সমর্থনপত্র চাইবেন প্রণব
ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে সরকার গঠনের আহ্বান প্রসঙ্গ
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা জোটকে সরকার গঠনের আহ্বান জানানোর আগে তাদের প্রতি শরিকদের সমর্থনপত্র দেখতে চাইতে পারেন। লোকসভা নির্বাচনে কোন দল বা নির্বাচনপূর্ব জোট সরকার গঠনের মতো নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্থাৎ ৫৪৩ আসনের মধ্যে কমপক্ষে ২৭২টি আসন না পেলেই এই পদক্ষেপ নিবেন প্রণব মুখার্জী। ভারতীয় রাষ্ট্রপতির লক্ষ্য হচ্ছে কেন্দ্রে একটি স্থায়ী ও টেকসই সরকার নিশ্চিত করা। তিনি নিশ্চিত হতে চাইছেন সরকার গঠনের জন্য যে দল বা জোটকে ডাকা হবে তারা স্থিতিশীল সরকার গড়তে পারবে কিনা। রাইসিনা হিলস সূত্র এ কথা জানিয়েছে। রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীকে এই মর্মে পরামর্শ দেয়া হয়েছে যে, জোটের কাছ থেকে শরিকদের সমর্থনপত্র গ্রহণের মাধ্যমেই এ বিষয়টি নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৮৯ সালে সরকার গঠন নিয়ে সমস্যায় পড়েছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আর ভেঙ্কটরেমন। ১৯৬টি আসন নিয়ে কংগ্রেস একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয়েও সরকার গঠন করতে রাজি হননি রাজীব গান্ধী। তখন জনতা দল নেতা ভিপি সিংকে সরকার গঠন করতে ডাকেন কিন্তু সেই সরকার ছিল প্রথম থেকেই ভঙ্গুর। এর আগে ১৯৯৬ সালে তদানীন্তন রাষ্ট্রপতি শঙ্কর দয়াল শর্মা লোকসভা নির্বাচনের পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজেপি দলের নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ীকে সরকার গঠনের জন্য ডেকেছিলেন। কিন্তু বাজপেয়ী সরকার সেবার দুই সপ্তাহও টেকেনি। এই বাস্তবতার নিরিখে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে শলাপরামর্শ করছেন এবং নিজেও বিভিন্ন আইনগত বিষয় ঘাঁটাঘাঁটি করছেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের।
কদিন আগে পর্যন্ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি বই পড়ছিলেন। যে বিষয়ে তাঁর বরাবরের আগ্রহ। কিন্তু সেই বইটি আপাতত পাশে সরিয়ে রেখে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী ইদানিং হাতে তুলে নিয়েছেন রডনি ব্রেজিয়ারের লেখা ‘কনস্টিটিউশনাল প্র্যাকটিস’-এর দ্বিতীয় সংস্করণ! সেই সঙ্গে ব্রিটিশ ও ভারতীয় সাংবিধানিক ব্যবস্থা সংক্রান্ত আরও কিছু বই। কেন? রাইসিনা হিলস্-সূত্র বলছে, ১৬ মে লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ নিয়ে যখন কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে, তখন পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য ‘হোমওয়ার্ক’ সেরে রাখছেন প্রণব। রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের কর্তাদের মতে, কোন একটি রাজনৈতিক দল বা প্রাক্-ভোট জোট স্পষ্ট ম্যান্ডেট পেলে সরকার গঠন নিয়ে কোন জটিলতা থাকবে না। সোমবার শেষ দফা ভোটের পরে বিভিন্ন বুথ-ফেরত সমীক্ষায় ইঙ্গিত, বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে। এই ইঙ্গিত মিলে গেলে রাষ্ট্রপতির কাজ সহজ হয়ে যাবে। কিন্তু সেই ফল যদি না মেলে? কোন দল বা প্রাক-ভোট জোট যদি স্পষ্ট ম্যান্ডেট না পায়? সমস্যা হবে সেখানেই। রাইসিনা হিলসের কর্তারা বলছেন, বরাবর ‘কপিবুক’ রাজনীতি করে আসা প্রণব সেই পরিস্থিতিতেই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন। কারণ, সরকার গঠন নিয়ে কোন বিতর্ক যাতে তৈরি না হয়, একদিকে সেটা তাঁকে সুনিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি এও দেখতে হবে, তিনি যাদের ডাকবেন, তারা স্থায়ী সরকার করতে পারবে কি না। এই অবস্থার কথা মাথায় রেখেই যাবতীয় প্রস্তুতি নিতে“শুরু করেছেন রাষ্ট্রপতি। সূত্রের দাবি, প্রণব মুখার্জী এর আগের ১৫টি লোকসভায় সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার ইতিহাসই শুধু ঘেঁটে দেখছেন না, এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপতির কর্তব্য এবং সাংবিধানিক এখতিয়ার খতিয়ে দেখতে সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও পরামর্শ শুরু করেছেন।
