মোদির মনে প্রচন্ড ক্রোধ
কংগ্রেস সহসভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছেন, বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদির মনে প্রচ- ক্রোধ রয়েছে এবং তাঁর বিভেদমূলক রাজনীতি যখন আর কাজ করবে না, তখন বিদায় নেবেন তিনি। খবর পিটিআই ও আজকালের।
তিনি বৃহস্পতিবার কলকাতায় এক নির্বাচনীসভায় বলেন, আমি বলতে চাই, এ বিভেদমূলক রাজনীতি যে দিন আর কাজ করবে না, সেদিন তিনি রাজনীতির দৃশ্যপট থেকে বিদায় নেবেন। কারণ, তখন তাঁর এ চাতুর্যতা আর কাজে আসবে না। তিনি বলেন, অন্য নেতাদের তিরস্কার করা সত্যিকারের নেতার লক্ষণ নয়। রাহুল বলেন, মোদিজী বিরাট মাত্রায় ক্রোধ পোষণ করেন। যখনই তিনি কথা বলেন, তখনই এ ক্রোধ প্রকাশ পায়। সত্যিকারভাবে এ ক্রোধ মনের অন্তনির্হিত ভীতি এবং অন্যের প্রতি ঘৃণার লক্ষণ। আপনি মহাত্মা গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে দেখুন, তাঁরা ছিলেন নির্ভয় ব্যক্তি। তিনি বলেন, ভীতি, ঘৃণা ও অহংবোধ কোন নেতার লক্ষণ নয়। বিভিন্ন সম্প্রদায়কে বিভক্ত করা এবং বিদ্বেষ ছড়ানো কোন নেতার লক্ষণ নয়। যে ব্যক্তি অন্যের কথা ধৈর্যসহকারে শোনেন এবং প্রেম ও ভ্রাতৃত্বের বাণী ছড়িয়ে দেন তিনিই নেতা।
তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, উন্নয়নের গুজরাট মডেলে পুরো জাতির সম্পদ কেবল দুই-তিনজন শিল্পপতির হাতে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়ন মডেল হচ্ছে সর্বস্তরের উন্নয়ন মডেল- যেখানে বিত্তহীন, বড় ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বা বাণিজ্য সংগঠকদের অগ্রগতি হবে এক সঙ্গে। কিন্তু মোদিজীর গুজরাট উন্নয়নে রাজ্যের সকল সম্পদ, জমি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দুই বা তিনজন শিল্পপতির হাতে পৌঁছেছে। দরিদ্রের সম্পদ লুট করে তা ধনীদের প্রদান করাই হচ্ছে মোদিজীর উন্নয়ন মডেল।
রাহুল অভিযোগ করে বলেন, মোদি ৪৫ হাজার একর জমি দিয়েছেন মাত্র একজন শিল্পপতিকে নামমাত্র মূল্যে। প্রতিমিটার জমির প্রতীকী মূল্য ধরা হয় ১ রুপী। এই শিল্পপতি হচ্ছেন তাঁর একজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি। তিনি বলেন, মোদি এ জমি দিয়েছেন নামমাত্র মূল্যে। কিন্তু একজন সাধারণ মানুষ গুজরাট সরকারের কাছে কোন সস্তা মূল্যে জমি চাইলে তাকে বের করে দেয়া হবে।
‘স্বচ্ছ মন মমতার’
নির্বাচনোত্তর জোট গঠনের যে গুঞ্জন চলছে, সে ব্যাপারে বক্তব্য রাখতে গেলে রাহুল গান্ধীকে বেশ নরম মনে হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জীর প্রতি। তিনি বলেন, ভালবাসা প্রকাশের ভাষা বোঝেন মমতাজী। তিনি প্রস্তাব রাখেন যে, সাবেক এই দুই মিত্র এখনও ভালবাসার সঙ্গে একত্রে কাজ করতে পারে।
তিনি নির্বাচনী সমাবেশে নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করে বলেন, মমতাজীকে ভালবাসায় সম্মত করা সম্ভব। তাঁর মনটি চমৎকার। মোদিজীকে আমরা সম্মত করতে পারব না। তিনি ফিরে আসার সীমা অতিক্রম করে ফেলেছেন। কিন্তু মমতাজীর সঙ্গে আমরা ভালবাসার কাজ করতে সমর্থ হব। কংগ্রেস নেতা এরপর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করে বলেন, মমতাজী আমাদের দলে ছিলেন। আমি তাঁকে শ্রদ্ধা করি খুবই। তিনি আমার বাবার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং তাঁকে আমি শ্রদ্ধা করি সত্যই। তাঁর বিরুদ্ধে আমার কোন অসন্তোষ নেই।
