তলোয়ার সঙ্গে রাখুন: শ্রীরাম সেনার উস্কানি
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: উস্কানিমূলক বক্তৃতার ভিডিও ইউ টিউবে আপলোড করার অভিযোগ থাকলেও গোয়া পুলিশের নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় আপাতত ছাড় পেয়ে গেলেন শ্রীরাম সেনার প্রধান প্রমোদ মুতালিক।
মুতালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কয়েক মাস আগে গোয়ায় একটি ধর্মীয় সভায় হিন্দুদের সব সময় একটি ছোট তলোয়ার সঙ্গে নিয়ে ঘোরার 'উপদেশ' দিয়েছিলেন তিনি। কিছু দিন পর এই ভাষণের একটি ভিডিও ইউ টিউবে আপলোড করা হয়। কংগ্রেস নেতা দুর্গাদাস কামত এ নিয়ে ২৯ মে পুলিশের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জানান। তার জবাবে গত শুক্রবার কংগ্রেস কার্যালয়ে পুলিশের তরফ থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয়। তাতে লেখা, 'অভিযোগ করলেই তার সত্যতা এবং তা কতটা গর্হিত তা স্পষ্ট হয় না।'
এ প্রসঙ্গে কামত বলেন, 'এক ব্যক্তি হিন্দুদের তলোয়ার রাখার কথা বলে প্ররোচিত করে। এবং আমাদের অভিযোগ জানানোর পর ইউ টিউব থেকে ভিডিওটি ডিলিট করে দেওয়া হয়। পুলিশ কী এর পরেও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না? সে সময়ে নরেন্দ্র মোদীর গোয়ায় আসা এবং মুতালিকের বিরুদ্ধে পুলিশের এফআইআর না নেওয়ার পিছনে কোনও যোগ সূত্র থাকতে পারে।'
প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই ফেসবুকে মোদী এবং পারিক্কার বিরোধী পোস্ট করার 'অপরাধে' গোয়ার সাইবার অপরাধ শাখা দেবু চোন্ডাকার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। ষড়যন্ত্রের করার সন্দেহে আজও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলছে। এর পর যদিও সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট এবং সংবাদ মাধ্যমে খবরটি প্রচার হতে, মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পারিক্কার বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, চোন্ডাকারকে গ্রেফতার অনাবশ্যক ছিল।
এ হেন 'সক্রিয়' পুলিশের প্রমোদ মুতালিকের ঘটনায় এমন নিষ্ক্রিয়তায় ইঠছে বহু প্রশ্ন। আসলে আদি অনন্তকাল ধরে এ জিনিস ঘটে আসছে। শাসকের বিরুদ্ধে ওঠা কণ্ঠস্বর বা কলম কোনওটাই মেনে নেওয়া হয়নি, হয়না। কিন্তু উমেদারিতে দোষও গুণ হয়ে ওঠে।
মুতালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কয়েক মাস আগে গোয়ায় একটি ধর্মীয় সভায় হিন্দুদের সব সময় একটি ছোট তলোয়ার সঙ্গে নিয়ে ঘোরার 'উপদেশ' দিয়েছিলেন তিনি। কিছু দিন পর এই ভাষণের একটি ভিডিও ইউ টিউবে আপলোড করা হয়। কংগ্রেস নেতা দুর্গাদাস কামত এ নিয়ে ২৯ মে পুলিশের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জানান। তার জবাবে গত শুক্রবার কংগ্রেস কার্যালয়ে পুলিশের তরফ থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয়। তাতে লেখা, 'অভিযোগ করলেই তার সত্যতা এবং তা কতটা গর্হিত তা স্পষ্ট হয় না।'
এ প্রসঙ্গে কামত বলেন, 'এক ব্যক্তি হিন্দুদের তলোয়ার রাখার কথা বলে প্ররোচিত করে। এবং আমাদের অভিযোগ জানানোর পর ইউ টিউব থেকে ভিডিওটি ডিলিট করে দেওয়া হয়। পুলিশ কী এর পরেও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না? সে সময়ে নরেন্দ্র মোদীর গোয়ায় আসা এবং মুতালিকের বিরুদ্ধে পুলিশের এফআইআর না নেওয়ার পিছনে কোনও যোগ সূত্র থাকতে পারে।'
প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই ফেসবুকে মোদী এবং পারিক্কার বিরোধী পোস্ট করার 'অপরাধে' গোয়ার সাইবার অপরাধ শাখা দেবু চোন্ডাকার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। ষড়যন্ত্রের করার সন্দেহে আজও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলছে। এর পর যদিও সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট এবং সংবাদ মাধ্যমে খবরটি প্রচার হতে, মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পারিক্কার বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, চোন্ডাকারকে গ্রেফতার অনাবশ্যক ছিল।
এ হেন 'সক্রিয়' পুলিশের প্রমোদ মুতালিকের ঘটনায় এমন নিষ্ক্রিয়তায় ইঠছে বহু প্রশ্ন। আসলে আদি অনন্তকাল ধরে এ জিনিস ঘটে আসছে। শাসকের বিরুদ্ধে ওঠা কণ্ঠস্বর বা কলম কোনওটাই মেনে নেওয়া হয়নি, হয়না। কিন্তু উমেদারিতে দোষও গুণ হয়ে ওঠে।
No comments:
Post a Comment