সংবিধান ও আইনী বিষয়ে পরামর্শের জন্য প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইন সচিব তথা লোকসভার প্রাক্তন সেক্রেটারি জেনারেল টি কে বিশ্বনাথনকে ইতোমধ্যেই উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করেছেন রাষ্ট্রপতি। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি আরও কয়েকজন সংবিধান বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিচ্ছেন বলেও জানা গেছে। ইতোমধ্যেই তিনি ডেকে পাঠিয়ে কথা বলেছেন প্রাক্তন সলিসিটর জেনারেল মোহন পরাশরন, সোলি সোরাবজি, ফলি নরিম্যানের সঙ্গে। ভোটপর্ব শেষ হওয়ার মঙ্গলবার থেকেই তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করতে শুরু করেছেন।
কদিন আগে পর্যন্ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি বই পড়ছিলেন। যে বিষয়ে তাঁর বরাবরের আগ্রহ। কিন্তু সেই বইটি আপাতত পাশে সরিয়ে রেখে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী ইদানিং হাতে তুলে নিয়েছেন রডনি ব্রেজিয়ারের লেখা ‘কনস্টিটিউশনাল প্র্যাকটিস’-এর দ্বিতীয় সংস্করণ! সেই সঙ্গে ব্রিটিশ ও ভারতীয় সাংবিধানিক ব্যবস্থা সংক্রান্ত আরও কিছু বই। কেন? রাইসিনা হিলস্-সূত্র বলছে, ১৬ মে লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ নিয়ে যখন কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে, তখন পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য ‘হোমওয়ার্ক’ সেরে রাখছেন প্রণব। রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের কর্তাদের মতে, কোন একটি রাজনৈতিক দল বা প্রাক্-ভোট জোট স্পষ্ট ম্যান্ডেট পেলে সরকার গঠন নিয়ে কোন জটিলতা থাকবে না। সোমবার শেষ দফা ভোটের পরে বিভিন্ন বুথ-ফেরত সমীক্ষায় ইঙ্গিত, বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে। এই ইঙ্গিত মিলে গেলে রাষ্ট্রপতির কাজ সহজ হয়ে যাবে। কিন্তু সেই ফল যদি না মেলে? কোন দল বা প্রাক-ভোট জোট যদি স্পষ্ট ম্যান্ডেট না পায়? সমস্যা হবে সেখানেই। রাইসিনা হিলসের কর্তারা বলছেন, বরাবর ‘কপিবুক’ রাজনীতি করে আসা প্রণব সেই পরিস্থিতিতেই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন। কারণ, সরকার গঠন নিয়ে কোন বিতর্ক যাতে তৈরি না হয়, একদিকে সেটা তাঁকে সুনিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি এও দেখতে হবে, তিনি যাদের ডাকবেন, তারা স্থায়ী সরকার করতে পারবে কি না। এই অবস্থার কথা মাথায় রেখেই যাবতীয় প্রস্তুতি নিতে“শুরু করেছেন রাষ্ট্রপতি। সূত্রের দাবি, প্রণব মুখার্জী এর আগের ১৫টি লোকসভায় সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার ইতিহাসই শুধু ঘেঁটে দেখছেন না, এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপতির কর্তব্য এবং সাংবিধানিক এখতিয়ার খতিয়ে দেখতে সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও পরামর্শ শুরু করেছেন।
সংবিধান ও আইনী বিষয়ে পরামর্শের জন্য প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইন সচিব তথা লোকসভার প্রাক্তন সেক্রেটারি জেনারেল টি কে বিশ্বনাথনকে ইতোমধ্যেই উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করেছেন রাষ্ট্রপতি। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি আরও কয়েকজন সংবিধান বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিচ্ছেন বলেও জানা গেছে। ইতোমধ্যেই তিনি ডেকে পাঠিয়ে কথা বলেছেন প্রাক্তন সলিসিটর জেনারেল মোহন পরাশরন, সোলি সোরাবজি, ফলি নরিম্যানের সঙ্গে। ভোটপর্ব শেষ হওয়ার মঙ্গলবার থেকেই তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করতে শুরু করেছেন।
No comments:
Post a Comment