রাহুল বলেন, ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে তিনি ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল বিশ্বাসঘাতকতা করেছে কংগ্রেসের সঙ্গে। তিনি কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এবং সরকার গঠনের পর তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেন কংগ্রেসের সঙ্গে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ঠিক আছে।
মোদি-মমতা জোট গঠনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করতেও ভোলেননি রাহুল। শহীদ মিনারে জনসভা করার আগে রাহুল দুপুরে গিয়েছিলেন ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের ডেবরায়। এখানে তিনি কংগ্রেস প্রার্থী মানস ভূঁইয়ার সমর্থনে প্রচার করেন। সারদা প্রসঙ্গ টেনে আনেন রাহুল। তাঁর বক্তব্য, সারদা কেলেঙ্কারিতে প্রায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
তদন্ত হচ্ছে না। সরকার অভিযুক্তদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। শহীদ মিনার ও ডেবরায় ২টি সভাতেই রাহুল বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান। তিনি বলেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে সারাদেশে গরিব মানুষ বিনা পয়সায় চিকিৎসা, ওষুধ ও অপারেশনের সুযোগ পাবেন। তিনি বলেন, শুধু কলকাতাতেই নয়, অন্যান্য শহরেও ফুটপাথের ওপর রাতে অনেকেই শুয়ে থাকেন। কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে আমরা এ জিনিস হতে দেব না। প্রত্যেকের মাথার ওপরে পাকা ছাদ করে দেয়া হবে। ত্রিপলের নিচে কাউকে থাকতে হবে না। গরিব বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা পেনশন পাবেন। তাঁদের পায়ের নিচের মাটি শক্ত হবে। সিপিএমকে আক্রমণ করে রাহুল হলেন, ৩৪ বছরের শাসনে বেকারদের এরা চাকরি দিতে পারেনি। মমতাজী ক্ষমতায় এসে কেন চাকরি দিতে পারছেন না?
এ আমলে তো কোন উন্নয়ন হয়নি। মোদির সঙ্গে মমতার তুলনা টেনে তিনি বলেন, মমতাজী আমার বাবার সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি কংগ্রেসে ছিলেন। মোদির মতো কেন মমতাজীর এত রাগ বা আক্রোশ হবে? রাহুল বলেন, মোদি কিন্তু ক্ষমতায় আসবে না। কংগ্রেসই ক্ষমতায় আসবে। দেশের অগ্রগতি হবে। উন্নয়ন হবে। ডেবরায় রাহুল বলেন, মমতাজী বলেন, দিল্লী কিছু দিচ্ছে না। এনডিএ সরকার এ রাজ্যকে ৫,০০০ কোটি টাকা দিয়েছিল। ইউপি এ-২ সরকার রাজ্যকে ২৬,০০০ কোটি টাকা দিয়েছে। এখানে টাকার সদ্ব্যবহার হয়নি। ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গে মাত্র ৩৫ দিন কাজ হয়েছে। গরিব মানুষরা বুঝতে পেরেছেন, কী পরিবর্তন হয়েছে। এখানে কংগ্রেসীদের দাবিয়ে রাখা হচ্ছে। আগে সিপিএম কংগ্রেসকর্মীদের মারত, এখন তৃণমূল মারছে। এ ধরনের রাজনীতি চলতে পারে না।
তিনি বলেন, গুজরাট উন্নয়ন মডেল হলো শুধু চুরি করÑ গুজরাটে গিয়ে আপনারা স্বচক্ষে সব দেখে আসুন। কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে ম্যানুফাকচারিং করিডর তৈরি করা হবে। রিক্সা ও ঠেলাশ্রমিক এবং অসংগঠিত শ্রমিকদের উন্নয়ন করা হবে। তাঁদের ছেলেমেয়েরা যাতে উপযুক্ত শিক্ষা পায়, তার জন্য আমরা চেষ্টা করব। মোদিকে আক্রমণ করে রাহুল বলেন, তিনি শুধু হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে লড়াই লাগিয়ে দিতে চাইছেন। আমরা এ সব হতে দেব না।
