Sunday, May 4, 2014

আজ হেফাজতের সেই রক্তাক্ত তান্ডবের ভয়াবহ ৫ মে শফীসহ সব হেফাজত নেতা টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে কোন্দলে

আজ হেফাজতের সেই রক্তাক্ত তান্ডবের ভয়াবহ ৫ মে
শফীসহ সব হেফাজত নেতা টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে কোন্দলে
বিভাষ বাড়ৈ ॥ বিএনপি-জামায়াত মদদপুষ্ট কথিত ধর্মীয় সংগঠন হেফাজতের তান্ডবের ভয়াবহ ৫ মের প্রথম বর্ষপূর্তি আজ। রাজধানীর শাপলা চত্বরে শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশের নামে বিতর্কিত সংগঠন হেফাজত ও তার মদদদাতা উগ্রবাদী গোষ্ঠী নারকীয় তান্ডব চালালেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দক্ষতার কাছে এদিন পরাস্ত হয়েছিল। বিএনপি-প্রত্যক্ষ মদদ দিলেও দেশ মুক্ত হয়েছিল তালেবানী রাষ্ট্র বানানোর পাঁয়তারা থেকে। এক বছরের মাথায় হেফাজতের আজ অবস্থা কি? কোথায় আছেন সরকারকে ফেলে দিয়ে তালেবানী রাষ্ট্র বানানোর হুমকিদাতা সেই নেতারা? এর উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে, এক বছর আগের সেই দেশজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী দাপুটে হেফাজত আর নেই। যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা, গণজাগরণ মঞ্চের বিরোধিতা আর সরকারকে ফেলে দেয়ার আন্দোলন করতে গিয়ে এক বছরের মাথায় সেই সংগঠনই আজ ভাঙ্গনের মুখে। সাধারণ মানুষের ধর্মীয় চেতনাকে ব্যবহার অবৈধ পন্থায় রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের স্বপ্ন দেখা প্রগতিবিরোধী ১৩ দফার জনক এ সংগঠনটি নিজেই এখন বিভক্ত-বিধ্বস্ত। অর্থ লোপাট, টাকার ভাগাভাগি, আধিপত্য বিস্তার আর ১৮ দলের রাজনীতি করতে গিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্ব। আমির আহমদ শফীর ভূমিকায়ও অন্য নেতারা আছেন গোলক ধাঁধায়।
হেফাজত নেতাকর্মী, সমর্থক ও কওমি আলেম ওলামাদের সঙ্গে কথা বলে বিতর্কিত এ সংগঠনের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে কওমি মাদ্রাসাগুলোতে প্রচার কার্য চালালেও এক বছরের মধ্যে জনমনে এই সংগঠনের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে। গত বছরের ৫ মে মতিঝিলে নাশকতামূলক কর্মকা- চালানোর পরই এ সংগঠনটি দেশজুড়ে বিতর্কিত হয়ে আছে। কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা কর্তৃপক্ষ গঠন বাতিলসহ ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নানা ঘটনা সৃষ্টি করার পর শেষ পর্যন্ত এক বছর পর হেফাজতের আমির আহমদ শফীর মনোভাব শিথিল হয়ে পড়েছে। শফীর পুত্র এবং হেফাজতের প্রচার সম্পাদক আনাস মাদানীসহ হাটহাজারী মাদ্রাসার কতিপয় শিক্ষক দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে নানা দুর্নীতির কারণে এ সংগঠনটির ভেতর দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। বিগত কয়েক বছর আগে হাটহাজারী ভূমি অফিসের সম্মুখে রেলের জমির ওপর বহুতল ভবন নির্মাণ এবং উক্ত ভূমি অফিসের পশ্চিম পার্শ্বে প্রায় ৪৪ শতক রেলের পরিত্যক্ত ভূমি জোরপূর্বক দখল করে ওই স্থানে ভাড়াঘর নির্মাণ করে। গত দেড় মাস ধরে এমন কর্মকা-ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। গণমাধ্যমে