Monday, May 12, 2014

সাড়া মেলেনি প্রথম দিনের গণশুনানিতে, নূরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী গ্রেফতার হাইকোর্টের আদেশ না’গঞ্জ জেলা পুলিশের হাতে ॥ খালেদা জিয়া সমবেদনা জানাতে যাচ্ছেন আজ

সাড়া মেলেনি প্রথম দিনের গণশুনানিতে, নূরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী গ্রেফতার
হাইকোর্টের আদেশ না’গঞ্জ জেলা পুলিশের হাতে ॥ খালেদা জিয়া সমবেদনা জানাতে যাচ্ছেন আজ
রুমন রেজা, নারায়ণগঞ্জ ॥ নারায়ণগঞ্জে ৭ হত্যা মামলায় হাইকোর্টের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রথম দিনের গণশুনানিতে সাড়া মেলেনি। সোমবার সার্কিট হাউসে ৭ জন উপস্থিত হলেও তদন্ত কমিটি ৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছে। তদন্ত কমিটির কাছে সাক্ষ্য প্রদানকালে সবাই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ নূর হোসেন ও তাঁর লোকজনকে দায়ী করেন। একই সঙ্গে তাঁরা প্রশাসনের দায়িত্বহীনতা, নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতাকে দায়ী করেন। সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকা থেকে নূর হোসেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী পরিবহন চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রক রফিকুল ইসলাম রতনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত সোমবার থেকে প্রতিদিন একঘণ্টা করে আদালত বর্জন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী শুরু করেছে জেলা আইনজীবী সমিতি। র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতারে হাইকোর্টের আদেশের কপি জেলা পুলিশের হাতে। নূর হোসেনকে পালিয়ে যেতে র‌্যাবই সহায়তা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন নজরুলের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদ চেয়ারম্যান। নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আজ মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জে আসছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।
নারায়ণগঞ্জে ৭ হত্যা মামলার ঘটনায় হাইকোর্টের গঠিত তদন্ত কমিটি প্রথম দিনের গণশুনানি সাড়া মেলেনি। সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন সার্কিট হাউসে ৭ জন উপস্থিত হলেও তদন্ত কমিটি ৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছে। তদন্ত কমিটির কাছে সাক্ষ্য প্রদানকালে সবাই এ হত্যাকা-ের ঘটনায় র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ নূর হোসেন ও তাঁর লোকজনকে দায়ী করেন। একই সঙ্গে তাঁরা প্রশাসনের দায়িত্বহীনতা, নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতাকে দায়ী করেন। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, জেলা সার্কিট হাউসে গণশুনানির স্থান করায় মানুষ ভয়ে সেখানে যায়নি। নিরাপত্তাহীনতার কথাও বলেছেন অনেকেই।
বেলা ১১টার দিকে সার্কিট হাউসে আসেন শহরের মাসদাইর এলাকার জালাউদ্দিন, সিদ্ধিরগঞ্জ আজিবপুর এলাকার নুর হোসেন মুন্না, আবুল কাশেম, সিদ্ধিরগঞ্জের হাটখোলা এলাকার ঠিকাদার শাহীন আজাদ, এ্যাডভোকেট আবু হাসনাত আব্দুল্লাহ রাসেল, এ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান। এ ছাড়া গণশুনানিতে খুনীদের পক্ষের লোকজন উপস্থিত হয়ে তদন্ত কমিটিকে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট জাকির হোসেন। তাঁরা তদন্ত কমিটির সঙ্গে দেখা করে এ আশঙ্কার কথা জানান। নিহত কাউন্সিলর নজরুলের ছোটভাই আব্দুস সালাম তদন্ত কমিটিকে জানান, এখানে অনেকেই নিরাপত্তার কারণে গণশুনানিতে উপস্থিত হননি। তিনি আরও একদিন সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় গণশুনানি করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জবাসীর নির্বাহী সভাপতি এবং হাইকোর্টে রিট আবেদনকারী হিসেবে গণশুনানিতে অংশ নিতে যান এ্যাডভোকেট মাহবুবুর ইসমাইল। তিনি জানান, সেখানে সোয়া ১০টা থেকে পৌঁনে ১২টা পর্যন্ত তাঁরা আমাকে অপেক্ষা করতে বলেন। পরে তাদের কয়েকবার অনুরোধ করা হলেও তারা সাক্ষ্য নেননি। তারা গণশুনানি করলেও যে স্থানে তারা গণশুনানি করেছে সেটা উপযুক্ত নয়। জনাকীর্ণ এলাকায় গণশুনানি হওয়া দরকার। এখানে অসংখ্য মানুষ সাক্ষ্য দেয়ার কথা থাকলেও মাত্র ৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছে। কারণ ১৬ দিনেও এজাহারভুক্ত কোন আসামি ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়নি। এ কারণে ভয়ে মানুষ গণশুনানিতে অংশ নেয়নি।
