প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেসে
নির্বাচনের পর মোদির সরকার গঠন রোধ এবং কোয়ালিশনের প্রভাব সীমিত রাখা
ভারতের কংগ্রেস দল চলতি লোকসভা নির্বাচনের পরবর্তী অনিশ্চিত পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইউপিএ জোট সরকারের আর্থ-সামাজিক নীতি যাতে বড় মাত্রায় পরিত্যক্ত না হয়, সে জন্য দলটি যে কোন অ-বিজেপি সরকারে বামপন্থীদের প্রভাব সীমিত করতে চায়। কংগ্রেসের মূল লক্ষ্য হলো নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কোন সরকার গঠিত হওয়ার পথ রুদ্ধ করা ছাড়াও এমন এক সরকার গঠন নিশ্চিত করা, যা দলের জন্য গুরুতর সমস্যার সৃষ্টি করবে এমন মাত্রায় বামপন্থীদের দিকে ঝুঁকে পড়বে না। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের।
জনকল্যাণ নীতির প্রতি তাঁর মনোযোগকে সামান্য সমন্বিত করে কংগ্রেসের সহসভাপতি রাহুল গান্ধী প্রবৃদ্ধি অর্জনে এবং দরিদ্র-বান্ধব প্রকল্পগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় রাজস্ব সৃষ্টিতে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা নিয়ে আরও সরব হয়েছেন। কংগ্রেস স্বীকার করে যে, যদি লোকসভায় বিজেপি সরকার গঠনের মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যক আসন না পায় বা এর আসন সংখ্যা একেবারেই চূড়ান্ত না হয়, তা হলে কংগ্রেস ‘কোন মোদি সরকার’ গঠনের পথ রুদ্ধ করার লক্ষ্যে যথাসাধ্য চেষ্টা চালানো থেকে পিছপা হবে না। একই সময়ে কংগ্রেস এর নীতির নিরবচ্ছিন্ন ধারা নিশ্চিত করতে আগ্রহী হবে। সিপিএম নেতা প্রকাশ কারাটের এক মুখ্য ভূমিকা থাকবে এমন কোন কোয়ালিশন গঠন সমর্থন করা কংগ্রেসের জন্য উদ্বেগজনক বিষয়। কারণ এটি এমন এক সময়ে সংস্কারের ধারা পাল্টানো বা ব্যাহত করা বোঝাবে, যখন কংগ্রেস চায় না দলকে প্রবৃদ্ধি বিরোধী বলে দেখা হোক। কংগ্রেস এর কল্যাণ প্রবৃদ্ধি নীতির মধ্যে নতুন করে ভারসাম্য আনার চেষ্টা করছে। দলটির আশঙ্কা, মোদিকে ঠেকানোর রাজনৈতিক অপরিহার্যতা এবং প্রবৃদ্ধিকে ব্যাহত করে বা এমন কি নিষ্ফল করে দেয়। এমন কোন সম্ভাব্য কোন কোয়ালিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তার মধ্যে সংঘাত দেখা দিতে পারে। কংগ্রেস সূত্রে বলা হয়, কমসংখ্যক আসনের ভিত্তিতে হলেও কোন সরকারের নেতৃত্ব দেয়াই দলের জন্য সর্বোত্তম পথ হবে এমন কি যদিও এরূপ করতে গিয়ে এক জটিল কোয়ালিশন পরিচালনা করতে হয়। যদি বিজেপির উত্থান বাস্তবায়িত হতে ব্যর্থ হয়, তা হলে কংগ্রেস কোন সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু কংগ্রেস এর আসন সংখ্যার বলে কেন্দ্রে কোন সরকারের নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হলে বিকল্প পথগুলোর পরিকল্পনা করা দলের জন্য প্রয়োজন হবে। লোকসভা নির্বাচনে আঞ্চলিক দলগুলো কত সংখ্যক আসন লাভ করে, সেটিই কংগ্রেসের সুযোগ নির্ধারণ করবে। কিন্তু বামপন্থীরা আঞ্চলিক নেতাদের পছন্দ করেন বলে সরকার গঠন নির্ধারণে কারাটের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। কংগ্রেসের যদি নিজস্ব উপায় থাকে, তবে দলটি সমাজবাদী পার্টির (এসপি) প্রধান মোলায়েম সিং যাদবের মতো আঞ্চলিক নেতাদের নিয়ে পুরোপুরি স্বস্তির মধ্যে থাকবে না। