তিন র্যাব কর্মকর্তা গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে
জঙ্গী অর্থায়ন বন্ধ করতে জামায়াত নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানের তালিকা
বিশেষ প্রতিনিধি ॥ আদালতের আদেশ মেনে নারায়ণগঞ্জ হত্যাকাণ্ড অভিযোগের মুখে থাকা তিন র্যাব কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। হাই কোর্টের আদেশ পুলিশ সদর দফতরে পৌঁছার পর তিনি সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, তাদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আড়ালে জঙ্গী অর্থায়ন বন্ধ করতে জামায়াতে ইসলামী নিয়ন্ত্রিত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রস্তুত করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই তালিকা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে সোমবার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে শুরু হয়েছে এক বিশেষ সভা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ক এই বিশেষ সভায় এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সোমবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এছাড়া উপস্থিতি রয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. কামালউদ্দিন আহমেদসহ মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্মকর্তারা।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় র্যাবের তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে। তবে সামরিক বাহিনী থেকে অবসরে পাঠানো এই তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি প্রতিমন্ত্রী।
ওই তিন কর্মকর্তা হলেন- র্যাব-১১-এর সাবেক কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মাহমুদ, মেজর আরিফ হোসেন এবং নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এমএম রানা। এর আগে বেলা সোয়া ১১টার দিকে পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া) জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী আদালতের আদেশের কপি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আমরা আদেশের কপি পেয়েছি। এখন আদালতের আদেশ পালনে পরবর্তী আইনী প্রক্রিয়া চলছে। হাইকোর্টের ওই আদেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করতে আইজিপিকে নির্দেশ দেয়া হয়।
হাইকোর্টের আদেশে বলা হয়, চাকরিচ্যুত ওই তিনজনের বিরুদ্ধে দ-বিধি বা অন্য কোন বিশেষ আইনে কোন অভিযোগ পাওয়া না গেলে তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করতে হবে। গ্রেফতারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও হাইকোর্টের নির্দেশনায় বলা হয়। চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের এই মামলাটি তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিশ।
একটি রিট আবেদনে আদালত গ্রেফতারের এই আদেশ দেয়। র্যাবের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠার পর হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত এক আদেশে এই ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে প্রশাসনিক তদন্ত করতে সরকারকে বলেছিল। ওই আদেশের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহজাহান আলী মোল্লার নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
এই হত্যাকা-ে জড়িত থাকার সন্দেহে এই পর্যন্ত ২১ জনকে আটক করেছেন। এর মধ্যে ৭ জনকে হত্যামামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। অন্যদের ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে এজাহারভুক্ত আসামি এবং অভিযোগের মুখে থাকা র্যাব কর্মকর্তাদের গ্রেফতার না হওয়ায় অসন্তোষ জানিয়ে আসছে নিহতদের স্বজনরা।
গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদীতে তাদের লাশ ভেসে ওঠে। লাশ উদ্ধারের আগের দিন তারেক সাঈদকে র্যাব-১১-এর অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সেনাবাহিনীতে পাঠানো হয়েছিল।
এর পর নিহত নজরুলের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, নারায়ণগঞ্জের আরেক কাউন্সিলর নূর হোসেন ও তার সহযোগীদের কাছ থেকে ছয় কোটি টাকা নিয়ে র্যাব সদস্যরা তার জামাতাসহ সাতজনকে ধরে নিয়ে হত্যা করেছে। ওই অভিযোগ ওঠার পর গত ৭ মে সাঈদসহ র্যাব-১১-এর ওই তিন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অকালীন অবসরে পাঠানো হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ক এই বিশেষ সভায় এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সোমবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এছাড়া উপস্থিতি রয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. কামালউদ্দিন আহমেদসহ মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্মকর্তারা।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় র্যাবের তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে। তবে সামরিক বাহিনী থেকে অবসরে পাঠানো এই তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি প্রতিমন্ত্রী।
ওই তিন কর্মকর্তা হলেন- র্যাব-১১-এর সাবেক কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মাহমুদ, মেজর আরিফ হোসেন এবং নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এমএম রানা। এর আগে বেলা সোয়া ১১টার দিকে পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া) জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী আদালতের আদেশের কপি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আমরা আদেশের কপি পেয়েছি। এখন আদালতের আদেশ পালনে পরবর্তী আইনী প্রক্রিয়া চলছে। হাইকোর্টের ওই আদেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করতে আইজিপিকে নির্দেশ দেয়া হয়।
হাইকোর্টের আদেশে বলা হয়, চাকরিচ্যুত ওই তিনজনের বিরুদ্ধে দ-বিধি বা অন্য কোন বিশেষ আইনে কোন অভিযোগ পাওয়া না গেলে তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করতে হবে। গ্রেফতারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও হাইকোর্টের নির্দেশনায় বলা হয়। চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের এই মামলাটি তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিশ।
একটি রিট আবেদনে আদালত গ্রেফতারের এই আদেশ দেয়। র্যাবের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠার পর হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত এক আদেশে এই ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে প্রশাসনিক তদন্ত করতে সরকারকে বলেছিল। ওই আদেশের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহজাহান আলী মোল্লার নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
এই হত্যাকা-ে জড়িত থাকার সন্দেহে এই পর্যন্ত ২১ জনকে আটক করেছেন। এর মধ্যে ৭ জনকে হত্যামামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। অন্যদের ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে এজাহারভুক্ত আসামি এবং অভিযোগের মুখে থাকা র্যাব কর্মকর্তাদের গ্রেফতার না হওয়ায় অসন্তোষ জানিয়ে আসছে নিহতদের স্বজনরা।
গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদীতে তাদের লাশ ভেসে ওঠে। লাশ উদ্ধারের আগের দিন তারেক সাঈদকে র্যাব-১১-এর অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সেনাবাহিনীতে পাঠানো হয়েছিল।
এর পর নিহত নজরুলের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, নারায়ণগঞ্জের আরেক কাউন্সিলর নূর হোসেন ও তার সহযোগীদের কাছ থেকে ছয় কোটি টাকা নিয়ে র্যাব সদস্যরা তার জামাতাসহ সাতজনকে ধরে নিয়ে হত্যা করেছে। ওই অভিযোগ ওঠার পর গত ৭ মে সাঈদসহ র্যাব-১১-এর ওই তিন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অকালীন অবসরে পাঠানো হয়।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment