ধর্ষিতা ছাত্রীর মেডিক্যাল
পরীক্ষাতেও চরম অসহযোগিতা
নিজস্ব প্রতিনিধি
কলকাতা, ২রা মে — বিবেকানন্দ রোডে কলেজ ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনাকে চাপা দিতে মরিয়া কলকাতা পুলিস। ২৮শে এপ্রিল রাতের ঘটনাটি হলেও তিন দিন পর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হলো নির্যাতিতা ছাত্রীর। শুক্রবার দুপুর ২টা নাগাদ কলকাতার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষাটি হয়েছে। মেডিক্যাল পরীক্ষা দিতে এসেও ওই নির্যাতিতা ছাত্রীর সঙ্গে অসহযোগিতা করা হলো।
আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার তরফে শুক্রবার দুপুর ১২টার সময় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পরীক্ষায় অংশ নিতে বলা হয়েছিল। কয়েকজন বান্ধবী নিয়ে ওই ছাত্রী উত্তপ্ত দুপুরে হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে জানতে পারেন ধর্ষণের ঘটনার মূল তদন্তকারী আধিকারিক আসেননি। আসেননি কোন মহিলা পুলিসও। ফলে ওই গরমের মধ্যে হাসপাতালের বেঞ্চিতে ঠায় বসে থাকতে হয়। এক ঘণ্টা পরে পুলিস এলেও যে চিকিৎসকের ডাক্তারি পরীক্ষা করার কথা তিনি আসেননি। দুপুর ২টা নাগাদ ওই চিকিৎসক হাসপাতালে এলে শুরু হয় পরীক্ষা। তবে উপস্থিত তদন্তকারী আধিকারিকের কাছে বারেবারে অভিযোগকারী ছাত্রী বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দী দেওয়ার প্রস্তাব করে আসলেও তা আমল দেওয়া হয়নি।
ছাত্রী ধর্ষণের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার তদন্তে যেভাবে পুলিস গা ছাড়া ভাব দেখাচ্ছে তাতে পরিষ্কার দোষীকে আড়াল করতে পুলিস মরিয়া। এই অবস্থায় শনিবার থেকে ধারাবাহিক আমহার্স্ট স্ট্রিট এলাকায় প্রচার অভিযান শুরু করার পরিকল্পনা নিচ্ছে কয়েকটি ছাত্র সংগঠন। অপরাধীকে গ্রেপ্তার ও যথাযথ শাস্তির দাবিতে প্রয়োজনে কলকাতা পুলিস সদর লালবাজার অভিযান চালানো হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন সি পি আই (এম-এল) রাজ্য সম্পাদক পার্থ ঘোষ। তিনি জানান, যেহেতু ভিন জেলা থেকে প্রচুর ছাত্রী কলকাতায় পড়তে আসেন তাই তাঁদের নিরাপত্তার কথা ভেবে ছাত্র সংগঠনগুলি নির্যাতিতা ছাত্রীর হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবে। হাওড়া থেকে কলকাতায় পড়তে এসে ধর্ষণের শিকার ছাত্রীকে নিয়ে পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করতে শুক্রবার কলকাতায় বসেছেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
- See more at: http://ganashakti.com/bengali/news_details.php?newsid=55635#sthash.Ti6w2YuD.dpufআমহার্স্ট স্ট্রিট থানার তরফে শুক্রবার দুপুর ১২টার সময় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পরীক্ষায় অংশ নিতে বলা হয়েছিল। কয়েকজন বান্ধবী নিয়ে ওই ছাত্রী উত্তপ্ত দুপুরে হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে জানতে পারেন ধর্ষণের ঘটনার মূল তদন্তকারী আধিকারিক আসেননি। আসেননি কোন মহিলা পুলিসও। ফলে ওই গরমের মধ্যে হাসপাতালের বেঞ্চিতে ঠায় বসে থাকতে হয়। এক ঘণ্টা পরে পুলিস এলেও যে চিকিৎসকের ডাক্তারি পরীক্ষা করার কথা তিনি আসেননি। দুপুর ২টা নাগাদ ওই চিকিৎসক হাসপাতালে এলে শুরু হয় পরীক্ষা। তবে উপস্থিত তদন্তকারী আধিকারিকের কাছে বারেবারে অভিযোগকারী ছাত্রী বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দী দেওয়ার প্রস্তাব করে আসলেও তা আমল দেওয়া হয়নি।
ছাত্রী ধর্ষণের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার তদন্তে যেভাবে পুলিস গা ছাড়া ভাব দেখাচ্ছে তাতে পরিষ্কার দোষীকে আড়াল করতে পুলিস মরিয়া। এই অবস্থায় শনিবার থেকে ধারাবাহিক আমহার্স্ট স্ট্রিট এলাকায় প্রচার অভিযান শুরু করার পরিকল্পনা নিচ্ছে কয়েকটি ছাত্র সংগঠন। অপরাধীকে গ্রেপ্তার ও যথাযথ শাস্তির দাবিতে প্রয়োজনে কলকাতা পুলিস সদর লালবাজার অভিযান চালানো হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন সি পি আই (এম-এল) রাজ্য সম্পাদক পার্থ ঘোষ। তিনি জানান, যেহেতু ভিন জেলা থেকে প্রচুর ছাত্রী কলকাতায় পড়তে আসেন তাই তাঁদের নিরাপত্তার কথা ভেবে ছাত্র সংগঠনগুলি নির্যাতিতা ছাত্রীর হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবে। হাওড়া থেকে কলকাতায় পড়তে এসে ধর্ষণের শিকার ছাত্রীকে নিয়ে পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করতে শুক্রবার কলকাতায় বসেছেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
No comments:
Post a Comment