হেফাজতের এ ভূমিদস্যু চেহারা প্রকাশ হয়ে পড়ায় জনরোশের মুখে পুরো সংগঠন। অনেক নেতা লাভ-ক্ষতি হিসাব করে আহমদ শফীকে বাদ দিয়েও হেফাজতের কর্মকা- চালানোর পক্ষে গোপনে কাজ করছেন। আজ এই গ্রুপটিও আহমদ শফীকে বাদ দিয়ে এক বছর আগের ঘটার বর্ষপূর্তিতে মাঠে নামতে চায়। এই পক্ষটি অভিযোগ এনেছে, আহমদ শফীর পুত্র মাওলানা আনাস মাদানী দারুল উলুম মাদ্রাসার একজন শিক্ষক। সেই সুবাদে তিনি হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আনাস মাদানী মাদ্রাসা থেকে মাত্র দশ হাজার টাকা বেতন গ্রহণ করে পার্শ্ববর্তী হাতিনার দিঘীর ভিতর বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন। তবে আহমদ শফীকে বাদ দিয়ে যারা কাজ করার চেষ্টা করছেন তাদের অধিকাংশই বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিক সংগঠনের নেতা। জানা গেছে, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব আর টাকার ভাগবাটোয়ারা রাজধানীতে হেফাজতের সবচেয়ে বড় আস্তানা হিসেবে পরিচিত লালবাগ মাদ্রাসা, কামরাঙ্গীরচর ও বারীধারা মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণকারী নেতারাও জড়িয়ে পড়েছে বিরোধে।
লালবাগ মাদ্রাসার হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে অন্যান্য নেতারা অভিযোগ তুলেছেন, লালবাগিরা আহমদ শফীকে নিয়ন্ত্রণে রেখে হেফাজতের সকল কর্মসূচীকে জামায়াত-শিবিরের সহযোগিতায় হিংসাত্মক ও জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনে পরিণত করছে। লালবাগ মাদ্রাসার হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলেছেন চট্টগ্রামের হেফাজত নেতারাও। বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী হেফাজতের প্রভাবশালী দুই যুগ্ম মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ ও মাঈনুদ্দীন রুহীর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে নেতাকর্মীরা। দুজনের বিরুদ্ধে ১৮ দলের কাজ থেকে টাকা এনে আত্মস্ত করার অভিযোগ এনে আমিরের কাছে বহিষ্কারের পাশাপাশি কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন নেতাকর্মীরা। জানা গেছে, রাজধানীতে হেফাজতের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করে মূলত লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও বারীধারা মাদ্রাসাকেন্দ্রিক নেতারা। তবে লালবাগ মাদ্রাসার নেতাদের আবার প্রত্যেকেরই রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন দল। যার প্রত্যেকটি বিএনপি-জামায়াত জোটের অন্তর্ভুক্ত। তাই জোটের সুবিধা নিয়ে রাজনৈতিক ফাঁয়দা লোটার অভিযোগ এখানকার নেতাদের বিরুদ্ধে ছিল সব সময়েই। তবে সেই বিরোধ এবার চরম আকার ধারণ করেছে। যদিও এসব ঘটনা লালবাগ নেতাদের কেউ স্বীকার করছে না। তবে ক্ষোভের কথা বলছেন, অন্যান্য মাদ্রাসার নেতারা। অবস্থা এ পর্যায়ে চলে গেছে যে, আগে লালবাগ থেকে হেফাজতের ব্যানারে ঢাকার নেতারা আমিরের বক্তব্যসহ সকল কর্মসূচী প্রচার করলেও এখন চট্টগ্রামের নেতারা তা মানছেন না। একাধিক ব্যক্তি নিজেদের প্রচার সম্পাদক পরিচয় দিয়ে হেফাজতের বিবৃতি দিচ্ছেন। একই বিষয়ে দেয়া হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন বিবৃতি। বিষয়টি জানতে পেরে আমির আহমদ শফী চট্টগ্রাম থেকে নিজেই বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করা শুরু করেছেন। বলা হয়েছে, তার স্বাক্ষর ছাড়া বিবৃতি দেয়া যাবে না। আবার ঢাকার নেতারা বিভিন্নভাবে বলে বেড়াচ্ছেন, তাদের বাদ দিয়ে কিছু করতে গেলে তারা মানবেন না। ঢাকায় সংগঠন করতে দেবেন না বলেও হুমকি দিয়েছেন ঢাকার অনেক নেতা।
চট্টগ্রামের কয়েক নেতা আমিরের কাছে দাবি তুলেছেন, হেফাজতের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ঢাকার নেতাদেরাই দায়ী। তাদের মতে, ঢাকার নেতাদের অতি উৎসাহ আর স্বার্থের কারণেই হেফাজতের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। যুগ্ম মহাসচিব পদের এক নেতা বৃহস্পতিবার রাতে জনকণ্ঠকে বলেন, আমরা আমির সাহেবকে বলেছি সঙ্কটের জন্য যারাই দায়ী তাদের তদন্ত করে চিহ্নিত করতে হবে। সকল কর্মসূচীতে ঢাকার নেতাদের মধ্যে যাদের রাজনৈতিক পরিচয় আছে তাদের রাখা যাবে না। ওই নেতারা অভিযোগ করেন, ঢাকার কিছু নেতারা তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্যই গত বছর ৫ মে অবস্থান কর্মসূচীর ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে নিরীহ হেফাজত কর্মীদের ওপর হামলার সুযোগ পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আর রাতে সাধারণ কর্মীদের রেখে নেতারা নিজেরা সেখান থেকে সরে পড়েছিলেন। অবরোধে জামায়াত-শিবিরের নাশকতার কথা উল্লেখ্য করে আগেই কর্মসূচী থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছিল চট্টগ্রামের ছয়টি বড় মাদ্রাসা। এর একটির অধ্যক্ষ গত সপ্তাহে ঢাকায় এসেছিলেন বৈঠক করতে। তার অভিযোগ, কিছু নেতার ‘মঞ্চ কাঁপানো-অযৌক্তিক’ বক্তব্যের জন্যই হেফাজতের আজকে এ দশা হয়েছে। হেফাজত আজ বিতর্কের মুখে পড়েছে।
জানা গেছে, কেন্দ্রীয় দফতর হাটহাজারীর নেতারাও সংগঠন পরিচালনা নিয়ে এখন ভুগছেন সিদ্ধান্তহীনতায়। কিভাবে চালাবেন আগামীর আন্দোলন, নাকি এখানেই থেমে যাবে সব, এমন দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন তারা। সংশয় আর সিদ্ধান্তহীনতার মাঝে আন্দোলনের নতুন কর্মসূচী কী হতে পারে, সেটা নিয়েও আছেন বিপাকে। সংগঠনের আমির শফীর কণ্ঠ থেকেও বের হচ্ছে না নতুন ঘোষণা। কেবল মাঝে মাঝে দুই-একটি বিবৃতি দিয়েই দায়সারাভাবেই চলছে সংগঠনের দিনকাল। সরকারের কঠোর অবস্থানেও আমির আহমদ শফীর নমনীয় ভূমিকায়ও গোলক ধাঁধায় অনেক নেতা। অনেক নেতা বলছেন, আমির এখন কাউকে খুব একটা বেশি বিশ্বাস করছেন না। নতুন অভিযোগ উঠেছে সম্প্রতি। হেফাজতের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে পশ্চিমা একটি দেশের দূতাবাসের পরামর্শে সংগঠন চালানোর অভিযোগ উঠেছে সংগঠনের অভ্যন্তরে। এসব কারণে সংগঠনের অনেকে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। সূত্রমতে, হেফাজতে ইসলামের কয়েকজন নেতা সরাসরি একটি পশ্চিমা দেশের পরামর্শে কাজ করেন। বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম দুই নেতা, রাজধানীর ঢাকার একটি জোটভিত্তিক ইসলামী দলের মহাসচিব এ কাজে সরাসরি সম্পৃক্ত। নেতাকর্মীদের অভিযোগ, এই দুইজন নেতা ঢাকা, চট্টগ্রামের দুটি মাদ্রাসায় পড়ান। এ ছাড়া দুই-একটি ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও তাদের এত অর্থের উৎস কোথায়। আরও কয়েকজন এ অভিযোগে অভিযুক্ত।
