ওষুধ গিয়ে সিপিএমের নেতা প্রহৃত
এই সময়: ভোটের ২৪ ঘণ্টা আগেও কলকাতা ও শহরতলি জুড়ে চলা একের পর এক হামলায় রাশ টানতে পারল না কমিশন ও প্রশাসন৷ গত কয়েক বারের লোকসভা ভোটে কলকাতা মোটের উপর শান্তিপূর্ণই ছিল৷ কিন্ত্ত সেই ছবি মুছে দিয়ে এই অশান্তির আবহেই আজ রাজ্যে পঞ্চম তথা শেষ দফার ভোট৷ শনিবার প্রচারের পর্ব শেষ হওয়ার পর থেকেই শহরের নানা প্রান্ত ও জেলায় যে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও হিংসাত্মক ঘটনা শুরু হয়েছিল, রবিবার তার মাত্রা আরও বাড়ল৷ এমনকি রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে রেয়াত করা হল না পুলিশকেও৷ এই পরিস্থিতিতে আজকের ভোট শান্তিতে ও নির্বিঘ্নে করার জন্য কড়া পরীক্ষার মুখে পড়তে চলেছে কমিশন৷
রবিবার দিনভর কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় বিরোধী সিপিএম নেতা-কর্মীদের মারধর এবং হুমকির অভিযোগ নিয়ে জেরবার হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে৷ কংগ্রেস এবং বিজেপি কর্মীরাও বহু এলাকায় নিগৃহীত হন বলে অভিযোগ৷ শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণ, কাশীপুর, পাইকপাড়া, বেলেঘাটা, পূর্ব পুঁটিয়ারি, কুঁদঘাট বাঘাযতীন-সহ একাধিক জায়গায় সিপিএমের নেতা-কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে৷ কাশীপুর ও বেলেঘাটার ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন৷ বহরমপুরেও কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীকে রেজিনগরে পথ আটকে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল সমর্থকেরা৷ ওই জেলাতেই কংগ্রেসের 'হামলায়' তাঁর হাত ভাঙার অভিযোগ করেছেন ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেন৷
বিরোধীদের যাবতীয় অভিযোগ অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্টা অভিযোগ, ভোটের মুখে বিরোধীরাই সন্ত্রাস চালাচ্ছে৷ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায়ের দাবি, শেষ দফার ভোটও শান্তিপূর্ণই হবে৷ তিনি বলেন, 'কিছু জায়গায় সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপি মিলিত ভাবে সন্ত্রাস করার চেষ্টা করছে৷ সব কমিশনে জানিয়েছি৷' সন্ত্রাসের মোকাবিলা করে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রও৷ তাঁর দাবি, 'রাজ্যের শাসক দল বুঝতে পারছে, পায়ের তলা থেকে মাটি সরছে৷ তাই নানা ভাবে সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করছে৷'
শনিবার রাতে বেলঘরিয়ার সিপিএম অফিসে হামলা চালিয়ে দলের রাজ্য কমিটির সদস্য সায়নদীপ মিত্র-সহ সাত জনকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে৷ দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে রবিবার সকালে বিটি রোড অবরোধের হুমকি দিয়েছিলেন সিপিএম নেতারা৷ অবশ্য বামেদের দেওয়া নির্ধারিত সময়সীমার আগেই পাঁচ তৃণমূল সমর্থককে পুলিশ গ্রেপ্তার করায় পরিস্থিতি আর খারাপ হতে পারেনি৷ যদিও গ্রেপ্তার হওয়ার ৩ ঘণ্টা পরই ব্যারাকপুর আদালত থেকে জামিন পেয়ে যান তাঁরা৷
এ দিনের গণ্ডগোলের কেন্দ্রে ছিল উত্তর কলকাতার কাশীপুর৷ সেখানে সিপিএমের একটি লোকাল কমিটির সম্পাদক কল্যাণ সমাদ্দারকে পার্টি অফিস থেকে মারতে মারতে রাস্তায় টেনে আনা হয়৷ থানার ওসির সামনেই তাঁকে মারা হয়৷ সিপিএমের পার্টি অফিসেও ভাঙচুর চলে৷ এসি জিয়াউর রহমান ঘটনাস্থলে এলে তাঁকেও তাড়া করে তৃণমূল সমর্থকরা৷ তিনি ওসিকে বলেন, 'আপনি দুষ্কৃতীদের ধরতে এসেছেন না আড়াল করতে এসেছেন?' শাসকদলের কর্মীদের তাড়া খেয়ে ক্ষুব্ধ এসি ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান৷ ওই ঘটনায় কমিশন অভিযুক্ত ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ কমিশনারকে৷ তবে সকালে ঘটে গেলেও কাশীপুরের ঘটনার খবর নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুধীর কুমার রাকেশ পান সন্ধ্যায়৷ সারা দিনে তাঁর কানে এত বড় ঘটনার কথা কেন গেল না, তা নিয়ে নানা কথা উঠেছে৷
