ওবামার ‘গায়ের জোরে’ ব্যর্থ ভারত-চিন বৈঠক
ওয়াশিংটন: চেহারা রোগা হলেও, মস্তানিতে পিছ-পা নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা৷ অন্তত একবার তাঁর গা জোয়ারিতেই ব্যর্থ হয়েছিল ভারত-চিনের গোপন বৈঠক৷ ২০০৯ সালের কোপেনহেগেন সম্মেলনের অজানা এমন তথ্যই প্রকাশ পেল আমেরিকার প্রাক্তন বিদেশ সচিব হিলারি রডহ্যাম ক্লিন্টনের লেখা বই 'হার্ড চয়েস'-এ৷
পাঁচ বছর আগের বৈঠকটির কথা মনে পড়লে হয়তো এখনও বিরক্তিতে ভ্রু কোঁচকান চিনের সেই সময়ের প্রেসিডেন্ট ওয়েন জিয়াবাও৷ ভারতের প্রধানমন্ত্রী তখন মনমোহন সিং৷ ডেনমার্কের রাজধানীতে পরিবেশ সংক্রান্ত বৈঠকে যোগ দিতে এসেছিলেন বিশ্বের সব দেশের প্রতিনিধিরাই৷ চিন ও আমেরিকার মতো গ্রিনহাউস গ্যাস বেশি উত্পন্নকারী দেশগুলি অভিযোগের মুখে পড়তে চলেছে, এমনটাই আশা করেছিলেন অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা৷ কিন্ত্ত জিয়াবাওয়ের মতলব ছিল অন্য রকম৷
হিলারি জানিয়েছেন, ভারত, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিদের নিয়ে আলাদা দল পাকিয়ে আমেরিকাকে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা করেছিলেন ওয়েন৷ তাই, বৈঠক শুরু হওয়া থেকেই ওবামাকে এড়িয়ে চলছিলেন তিনি৷ গোপনে কিছু একটা ঘোঁট পাকছে, আন্দাজ করেছিলেন ওবামাও৷ কিন্ত্ত নর্ডিক কনভেশন সেন্টারের বিশাল হলঘর আর পুরোনো আমলের বাঁকানো সিঁড়ির গোলকধাঁধার কোথায় যে সেই 'গোপন বৈঠক' বসেছে তা খুঁজে পেতেই জেরবার হয়েছিলেন মার্কিনরা৷
শেষ পর্যন্ত প্রকাশ পায় গোপন বৈঠকের ঠিকানা৷ প্রেসিডেন্ট আর বিদেশ সচিবের কয়েক মুহূর্তের দৃষ্টি বিনিময়৷ তার পর একই সঙ্গে দু'জনে হাঁটা লাগান নির্দিষ্ট ঘরটির দিকে৷ যে গতিতে ওবামা ও হিলারি এগোচ্ছিলেন তাকে অবশ্য ছোটা বললেই ভালো হয়৷
নির্দিষ্ট ঘরের সামনে প্রহরারত চিনা নিরাপত্তারক্ষীরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও বিদেশসচিবকে হঠাত্ সামনে দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান৷ তবে, সামলে নিয়ে একেবারে উল্টো দিকের প্যাসেজটা দেখিয়ে দেন আলোচনার ঘর হিসেবে৷
কিন্ত্ত ওবামাকে ঠকানো সোজা নয়৷ এক রকম গায়ের জোরেই রক্ষীকে সরিয়ে আলোচনাকক্ষে ঢুকে পড়েন তিনি৷ দু'হাত দিয়ে দরজা আগলে রাখা প্রহরীর হাতের তলা দিয়ে মাথা নিচু করে গলে যান হিলারিও৷ বাইরে তখন চিনা নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে তুলকালাম তর্কে জড়িয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি রবার্ট গিবস৷
আলোচনাকক্ষের লম্বা টেবিল ঘিরে বসেছিলেন মনমোহন সিং, চিনের ওয়েন জিয়াবাও, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা ডা সিলভা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার জেকব জুমা৷ ওবামাকে সামনে দেখে চার জনই থ৷ ওবামা অবশ্য কিছুই হয়নি এমন ভাব করে জোর গলায় জিয়াবাওকে 'প্রেমিয়ার' হিসেবে সম্বোধন করেন৷ হাসি হাসি মুখে ঘরের সবার দিকে তাকিয়ে ওবামার বার্তা, 'এ বার আসল আলোচনা শুরু করা যাক৷'
