হাইকোর্ট থেকে রাজীব হত্যার অভিযুক্ত আসামির জামিন
আসামি সাদমান ইয়াসির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছিল
স্টাফ রিপোর্টার ॥ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিলেও হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে কারাগার থেকে বের হয়ে গেছেন যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী প্রজন্ম সেনা আহমেদ রাজীব হায়দার হত্যা মামলায় চার্জশীটভুক্ত আসামি সাদমান ইয়াসির মাহমুদ। গত ১ জুন রাষ্ট্রপক্ষের বিরোধিতা সত্ত্বেও বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সাদমানকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন।
ওই কোর্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ খোরশেদুল আলম মঙ্গলবার জনকণ্ঠকে বলেন, ওই দিন জামিন দেয়ার সময় আমরা বিরোধিতা করেছিলাম। তবে আদালত আমাদের বিরোধিতা আমলে না নিয়ে আসামি সাদমানকে জামিন দিয়েছেন। তিনি বলেন, হাইকোর্টের এ জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করব।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও মামলার তদারকি কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গত ১ জুন হাইকোর্ট সাদমানকে ছয় মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। এরপর তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন। তিনি আরও বলেন, সাদমানের জামিনে মুক্তি ও তার অবস্থান সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। কিন্তু তার বিরুদ্ধে আর কোন মামলা না থাকায় আমরা তাকে গ্রেফতার করতে পারছি না।
সাদমানের আইনজীবী বিএম ইলিয়াস কচি জানান, বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ১ জুন তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করা এই আইনজীবী দাবি করেন, জবানবন্দীতে সাদমান অন্যদের জড়িয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি রাজীব হত্যায় জড়িত নন বলে দাবি করেন এই আইনজীবী। তবে এর আগে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দীতে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন সাদমান।
গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর রাজধানীর মিরপুরের পলাশনগর এলাকায় নিজ বাসার সামনে খুন হয়েছিলেন রাজীব হায়দার। দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। ওই দিন শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ থেকে বাসায় ফেরার পথে এ হত্যাকা- ঘটেছিল। এ মামলায় গত ২৮ জানুয়ারি ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশীট) জমা দেয়া হয়। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন সাদমান। গত বছরের ১৪ আগস্ট রাতে নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্র সাদমান ইয়াসির মাহমুদকে রাজধানীর ধানম-ি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ১৫ আগস্ট থেকে তাকে আদালতের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয় দিনের রিমান্ডে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তিনি দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব›ীদ দেন।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার তৌহিদুল ইসলাম সে সময় জানিয়েছিলেন, রাজীব হত্যাকা-ে সরাসরি অংশ নেন সাদমান। ঘটনার পর থেকে তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। সাদমান জঙ্গী সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জসিম উদ্দিন রহমানীর সহযোগী। এর আগে গত বছরের ১২ আগস্ট মামলার সন্দেহভাজন আসামি আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান মুফতি জসিম উদ্দিন রহমানীকে ৩১ জন সহযোগীসহ গ্রেফতার করে বরগুনা পুলিশ। এছাড়াও গত বছরের ১ মার্চ নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটির আরও পাঁচ ছাত্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁরা হলেন ফয়সাল বিন নাইম, মাকসুদুল হাসান অনিক, এহসানুর রেজা রোমান, নাঈম সিকদার ও নাফিস ইমতিয়াজ। তারাও সবাই রাজীব হত্যার ঘটনায় দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।
ওই কোর্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ খোরশেদুল আলম মঙ্গলবার জনকণ্ঠকে বলেন, ওই দিন জামিন দেয়ার সময় আমরা বিরোধিতা করেছিলাম। তবে আদালত আমাদের বিরোধিতা আমলে না নিয়ে আসামি সাদমানকে জামিন দিয়েছেন। তিনি বলেন, হাইকোর্টের এ জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করব।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও মামলার তদারকি কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গত ১ জুন হাইকোর্ট সাদমানকে ছয় মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। এরপর তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন। তিনি আরও বলেন, সাদমানের জামিনে মুক্তি ও তার অবস্থান সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। কিন্তু তার বিরুদ্ধে আর কোন মামলা না থাকায় আমরা তাকে গ্রেফতার করতে পারছি না।
সাদমানের আইনজীবী বিএম ইলিয়াস কচি জানান, বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ১ জুন তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করা এই আইনজীবী দাবি করেন, জবানবন্দীতে সাদমান অন্যদের জড়িয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি রাজীব হত্যায় জড়িত নন বলে দাবি করেন এই আইনজীবী। তবে এর আগে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দীতে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন সাদমান।
গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর রাজধানীর মিরপুরের পলাশনগর এলাকায় নিজ বাসার সামনে খুন হয়েছিলেন রাজীব হায়দার। দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। ওই দিন শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ থেকে বাসায় ফেরার পথে এ হত্যাকা- ঘটেছিল। এ মামলায় গত ২৮ জানুয়ারি ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশীট) জমা দেয়া হয়। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন সাদমান। গত বছরের ১৪ আগস্ট রাতে নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্র সাদমান ইয়াসির মাহমুদকে রাজধানীর ধানম-ি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ১৫ আগস্ট থেকে তাকে আদালতের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয় দিনের রিমান্ডে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তিনি দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব›ীদ দেন।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার তৌহিদুল ইসলাম সে সময় জানিয়েছিলেন, রাজীব হত্যাকা-ে সরাসরি অংশ নেন সাদমান। ঘটনার পর থেকে তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। সাদমান জঙ্গী সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জসিম উদ্দিন রহমানীর সহযোগী। এর আগে গত বছরের ১২ আগস্ট মামলার সন্দেহভাজন আসামি আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান মুফতি জসিম উদ্দিন রহমানীকে ৩১ জন সহযোগীসহ গ্রেফতার করে বরগুনা পুলিশ। এছাড়াও গত বছরের ১ মার্চ নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটির আরও পাঁচ ছাত্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁরা হলেন ফয়সাল বিন নাইম, মাকসুদুল হাসান অনিক, এহসানুর রেজা রোমান, নাঈম সিকদার ও নাফিস ইমতিয়াজ। তারাও সবাই রাজীব হত্যার ঘটনায় দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment