নতুন শরিক নিয়ে সরকার গড়ার আশা কংগ্রেসের
নরেন্দ্র মোদির নামে সংবাদমাধ্যমে এত ঢাকানিনাদের মধ্যেও সরকার গড়ার আশা ছাড়েনি কংগ্রেস। সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও প্রয়োজনে নতুন কিছু শরিককে নিয়ে সরকার গড়ার ‘ভাল সম্ভাবনা’ রয়েছে কংগ্রেসের। বৃহস্পতিবার দিল্লীতে ২৪ আকবর রোডে দলের সদর দফতরে বসে জানালেন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। এনডিএ এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নাও পেতে পারে ধরে নিয়ে একই লাইনে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে বিজেপিও। তবে তেমন পরিস্থিতিতেও নরেন্দ্র মোদিই প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে এদিন ফের জানিয়ে দিলেন বিজেপি নেতা এম বেঙ্কাইয়া নাইডু। চিদম্বরম এ দিন সাংবাদিকদের জানান, ১৯৮৯ সালের তুলনায় ২০১৪ সালে দেশের পরিস্থিতি ভিন্ন। সেবার ১৯০ পার্লামেন্ট সদস্য নিয়েও বিরোধী আসনে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাজীব গান্ধী। কিন্তু এখন পরিস্থিতি অন্য রকম। তিন মাস পরপর লোকসভা নির্বাচন করা সম্ভব নয় আমাদের পক্ষে। স্থায়ী সরকার গড়ার সুযোগ যে সব দলের রয়েছে, তাদের প্রত্যেককেই এগিয়ে এসে দায়িত্ব পালন করতে হবে। দায়িত্ব পালনে তৈরি কংগ্রেসও, জানান তিনি। গত কয়েক দিন ধরেই আরও কিছু শরিক জোগাড় করে বৃহত্তর তৃতীয় ইউপিএ সরকার গড়ার চিন্তাভাবনা করছে কংগ্রেস। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে আঞ্চলিক দলগুলো কে কয়টি আসন পায় তার ওপর। কারণ কংগ্রেসের হিসেব অনুসারে, এমন কিছু আঞ্চলিক দল রয়েছে, যারা কোন পরিস্থিতিতেই বিজেপির হাত ধরতে পারবে না। পরিস্থিতির চাপেই তারা শেষে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে পারে। তবে সংখ্যালঘু কোন তৃতীয় ফ্রন্টের সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন করতে রাজি নন রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস নেতা দিগি¦জয় সিংও বলেছেন, ‘লেজ দেহকে নাড়াতে পারে না।’ খবর আজকালের
ঘণ্টায় ৩০০০ কি মি গতির ট্রেন!
একটি ট্রেনের গতি যদি ঘণ্টায় ৩ হাজার কিলোমিটার হয় তবে তাতে চড়তে কেমন লাগবে? এটি অনেক দূরের কল্পনা মনে হলেও চীনের এক গবেষক ভবিষ্যতে এমন ট্রেনের কথাই শোনালেন। সিচুয়ান প্রদেশের চেংদু শহরের সাউথওয়েস্ট জিয়াতঙ ইউনির্ভাসিটির সহযোগী অধ্যাপক দেং জিগ্যাঙ্গ প্রথমবারের মতো মানববাহী চৌম্বক প্রযুক্তিনির্ভর এই অতিগতি সম্পন্ন ট্রেনের সম্ভাব্য পরিকল্পনা ও প্রযুক্তি তুলে ধরেন বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। এশিয়ায় চৌম্বক প্রযুক্তির দ্রুতগতির ট্রেন ইতোমধ্যে ঘণ্টায় শতশত কিলোমিটার অতিক্রমের সামর্থ্য অর্জন করেছে। বর্তমানে এই ধরনের ট্রেন ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে। বাতাসের প্রতিরোধের কারণে এর বেশি গতি তোলা সম্ভবপর হয় না। জিগ্যাঙ্গ ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘চলার গতি ঘণ্টায় ৪শ’ কিলোমিটার ছাড়ালে বাতাসের বাধা বা প্রতিরোধের কারণে ট্রেনটি টেনে নেয়ার শক্তির ৮৩ ভাগেরও বেশি নষ্ট হয়। -ওয়েবসাইট
ঘণ্টায় ৩০০০ কি মি গতির ট্রেন!
একটি ট্রেনের গতি যদি ঘণ্টায় ৩ হাজার কিলোমিটার হয় তবে তাতে চড়তে কেমন লাগবে? এটি অনেক দূরের কল্পনা মনে হলেও চীনের এক গবেষক ভবিষ্যতে এমন ট্রেনের কথাই শোনালেন। সিচুয়ান প্রদেশের চেংদু শহরের সাউথওয়েস্ট জিয়াতঙ ইউনির্ভাসিটির সহযোগী অধ্যাপক দেং জিগ্যাঙ্গ প্রথমবারের মতো মানববাহী চৌম্বক প্রযুক্তিনির্ভর এই অতিগতি সম্পন্ন ট্রেনের সম্ভাব্য পরিকল্পনা ও প্রযুক্তি তুলে ধরেন বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। এশিয়ায় চৌম্বক প্রযুক্তির দ্রুতগতির ট্রেন ইতোমধ্যে ঘণ্টায় শতশত কিলোমিটার অতিক্রমের সামর্থ্য অর্জন করেছে। বর্তমানে এই ধরনের ট্রেন ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে। বাতাসের প্রতিরোধের কারণে এর বেশি গতি তোলা সম্ভবপর হয় না। জিগ্যাঙ্গ ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘চলার গতি ঘণ্টায় ৪শ’ কিলোমিটার ছাড়ালে বাতাসের বাধা বা প্রতিরোধের কারণে ট্রেনটি টেনে নেয়ার শক্তির ৮৩ ভাগেরও বেশি নষ্ট হয়। -ওয়েবসাইট
No comments:
Post a Comment