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গ্রহণযোগ্য বলে দেখানো হচ্ছে। কঠিন পরিস্থিতিতে উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের মতো কেউ আরও মধ্যপন্থী ও সংযতচিত্ত হবে। যদিও নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন এবং যদি এসপি ভাল সংখ্যক আসন পায়, তা হলে উত্তর প্রদেশে বিজেপিকে রুখতে মোলায়েমের কৃতিত্ব দাবি অস্বীকার করা সহজ নাও হতে পারে। এআই এডিএমকে নেত্রী জে জয়াললিতা বামপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়বেন বলে সম্ভাবনা নেই, কিন্তু তার কর্তৃত্ববাদী মনোভাব উদ্বেগের কারণ। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জীর ক্ষেত্রেও একই সত্য। তিনিও প্রধানমন্ত্রী পদে আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে। কংগ্রেস নেতারা নির্বাচনপরবর্তী পরিস্থিতি অনিশ্চয়তাপূর্ণ বলে সতর্ক করে দিয়েছেন। কিন্তু তারা দাবি করেন যে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের সম্ভাবনাকে খুবই অতিরঞ্জিত বলে দেখানো হচ্ছে। এ শ্রেণীর নেতারা বিজেপির আসন সংখ্যা দল ও জনমত জরিপ থেকে যেমন বলা হয়েছে তেমন ২২০-২৩০-এর কাছাকাছি কোথাও পৌঁছবে না এবং ধর্মনিরপেক্ষ সরকার গঠনের বিভিন্ন বিকল্প উপায় আলোচনায় আসবে। কংগ্রেস সূত্রে কোন তৃতীয় ফ্রন্ট গঠন সমর্থন বা এর অংশ হওয়ার বিষয়ে গভীর আপত্তি থাকার কথা স্বীকার করা হয়। কোন বিজেপি সরকার গঠন ঠেকানোর রাজনৈতিক প্রয়োজন কংগ্রেসকে নিরপেক্ষ থাকা থেকে বিরত রাখবে। কারণ এতে আঞ্চলিক দলগুলো মোদির দিকেই ছুটে যাবে।
জনকল্যাণ নীতির প্রতি তাঁর মনোযোগকে সামান্য সমন্বিত করে কংগ্রেসের সহসভাপতি রাহুল গান্ধী প্রবৃদ্ধি অর্জনে এবং দরিদ্র-বান্ধব প্রকল্পগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় রাজস্ব সৃষ্টিতে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা নিয়ে আরও সরব হয়েছেন। কংগ্রেস স্বীকার করে যে, যদি লোকসভায় বিজেপি সরকার গঠনের মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যক আসন না পায় বা এর আসন সংখ্যা একেবারেই চূড়ান্ত না হয়, তা হলে কংগ্রেস ‘কোন মোদি সরকার’ গঠনের পথ রুদ্ধ করার লক্ষ্যে যথাসাধ্য চেষ্টা চালানো থেকে পিছপা হবে না। একই সময়ে কংগ্রেস এর নীতির নিরবচ্ছিন্ন ধারা নিশ্চিত করতে আগ্রহী হবে। সিপিএম নেতা প্রকাশ কারাটের এক মুখ্য ভূমিকা থাকবে এমন কোন কোয়ালিশন গঠন সমর্থন করা কংগ্রেসের জন্য উদ্বেগজনক বিষয়। কারণ এটি এমন এক সময়ে সংস্কারের ধারা পাল্টানো বা ব্যাহত করা বোঝাবে, যখন কংগ্রেস চায় না দলকে প্রবৃদ্ধি বিরোধী বলে দেখা হোক। কংগ্রেস এর কল্যাণ প্রবৃদ্ধি নীতির মধ্যে নতুন করে ভারসাম্য