তিনি বৃহস্পতিবার কলকাতায় এক নির্বাচনীসভায় বলেন, আমি বলতে চাই, এ বিভেদমূলক রাজনীতি যে দিন আর কাজ করবে না, সেদিন তিনি রাজনীতির দৃশ্যপট থেকে বিদায় নেবেন। কারণ, তখন তাঁর এ চাতুর্যতা আর কাজে আসবে না। তিনি বলেন, অন্য নেতাদের তিরস্কার করা সত্যিকারের নেতার লক্ষণ নয়। রাহুল বলেন, মোদিজী বিরাট মাত্রায় ক্রোধ পোষণ করেন। যখনই তিনি কথা বলেন, তখনই এ ক্রোধ প্রকাশ পায়। সত্যিকারভাবে এ ক্রোধ মনের অন্তনির্হিত ভীতি এবং অন্যের প্রতি ঘৃণার লক্ষণ। আপনি মহাত্মা গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে দেখুন, তাঁরা ছিলেন নির্ভয় ব্যক্তি। তিনি বলেন, ভীতি, ঘৃণা ও অহংবোধ কোন নেতার লক্ষণ নয়। বিভিন্ন সম্প্রদায়কে বিভক্ত করা এবং বিদ্বেষ ছড়ানো কোন নেতার লক্ষণ নয়। যে ব্যক্তি অন্যের কথা ধৈর্যসহকারে শোনেন এবং প্রেম ও ভ্রাতৃত্বের বাণী ছড়িয়ে দেন তিনিই নেতা।
তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, উন্নয়নের গুজরাট মডেলে পুরো জাতির সম্পদ কেবল দুই-তিনজন শিল্পপতির হাতে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়ন মডেল হচ্ছে সর্বস্তরের উন্নয়ন মডেল- যেখানে বিত্তহীন, বড় ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বা বাণিজ্য সংগঠকদের অগ্রগতি হবে এক সঙ্গে। কিন্তু মোদিজীর গুজরাট উন্নয়নে রাজ্যের সকল সম্পদ, জমি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দুই বা তিনজন শিল্পপতির হাতে পৌঁছেছে। দরিদ্রের সম্পদ লুট করে তা ধনীদের প্রদান করাই হচ্ছে মোদিজীর উন্নয়ন মডেল।
রাহুল অভিযোগ করে বলেন, মোদি ৪৫ হাজার একর জমি দিয়েছেন মাত্র একজন শিল্পপতিকে নামমাত্র মূল্যে। প্রতিমিটার জমির প্রতীকী মূল্য ধরা হয় ১ রুপী। এই শিল্পপতি হচ্ছেন তাঁর একজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি। তিনি বলেন, মোদি এ জমি দিয়েছেন নামমাত্র মূল্যে। কিন্তু একজন সাধারণ মানুষ গুজরাট সরকারের কাছে কোন সস্তা মূল্যে জমি চাইলে তাকে বের করে দেয়া হবে।
‘স্বচ্ছ মন মমতার’
নির্বাচনোত্তর জোট গঠনের যে গুঞ্জন চলছে, সে ব্যাপারে বক্তব্য রাখতে গেলে রাহুল গান্ধীকে বেশ নরম মনে হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জীর প্রতি। তিনি বলেন, ভালবাসা প্রকাশের ভাষা বোঝেন মমতাজী। তিনি প্রস্তাব রাখেন যে, সাবেক এই দুই মিত্র এখনও ভালবাসার সঙ্গে একত্রে কাজ করতে পারে।
তিনি নির্বাচনী সমাবেশে নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করে বলেন, মমতাজীকে ভালবাসায় সম্মত করা সম্ভব। তাঁর মনটি চমৎকার। মোদিজীকে আমরা সম্মত করতে পারব না। তিনি ফিরে আসার সীমা অতিক্রম করে ফেলেছেন। কিন্তু মমতাজীর সঙ্গে আমরা ভালবাসার কাজ করতে সমর্থ হব। কংগ্রেস নেতা এরপর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করে বলেন, মমতাজী আমাদের দলে ছিলেন। আমি তাঁকে শ্রদ্ধা করি খুবই। তিনি আমার বাবার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং তাঁকে আমি শ্রদ্ধা করি সত্যই। তাঁর বিরুদ্ধে আমার কোন অসন্তোষ নেই।