কোন কোন নেতা প্রশ্ন করছেন, কি কারণে লালখান বাজারে অস্ট্রেলিয়ার দূতাবাসের কর্মকর্তারা যান। কেন আমেরিকার দূতাবাসের কর্মকর্তারা হাটহাজারী মাদ্রাসায় গমন করেন। এসবের কোন ব্যাখ্যা নেই। হেফাজতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী অবশ্য দাবি করছেন, এসব অভিযোগ কাল্পনিক। আমেরিকার দূতাবাসসহ পশ্চিমা দূতাবাসগুলো তো হেফাজতের বিরোধিতা করে। আমরা কেন তাদের পরামর্শে চলব। জানা গেছে, ওই সময়ের অত্যন্ত ক্ষমতাধর নেতারা এখন নেতাকর্মীদের থেকে দূরে দূরে থাকেন। মতবিরোধে জড়িয়ে মুফতি ফয়জুল্লাহ লেখালেখি, ফেসবুকে সময় দিয়েই ব্যস্ত থাকেন। মাঝে মাঝে লালবাগ মাদ্রাসা ও বড় কাটারা মাদ্রাসায় অবস্থান করেন। মাদ্রাসাতেই ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফতে ইসলামীর ঘরোয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। শফিক উদ্দীন হজের ব্যবসা করেন। এ ছাড়া অন্যান্য নেতারও স্বাভাবিক জীবন-যাপন করছেন।
৫ মে শাপলা অপারেশনের পর মাথা উঁচু করতে পারেনি সংগঠনটি। কোমলমতি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বাধ্য করে সমাবেশে অংশগ্রহণ করানো, মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া, অসংখ্য শিক্ষার্থী আহত, নিহত-আহতদের নামে সংগৃহিত অর্থ ভাগবাটোয়ারাসহ বিভিন্ন কারণে বিভক্ত হয়ে পড়ে হেফাজত। খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি হাসান জুনাঈদ বলেন, আল্লামা শফীর সম্প্রতি আচরণ, কর্মসূচীহীনতার কারণে হেফাজতের কর্মীরা হতাশ। আমরাও হতাশ। সরকার আমাদের মেরেছে, অথচ তিনি বলছেন আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ ওনার বন্ধু। বিরোধে যুক্ত হয়েছে রাজধানী ঢাকা কমিটির দ্বন্দ্ব। হেফাজতের নাম ব্যবহার করে ঢাকা আমির মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমি কয়েকটি ধর্মভিত্তিক দলের নেতাদের নিজ দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ভিড়িয়েছেন। এ অভিযোগে ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত মজলিসসহ কয়েকটি দলের সঙ্গে তৈরি হয়েছে বিরোধ।
লালবাগ মাদ্রাসাকে ষড়যন্ত্রের আখড়া হিসেবে আখ্যায়িত করে অবিলম্বে এই মাদ্রাসায় সকল রাজনীতি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে বিশিষ্ট আলেম ও নাগরিকদের সমন্বয়য়ে গঠিত ‘ইসলামী ঐক্য মঞ্চ।’ সংগঠনের নেতারা বলেছেন, এখানে হেফাজতসহ কারও রাজনৈতিক অফিস থাকতে পারবে না। এই মাদ্রাসা থেকেই গত বছর ৫ মে সরকার উৎখাতের চক্রান্ত হয়েছিল।
ইসলামী শিক্ষাদানের নামে এই মাদ্রাসায় চলে রাজনৈতিক কার্যকলাপ। চলে পবিত্র ইসলামকে অপবিত্র করার ষড়যন্ত্র। ইসলামী ঐক্যমঞ্চের সভাপতি মাওলানা মাসউদুর রহমান বিক্রমপুরী বলেছেন, লালবাগ থেকে বার বার ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। এতে দেশের সব আলেম সমাজ লালবাগ ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছেন।

No comments:

Post a Comment