ফিশ ফ্রাইয়ের’ প্রতিবাদ, রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী থেকে ইস্তফা দুই ফব নেতার
এই সময়: রাজ্যে রাজনৈতিক 'সন্ত্রাস' বন্ধের দাবিতে বামফ্রন্ট নেতৃত্বের নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শরণাপন্ন হওয়ার প্রতিবাদে ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী থেকে পদত্যাগ করলেন উদয়ন গুহ ও হাফিজ আলম সাইরানি৷ শনিবার দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে প্রবল বাগবিতণ্ডার পরই ওই দুই নেতা ইস্তফা দেন৷ তরজা চরমে ওঠায় এক সময় প্রবীণ ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা অশোক ঘোষ আবেগপ্রবণ হয়ে কেঁদেও ফেলেন বলে দলীয় সূত্রের খবর৷ তবে দলের রাজ্য নেতৃত্ব এই দুই নেতার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি৷ সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জয়ন্ত রায় আবার ওই দু'জনের পদত্যাগের খবরও অস্বীকার করেছেন৷ তিনি বলেন, 'বৈঠকে পদত্যাগের কথা কেউ বলতেই পারেন৷ তার মানে এই নয় যে, তিনি পদত্যাগ করেছেন৷'
এদিকে উদয়নবাবু বলেন, 'আমি রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী ও রাজ্য কমিটি দুই জায়গা থেকেই ইস্তফা দিয়েছি৷ তবে জেলার দায়িত্ব ছাড়ব কি না, তা নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেব৷' মূলত, নবান্নে বাম নেতৃত্ব মমতার শরণাপন্ন হয়েও সেখানে কোচবিহারে তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিষয়টি উত্থাপন না-করায়, এ দিন বৈঠকের শুরু থেকেই সরব হন ওই দুই নেতা৷ পাশাপাশি, সরল দেবকে ফের কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়েও প্রবল মতবিরোধ হয় এ দিন৷ আজ থেকে ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য কমিটির বৈঠক শুরু হচ্ছে৷ সেখানেও এই ইস্যুগুলি নিয়ে ঝড় উঠতে পারে৷
এর মধ্যেই এ দিন মহাবোধি সোসাইটিতে যুব লিগের বর্ধিত রাজ্য কমিটির বৈঠক হয়৷ নেতৃত্ব বদলের জন্য অবিলম্বে দলের রাজ্য কমিটি ও রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী ভেঙে দিয়ে জাতীয় পরিষদের বৈঠক ডাকার দাবি করেছে যুব লিগ৷ বামফ্রন্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে নতুন ফ্রন্ট গড়ে তোলারও প্রস্তাব দিয়েছে দলের যুব সংগঠন৷ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই প্রস্তাব কার্যকর না-হলে যুব লিগ ভেঙে দেওয়ার পথে যেতে পারেন আলি ইমরান রামজ, অনির্বাণ চৌধুরীর মতো যুব নেতারা৷
এই সময়: রাজ্যে রাজনৈতিক 'সন্ত্রাস' বন্ধের দাবিতে বামফ্রন্ট নেতৃত্বের নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শরণাপন্ন হওয়ার প্রতিবাদে ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী থেকে পদত্যাগ করলেন উদয়ন গুহ ও হাফিজ আলম সাইরানি৷ শনিবার দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে প্রবল বাগবিতণ্ডার পরই ওই দুই নেতা ইস্তফা দেন৷ তরজা চরমে ওঠায় এক সময় প্রবীণ ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা অশোক ঘোষ আবেগপ্রবণ হয়ে কেঁদেও ফেলেন বলে দলীয় সূত্রের খবর৷ তবে দলের রাজ্য নেতৃত্ব এই দুই নেতার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি৷ সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জয়ন্ত রায় আবার ওই দু'জনের পদত্যাগের খবরও অস্বীকার করেছেন৷ তিনি বলেন, 'বৈঠকে পদত্যাগের কথা কেউ বলতেই পারেন৷ তার মানে এই নয় যে, তিনি পদত্যাগ করেছেন৷'
এদিকে উদয়নবাবু বলেন, 'আমি রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী ও রাজ্য কমিটি দুই জায়গা থেকেই ইস্তফা দিয়েছি৷ তবে জেলার দায়িত্ব ছাড়ব কি না, তা নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেব৷' মূলত, নবান্নে বাম নেতৃত্ব মমতার শরণাপন্ন হয়েও সেখানে কোচবিহারে তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিষয়টি উত্থাপন না-করায়, এ দিন বৈঠকের শুরু থেকেই সরব হন ওই দুই নেতা৷ পাশাপাশি, সরল দেবকে ফের কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়েও প্রবল মতবিরোধ হয় এ দিন৷ আজ থেকে ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য কমিটির বৈঠক শুরু হচ্ছে৷ সেখানেও এই ইস্যুগুলি নিয়ে ঝড় উঠতে পারে৷
এর মধ্যেই এ দিন মহাবোধি সোসাইটিতে যুব লিগের বর্ধিত রাজ্য কমিটির বৈঠক হয়৷ নেতৃত্ব বদলের জন্য অবিলম্বে দলের রাজ্য কমিটি ও রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী ভেঙে দিয়ে জাতীয় পরিষদের বৈঠক ডাকার দাবি করেছে যুব লিগ৷ বামফ্রন্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে নতুন ফ্রন্ট গড়ে তোলারও প্রস্তাব দিয়েছে দলের যুব সংগঠন৷ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই প্রস্তাব কার্যকর না-হলে যুব লিগ ভেঙে দেওয়ার পথে যেতে পারেন আলি ইমরান রামজ, অনির্বাণ চৌধুরীর মতো যুব নেতারা৷
No comments:
Post a Comment