রাহুল বলেন, ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে তিনি ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল বিশ্বাসঘাতকতা করেছে কংগ্রেসের সঙ্গে। তিনি কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এবং সরকার গঠনের পর তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেন কংগ্রেসের সঙ্গে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ঠিক আছে।
মোদি-মমতা জোট গঠনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করতেও ভোলেননি রাহুল। শহীদ মিনারে জনসভা করার আগে রাহুল দুপুরে গিয়েছিলেন ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের ডেবরায়। এখানে তিনি কংগ্রেস প্রার্থী মানস ভূঁইয়ার সমর্থনে প্রচার করেন। সারদা প্রসঙ্গ টেনে আনেন রাহুল। তাঁর বক্তব্য, সারদা কেলেঙ্কারিতে প্রায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
তদন্ত হচ্ছে না। সরকার অভিযুক্তদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। শহীদ মিনার ও ডেবরায় ২টি সভাতেই রাহুল বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান। তিনি বলেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে সারাদেশে গরিব মানুষ বিনা পয়সায় চিকিৎসা, ওষুধ ও অপারেশনের সুযোগ পাবেন। তিনি বলেন, শুধু কলকাতাতেই নয়, অন্যান্য শহরেও ফুটপাথের ওপর রাতে অনেকেই শুয়ে থাকেন। কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে আমরা এ জিনিস হতে দেব না। প্রত্যেকের মাথার ওপরে পাকা ছাদ করে দেয়া হবে। ত্রিপলের নিচে কাউকে থাকতে হবে না। গরিব বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা পেনশন পাবেন। তাঁদের পায়ের নিচের মাটি শক্ত হবে। সিপিএমকে আক্রমণ করে রাহুল হলেন, ৩৪ বছরের শাসনে বেকারদের এরা চাকরি দিতে পারেনি। মমতাজী ক্ষমতায় এসে কেন চাকরি দিতে পারছেন না?
এ আমলে তো কোন উন্নয়ন হয়নি। মোদির সঙ্গে মমতার তুলনা টেনে তিনি বলেন, মমতাজী আমার বাবার সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি কংগ্রেসে ছিলেন। মোদির মতো কেন মমতাজীর এত রাগ বা আক্রোশ হবে? রাহুল বলেন, মোদি কিন্তু ক্ষমতায় আসবে না। কংগ্রেসই ক্ষমতায় আসবে। দেশের অগ্রগতি হবে। উন্নয়ন হবে। ডেবরায় রাহুল বলেন, মমতাজী বলেন, দিল্লী কিছু দিচ্ছে না। এনডিএ সরকার এ রাজ্যকে ৫,০০০ কোটি টাকা দিয়েছিল। ইউপি এ-২ সরকার রাজ্যকে ২৬,০০০ কোটি টাকা দিয়েছে। এখানে টাকার সদ্ব্যবহার হয়নি। ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গে মাত্র ৩৫ দিন কাজ হয়েছে। গরিব মানুষরা বুঝতে পেরেছেন, কী পরিবর্তন হয়েছে। এখানে কংগ্রেসীদের দাবিয়ে রাখা হচ্ছে। আগে সিপিএম কংগ্রেসকর্মীদের মারত, এখন তৃণমূল মারছে। এ ধরনের রাজনীতি চলতে পারে না।
তিনি বলেন, গুজরাট উন্নয়ন মডেল হলো শুধু চুরি করÑ গুজরাটে গিয়ে আপনারা স্বচক্ষে সব দেখে আসুন। কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে ম্যানুফাকচারিং করিডর তৈরি করা হবে। রিক্সা ও ঠেলাশ্রমিক এবং অসংগঠিত শ্রমিকদের উন্নয়ন করা হবে। তাঁদের ছেলেমেয়েরা যাতে উপযুক্ত শিক্ষা পায়, তার জন্য আমরা চেষ্টা করব। মোদিকে আক্রমণ করে রাহুল বলেন, তিনি শুধু হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে লড়াই লাগিয়ে দিতে চাইছেন। আমরা এ সব হতে দেব না।
No comments:
Post a Comment