তদন্ত কমিটি আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়েছে, প্রাথমিক রিপোর্ট দাখিল
না’গঞ্জে সাত খুন
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
স্টাফ রিপোর্টার ॥ নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সেভেন মার্ডারের ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট হাইকোর্টে দাখিল করেছে উচ্চ আদালতের নির্দেশে গঠিত প্রশাসনিক তদন্ত কমিটি। কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় র্যাবের সম্পৃক্ততার অভিযোগসহ পুরো ঘটনার তদন্তের এক সপ্তাহের কাজের অগ্রগতির প্রতিবেদন দাখিল করে ওই তদন্ত কমিটি পুরো কাজ শেষ করতে আরও চার সপ্তাহের সময় চেয়েছে আদালতের কাছে।
বুধবার দুপুরে তদন্তের অগ্রগতি জানিয়ে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপক্ষের এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে জমা দেন আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও ওই কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান খান। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের কাছে আরও চার সপ্তাহ সময়ের আবেদনের কথা জানান।
মিজানুর রহমান খান সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের আদেশে আমাদের কমিটি গঠিত হয়েছিল। আমরা একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দিয়েছি। এটা পূর্ণাঙ্গ করতে আরও চার সপ্তাহ সময় প্রয়োজন, আমরা সে সময়টাই চেয়েছি। তিনি জানান, গত ৭ মে গঠিত এই প্রশাসনিক কমিটি নারায়ণগঞ্জ গিয়ে অপহরণের এবং লাশ উদ্ধারের স্থান পর্যবেক্ষণের পর নিহত সাতজনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এরপর এক দফায় গণশুনানিতে ছয়জনের বক্তব্য শুনেছেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। বৃহস্পতিবারও গণশুনানি নেবেন তাঁরা। বহুল আলোচিত এই হত্যাকা-ের তদন্তে এই পর্যন্ত কাজের মূল্যায়ন জানতে চাইলে মিজানুর রহমান বলেন, এই পর্যন্ত যে তদন্ত হয়েছে তাতে আমরা সন্তুষ্ট। এই হত্যাকা-ে র্যাব-১১-এ থাকা তিন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে, যাদের গ্রেফতারের জন্য আদালতের আদেশও রয়েছে। সামরিক বাহিনী থেকে অবসরে পাঠানো ওই তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন কি-না প্রশ্ন করা হলে তদন্ত কমিটির সদস্য মিজানুর বলেন, প্রয়োজন হলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত সে ধরনের কোন উদ্যোগ নেই।
তদন্তের অগ্রগতির প্রতিবেদন বুঝে নিয়ে ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল এএসএম নাজমুল হক সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার বিষয়টি কার্যতালিকায় থাকবে। আশা করি, সেখানে দাখিল করতে পারব।
এর আগে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ ও খুনের ঘটনায় র্যাব ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ অন্যদের জড়িত থাকার অভিযোগসহ সার্বিক বিষয়ে তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশে গত ৭ মে কমিটি গঠন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহজাহান আলী মোল্লাকে প্রধান করে সাত সদস্যের ওই কমিটি ইতোমধ্যেই নারায়ণগঞ্জের ঘটনাস্থল ও লাশ উদ্ধারের স্থান পরিদর্শন, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষ্যগ্রহণসহ তদন্ত কাজ শুরু করেছেন।
বিচারপতি মোঃ রেজাউল হক ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে গত ৫ মে এ তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে ডিবির পাশাপাশি সিআইডিকেও এ হত্যাকা-ের তদন্তের দায়িত্ব দেয়ার নির্দেশ দেন আদালত। র্যাবের সহযোগিতায় সাতজনকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় ৬ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ ওঠার পর হাইকোর্টের এ নির্দেশ আসে। এর পর ১১ মে হাইকোর্ট আরেক আদেশে তিন র্যাব কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়। গ্রেফতারের আইনগত প্রক্রিয়া চলছে জানালেও ৭২ ঘণ্টায়ও তাদের গ্রেফতার করা হয়নি।
বুধবার দুপুরে তদন্তের অগ্রগতি জানিয়ে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপক্ষের এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে জমা দেন আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও ওই কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান খান। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের কাছে আরও চার সপ্তাহ সময়ের আবেদনের কথা জানান।
মিজানুর রহমান খান সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের আদেশে আমাদের কমিটি গঠিত হয়েছিল। আমরা একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দিয়েছি। এটা পূর্ণাঙ্গ করতে আরও চার সপ্তাহ সময় প্রয়োজন, আমরা সে সময়টাই চেয়েছি। তিনি জানান, গত ৭ মে গঠিত এই প্রশাসনিক কমিটি নারায়ণগঞ্জ গিয়ে অপহরণের এবং লাশ উদ্ধারের স্থান পর্যবেক্ষণের পর নিহত সাতজনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এরপর এক দফায় গণশুনানিতে ছয়জনের বক্তব্য শুনেছেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। বৃহস্পতিবারও গণশুনানি নেবেন তাঁরা। বহুল আলোচিত এই হত্যাকা-ের তদন্তে এই পর্যন্ত কাজের মূল্যায়ন জানতে চাইলে মিজানুর রহমান বলেন, এই পর্যন্ত যে তদন্ত হয়েছে তাতে আমরা সন্তুষ্ট। এই হত্যাকা-ে র্যাব-১১-এ থাকা তিন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে, যাদের গ্রেফতারের জন্য আদালতের আদেশও রয়েছে। সামরিক বাহিনী থেকে অবসরে পাঠানো ওই তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন কি-না প্রশ্ন করা হলে তদন্ত কমিটির সদস্য মিজানুর বলেন, প্রয়োজন হলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত সে ধরনের কোন উদ্যোগ নেই।
তদন্তের অগ্রগতির প্রতিবেদন বুঝে নিয়ে ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল এএসএম নাজমুল হক সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার বিষয়টি কার্যতালিকায় থাকবে। আশা করি, সেখানে দাখিল করতে পারব।
এর আগে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ ও খুনের ঘটনায় র্যাব ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ অন্যদের জড়িত থাকার অভিযোগসহ সার্বিক বিষয়ে তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশে গত ৭ মে কমিটি গঠন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহজাহান আলী মোল্লাকে প্রধান করে সাত সদস্যের ওই কমিটি ইতোমধ্যেই নারায়ণগঞ্জের ঘটনাস্থল ও লাশ উদ্ধারের স্থান পরিদর্শন, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষ্যগ্রহণসহ তদন্ত কাজ শুরু করেছেন।
বিচারপতি মোঃ রেজাউল হক ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে গত ৫ মে এ তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে ডিবির পাশাপাশি সিআইডিকেও এ হত্যাকা-ের তদন্তের দায়িত্ব দেয়ার নির্দেশ দেন আদালত। র্যাবের সহযোগিতায় সাতজনকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় ৬ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ ওঠার পর হাইকোর্টের এ নির্দেশ আসে। এর পর ১১ মে হাইকোর্ট আরেক আদেশে তিন র্যাব কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়। গ্রেফতারের আইনগত প্রক্রিয়া চলছে জানালেও ৭২ ঘণ্টায়ও তাদের গ্রেফতার করা হয়নি।
No comments:
Post a Comment