উঠতি ফসল ও বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষতি
কালবৈশাখী ঝড়ে নিহত পাঁচ
জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ সময় বজ্রপাতে, বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে ও দেয়াল চাপায় তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং দুইজন আহত হয়েছেন। এছাড়া হবিগঞ্জে বজ্রপাতে দুই জন নিহত ও দুই জন আহত, ঝিনাইদহের শৈলকুপায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দুই শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, গাছপালা উপড়ে পড়েছে এবং উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ঝড়ে ল-ভ- হয়েছে। দুই শতাধিক গাছ ভেঙ্গে পড়েছে। বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ভুতুড়ে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। খবর নিজস্ব সংবাদদাতাদের পাঠানো-
ভালুকা ॥ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ সময় বজ্রপাত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ও দেয়াল চাপায় মহিলাসহ তিনজন নিহত হয়েছেন এবং অপর দুই শিশু গুরুতর আহত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে কাঁচাপাকা ঘরবাড়ি, গাছপালা ও উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরের ওপর গাছ উপড়ে পড়লে দেয়াল চাপায় ভালুকা উপজেলার ভাটগাঁও গ্রামের মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী জুলেখা বেগম (৫৫) তাঁর নাতি শাহজাহানের পুত্র জাহিদ (১৫) ও আনোয়ারের পুত্র জামান (১২) গুরুতর আহত হয়। আহতদের মাঝে জুলেখাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভালুকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পথে তিনি মারা যান। এছাড়া রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার মামারিশপুর গ্রামের আলিম উদ্দিনের ছেলে স্থানীয় কনজিউমার নিটেক্স লিমিটেডের শ্রমিক আমিনুল ইসলাম (২৪) বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভালুকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পর কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরদিকে একই দিন সন্ধ্যায় উপজেলার নিশাইগঞ্জ গ্রামের জামে মসজিদে বিদ্যুতের কাজ করার সময় মেদিলা গ্রামের কান্দাপাড়ার সুরুজ মিয়ার পুত্র আশরাফুল ইসলাম (২৮) তারে জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
হবিগঞ্জ ॥ বৃহস্পতিবার বিকেলে হবিগঞ্জ উপজেলার চুনারুঘাট, লাখাই ও সদরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কাল বৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে ২ জন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলো, জেলার চুনারুঘাট উপজেলাধীন চানপুর চা বাগানের লোহাপুর বস্তি এলাকার শুকরা মুন্ডার ছেলে পরিক্ষিত মুন্ডা (২৬) ও লাখাই উপজেলার ভাদিকারা গ্রামের আলী আফছর তালুকদারের ছেলে হিরা মিয়া (৪৫)।
ঝিনাইদহ ॥ শৈলকুপায় কালবৈশাখী ঝড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দুই শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত, গাছ-পালা ল-ভ-, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন হয়ে ছিল প্রায় ২৪ ঘণ্টা। বুধবার গভীররাতে শৈলকুপা উপজেলার ওপর দিয়ে প্রচ- বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। ৫ ব্যক্তি আহত হয়। শৈলকুপার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, ঝড়ে দিগনগর ইউনিয়নের হররা, অচিন্তপুর, দিদ্ধি, দেবতলা, ত্রিবেনী ইউনিয়নের বসন্তপুুর, শেখপাড়া, আনন্দনগর, পদমদি, মির্জাপুর ইউনিয়নের গোলকনগর, চড়িয়ারবিল, কানাপুকুরিয়া, উমেদপুর ইউনিয়নের বারইপাড়া, গাড়াগঞ্জ, চন্ডিপুর, রয়েড়া, ব্রাহিমপুর, বড়দাহ, সারুটিয়া ইউনিয়নের ছোট মৌকুড়ী, গোসাইডাঙ্গা, সাহাবাড়ীয়া, গাংকুলা, কাচেরকোল ইউনিয়নের মির্জাপুর, রাজনগর, দেবীনগর, জাঙ্গালিয়া, মনোহরপুর ইউনিয়নের বিজুলিয়া, মনোহরপুর, মহিষাডাঙ্গা এবং পৌর এলাকার মাঠপাড়া, চতুরা, শ্যামপুর, বালিয়াডাঙ্গা, হাবিবপুর, কবিরপুর, কোর্টপাড়া, আউশিয়া, সাতগাছীসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচণ্ড গতিবেগে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে অন্তত দুই শতাধিক কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি ল-ভ- হয়েছে। ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হওয়ায় মাঠের পাকা ধান, পাট, কলা, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের খবর পেয়ে শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যান শিকদার মোশাররফ হোসেন সোনা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আলী প্রিন্স ও প্রকল্প কর্মকর্তা শেখ মোঃ রুবেল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আলী প্রিন্স বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ টাকা ও চাল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
ইবি ॥ কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ড ভণ্ড হয়ে গেছে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঝড়ের সূত্রপাত এবং তা ঘণ্টাব্যাপী চলে। ঝড়ে ক্যাম্পাস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, প্রায় ২০০টি বড় গাছ ভেঙ্গে পড়েছে এবং বিভিন্ন বাগান, বিদ্যুতের খুঁটি, স্থাপনা ও খাবার হোটেলগুলো নির্দিষ্ট জায়গা থেকে ২০০ গজ দূরে উল্টে গেছে।
জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ সময় বজ্রপাতে, বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে ও দেয়াল চাপায় তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং দুইজন আহত হয়েছেন। এছাড়া হবিগঞ্জে বজ্রপাতে দুই জন নিহত ও দুই জন আহত, ঝিনাইদহের শৈলকুপায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দুই শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, গাছপালা উপড়ে পড়েছে এবং উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ঝড়ে ল-ভ- হয়েছে। দুই শতাধিক গাছ ভেঙ্গে পড়েছে। বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ভুতুড়ে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। খবর নিজস্ব সংবাদদাতাদের পাঠানো-
ভালুকা ॥ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ সময় বজ্রপাত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ও দেয়াল চাপায় মহিলাসহ তিনজন নিহত হয়েছেন এবং অপর দুই শিশু গুরুতর আহত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে কাঁচাপাকা ঘরবাড়ি, গাছপালা ও উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরের ওপর গাছ উপড়ে পড়লে দেয়াল চাপায় ভালুকা উপজেলার ভাটগাঁও গ্রামের মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী জুলেখা বেগম (৫৫) তাঁর নাতি শাহজাহানের পুত্র জাহিদ (১৫) ও আনোয়ারের পুত্র জামান (১২) গুরুতর আহত হয়। আহতদের মাঝে জুলেখাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভালুকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পথে তিনি মারা যান। এছাড়া রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার মামারিশপুর গ্রামের আলিম উদ্দিনের ছেলে স্থানীয় কনজিউমার নিটেক্স লিমিটেডের শ্রমিক আমিনুল ইসলাম (২৪) বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভালুকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পর কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরদিকে একই দিন সন্ধ্যায় উপজেলার নিশাইগঞ্জ গ্রামের জামে মসজিদে বিদ্যুতের কাজ করার সময় মেদিলা গ্রামের কান্দাপাড়ার সুরুজ মিয়ার পুত্র আশরাফুল ইসলাম (২৮) তারে জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
হবিগঞ্জ ॥ বৃহস্পতিবার বিকেলে হবিগঞ্জ উপজেলার চুনারুঘাট, লাখাই ও সদরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কাল বৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে ২ জন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলো, জেলার চুনারুঘাট উপজেলাধীন চানপুর চা বাগানের লোহাপুর বস্তি এলাকার শুকরা মুন্ডার ছেলে পরিক্ষিত মুন্ডা (২৬) ও লাখাই উপজেলার ভাদিকারা গ্রামের আলী আফছর তালুকদারের ছেলে হিরা মিয়া (৪৫)।
ঝিনাইদহ ॥ শৈলকুপায় কালবৈশাখী ঝড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দুই শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত, গাছ-পালা ল-ভ-, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন হয়ে ছিল প্রায় ২৪ ঘণ্টা। বুধবার গভীররাতে শৈলকুপা উপজেলার ওপর দিয়ে প্রচ- বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। ৫ ব্যক্তি আহত হয়। শৈলকুপার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, ঝড়ে দিগনগর ইউনিয়নের হররা, অচিন্তপুর, দিদ্ধি, দেবতলা, ত্রিবেনী ইউনিয়নের বসন্তপুুর, শেখপাড়া, আনন্দনগর, পদমদি, মির্জাপুর ইউনিয়নের গোলকনগর, চড়িয়ারবিল, কানাপুকুরিয়া, উমেদপুর ইউনিয়নের বারইপাড়া, গাড়াগঞ্জ, চন্ডিপুর, রয়েড়া, ব্রাহিমপুর, বড়দাহ, সারুটিয়া ইউনিয়নের ছোট মৌকুড়ী, গোসাইডাঙ্গা, সাহাবাড়ীয়া, গাংকুলা, কাচেরকোল ইউনিয়নের মির্জাপুর, রাজনগর, দেবীনগর, জাঙ্গালিয়া, মনোহরপুর ইউনিয়নের বিজুলিয়া, মনোহরপুর, মহিষাডাঙ্গা এবং পৌর এলাকার মাঠপাড়া, চতুরা, শ্যামপুর, বালিয়াডাঙ্গা, হাবিবপুর, কবিরপুর, কোর্টপাড়া, আউশিয়া, সাতগাছীসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচণ্ড গতিবেগে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে অন্তত দুই শতাধিক কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি ল-ভ- হয়েছে। ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হওয়ায় মাঠের পাকা ধান, পাট, কলা, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের খবর পেয়ে শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যান শিকদার মোশাররফ হোসেন সোনা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আলী প্রিন্স ও প্রকল্প কর্মকর্তা শেখ মোঃ রুবেল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আলী প্রিন্স বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ টাকা ও চাল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
ইবি ॥ কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ড ভণ্ড হয়ে গেছে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঝড়ের সূত্রপাত এবং তা ঘণ্টাব্যাপী চলে। ঝড়ে ক্যাম্পাস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, প্রায় ২০০টি বড় গাছ ভেঙ্গে পড়েছে এবং বিভিন্ন বাগান, বিদ্যুতের খুঁটি, স্থাপনা ও খাবার হোটেলগুলো নির্দিষ্ট জায়গা থেকে ২০০ গজ দূরে উল্টে গেছে।
No comments:
Post a Comment