আস্থা গুজরাট মডেলেই
তাপস প্রামাণিক
নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যতই আদায়-কাঁচকলায় সম্পর্ক হোক না কেন, শহরে উন্নয়নের জোয়ার আনতে তাঁর গুজরাট মডেলকেই আঁকড়ে ধরছে তৃণমূল পরিচালিত কলকাতা পুরসভা৷ গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় সরকারি অফিসারদের উপর পুরোটা ভরসা না-করে রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সফল রূপায়ণের জন্য 'ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট' (পরামর্শদাতা সংস্থা ) নিয়োগ করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী৷ এ বার সেই একই পথে হাঁটতে চলেছে কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষ৷ শহরের উন্নয়নের কাজকে ত্বরান্বিত করাই হবে ওই সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য৷ প্রকল্পের খসড়া রিপোর্ট তৈরি করা থেকে শুরু করে টেন্ডার পত্র তৈরি, দরপত্র আহ্বান, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে টাকা আদায় করে আনা পর্যন্ত সবই করবে তারা৷ একই সঙ্গে পুরসভাকে আয় বাড়ানোরও রাস্তা দেখাবে৷
পুরকর্তাদের ব্যাখ্যা, শহরের উন্নয়নে এখন কোটি কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে৷ তার একটা বড় অংশই আবার কেন্দ্রীয় প্রকল্প৷ শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় জেএনএনইউআরএম প্রকল্পেই কয়েক হাজার কোটি টাকার কাজ চলছে৷ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কও শহরের উন্নয়নের জন্য পুরসভাকে অর্থ জোগাচ্ছে৷ তার জন্যও কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন লাগে৷ সংখ্যালঘু উন্নয়ন, বস্তি উন্নয়ন, বয়স্ক পেনশন, বিধবা ভাতা, মহিলা স্বনির্ভর যোজনা, গরিবদের স্বাস্থ্য বিমা, গঙ্গা দূষণ রোধ ইত্যাদি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্যও পুরসভাকে কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়৷ এই সব কাজ সামলানোর জন্য যে ধরনের দক্ষতা ও পারদর্শিতা থাকা দরকার, সেটা পুরসভার অফিসারদের নেই৷ তার জেরে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা ঠিকভাবে নেওয়া যাচ্ছে না৷ প্রকল্প রূপায়িত না হওয়ায় টাকা ফেরত চলে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে৷ সময়ে টাকা খরচ না হওয়ায় কলকাতার বস্তিবাসীদের গৃহনির্মাণ খাতে কেন্দ্রের কাছ থেকে পাওয়া বেশ কয়েক কোটি টাকা ফেরত চলে গিয়েছে৷ সংখ্যালঘু উন্নয়নের টাকাও খরচ করতে ব্যর্থ হয়েছে পুরসভা৷ সেই ঘাটতি মেটাতেই গুজরাটের ধাঁচে উন্নয়ন কাজ পরিচালনার জন্য পেশাদার পরামর্শদাতা সংস্থা নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষ৷ মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় অবশ্য গুজরাট মডেল নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি৷ যদিও বিষয়টি মেয়র পরিষদের বৈঠকে ইতিমধ্যেই পাশ হয়েছে৷ পুরসভা সূত্রের খবর, টেন্ডার ডেকে খুব শীঘ্রই ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট নিয়োগ করা হবে৷ এই মর্মে কয়েক দিনের মধ্যেই পুরসভার ওয়েবসাইট এবং বিভিন্ন সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে পুরসভা৷ এর জন্য পুরসভার যুগ্ম কমিশনার সৃষ্টিধর সাঁতরাকে 'নোডাল অফিসার' করা হয়েছে৷ এ ধরনের কাজে কম করে তিন বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে, এমন সংস্থাকেই ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট নিয়োগ করা হবে৷ কলকাতা অথবা সল্টলেকে তাদের অফিস থাকতে হবে৷
http://eisamay.indiatimes.com/city/kolkata/state-goverenment-taking-the-example-of-gujrat-model/articleshow/35662289.cms?
