বিজেপি-ইসি তীব্র বাগ্ বিতন্ডা
আক্রমণটা আসছিল প্রায় সব রাজনৈতিক দলের তরফেই। কিন্তু গত এক সপ্তাহে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব যেভাবে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) আক্রমণ শানাচ্ছিল, তা এক কথায় নজিরবিহীন। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার কমিশনের ফুল বেঞ্চকে পাশে বসিয়ে মুখ খুলে পাল্টা জবাব দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ভিএস সম্পত। তাঁর বক্তব্য- কোন দল বা প্রার্থী যতই চেষ্টা করুক, কমিশন কোন কিছুতেই ভয় পায় না। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবেই কাজ করছে এবং আগামী দিনেও করবে। আনন্দবাজার পত্রিকা।
একই সঙ্গে বিজেপির নাম না করে কমিশনের বার্তা, প্রধান বিরোধী দলের আরও পরিণত রাজনৈতিক আচরণ করা উচিত। কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর এ বিরোধের সূত্রপাত নির্বাচনী আচরণবিধি বলবৎ হওয়ার পর থেকেই। আমলা বদলি থেকে প্রচারের ভাষা নানা বিষয়ে কমিশনের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব। কিন্তু শেষ দুই দফা নির্বাচনের আগে ওই বিরোধ কার্যত তুঙ্গে উঠেছে। তবে মূল লড়াইটি এখন সীমাবদ্ধ হয়েছে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে। যে বিতর্কের শুরু আসানসোলে। সেখানে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সভা করতে গিয়ে রাজ্যে তৃতীয় দফা নির্বাচনে ব্যাপক রিগিং ও শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী অভিযোগ করেছিলেন, ‘কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না। পরবর্তী ভোটপর্বে নিরপেক্ষভাবে কাজ করুক কমিশন।’
সেই শুরু। তার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই হয় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী, নয়ত বিজেপির অন্য কোন শীর্ষনেতা কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নে মুখ খুলতে শুরু করেন। জেটলির কথায়, ‘যেভাবে নির্বাচন চলছে, তাতে আর যা-ই হোক, এবারের নির্বাচনকে অন্তত স্বচ্ছ ও অবাধ বলা যাবে না!’ এরই মধ্যে আজ বারানসীর বেনিয়াবাগে মোদির সভার অনুমতি দেয়া নিয়ে কমিশন-বিজেপির দ্বন্দ্বের আগুনে ঘি পড়ে। দফায় দফায় কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেও ওই সভার অনুমতির বিষয়টি নিয়ে কমিশনের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতারা। -ওয়েবসাইট
একই সঙ্গে বিজেপির নাম না করে কমিশনের বার্তা, প্রধান বিরোধী দলের আরও পরিণত রাজনৈতিক আচরণ করা উচিত। কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর এ বিরোধের সূত্রপাত নির্বাচনী আচরণবিধি বলবৎ হওয়ার পর থেকেই। আমলা বদলি থেকে প্রচারের ভাষা নানা বিষয়ে কমিশনের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব। কিন্তু শেষ দুই দফা নির্বাচনের আগে ওই বিরোধ কার্যত তুঙ্গে উঠেছে। তবে মূল লড়াইটি এখন সীমাবদ্ধ হয়েছে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে। যে বিতর্কের শুরু আসানসোলে। সেখানে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সভা করতে গিয়ে রাজ্যে তৃতীয় দফা নির্বাচনে ব্যাপক রিগিং ও শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী অভিযোগ করেছিলেন, ‘কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না। পরবর্তী ভোটপর্বে নিরপেক্ষভাবে কাজ করুক কমিশন।’
সেই শুরু। তার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই হয় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী, নয়ত বিজেপির অন্য কোন শীর্ষনেতা কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নে মুখ খুলতে শুরু করেন। জেটলির কথায়, ‘যেভাবে নির্বাচন চলছে, তাতে আর যা-ই হোক, এবারের নির্বাচনকে অন্তত স্বচ্ছ ও অবাধ বলা যাবে না!’ এরই মধ্যে আজ বারানসীর বেনিয়াবাগে মোদির সভার অনুমতি দেয়া নিয়ে কমিশন-বিজেপির দ্বন্দ্বের আগুনে ঘি পড়ে। দফায় দফায় কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেও ওই সভার অনুমতির বিষয়টি নিয়ে কমিশনের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতারা। -ওয়েবসাইট
No comments:
Post a Comment