আইনজীবীদের আদালত বর্জন, বিক্ষোভ ॥ নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকার, সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর নজরুলসহ ৭ খুনের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা আদালত বর্জন করেছে জেলা আইনজীবী সমিতি।
সোমবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য তারা এ কর্মসূচী শুরু করেন। একই সঙ্গে তারা প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে একটা পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, খুনীদের গ্রেফতারে আমরা অনিদিষ্টকালের জন্য কর্মসূচী ঘোষণা করেছি। তাদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচী চলবে।
নূর হোসেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রতন গ্রেফতার ॥ ৭ খুনের ঘটনার মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রফিকুল ইসলাম রতনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে শিমরাইল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রফিকুল ইসলাম রতন নূর হোসেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও পরিবহন চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রক। তিনি বিএনপিসহ চারদলীয় সরকারের শাসনামলে সিদ্ধিরগঞ্জ পরিবহন শ্রমিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং পরিবহন চাঁদাবাজের একচ্ছত্র অধিপতি ছিলেন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিনি নূর হোসেনের সঙ্গে যোগ দেয় এবং নূর হোসেনের পক্ষে পরিবহন সেক্টরের চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করে।
হাইর্কোটের আদেশ জেলা পুলিশের হাতে ॥ নারায়ণগঞ্জে কাউন্সিলর নজরুল, সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের হাইকোর্টের আদেশের কপি জেলা পুলিশের হাতে এসে পৌঁছেছে। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আদেশের কপি জেলা পুলিশের হাতে এসে পৌঁছেছে বলে জেলা পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ জানান, আদালতের আদেশ আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছে। আমাদের আরও কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন বলেন, র‌্যাবের সাবেক ৩ কর্মকর্তাকে গ্রেফতা রে উচ্চ আদালতের আদেশের কপি পেয়েছি। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
নজরুলের শ্বশুরের অভিযোগ ॥ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাত হত্যার ঘটনার প্রধান আসামি নূর হোসেন কলকাতায় পালিয়ে গিয়ে থাকলে র‌্যাবই তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। সোমবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।
সোমবার র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসানের একটি সাক্ষাতকার প্রকাশিত হয় একটি দৈনিকে। তাতে জিয়াউল আহসান দাবি করেন, সাত খুনের মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন এখন কলকাতায় অবস্থান করছে। ঘটনার তিনদিন পর সে ভারতে পালিয়ে গেছে। তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাকে গ্রেফতার করতে পারলেই সব রহস্য উন্মোচিত হবে। এ ছাড়া নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদ চেয়ারম্যান এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ওই সাক্ষাতকারের পরিপ্রেক্ষিতে শহীদুল ইসলাম সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, র‌্যাবই নূর হোসেনকে কলকাতায় পার করে দিয়েছে।
এমন অভিযোগ কেন করছেন জানতে চাইলে শহীদ চেয়ারম্যান বলেন, সাত খুনের ঘটনার সঙ্গে র‌্যাবের কর্মকর্তারা যে জড়িত সেটি পরিষ্কার হয়ে উঠছে। এখন র‌্যাবকে বাঁচাতে তারাই নূর হোসেনকে কলকাতায় পাঠিয়ে দিয়েছেন। তারা সবাই মিলে র‌্যাবকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে।