তাপস প্রামাণিক
নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যতই আদায়-কাঁচকলায় সম্পর্ক হোক না কেন, শহরে উন্নয়নের জোয়ার আনতে তাঁর গুজরাট মডেলকেই আঁকড়ে ধরছে তৃণমূল পরিচালিত কলকাতা পুরসভা৷ গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় সরকারি অফিসারদের উপর পুরোটা ভরসা না-করে রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সফল রূপায়ণের জন্য 'ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট' (পরামর্শদাতা সংস্থা ) নিয়োগ করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী৷ এ বার সেই একই পথে হাঁটতে চলেছে কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষ৷ শহরের উন্নয়নের কাজকে ত্বরান্বিত করাই হবে ওই সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য৷ প্রকল্পের খসড়া রিপোর্ট তৈরি করা থেকে শুরু করে টেন্ডার পত্র তৈরি, দরপত্র আহ্বান, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে টাকা আদায় করে আনা পর্যন্ত সবই করবে তারা৷ একই সঙ্গে পুরসভাকে আয় বাড়ানোরও রাস্তা দেখাবে৷
পুরকর্তাদের ব্যাখ্যা, শহরের উন্নয়নে এখন কোটি কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে৷ তার একটা বড় অংশই আবার কেন্দ্রীয় প্রকল্প৷ শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় জেএনএনইউআরএম প্রকল্পেই কয়েক হাজার কোটি টাকার কাজ চলছে৷ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কও শহরের উন্নয়নের জন্য পুরসভাকে অর্থ জোগাচ্ছে৷ তার জন্যও কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন লাগে৷ সংখ্যালঘু উন্নয়ন, বস্তি উন্নয়ন, বয়স্ক পেনশন, বিধবা ভাতা, মহিলা স্বনির্ভর যোজনা, গরিবদের স্বাস্থ্য বিমা, গঙ্গা দূষণ রোধ ইত্যাদি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্যও পুরসভাকে কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়৷ এই সব কাজ সামলানোর জন্য যে ধরনের দক্ষতা ও পারদর্শিতা থাকা দরকার, সেটা পুরসভার অফিসারদের নেই৷ তার জেরে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা ঠিকভাবে নেওয়া যাচ্ছে না৷ প্রকল্প রূপায়িত না হওয়ায় টাকা ফেরত চলে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে৷ সময়ে টাকা খরচ না হওয়ায় কলকাতার বস্তিবাসীদের গৃহনির্মাণ খাতে কেন্দ্রের কাছ থেকে পাওয়া বেশ কয়েক কোটি টাকা ফেরত চলে গিয়েছে৷ সংখ্যালঘু উন্নয়নের টাকাও খরচ করতে ব্যর্থ হয়েছে পুরসভা৷ সেই ঘাটতি মেটাতেই গুজরাটের ধাঁচে উন্নয়ন কাজ পরিচালনার জন্য পেশাদার পরামর্শদাতা সংস্থা নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষ৷ মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় অবশ্য গুজরাট মডেল নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি৷ যদিও বিষয়টি মেয়র পরিষদের বৈঠকে ইতিমধ্যেই পাশ হয়েছে৷ পুরসভা সূত্রের খবর, টেন্ডার ডেকে খুব শীঘ্রই ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট নিয়োগ করা হবে৷ এই মর্মে কয়েক দিনের মধ্যেই পুরসভার ওয়েবসাইট এবং বিভিন্ন সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে পুরসভা৷ এর জন্য পুরসভার যুগ্ম কমিশনার সৃষ্টিধর সাঁতরাকে 'নোডাল অফিসার' করা হয়েছে৷ এ ধরনের কাজে কম করে তিন বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে, এমন সংস্থাকেই ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট নিয়োগ করা হবে৷ কলকাতা অথবা সল্টলেকে তাদের অফিস থাকতে হবে৷
http://eisamay.indiatimes.com/city/kolkata/state-goverenment-taking-the-example-of-gujrat-model/articleshow/35662289.cms?
No comments:
Post a Comment