বেলেঘাটাতেও মার খেয়েছেন সিপিএমের নেতা-কর্মীরা৷ রাতে বিরোধীরা অভিযোগ করেন, শহরের বহু এলাকা বহিরাগতের ভিড়ে ভরে গিয়েছে৷ বাইক বাহিনী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সর্বত্র৷ পুলিশ কমিশনার সুরজিত করপুরকায়স্থ বিকেলে কাশীপুর এবং বেলেঘাটা এলাকা পরিদর্শন করেন৷ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'কোনও অসুবিধা নেই৷ সব ঠিক আছে৷' বেলেঘাটায় বহু নাগরিক অভিযোগ করেন , ইভিএমে পাঁচ নম্বর বোতাম না টিপলে এলাকায় বাস করতে দেওয়া হবে না বলে তৃণমূল কংগ্রেস হুমকি দিয়ে গিয়েছে৷
রবিবার দিনভর কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় বিরোধী সিপিএম নেতা-কর্মীদের মারধর এবং হুমকির অভিযোগ নিয়ে জেরবার হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে৷ কংগ্রেস এবং বিজেপি কর্মীরাও বহু এলাকায় নিগৃহীত হন বলে অভিযোগ৷ শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণ, কাশীপুর, পাইকপাড়া, বেলেঘাটা, পূর্ব পুঁটিয়ারি, কুঁদঘাট বাঘাযতীন-সহ একাধিক জায়গায় সিপিএমের নেতা-কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে৷ কাশীপুর ও বেলেঘাটার ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন৷ বহরমপুরেও কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীকে রেজিনগরে পথ আটকে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল সমর্থকেরা৷ ওই জেলাতেই কংগ্রেসের 'হামলায়' তাঁর হাত ভাঙার অভিযোগ করেছেন ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেন৷
বিরোধীদের যাবতীয় অভিযোগ অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্টা অভিযোগ, ভোটের মুখে বিরোধীরাই সন্ত্রাস চালাচ্ছে৷ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায়ের দাবি, শেষ দফার ভোটও শান্তিপূর্ণই হবে৷ তিনি বলেন, 'কিছু জায়গায় সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপি মিলিত ভাবে সন্ত্রাস করার চেষ্টা করছে৷ সব কমিশনে জানিয়েছি৷' সন্ত্রাসের মোকাবিলা করে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রও৷ তাঁর দাবি, 'রাজ্যের শাসক দল বুঝতে পারছে, পায়ের তলা থেকে মাটি সরছে৷ তাই নানা ভাবে সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করছে৷'
শনিবার রাতে বেলঘরিয়ার সিপিএম অফিসে হামলা চালিয়ে দলের রাজ্য কমিটির সদস্য সায়নদীপ মিত্র-সহ সাত জনকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে৷ দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে রবিবার সকালে বিটি রোড অবরোধের হুমকি দিয়েছিলেন সিপিএম নেতারা৷ অবশ্য বামেদের দেওয়া নির্ধারিত সময়সীমার আগেই পাঁচ তৃণমূল সমর্থককে পুলিশ গ্রেপ্তার করায় পরিস্থিতি আর খারাপ হতে পারেনি৷ যদিও গ্রেপ্তার হওয়ার ৩ ঘণ্টা পরই ব্যারাকপুর আদালত থেকে জামিন পেয়ে যান তাঁরা৷
এ দিনের গণ্ডগোলের কেন্দ্রে ছিল উত্তর কলকাতার কাশীপুর৷ সেখানে সিপিএমের একটি লোকাল কমিটির সম্পাদক কল্যাণ সমাদ্দারকে পার্টি অফিস থেকে মারতে মারতে রাস্তায় টেনে আনা হয়৷ থানার ওসির সামনেই তাঁকে মারা হয়৷ সিপিএমের পার্টি অফিসেও ভাঙচুর চলে৷ এসি জিয়াউর রহমান ঘটনাস্থলে এলে তাঁকেও তাড়া করে তৃণমূল সমর্থকরা৷ তিনি ওসিকে বলেন, 'আপনি দুষ্কৃতীদের ধরতে এসেছেন না আড়াল করতে এসেছেন?' শাসকদলের কর্মীদের তাড়া খেয়ে ক্ষুব্ধ এসি ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান৷ ওই ঘটনায় কমিশন অভিযুক্ত ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ কমিশনারকে৷ তবে সকালে ঘটে গেলেও কাশীপুরের ঘটনার খবর নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুধীর কুমার রাকেশ পান সন্ধ্যায়৷ সারা দিনে তাঁর কানে এত বড় ঘটনার কথা কেন গেল না, তা নিয়ে নানা কথা উঠেছে৷
বেলেঘাটাতেও মার খেয়েছেন সিপিএমের নেতা-কর্মীরা৷ রাতে বিরোধীরা অভিযোগ করেন, শহরের বহু এলাকা বহিরাগতের ভিড়ে ভরে গিয়েছে৷ বাইক বাহিনী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সর্বত্র৷ পুলিশ কমিশনার সুরজিত করপুরকায়স্থ বিকেলে কাশীপুর এবং বেলেঘাটা এলাকা পরিদর্শন করেন৷ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'কোনও অসুবিধা নেই৷ সব ঠিক আছে৷' বেলেঘাটায় বহু নাগরিক অভিযোগ করেন , ইভিএমে পাঁচ নম্বর বোতাম না টিপলে এলাকায় বাস করতে দেওয়া হবে না বলে তৃণমূল কংগ্রেস হুমকি দিয়ে গিয়েছে৷
No comments:
Post a Comment