পাঁচ বছর আগের বৈঠকটির কথা মনে পড়লে হয়তো এখনও বিরক্তিতে ভ্রু কোঁচকান চিনের সেই সময়ের প্রেসিডেন্ট ওয়েন জিয়াবাও৷ ভারতের প্রধানমন্ত্রী তখন মনমোহন সিং৷ ডেনমার্কের রাজধানীতে পরিবেশ সংক্রান্ত বৈঠকে যোগ দিতে এসেছিলেন বিশ্বের সব দেশের প্রতিনিধিরাই৷ চিন ও আমেরিকার মতো গ্রিনহাউস গ্যাস বেশি উত্পন্নকারী দেশগুলি অভিযোগের মুখে পড়তে চলেছে, এমনটাই আশা করেছিলেন অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা৷ কিন্ত্ত জিয়াবাওয়ের মতলব ছিল অন্য রকম৷
হিলারি জানিয়েছেন, ভারত, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিদের নিয়ে আলাদা দল পাকিয়ে আমেরিকাকে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা করেছিলেন ওয়েন৷ তাই, বৈঠক শুরু হওয়া থেকেই ওবামাকে এড়িয়ে চলছিলেন তিনি৷ গোপনে কিছু একটা ঘোঁট পাকছে, আন্দাজ করেছিলেন ওবামাও৷ কিন্ত্ত নর্ডিক কনভেশন সেন্টারের বিশাল হলঘর আর পুরোনো আমলের বাঁকানো সিঁড়ির গোলকধাঁধার কোথায় যে সেই 'গোপন বৈঠক' বসেছে তা খুঁজে পেতেই জেরবার হয়েছিলেন মার্কিনরা৷
শেষ পর্যন্ত প্রকাশ পায় গোপন বৈঠকের ঠিকানা৷ প্রেসিডেন্ট আর বিদেশ সচিবের কয়েক মুহূর্তের দৃষ্টি বিনিময়৷ তার পর একই সঙ্গে দু'জনে হাঁটা লাগান নির্দিষ্ট ঘরটির দিকে৷ যে গতিতে ওবামা ও হিলারি এগোচ্ছিলেন তাকে অবশ্য ছোটা বললেই ভালো হয়৷
নির্দিষ্ট ঘরের সামনে প্রহরারত চিনা নিরাপত্তারক্ষীরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও বিদেশসচিবকে হঠাত্ সামনে দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান৷ তবে, সামলে নিয়ে একেবারে উল্টো দিকের প্যাসেজটা দেখিয়ে দেন আলোচনার ঘর হিসেবে৷
কিন্ত্ত ওবামাকে ঠকানো সোজা নয়৷ এক রকম গায়ের জোরেই রক্ষীকে সরিয়ে আলোচনাকক্ষে ঢুকে পড়েন তিনি৷ দু'হাত দিয়ে দরজা আগলে রাখা প্রহরীর হাতের তলা দিয়ে মাথা নিচু করে গলে যান হিলারিও৷ বাইরে তখন চিনা নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে তুলকালাম তর্কে জড়িয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি রবার্ট গিবস৷
আলোচনাকক্ষের লম্বা টেবিল ঘিরে বসেছিলেন মনমোহন সিং, চিনের ওয়েন জিয়াবাও, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা ডা সিলভা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার জেকব জুমা৷ ওবামাকে সামনে দেখে চার জনই থ৷ ওবামা অবশ্য কিছুই হয়নি এমন ভাব করে জোর গলায় জিয়াবাওকে 'প্রেমিয়ার' হিসেবে সম্বোধন করেন৷ হাসি হাসি মুখে ঘরের সবার দিকে তাকিয়ে ওবামার বার্তা, 'এ বার আসল আলোচনা শুরু করা যাক৷'
No comments:
Post a Comment