আনার চেষ্টা করছে। দলটির আশঙ্কা, মোদিকে ঠেকানোর রাজনৈতিক অপরিহার্যতা এবং প্রবৃদ্ধিকে ব্যাহত করে বা এমন কি নিষ্ফল করে দেয়। এমন কোন সম্ভাব্য কোন কোয়ালিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তার মধ্যে সংঘাত দেখা দিতে পারে। কংগ্রেস সূত্রে বলা হয়, কমসংখ্যক আসনের ভিত্তিতে হলেও কোন সরকারের নেতৃত্ব দেয়াই দলের জন্য সর্বোত্তম পথ হবে এমন কি যদিও এরূপ করতে গিয়ে এক জটিল কোয়ালিশন পরিচালনা করতে হয়। যদি বিজেপির উত্থান বাস্তবায়িত হতে ব্যর্থ হয়, তা হলে কংগ্রেস কোন সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু কংগ্রেস এর আসন সংখ্যার বলে কেন্দ্রে কোন সরকারের নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হলে বিকল্প পথগুলোর পরিকল্পনা করা দলের জন্য প্রয়োজন হবে। লোকসভা নির্বাচনে আঞ্চলিক দলগুলো কত সংখ্যক আসন লাভ করে, সেটিই কংগ্রেসের সুযোগ নির্ধারণ করবে। কিন্তু বামপন্থীরা আঞ্চলিক নেতাদের পছন্দ করেন বলে সরকার গঠন নির্ধারণে কারাটের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। কংগ্রেসের যদি নিজস্ব উপায় থাকে, তবে দলটি সমাজবাদী পার্টির (এসপি) প্রধান মোলায়েম সিং যাদবের মতো আঞ্চলিক নেতাদের নিয়ে পুরোপুরি স্বস্তির মধ্যে থাকবে না। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গ্রহণযোগ্য বলে দেখানো হচ্ছে। কঠিন পরিস্থিতিতে উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের মতো কেউ আরও মধ্যপন্থী ও সংযতচিত্ত হবে। যদিও নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন এবং যদি এসপি ভাল সংখ্যক আসন পায়, তা হলে উত্তর প্রদেশে বিজেপিকে রুখতে মোলায়েমের কৃতিত্ব দাবি অস্বীকার করা সহজ নাও হতে পারে। এআই এডিএমকে নেত্রী জে জয়াললিতা বামপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়বেন বলে সম্ভাবনা নেই, কিন্তু তার কর্তৃত্ববাদী মনোভাব উদ্বেগের কারণ। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জীর ক্ষেত্রেও একই সত্য। তিনিও প্রধানমন্ত্রী পদে আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে। কংগ্রেস নেতারা নির্বাচনপরবর্তী পরিস্থিতি অনিশ্চয়তাপূর্ণ বলে সতর্ক করে দিয়েছেন। কিন্তু তারা দাবি করেন যে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের সম্ভাবনাকে খুবই অতিরঞ্জিত বলে দেখানো হচ্ছে। এ শ্রেণীর নেতারা বিজেপির আসন সংখ্যা দল ও জনমত জরিপ থেকে যেমন বলা হয়েছে তেমন ২২০-২৩০-এর কাছাকাছি কোথাও পৌঁছবে না এবং ধর্মনিরপেক্ষ সরকার গঠনের বিভিন্ন বিকল্প উপায় আলোচনায় আসবে। কংগ্রেস সূত্রে কোন তৃতীয় ফ্রন্ট গঠন সমর্থন বা এর অংশ হওয়ার বিষয়ে গভীর আপত্তি থাকার কথা স্বীকার করা হয়। কোন বিজেপি সরকার গঠন ঠেকানোর রাজনৈতিক প্রয়োজন কংগ্রেসকে নিরপেক্ষ থাকা থেকে বিরত রাখবে। কারণ এতে আঞ্চলিক দলগুলো মোদির দিকেই ছুটে যাবে।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment