ঢাকার অদূরে চলন্ত ট্রেনে আগুন, দুটি বগি পুড়ে ছাই
লাফিয়ে পড়ে যাত্রীদের প্রাণে রক্ষা ॥ ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&dd=2014-05-14&ni=172719
স্টাফ রিপোর্টার ॥ চলন্ত অবস্থায় সিলেট থেকে ঢাকা অভিমুখী আন্তনগর ট্রেন কালনী এক্সপ্রেসের তিনটি বগিতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। খাবারের বগিতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে লাগা আগুন প্রায় পৌনে একঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। এতে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার বেলা দুপুরে রাজধানী ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে চার সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে রেল মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।
ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণকক্ষের ডিউটি অফিসার শাহজাদী সুলতানা জানান, বেলা দেড়টার দিকে ট্রেনটিতে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট তাৎক্ষণিক সেখানে যায়। বেলা সোয়া ২টার দিকে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আগুন লাগার পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণভয়ে অনেকে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়েন। অনেকে জানালা দিয়ে লাফ দেন। যাত্রীদের চিৎকার চেঁচামেচিতে আশপাশের লোকজন উদ্ধারে এগিয়ে আসে। চালক দ্রুত ট্রেনটি থামালে সবাই যাত্রীদের উদ্ধারে চেষ্টা চালান। সাধারণ মানুষকে পানি দিয়ে আগুন নেভাতে দেখা গেছে।
ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, সিলেট থেকে ঢাকা অভিমুখী আন্তঃনগর এই ট্রেনের খাবারের বগিতে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত। বগিটি মাঝে ছিল। এ ঘটনার পর ওই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয় বলেও জানান তিনি। ঘটনাস্থল থেকে আগুনে খাবারের বগিসহ দুটি বগি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এছাড়া আরও একটি বগি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রেনটি সকাল সাতটা ২০ মিনিটে সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে।
রেলের চীফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার মতিন চৌধুরী জানিয়েছেন, ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে বলা যাচ্ছে না। তদন্তের পর এ বিষয়ে জানানো হবে। রেলওয়ের সহকারী পরিচালক (অপারেশন) সাইদুর রহমান জানান, বেলা দেড়টার দিকে ট্রেনটির খাওয়ার বগিতে প্রথমে আগুন লাগে। পরে তা পাশের দুটি বগিতে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক এমপি। সেখানে মন্ত্রী ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, ক্যান্টিনের কর্মচারী থেকে শুরু করে ট্রেন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। অগ্নিকা-ের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছে কিনা তা জানতে চান মন্ত্রী। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ট্রেনের বগিও ঘুরে দেখেন তিনি। মন্ত্রী জানান, অগ্নিকা-ের ঘটনা তদন্তে রেলওয়ের প্রধান প্রেেকৗশলী মাহবুবুল আলমকে প্রধান করে ৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৭দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর পরই তিনটি বগিতে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ভেতর থেকে বেরুতে থাকে ধোঁয়ার কু-লী। ট্রেনের নিরাপত্তাকর্মীরাও বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারেননি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর দেখা গেছে, একটি বগির সব আসন পুড়ে ছাই। পাখাসহ জানালাও পুড়ে যেতে দেখা গেছে। ট্রেনের বাইরের অংশও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রেলপথ সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে খাবারের বগি থেকে আগুনের সূত্রপাত। আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে খাবারের বগিটি পরিচালিত হয়। খাবারের বগি থেকে আগুন লাগার বিষয়টি তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেলে ক্ষতিপূরণ আদায়সহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণকক্ষের ডিউটি অফিসার শাহজাদী সুলতানা জানান, বেলা দেড়টার দিকে ট্রেনটিতে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট তাৎক্ষণিক সেখানে যায়। বেলা সোয়া ২টার দিকে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আগুন লাগার পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণভয়ে অনেকে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়েন। অনেকে জানালা দিয়ে লাফ দেন। যাত্রীদের চিৎকার চেঁচামেচিতে আশপাশের লোকজন উদ্ধারে এগিয়ে আসে। চালক দ্রুত ট্রেনটি থামালে সবাই যাত্রীদের উদ্ধারে চেষ্টা চালান। সাধারণ মানুষকে পানি দিয়ে আগুন নেভাতে দেখা গেছে।
ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, সিলেট থেকে ঢাকা অভিমুখী আন্তঃনগর এই ট্রেনের খাবারের বগিতে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত। বগিটি মাঝে ছিল। এ ঘটনার পর ওই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয় বলেও জানান তিনি। ঘটনাস্থল থেকে আগুনে খাবারের বগিসহ দুটি বগি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এছাড়া আরও একটি বগি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রেনটি সকাল সাতটা ২০ মিনিটে সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে।
রেলের চীফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার মতিন চৌধুরী জানিয়েছেন, ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে বলা যাচ্ছে না। তদন্তের পর এ বিষয়ে জানানো হবে। রেলওয়ের সহকারী পরিচালক (অপারেশন) সাইদুর রহমান জানান, বেলা দেড়টার দিকে ট্রেনটির খাওয়ার বগিতে প্রথমে আগুন লাগে। পরে তা পাশের দুটি বগিতে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক এমপি। সেখানে মন্ত্রী ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, ক্যান্টিনের কর্মচারী থেকে শুরু করে ট্রেন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। অগ্নিকা-ের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছে কিনা তা জানতে চান মন্ত্রী। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ট্রেনের বগিও ঘুরে দেখেন তিনি। মন্ত্রী জানান, অগ্নিকা-ের ঘটনা তদন্তে রেলওয়ের প্রধান প্রেেকৗশলী মাহবুবুল আলমকে প্রধান করে ৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৭দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর পরই তিনটি বগিতে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ভেতর থেকে বেরুতে থাকে ধোঁয়ার কু-লী। ট্রেনের নিরাপত্তাকর্মীরাও বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারেননি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর দেখা গেছে, একটি বগির সব আসন পুড়ে ছাই। পাখাসহ জানালাও পুড়ে যেতে দেখা গেছে। ট্রেনের বাইরের অংশও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রেলপথ সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে খাবারের বগি থেকে আগুনের সূত্রপাত। আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে খাবারের বগিটি পরিচালিত হয়। খাবারের বগি থেকে আগুন লাগার বিষয়টি তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেলে ক্ষতিপূরণ আদায়সহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
No comments:
Post a Comment