‘বি জে পি এবং কংগ্রেস আধুলির এ-পিঠ আর ও-পিঠ৷ অর্থনীতি ও দুর্নীতির ক্ষেত্রে দু’জনেই সমান৷ কোনও পার্থক্য নেই৷’ শুক্রবার যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী সুজন চক্রবর্তীর সমর্থনে গড়িয়ায় এক জনসভায় এরকমই মম্তব্য করেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী তথা সি পি এম পলিটব্যুরো সদস্য মানিক সরকার৷ অন্যদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধেয় মথুরাপুর কেন্দ্রের প্রার্থী রিঙ্কু নস্করের সমর্থনে মন্দিরবাজারের লক্ষ্মীকাম্তপুর বাজারে এক সভায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘বিরোধী থাকার সময় মমতা ব্যানার্জি সব ঘটনায় সি বি আই তদম্তের দাবি জানাতেন৷ আর আজ রাজ্যের বৃহত্তম সারদা কেলেঙ্কারি নিয়েও সি বি আই তদম্তে কেন রাজি হচ্ছেন না মমতা? মাওবাদী-তৃণমূল যোগ নিয়েও সরব হন মানিক৷ সরাসরি মাওবাদীদের সঙ্গে সম্পর্ক আছে বলে জানিয়ে মানিকের তোপ, ‘সারা দেশের আজকে বড় সমস্যা মাওবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি৷ অথচ, এই রাজ্যে মাওবাদীদের সরাসরি সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল৷ আজ জঙ্গলমহলে সেদিনের মাও নেতারা সরাসরি তৃণমূলের হয়ে কাজ করছেন৷ এভাবে হয়ত কিছুদিন ক্ষমতায় থাকা যায়, কিন্তু ভবিষ্যৎ খুব খারাপ৷’ মানিক বলেন, ‘তৃণমূল নেত্রী এক হাতে কংগ্রেস, অন্য হাতে বি জে পি-কে নিয়ে চলছেন৷ নির্বাচনের পর সুযোগ বুঝে দুই দলে যাওয়ার পথ খোলা রাখছেন৷ এখন উনি বি জে পি-র সঙ্গে গড়াপেটা করে বিরোধিতা করছেন৷ কিন্তু আমরা, বামপম্হীরা সমমনোভাবাপন্ন দল নিয়ে তৃতীয় বিকল্পের কথা বলছি৷ আমাদের বিশ্বাস, কংগ্রেস বা বি জে পি নয়, তৃতীয় বিকল্প সরকার গড়বে৷’ গড়িয়ার সভায় বলেন, এর আগে বি জে পি ক্ষমতায় এসেছিল, কোনও দিশা দেখাতে পারেনি৷ এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন নির্ণায়ক শক্তি হবেন, কিন্তু তিনি বি জে পি, কংগ্রেস দুই আমলেই মন্ত্রী হয়েছিলেন৷ কিছুই করে দেখাতে পারেননি৷ মমতা তলায় তলায় বি জে পি-র হাত ধরে রয়েছেন৷ কৌশলে বি জে পি-কে আক্রমণ করছেন৷ বৃহস্পতিবার সভায় কাম্তি গাঙ্গুলি বলেন, ‘চিটফান্ড নিয়ে মুখ খোলায় আজ আমাদের দলের দুই নেতা গৌতম দেব ও সুজন চক্রবর্তীকে পুলিসের নোটিস পাঠানো হয়েছে৷ তৃণমূল নেত্রী প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে এই কাজ করেছেন৷ ’ এদিন উপস্হিত ছিলেন প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর ও স্হানীয় নেতৃবৃন্দ৷

|
No comments:
Post a Comment