নথির বৈধতা প্রমাণে 'সেল্ফ অ্যাটেসটেশন' চান মোদী
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, পাসপোর্ট তৈরি বা সরকারি চাকরির জন্য দরখাস্ত করতে গিয়ে বিভিন্ন নথির নকল অ্যাটেস্ট করাতে গেজেটেড অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট খোঁজার দিন এবার শেষ হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবার এ সব ক্ষেত্রে সেল্ফ অ্যাটেসটেশন পদ্ধতি চালু করার কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সরকারি কাজে গতি আনতে সচেষ্ট নরেন্দ্র মোদী। আই প্যাড, আই ফোন দুরস্ত প্রধানমন্ত্রী তাই জোর দিয়েছেন ই-গভর্ন্যান্স পদ্ধতির উপরে। সম্প্রতি বিভিন্ন সরকারি দরখাস্ত ও আবেদনে বিচারপতি ও গেজেটেড আধিকারিকদের সাক্ষরের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর মতে, এতে কাজ সারতে যেমন দেরি হয়, তেমনই ব্যস্ত পদাধিকারীদের মূল্যবান সময়ও নষ্ট হয়।
গত বুধবার দিল্লিতে কূটনীতিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে মোদী জানিয়েছেন, প্রাচীন নিয়মে বদল আনা প্রয়োজন। তাঁর পরামর্শ, এর বদলে এবার থেকে ছবি, শংসাপত্র বা মার্কশিটে সেল্ফ অ্যাটেসটেশন চালু করতে হবে। তিনি বলেন, এতে সাধারণ মানুষ অযথা নাকাল হবেন না।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে দ্বিতীয় প্রশাসনিক পরিবর্তন কমিশনের এক রিপোর্টে কর্ম পদ্ধতি দ্রুত করতে সেল্ফ অ্যটেসটেশন চালু করার কথা উল্লেখ করা হয়। এই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই কেন্দ্রের কিছু দপ্তরে সেল্ফ অ্যাটেসটেশন চালু হয়। এমনকি, গুজরাট ও গোয়া রাজ্য সরকারও এর প্রয়োগ শুরু করে। তবু সামগ্রিক ভাবে সর্বস্তরে সেল্ফ অ্যাটেসটেশনের বৈধতা এযাবত্ শুরু করা যায়নি।
মান্ধাতার আমলের প্রশাসনিক নানা রীতি-নীতি নিয়ে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী। দ্রুত কাজ করার পথে অন্তরায় স্মৃষ্টি করে, এমন ১০টি অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক নীতি বাছাই করতে আমলাদের ইতিমধ্যেই তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাচীন এই সমস্ত নিয়ম-কানুন বাতিল বা পরিবর্তন করে স্বচ্ছ, সাবলীল ও সময়োপযোগী করতে চাইছেন মোদী যা দ্রুত কাজ করতে সাহায্য করবে।
এরই প্রেক্ষিতে সরকারি আধিকারিকদের যখন-তখন বদলিরও বিরোধী প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সাফ কথা, কাজ না করলে কাউকে বদলি করার অর্থ, সমস্যাটির সমাধান না খুঁজে তাকে অন্যত্র বহন করে নিয়ে যাওয়া। এ কারণেই সরকারি কর্মীদের বদলির নিয়মেও পরিবর্তন আনতে চাইছেন মোদী। তাঁর পরামর্শ, কাজে ফাঁকি দিলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের পদোন্নতি আটকে দেওয়ার নীতি চালু করা প্রয়োজন।
নমোর মতে, কাজ না করলে সেটাই হবে যথাযথ শাস্তি।
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সরকারি কাজে গতি আনতে সচেষ্ট নরেন্দ্র মোদী। আই প্যাড, আই ফোন দুরস্ত প্রধানমন্ত্রী তাই জোর দিয়েছেন ই-গভর্ন্যান্স পদ্ধতির উপরে। সম্প্রতি বিভিন্ন সরকারি দরখাস্ত ও আবেদনে বিচারপতি ও গেজেটেড আধিকারিকদের সাক্ষরের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর মতে, এতে কাজ সারতে যেমন দেরি হয়, তেমনই ব্যস্ত পদাধিকারীদের মূল্যবান সময়ও নষ্ট হয়।
গত বুধবার দিল্লিতে কূটনীতিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে মোদী জানিয়েছেন, প্রাচীন নিয়মে বদল আনা প্রয়োজন। তাঁর পরামর্শ, এর বদলে এবার থেকে ছবি, শংসাপত্র বা মার্কশিটে সেল্ফ অ্যাটেসটেশন চালু করতে হবে। তিনি বলেন, এতে সাধারণ মানুষ অযথা নাকাল হবেন না।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে দ্বিতীয় প্রশাসনিক পরিবর্তন কমিশনের এক রিপোর্টে কর্ম পদ্ধতি দ্রুত করতে সেল্ফ অ্যটেসটেশন চালু করার কথা উল্লেখ করা হয়। এই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই কেন্দ্রের কিছু দপ্তরে সেল্ফ অ্যাটেসটেশন চালু হয়। এমনকি, গুজরাট ও গোয়া রাজ্য সরকারও এর প্রয়োগ শুরু করে। তবু সামগ্রিক ভাবে সর্বস্তরে সেল্ফ অ্যাটেসটেশনের বৈধতা এযাবত্ শুরু করা যায়নি।
মান্ধাতার আমলের প্রশাসনিক নানা রীতি-নীতি নিয়ে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী। দ্রুত কাজ করার পথে অন্তরায় স্মৃষ্টি করে, এমন ১০টি অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক নীতি বাছাই করতে আমলাদের ইতিমধ্যেই তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাচীন এই সমস্ত নিয়ম-কানুন বাতিল বা পরিবর্তন করে স্বচ্ছ, সাবলীল ও সময়োপযোগী করতে চাইছেন মোদী যা দ্রুত কাজ করতে সাহায্য করবে।
এরই প্রেক্ষিতে সরকারি আধিকারিকদের যখন-তখন বদলিরও বিরোধী প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সাফ কথা, কাজ না করলে কাউকে বদলি করার অর্থ, সমস্যাটির সমাধান না খুঁজে তাকে অন্যত্র বহন করে নিয়ে যাওয়া। এ কারণেই সরকারি কর্মীদের বদলির নিয়মেও পরিবর্তন আনতে চাইছেন মোদী। তাঁর পরামর্শ, কাজে ফাঁকি দিলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের পদোন্নতি আটকে দেওয়ার নীতি চালু করা প্রয়োজন।
নমোর মতে, কাজ না করলে সেটাই হবে যথাযথ শাস্তি।
No comments:
Post a Comment