শহীদ চেয়ারম্যান বলেন, সবার দাবির পরেও অভিযুক্ত র‌্যাবের তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরেও তারা গ্রেফতার হচ্ছেন না। তার মানে কি? র‌্যাব চেষ্টা করছে অভিযুক্ত র‌্যাব কর্মকর্তাকে বাঁচাতে।
সমবেদনা জানাতে আজ আসছেন খালেদা জিয়া ॥ অপহরণের পর খুন হওয়া সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৭ জনের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আজ মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ আসছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। প্রথমে ১৪ মে এ তারিখ নির্ধারিত থাকলেও ওইদিন নিহত ৭ জনের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী ডেকে পাঠানোয় তারিখ পরিবর্তন করে ১৩ মে মঙ্গলবার করা হয়।
খুন হওয়া স্বপনের পিতার আক্ষেপ ॥ মোঃ খলিলুর রহমান, সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে জানান, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকারসহ আলোচিত সাত অপহরণ ও হত্যাকা-ে নিহত মনিরুজ্জামান স্বপনের পিতা মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী আক্ষেপ করে বলেছেন, আমার ছেলেকে অন্যের হাতে খুন হওয়ার জন্যই কি স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম? যেই পাষ-রা আমার নিরপরাধ ছেলেকে হত্যা করেছে তাদের ফাঁসির দাবি করছি। সোমবার সকালে মনিরুজ্জামান স্বপনের কদমতলীর উত্তরপাড়ার বাসায় গেলে এ প্রতিনিধির কাছে অসহায় পিতা মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী বিলাপ করে ঘটনার বিবরণ দিচ্ছিলেন।
মনিরুজ্জামান স্বপন স্থানীয় যুবলীগ নেতা ছিলেন। আদমজী ইপিজেডের একটি অনুমোদিত ঠিকাদার ছিলেন। স্বপন ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের সঙ্গে একটি মামলায় হাজিরা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নজরুল ও সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ জনের মতো স্বপনকেও অপহরণ করা হয়। ৩০ এপ্রিল বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার শীতলক্ষ্যা নদী থেকে সাত জনের সঙ্গে স্বপনের লাশ উদ্ধার হয়। স্বপনের মাতার নাম মমতাজ বেগম। ২ ভাই ৩ বোনের মধ্যে স্বপন সবার বড়। নিহত স্বপনের স্বর্ণালী (১০) ও মাহি (৯ মাস) নামে দুটি মেয়ে রয়েছে। নয় মাস বয়সী মাহি এখনও বুঝতে পারেনি কি হারিয়েছে? স্বপনের পিতা হায়দার আলী কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানায়, নজরুলের সঙ্গে আমার ছেলে হাজিরা দিতে না গেলে এ করুণ পরিণতি হতো না। আমার ছেলে নিরপরাধ। নৃশংসভাবে আমার ছেলে স্বপনকে নূর হোসেন ও তার লোকজন হত্যা করেছে। আমি আমার ছেলেসহ সাত হত্যাকা-ের আসামিদের ফাঁসি দাবি করছি। আমি মৃত্যুর আগেই হত্যাকারীদের ফাঁসি দেখে যেতে চাই।
যুবলীগের প্রতিবাদ সভা ॥ প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৭ অপহরণ ও খুনের ঘটনায় প্রতিবাদ সভা করেছে সিদ্ধিগঞ্জ, সুমিলপাড়া ও গোদনাইল ইউনিয়ন যুবলীগ। সোমবার বেলা ১১টায় সিদ্ধিরগঞ্জের সুমিলপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের কার্যালয়ে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সুমিলপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোকসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন, গোদনাইল ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এমদাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বশির আহমেদ, সুমিলপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান, যুবলীগ নেতা শাহজাহান, রাসেল, টিপু, শাহজালাল, আজাদ, সেলিম, শাহ আলম, মাছুদ, জামান, শাহজাদা ও আসলাম মোল্লা। শোকসভায় প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৭ অপহরণ ও খুনের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানান বক্তারা। এ সময় তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

No comments:

Post a Comment