই বাড়িতে বেশিক্ষণ দেরি করো না। তোমরা দয়া করে বের হয়ে যাও। রাত প্রায় শেষ হয়ে আসছে। আমি টিফিন ক্যারিয়ারে খাবার তুলে দিচ্ছি। মিলিটারিরা এই গ্রামেও আসবে এমন একটা উড়ো উড়ো খবর কয়েকদিন ধরে শোনা যাচ্ছে।
আকতার ঝটফট জুতার ফিতা বাঁধতে শুরু করল। ব্যাগটা গুছানো ছিল, কাঁধে উঠিয়ে নিল।
শর্মির কথা জানতে চাইলে না পিলু?
তোমরা যাও। দয়া করে সময় নষ্ট করো না।
আকতারের চিবুক বেয়ে ঘাম নামছে। শর্মির চোখ দুটো উদ্বিগ্ন। শর্মি নামের মেয়েটা আতংকে নীল হয়ে গেছে।
শোন সড়ক কালভার্ট আছে এমন পথ ধরে যেয়ো না।
আচ্ছা।
সর্বক্ষণ দোয়া ইউনুস পড়।
আচ্ছা।
বর্ডার পর্যন্ত যেতে যেতে তোমার চার থেকে পাঁচদিন লেগে যাবে। পারলে কাউকে দিয়ে চিঠি দিয়ো।
আচ্ছা।
গুটুকে নিয়ে চিন্তা কর না।
আচ্ছা।
আর শোন, তুমি যেদিন আবার ফিরে আসবে, আমরা সারা রাত রাস্তায় রাস্তায় হাঁটব। চিৎকার করে করে গান করব।
শেষের কথাটি কি আকতার শুনতে পায়নি? কোন আচ্ছা বলল নাতো!
পিলু অনেক্ষণ পর মাথা তুলল। আকতার আর শর্মি অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়ে গেছে। রাতের শেষ অন্ধকার ইতিমধ্যে তাদের আড়াল করে ফেলেছে।
৮.
পিলুর শাশুড়ি এবং শ্বশুর দুজনই উঠোন পেরিয়ে আরও খানিকটা পথ এগিয়ে এসে একটা কামরাঙা গাছের নিচে দাঁড়িয়ে আছেন। পিলু দাঁড়িয়ে আছে তাদের মাঝখানে। তার কণ্ঠ আর্দ্র।
মেয়েটা অনেক সুন্দর, তাই না মা?
হ্যাঁ। বড় ঘরের মেয়ে বলে মনে হয়।
ওর নাম শর্মি। ভালো নাম শর্মিলা।
ভালো নাম শর্মিলা তোমাকে কে বলেছে?
কেউ বলেনি। কিন্তু আমি জানি। শর্মিলা এই নামটি তো মুসলমান মেয়েদের হয় না, তাই না মা?
পিলুর শাশুড়ি অবাক হয়ে পিলুর দিকে তাকাল।
শর্মিলার এখন অনেক বিপদ। বর্ডার পর্যন্ত ওর তো একজন সঙ্গি দরকার, দরকার না?
পিলু সম্ভবত এখন কাঁদছে। একটু পরপর তার নাক টানার শব্দ হচ্ছে।
তুমি কাঁদছ কেন বউ?
কাঁদছি কারণ আমার গুটু একদিন বড় হয়ে জানবে সে একজন গর্বিত পিতার সন্তান!
পিলুর শ্বশুর শাশুড়ি দুজনে ঘরে ফিরে গেছেন। পিলু এখনও দাঁড়িয়ে আছে। এ পথ দিয়ে নিশ্চয় একদিন লোকটা ফিরে আসবে।
No comments:
Post a Comment