দিনাজপুরে সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা, আহত ৫
স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর ॥ পার্বতীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলায় সংখ্যালঘু পরিবারের ৫ জন আহত ও লক্ষাধিক টাকার মালামাল বিনষ্ট হয়েছে। সোমবার বিকেলে পার্বতীপুর উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের হরিরামপুর শাহাপাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের সন্ত্রাসী হামলায় সংখ্যালঘু পরিবারের ৫ জন আহত হন। আহতরা হলেন বাবুল চন্দ্র রায় (৩০), স্বপন চন্দ্র রায় (২৬) ও পুণিমা রায় (২৭), নিবা রাণী (৫৫) ও আরতি রাণী (২২)। আহতদের পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষিত আটক ৩
নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল, ১৩ মে ॥ সখীপুরে মানসিক প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে (১৬) টানা দুই দিন আটকে রেখে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার বেরবাড়ী কালিবাড়ি রতনপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এ ব্যাপারে ওই মেয়ের চাচা সুরেশ সরকার বাদী হয়ে সখীপুর থানায় আটজনকে আসামি করে মঙ্গলবার দুপুরে মামলা করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। ধর্ষিতাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই কিশোরী উপজেলার বেরবাড়ী এলাকার মৃত নিতাই চন্দ্রের মেয়ে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে মেয়ের চাচা সুরেশ সরকার বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে সখীপুর থানায় মামলা করলে পুলিশ সখীপুর উপজেলার আগচাকদহ গ্রামের গণেশ সরকারের ছেলে রাম প্রসাদ (৪০), মৃত শরবেশ আলীর ছেলে আলম মিঞা (৩৭) ও হাতিবান্ধা গ্রামের নরেন্দ্র সরকারের ছেলে পলাশকে (২২) গ্রেফতার করে।
ধর্ষিত কিশোরীর ভাবী শিল্পী রায় জানান, তাঁর ননদ জন্ম থেকেই কিছুটা মানুষিক প্রতিবন্ধী। গত শুক্রবার সে সখীপুর উপজেলার হাতিবান্ধা গ্রামের খামারবাড়ি এলাকায় মামার বাড়িতে বেড়াতে যায়। শনিবার সন্ধ্যায় সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে হাতিবান্ধা টানাপড়া এলাকার প্রান্ত, পলাশ, বিপুল, সুকুমার ও বালিয়াটা এলাকার রাম প্রসাদ, ইচা, আলম ও অজ্ঞাত আরও এক যুবক বেড়বাড়ি এলাকা থেকে তাকে ধরে নিয়ে টানা দুই দিন আটকে রেখে গণধর্ষণ করে রোববার রাতের কোন এক সময় বেরবাড়ী কালিবাড়ী মাঠে ফেলে রেখে যায়।
টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষিত আটক ৩
নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল, ১৩ মে ॥ সখীপুরে মানসিক প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে (১৬) টানা দুই দিন আটকে রেখে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার বেরবাড়ী কালিবাড়ি রতনপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এ ব্যাপারে ওই মেয়ের চাচা সুরেশ সরকার বাদী হয়ে সখীপুর থানায় আটজনকে আসামি করে মঙ্গলবার দুপুরে মামলা করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। ধর্ষিতাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই কিশোরী উপজেলার বেরবাড়ী এলাকার মৃত নিতাই চন্দ্রের মেয়ে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে মেয়ের চাচা সুরেশ সরকার বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে সখীপুর থানায় মামলা করলে পুলিশ সখীপুর উপজেলার আগচাকদহ গ্রামের গণেশ সরকারের ছেলে রাম প্রসাদ (৪০), মৃত শরবেশ আলীর ছেলে আলম মিঞা (৩৭) ও হাতিবান্ধা গ্রামের নরেন্দ্র সরকারের ছেলে পলাশকে (২২) গ্রেফতার করে।
ধর্ষিত কিশোরীর ভাবী শিল্পী রায় জানান, তাঁর ননদ জন্ম থেকেই কিছুটা মানুষিক প্রতিবন্ধী। গত শুক্রবার সে সখীপুর উপজেলার হাতিবান্ধা গ্রামের খামারবাড়ি এলাকায় মামার বাড়িতে বেড়াতে যায়। শনিবার সন্ধ্যায় সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে হাতিবান্ধা টানাপড়া এলাকার প্রান্ত, পলাশ, বিপুল, সুকুমার ও বালিয়াটা এলাকার রাম প্রসাদ, ইচা, আলম ও অজ্ঞাত আরও এক যুবক বেড়বাড়ি এলাকা থেকে তাকে ধরে নিয়ে টানা দুই দিন আটকে রেখে গণধর্ষণ করে রোববার রাতের কোন এক সময় বেরবাড়ী কালিবাড়ী মাঠে ফেলে রেখে যায়।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=14&dd=2014-05-14&ni=172797
No comments:
Post a Comment